ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পাকিস্তান সম্মান ও স্বীকৃতি অর্জন করেছে: শেহবাজ শরিফ ২০ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ২০ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল বাংলাদেশের আজ দ্বিতীয় লক্ষ্য পূরণের ম্যাচ প্রতিপক্ষ পাকিস্তান অরুণাচলে বাঁধ নির্মাণ করেছে চীন পাল্টা প্রকল্প ভারতের সুইডেনের বিপক্ষে ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংয়ের খেলা নিয়ে সংশয় হাইতিকে ৩-০ গোলে হারাল ব্রাজিল টাইলস আমদানিতে ধস, কমেছে রাজস্ব আয় ব্রিটেনে উপনির্বাচনে বার্নহামের জয়, চ্যালেঞ্জের মুখে স্টারমারের প্রধানমন্ত্রিত্ব ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত চা-শ্রমিকরা রাজধানীতে আবাসিক হোটেলে সৌদিপ্রবাসীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য গফরগাঁওয়ে ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে মৃত্যু শেবাচিমে মোবাইলের আলোয় আইসিইউ সেবা উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালাতে ইরাকে গোপন সেল গঠন ইরানের ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি হঠাৎ দেখা নীলমাথা হাঁস সবার আগে শেষ নকআউটে মেক্সিকো বৈঠা যেন তার জীবনের নিয়তি আগের পোশাকে ফিরছে পুলিশ কানাডার উৎসব ম্লান ভয়াবহ চোটে গোলোৎসবের দিন মেসির গোল উদযাপনে বদলের পরামর্শ ২০ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি জার্মানির সামনে আফ্রিকান চ্যালেঞ্জ, ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ইকুয়েডর বিশ্বকাপে দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়ে মরক্কোর জয় বিদায়ের আগে আবেগঘন এক বন্ধনের গল্প বস্টনের মন জয় করেছে টার্টান আর্মি দ্রুততম গোলে এগিয়ে বিরতিতে মরক্কো সুইডিশ সমর্থকদের ‘ইয়েলো মার্চ’ রদ্রিকে নিয়ে সমালোচনা ‘অপমানজনক’ ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে স্পেন ৭২ সেকেন্ডে গোল করে বিশ্বকাপে রেকর্ড মরক্কোর

৭ অক্টোবরের ব্যর্থতা, শীর্ষ সেনা কমান্ডারদের বরখাস্ত করল ইসরায়েল

প্রকাশ: ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:৫৬ পিএম
আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৩৩ পিএম
৭ অক্টোবরের ব্যর্থতা, শীর্ষ সেনা কমান্ডারদের বরখাস্ত করল ইসরায়েল
ইসরায়েলি সেনাপ্রধান আইয়াল জমির। ছবি: সংগৃহীত

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলা প্রতিরোধে ব্যর্থতার জেরে বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। পাশাপাশি অনেককে আনুষ্ঠানিকভাবে ভর্ৎসনা বা তিরস্কারও করা হয়েছে।

আজ সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত হওয়া জেনারেলদের তালিকায় রয়েছেন সামরিক গোয়েন্দা বিভাগ, অপারেশন বা অভিযান বিভাগ এবং গাজার দায়িত্বে থাকা সাউদার্ন কমান্ডের প্রধানরা।

যদিও ইসরায়েল সরকার এখনও ওই হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত শুরু করেনি, তার আগেই সামরিক বাহিনী এই পদক্ষেপ নিল। উল্লেখ্য, ওই হামলার পরেই গাজায় ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ শুরু হয়।

গতকাল রবিবার এক বিবৃতিতে সামরিক বাহিনী জানায়, বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে তাদের ‘রিজার্ভ ডিউটি’ বা সংরক্ষিত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে এবং তারা আর সেনাবাহিনীতে কাজ করবেন না।

ইসরায়েলি সেনাপ্রধান (চিফ অব স্টাফ) আইয়াল জমির বলেন, “ইসরায়েলি সশস্ত্র বাহিনী ৭ অক্টোবর তার মূল দায়িত্ব—ইসরায়েলের নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে—ব্যর্থ হয়েছে।” 

তিনি আরও বলেন, “এটি একটি তীব্র, স্পষ্ট এবং কাঠামোগত ব্যর্থতা। সেই দিনের শিক্ষাগুলো অনেক এবং তাৎপর্যপূর্ণ, যা ভবিষ্যতের জন্য আমাদের দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।”

যাদের রিজার্ভ ডিউটি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে গোয়েন্দা অধিদপ্তর, অপারেশন ডিরেক্টরেট এবং সাউদার্ন কমান্ডের সাবেক প্রধানরা রয়েছেন। তারা আগেই সক্রিয় দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছিলেন, তবে এতদিন রিজার্ভে ছিলেন।

বর্তমান গোয়েন্দা অধিদপ্তরের প্রধান (যিনি হামলার সময় অপারেশন বিভাগের প্রধান ছিলেন) ভর্ৎসনার শিকার হয়েছেন। তবে তিনি ২০২৮ সালে মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন এবং এরপর স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, নিজ অনুরোধে পদত্যাগ করবেন। এছাড়া আরও কয়েকজন কর্মকর্তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে এবং একজনকে চাকরিচ্যুত করার কথা জানানো হয়েছে।

হামাসের ড্রোন ও প্যারাগ্লাইডার হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর প্রধান এবং নৌবাহিনী প্রধানকেও আনুষ্ঠানিকভাবে তিরস্কার করা হয়েছে।

জনগণের চাপ ও জবাবদিহিতা

হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতার জবাবদিহিতার দাবিতে ইসরায়েলে তীব্র জনরোষের মধ্যেই এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলো। গত শনিবার তেল আবিবে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী এবং বিরোধী দলীয় নেতারা রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন।

দুই সপ্তাহ আগে সেনাপ্রধান আইয়াল জমির একটি “পদ্ধতিগত তদন্তের” আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু, যিনি এই ব্যর্থতায় নিজের দায় অস্বীকার করে আসছেন, এখন পর্যন্ত কোনো গভীর তদন্ত শুরু করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

ইসরায়েলি হিসাব অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় প্রায় ১,২০০ মানুষ নিহত হয় এবং ২৫০ জনকে জিম্মি করা হয়। এর জবাবে ইসরায়েল দুই বছর ধরে গাজায় স্থল ও বিমান হামলা চালাচ্ছে, যাতে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে ৬৯,০০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাস একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সই করে। তবে চুক্তিটি বর্তমানে প্রথম ধাপেই আটকে আছে। ইসরায়েল চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে গাজায় প্রতিদিন হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে, এবং উভয় পক্ষই একে অপরকে শর্ত ভঙ্গের জন্য দোষারোপ করছে।

গাজার কর্তৃপক্ষ এখন কাতার, তুরস্ক, মিশর এবং যুক্তরাষ্ট্রের মতো মধ্যস্থতাকারীদের আহ্বান জানিয়েছে যেন তারা ইসরায়েলকে এই লঙ্ঘন বন্ধ করতে চাপ দেয়, যার ফলে ইতিমধ্যেই শত শত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা

মাহফুজ/

অরুণাচলে বাঁধ নির্মাণ করেছে চীন পাল্টা প্রকল্প ভারতের

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:৫৫ এএম
অরুণাচলে বাঁধ নির্মাণ করেছে চীন পাল্টা প্রকল্প ভারতের
ভারতের অরুণাচল প্রদেশের সিয়াং আপার মাল্টিপারপাস জলবিদ্যুৎ প্রকল্প/ ছবি: সংগৃহীত

ভারতের অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে তিব্বতের ইয়ারলুং স্যাংপো নদীর নিম্ন অববাহিকায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণ শুরু করেছে চীন। জবাবে ভারতও অরুণাচল প্রদেশের সিয়াং আপার মাল্টিপারপাস প্রকল্প দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দিল্লি জানায়, ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় চীনের সব কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নিম্নাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

চীন আনুষ্ঠানিকভাবে ইয়ারলুং স্যাংপো নদীর নিম্নাংশে ৬০ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মেডোগ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু করেছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রকল্পটি অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

বেইজিংয়ের এই উদ্যোগের সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসেবে দিল্লি অরুণাচল প্রদেশের আপার সিয়াং ও সিয়াং জেলায় প্রস্তাবিত ১১ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার সিয়াং আপার মাল্টিপারপাস প্রকল্প (সাম্প) এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এনএইচপিসি পরিচালিত এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এটি হবে ভারতের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎকেন্দ্র। বছরে প্রায় ৪৭ বিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি রুপি।

দুই প্রকল্পের অগ্রগতির মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। চীনের ৬০ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার মেডোগ প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। বিপরীতে ভারতের সাম্প প্রকল্প এখনো প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাই পর্যায়ে রয়েছে। এমনকি নির্মাণ-পূর্ব সমীক্ষার কাজও শুরু হয়নি।

ভারত এখন কৌশলগত প্রতিক্রিয়া জোরদার করার পাশাপাশি বিতর্কিত নদীটিতে বেইজিংয়ের প্রতিটি পদক্ষেপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।তিব্বতের ইয়ারলুং স্যাংপো নদী ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশের পর সিয়াং নামে পরিচিত হয়। পরে ব্রহ্মপুত্র নদে পরিণত হয়ে অরুণাচল ও আসাম প্রদেশে প্রবেশ করে এবং লাখো মানুষের জীবন ও জীবিকার প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, উজানে এত বড় বাঁধ নির্মাণের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে মৌলিক পরিবর্তন আসতে পারে। এতে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কৃষিব্যবস্থা বিপর্যস্ত এবং নিম্নাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা হতে পারে।

লোকসভায় দেওয়া লিখিত জবাবে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় চীনের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পসহ সব ধরনের কর্মকাণ্ড সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিম্নাঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকা রক্ষায় প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ও সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দিল্লি বরাবরই সীমান্তবর্তী নদীসংক্রান্ত সব প্রকল্পে স্বচ্ছতা, তথ্য বিনিময় এবং আগাম পরামর্শের জন্য বেইজিংয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসছে। তবে এখন পর্যন্ত খুব বেশি অগ্রগতি হয়নি।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি সাম্প প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে নিম্নাঞ্চলের মৌসুমি বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং উজানে পানিপ্রবাহ পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডকে সুরক্ষা দেওয়া। এ কারণে প্রকল্পটির ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বও অর্থনৈতিক গুরুত্বের সমান বলে মনে করা হচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সময়ে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পূর্বাভাস ব্যবস্থা, নদী পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক এবং অবকাঠামোগত সক্ষমতা জোরদার করার কাজও এগিয়ে নিচ্ছে দিল্লি। সূত্র: এনডিটিভি

ব্রিটেনে উপনির্বাচনে বার্নহামের জয়, চ্যালেঞ্জের মুখে স্টারমারের প্রধানমন্ত্রিত্ব

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ এএম
ব্রিটেনে উপনির্বাচনে বার্নহামের জয়, চ্যালেঞ্জের মুখে স্টারমারের প্রধানমন্ত্রিত্ব
অ্যান্ডি বার্নহাম এবং কিয়ার ষ্টারমার

যুক্তরাজ্যের উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ মেকারফিল্ড আসনের উপনির্বাচনে বড় জয় পেয়েছেন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহাম। এই জয়ের ফলে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নেতৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রীর পদে কিয়ার স্টারমারকে চ্যালেঞ্জ জানানোর পথ আরও প্রশস্ত হলো তার জন্য। আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

শুক্রবার (১৯ জুন) ভোরে প্রকাশিত ভোটের ফলাফলে দেখা গেছে, মেকারফিল্ড আসনে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, অভিবাসনবিরোধী দল ‘রিফর্ম ইউকে’র প্রার্থী রবার্ট কেনিয়নকে ৯ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। বার্নহ্যাম পেয়েছেন ২৪ হাজার ৯২৭ ভোট। এর মাধ্যমে তিনি হাউস অব কমন্সের সেই আসনটি নিশ্চিত করেছেন, যা প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে তার প্রয়োজন। রিস্টোর ব্রিটেনের রেবেকা শেফার্ড তৃতীয় হন।

বিজয়ী ভাষণে বার্নহ্যাম বলেন, ‘সবাই জানে, রাজনীতি ঠিকভাবে কাজ করছে না। সবাই অনুভব করছে, দেশ যে অবস্থানে থাকার কথা ছিল, সেখানে নেই। আজকের রাত হতে পারে–হতেই পারে একটি মোড় ঘোরানোর মুহূর্ত।’ তিনি বলেন, ‘এখন থেকে আমি আমার সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করব, যাতে মেকারফিল্ড নামটি চিরদিনের জন্য দেশের প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের প্রতীক হয়ে থাকে।’

বার্নহ্যামের এই জয় প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ওপর চাপ বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে স্টারমারের পদত্যাগের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে অথবা লেবার পার্টির নেতৃত্ব নিয়ে স্টারমার, বার্নহ্যাম এবং সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হতে পারে।

যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সাধারণ নির্বাচন ছাড়াই পার্লামেন্ট সদস্যরা নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করতে পারেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্টারমারকে চ্যালেঞ্জ জানালে বার্নহ্যাম পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকবেন।

আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজেকে ‘বড় ইউনিয়নপন্থি’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া কিথ ডেভিস বলেন, ‘আমি কিয়ার স্টারমারের প্রতি আস্থা হারিয়েছি। আমার মনে হয়, তিনি পথ হারিয়ে ফেলেছেন।’

চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত ইপসোসের এক জরিপে দেখা গেছে, ২৫ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিয়েছেন। সেখানে কিয়ার স্টারমারের পক্ষে সমর্থন ছিল ১২ শতাংশ।

ফলাফল ঘোষণার পর স্টারমার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানিয়ে লেখেন, ভোটাররা ‘বিভাজন ও ঘৃণার পরিবর্তে লেবার পার্টির আশা ও আশাবাদের প্রচারকে বেছে নিয়েছেন।’

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তার পদত্যাগের কোনো ইচ্ছা নেই এবং তিনি দল ও দেশের নেতৃত্ব ধরে রাখতে লড়াই চালিয়ে যাবেন। যদিও এর আগে তিনি বলেছিলেন, নেতৃত্বের লড়াই দেশের জন্য ‘খারাপ বিষয়’ হবে।

স্টারমার বলেন, ‘হ্যাঁ, যদি লেবার পার্টিতে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা হয়, আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। আমি বারবার বলেছি, আমি এ দায়িত্ব থেকে সরে যাব না।’ সূত্র: আল-জাজিরা

উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালাতে ইরাকে গোপন সেল গঠন ইরানের

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:৩৪ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম
উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালাতে ইরাকে গোপন সেল গঠন ইরানের
ইসরায়েলি হামলার পর গতকাল দক্ষিণ লেবাননের মারজায়ুন এলাকায় ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ইরাকে গোপন সশস্ত্র সেল গঠন করে উপসাগরীয় দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। আটজন ইরাকি সামরিক, নিরাপত্তা ও মিলিশিয়া সূত্রের বরাতে শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এপ্রিল থেকে মে মাসের মধ্যে কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অন্তত সাতটি ড্রোন হামলা চালানো হয়। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আইআরজিসি প্রচলিত ইরানপন্থি মিলিশিয়া কাঠামো এড়িয়ে নতুন গোপন সেলগুলো সরাসরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে পরিচালনা করছে, যাতে হামলার দায় এড়ানো এবং নজরদারি কমানো সম্ভব হয়। তিনটি বা চারটি ছোট সেলে বিভক্ত এসব ইউনিটে প্রায় ১০ জন করে অভিজ্ঞ ইরাকি শিয়া যোদ্ধা রয়েছে।

তারা ২০ এপ্রিল থেকে ১৭ মে পর্যন্ত বসরা ও সামাওয়ার মরুভূমি এলাকা থেকে ড্রোন হামলা চালায় বলে তিনটি সূত্র জানিয়েছে। ইরাকি সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব যোদ্ধার অনেকেই আগে ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ জোটের অংশ ছিলেন। নতুন সেলগুলো সরাসরি আইআরজিসির কাছে জবাবদিহি করে।

মিলিশিয়া কমান্ডারদের মতে, ইরান-সমর্থিত আঞ্চলিক প্রক্সি নেটওয়ার্ক দুর্বল হয়ে পড়া এবং নিজেদের সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা কমে যাওয়ায় আইআরজিসি নতুন কৌশল হিসেবে এ ধরনের ছোট ও গোপন ইউনিট গঠন করছে। ইরাকের অবসরপ্রাপ্ত সেনা জেনারেল জাসিম আল-বাহাদলি এবং শিয়া জোটের দুই আইনপ্রণেতা বলেন, ইরাকের কিছু শক্তিশালী শিয়া গোষ্ঠী নিরস্ত্রীকরণ এবং অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে মনোযোগ দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়ায় আইআরজিসি সরাসরি নিয়ন্ত্রিত সেল গঠন করেছে।

চলতি মাসে ইরানপন্থি দুটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী—আসাইব আহল আল-হক ও ইমাম আলী ব্রিগেড—যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে অস্ত্র রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করার ঘোষণা দেয়। বাহাদলি বলেন, নতুন সেলগুলো আকারে ছোট হলেও মতাদর্শগতভাবে বেশি কঠোর এবং সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে ইরান এখন কম ব্যয়ে বেশি কার্যকর ও বিশ্বস্ত বাহিনীর ওপর নির্ভর করছে। গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রেসিডেন্টরা যুদ্ধ অবসানে একটি অন্তর্বর্তী চুক্তিতে সই করলেও ইরানি কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ‘প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর’ প্রতি তেহরানের সমর্থন আলোচনার বিষয় নয়।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইরাক সরকারকে ইরানের অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ডের সব উপকরণ, বিশেষ করে আইআরজিসি ও ইরানঘনিষ্ঠ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে ভেঙে দেওয়ার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

গত সোমবার ইরাকের নতুন প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি ও মার্কিন দূত টম ব্যারাকের বৈঠকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা সব সশস্ত্র গোষ্ঠীকে নিরস্ত্রীকরণের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ইরাকের ভূখণ্ড যেন কোনো পক্ষ আঞ্চলিক শান্তি বিঘ্নিত করার জন্য ব্যবহার করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা হবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের সময় নতুন নামে আবির্ভূত হওয়া এসব গোষ্ঠী কুয়েতে তিনটি, সৌদি আরবে দুটি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে দুটি ড্রোন হামলা চালায়। গোয়েন্দা তথ্য, যোগাযোগ পর্যবেক্ষণ এবং উৎক্ষেপণস্থল থেকে পাওয়া প্রমাণের ভিত্তিতে ইরাকি নিরাপত্তা সূত্রগুলো এ তথ্য দিয়েছে।

কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটি এবং দেশটির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি সামরিক টার্মিনাল হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। সৌদি আরব ও আমিরাতের দিকে ছোড়া ড্রোনগুলো প্রতিহত করা হয় বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। তবে রয়টার্স স্বাধীনভাবে এসব তথ্য যাচাই করতে পারেনি।

ইরাকি কর্মকর্তাদের মতে, নতুন সেলগুলোর মাধ্যমে আইআরজিসি হামলার দায় অস্বীকার করার সুযোগ পাচ্ছে এবং বাগদাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপও কমানোর চেষ্টা করছে। কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত এপ্রিল মাসে ইরাকি রাষ্ট্রদূতদের তলব করে হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছিল।

ইরাকি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৭ মে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন লাগার ঘটনায় ব্যবহৃত ড্রোন হামলার সঙ্গে এসব নতুন গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে। একই দিনে সৌদি আরবও ইরাক থেকে নিক্ষেপ করা তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করার কথা জানায়।

প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি ওই হামলাগুলোকে ‘অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড’ বলে উল্লেখ করে কুয়েত ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে তদন্তের বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে তার মুখপাত্র সাবাহ আল-নুমান কোনো মন্তব্য করেননি। সূত্র: রয়টার্স

ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:৩২ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:৩৪ এএম
ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি
ছবি: ইসরায়েল গত বৃহস্পতিবার রাতে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর নগরী টায়ারে ব্যাপক হামলা চালায়তে সম্মত

লেবাননে সংঘর্ষের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ। এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। একই সময়ে লেবাননের নতুন সহিংসতার কারণে সুইজারল্যান্ডে নির্ধারিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা বাতিল করা হয়েছে, যা হরমুজ প্রণালীতে বৈশ্বিক জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছিল।

লেবাননের স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল ৪টার কিছু আগে এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ওই সময় থেকেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, ‘আজকের গোলাগুলি বিনিময়ের পর আমরা বুঝতে পেরেছি, ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ এখন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।’

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের সহায়তায় এই সমঝোতা চূড়ান্ত করেন।

এর আগে লেবাননে নতুন করে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ায় শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা বাতিল করা হয়। এতে হরমুজ প্রণালি পুনরায় আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সময়সূচি নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

লেবাননের সাম্প্রতিক সংঘর্ষে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১৮ জন নিহত হন। অন্যদিকে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের হামলায় চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়।

যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন হিজবুল্লাহকে ‘খুব চড়া মূল্য’ দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে লেবাননে তার কর্মকাণ্ড সংযত করার জন্য সতর্ক করেন।

গত বৃহস্পতিবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরায়েলকে সতর্ক করে বলেন, আমেরিকাই তার একমাত্র অবশিষ্ট বন্ধু এবং হত্যার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘর্ষ বৃহত্তর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ লেবাননে যুদ্ধ বন্ধ করা ওই বিস্তৃত চুক্তির অন্যতম শর্ত।

হিজবুল্লাহর এক জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা বলেন, ইরান তাদেরকে জানিয়েছে, একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সরাসরি আলোচনা প্রসঙ্গ উল্লেখ না করলেও বলেন, লেবাননে ইসরায়েলি হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দায়ী এবং তেহরান নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে। সূত্র: রয়টার্স ও দ্যা টেলিগ্রাফ

ইসরাইল-হিজবুল্লাহ সংঘাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর, স্বস্তির আশা

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম
ইসরাইল-হিজবুল্লাহ সংঘাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর, স্বস্তির আশা
ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরাইল। দুই পক্ষের মধ্যকার এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।

 শুক্রবার (১৯ জুন) মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাতে বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতভর লেবাননে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এ হামলার জেরে শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে পূর্বনির্ধারিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা বাতিল করা হয়েছে।

সর্বশেষ হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত এবং ৩৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

একই সময়ে হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘর্ষে চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, হিজবুল্লাহর অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে। তবে লেবানন কর্তৃপক্ষ এটিকে চলমান সংঘাতের অন্যতম ভয়াবহ হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছে।

এদিকে লেবাননের পরিস্থিতির কারণে সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক স্থগিত করা হয়েছে। সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈঠকটি আপাতত স্থগিত হলেও আলোচনার প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে।

এসএন/