ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
‘জাপানি মেসি’র সঙ্গী উয়েদা এমবাপ্পের সমালোচনা ‘অতিরিক্ত ও অন্যায়’ দেড় দশকের জ্বালানিনীতি ছিল আমদানিনির্ভর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের অনুশীলন মাঠের পাশে মরদেহ উদ্ধার ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ ইমার্জিংদের ঝিলিকের মৃত্যুর রহস্যে নতুন মোড়, গ্রেপ্তার স্বামী রক্তদান মহৎ কিন্তু নিরাপদ রক্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ মার্তিনেজকে ঘিরে নতুন শঙ্কা শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ নাটোরে ৭০ দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন চাকরি মেলায় সাড়া, রাজশাহীতে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর তাৎক্ষণিক নিয়োগ ইনজুরিতে ছিটকে গেলেন মাইকেল অলিভার ‘ফেনীর সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল’ পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মিসরকে কেন জার্সি পরিবর্তন করতে বলল ফিফা? রবিবার বিশ্ব রক্তদাতা দিবস যে সম্পদ চোখের পলকে ধ্বংস হয়ে যায় রাজধানীতে প্রান্তিক গ্রামের ফুটবল উন্মাদনা, আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল ম্যাচ একদিনে ৫ মরদেহ উদ্ধার, বরগুনায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ দাউদকান্দিতে শিবির নেতার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ প্রলোভন দেখিয়ে ভোট আদায়কারীরা জনগণের বন্ধু নয়: তারেক রহমান মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করায় আনন্দ মিছিল বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আগারগাঁওয়ে ‘রান ফর আর্থ’ আয়োজন সিদ্ধিরগঞ্জের ডিএনডি লেকে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু জনদুর্ভোগ নিরসন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবি ডা. শফিকুর রহমানের ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ধীরাজ শেঠ ‘তুই আসামি, চোখ নামিয়ে কথা বল’—ওসির বিরুদ্ধে নাঈম হাসানের অভিযোগ
Nagad desktop

জাপানে ‘যুদ্ধ নয়’ প্রতিবাদে মুখর জনসাধারণ

প্রকাশ: ০৯ মে ২০২৬, ০৯:২৮ এএম
জাপানে ‘যুদ্ধ নয়’ প্রতিবাদে মুখর জনসাধারণ
ছবি: সংগৃহীত

জাপানের টোকিওর এক রাস্তার মোড়ে ঝুম বৃষ্টির মধ্যে ভিজে যাওয়া প্ল্যাকার্ড আর কাদা মাখা পতাকা হাতে জড়ো হচ্ছিল জনতা। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে বড় বড় জাপানি কাঞ্জি অক্ষরে লেখা মাত্র দুটি শব্দ–‘যুদ্ধ নয়’।

এই স্লোগান এখন জাপানে ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। দেশটিতে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ দেখা যাচ্ছে। ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ক্ষমতায় আসার পর জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি দেশটির দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিবাদী নীতি থেকে বড় ধরনের সরে আসার পদক্ষেপ নিয়েছেন। তিনি অস্ত্র রপ্তানির দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছেন এবং বিদেশে জাপানের সামরিক ভূমিকা বাড়িয়েছেন।

সরকার বলছে, ক্রমবর্ধমান উত্তেজনাপূর্ণ আঞ্চলিক পরিস্থিতিতে এসব পদক্ষেপ প্রয়োজনীয়। তবে অনেক জাপানির কাছে বিষয়টি উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। জাপান ধীরে ধীরে যুদ্ধক্ষম রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে, এমন আশঙ্কা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভও গতি পাচ্ছে।

জাপানে সাধারণত জনসমাবেশ ও বিক্ষোভ তুলনামূলক শান্ত ও সংযত হয়। সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং বিশৃঙ্খলা এড়িয়ে চলার একটি শক্ত সাংস্কৃতিক ধারণা সেখানে রয়েছে। তাই যখন বিপুলসংখ্যক মানুষ রাস্তায় নামেন, তখন তা সাধারণত গভীর কোনো উদ্বেগের ইঙ্গিত দেয়। এবার সেই উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দু জাপানের জাতীয় পরিচয়।
 
পরিবর্তনের পথে প্রধানমন্ত্রী

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপান নতুন সংবিধান গ্রহণ করে। এর মধ্যে থাকা ৯ নম্বর অনুচ্ছেদে যুদ্ধকে রাষ্ট্রীয় অধিকার হিসেবে পরিত্যাগ করা হয় এবং সশস্ত্র বাহিনী রক্ষার বিষয়েও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

কিন্তু তাকাইচির মতে, বর্তমান বাস্তবতায় এই কাঠামো আর কার্যকর নয়। ভৌগোলিকভাবে জাপান এমন এক অঞ্চলে অবস্থিত যেখানে রয়েছে শক্ত অবস্থানে থাকা চীন, অনিশ্চিত উত্তর কোরিয়া এবং কাছেই রাশিয়া। এ ছাড়া ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রও দীর্ঘদিন ধরে টোকিওকে আরও সক্রিয় নিরাপত্তা ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে। অবশ্য জাপানের যুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তা কাঠামো পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়ার তালিকায় তাকাইচিই প্রথম নন।

গত কয়েক দশক ধরে বিশেষ করে ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির রক্ষণশীল নেতারা ১৯৪৭ সালের সংবিধান সংশোধনের দাবি জানিয়ে আসছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ৯ নম্বর অনুচ্ছেদ সংশোধন করে আত্মরক্ষা বাহিনীর ভূমিকা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পক্ষে ছিলেন।

আবের আমলে ২০১৫ সালে জাপানের পার্লামেন্ট একটি বিতর্কিত নিরাপত্তা বিল পাস করে, যার মাধ্যমে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা বাড়ানো হয়। এতে সীমিত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ এবং মিত্র দেশ আক্রান্ত হলে তাদের সহায়তা করার সুযোগ তৈরি হয়। তবে গত ২১ এপ্রিল জাপান সরকার আরও বড় পদক্ষেপ নেয়। তারা প্রাণঘাতী অস্ত্র রপ্তানির ওপর দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয়। সরকারের দাবি, ক্রমেই কঠিন হয়ে ওঠা নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে মিত্র দেশগুলোর একে অপরকে সহায়তা করা জরুরি।

এই সিদ্ধান্ত জাপানের জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বাইরে বৃষ্টি থেমে সূর্যের আলো ফুটে উঠতেই জনতা আরও বাড়তে থাকে, স্লোগানও জোরালো হয়ে ওঠে। শুধু বয়স্ক প্রজন্ম নয়, ২০ ও ৩০ বছরের তরুণ-তরুণীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ত্রিশোর্ধ্ব আকারি মায়েজোনো হাতে রঙিন কাগজের লণ্ঠন নিয়ে শান্তির আহ্বান জানাচ্ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘জনগণের মতামত সঠিকভাবে না শুনেই এমন পরিবর্তন আনা হতে পারে, এটি আমাকে ক্ষুব্ধ করে।’
পাশেই লাল ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক প্রবীণ ব্যক্তি।

তিনি বলেন, ‘জাপানের সংবিধান, বিশেষ করে ৯ নম্বর অনুচ্ছেদ যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে। এই অনুচ্ছেদই জাপানকে অতীতের যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের মতো সংঘাতে জড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা করেছে। এটি না থাকলে আমরা হয়তো এতদিনে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তাম।’
 
‘আর যুদ্ধ নয়’

জাপানের ১৯৪৭ সালের সংবিধান কার্যকর হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার মাত্র দুই বছর পর। তখন যুক্তরাষ্ট্র হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা ফেলে দেশটিকে পরাজিত করে। ১৯৪৫ সালের শেষ নাগাদ এসব হামলায় প্রায় দুই লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।

বিশেষ করে যারা যুদ্ধ এবং পারমাণবিক হামলার স্মৃতি এখনো বহন করছেন, তাদের কাছে শান্তিবাদ থেকে যেকোনো সরে আসা গভীর আতঙ্কের কারণ। সম্প্রতি হিরোশিমার পারমাণবিক বোমা হামলার বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা জাতিসংঘে পারমাণবিক অস্ত্র বিলুপ্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা যুদ্ধ ও পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত মানবসমাজ গঠনের আহ্বান জানান।

২০২৬ সালের পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তাররোধ চুক্তি পর্যালোচনা সম্মেলনে বক্তব্য দেন জিরো হামাসুমি। তিনি একজন ‘হিবাকুশা’, জাপানি ভাষায় পারমাণবিক বোমায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে এ উপাধিতেই ডাকা হয়। তিনি বলেন, ‘আমরা যুদ্ধে গিয়েছিলাম বলেই পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল।’ তার ভাষায়, ‘আর যুদ্ধ নয়, আর হিবাকুশা নয়।’

অনেকের আশঙ্কা, জাপান আবারও কোনো সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে। সেই উদ্বেগ এখন রাস্তায় রাস্তায় প্রতিফলিত হচ্ছে। টোকিও ছাড়াও ওসাকা, কিয়োটো ও ফুকোকার মতো বড় শহরেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলোর কারণে সপ্তাহে সপ্তাহে সমাবেশে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়ছে বলে জানা গেছে। সূত্র: বিবিসি

ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ধীরাজ শেঠ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম
ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ধীরাজ শেঠ
ধীরাজ শেঠ। ছবি: সংগৃহীত

ভারত সরকার বর্তমান ভাইস চিফ অব আর্মি স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠকে দেশটির পরবর্তী সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) এ নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেনাবাহিনীর সহপ্রধান (ভাইস চিফ অব আর্মি স্টাফ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) এ খবর জানিয়েছে।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির সাবেক শিক্ষার্থী। ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে তিনি সাঁজোয়া বাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন। প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে তিনি অপারেশন, কৌশলগত পরিকল্পনা, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতি রয়েছে তার।

সামরিক জীবনে বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন ধীরজ শেঠ। তার কমান্ড দায়িত্বের মধ্যে ছিল মরু অঞ্চলে একটি সাঁজোয়া রেজিমেন্ট, পশ্চিমাঞ্চলে একটি সাঁজোয়া ব্রিগেড এবং জম্মু ও কাশ্মিরে একটি সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনীর নেতৃত্ব।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্যতম প্রধান স্ট্রাইক ফরমেশন সুদর্শন চক্র কোরের নেতৃত্ব দেন। পরে দিল্লি এরিয়ার জেনারেল অফিসার কমান্ডিং হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সামরিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব তদারকি করেন।

আর্মি কমান্ডার হিসেবে পদোন্নতির পর ধীরাজ শেঠ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ড এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ডের দায়িত্ব পালন করেন। এর মাধ্যমে দুইটি অপারেশনাল আর্মি কমান্ডের নেতৃত্ব দেওয়ার বিরল অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তিনি। আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অঞ্চলে কৌশলগত তদারকির দায়িত্বও পালন করেন।

সামরিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণেও তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। বিভিন্ন কোর্সে শীর্ষস্থান অর্জনের পাশাপাশি তিনি হায়ার কমান্ড কোর্স ও ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের স্নাতক। এছাড়া প্যারিসের মর্যাদাপূর্ণ কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কোর্সেও অংশ নিয়েছিলেন ধীরাজ শেঠ।

এসএন/

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের তারিখ ঘোষণা

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:৫০ পিএম
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের তারিখ ঘোষণা
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন আগামী ৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।

শনিবার (১৩ জুন) দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এ তথ্য প্রকাশ করেন।

আলি খামেনি প্রায় ৩৭ বছর দেশ শাসন করেছেন এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় নিহত হন। 

জানা গেছে, তার জন্মস্থান, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন সম্পন্ন হবে। শুরুতে মার্চ মাসে দাফনের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধের কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে তিন দিনের জানাজা ও শোকানুষ্ঠান শুরু হবে এবং ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোমে আরেকটি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় শোকানুষ্ঠানের প্রথম দিন ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গেও মিলে যাচ্ছে, যা এ বছর ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করবে।

খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি মার্চের শুরুতে তার উত্তরসূরি হিসেবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিযুক্ত হন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর তিনি দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা।

বাবাকে হত্যার যে হামলায় বহু কর্মকর্তা নিহত হয়েছিলেন, সেই হামলায় আহত হয়েছিলেন মোজতবা খামেনিও। নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে তিনি জনসমক্ষে আসেননি এবং তার নামে প্রকাশিত বিবৃতির মাধ্যমেই যোগাযোগ করছেন বলে জানা গেছে। সূত্র: এনডিটিবি

রিফাত/

২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা: পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:১৯ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা: পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি শান্তিচুক্তির কাঠামোতে (ফ্রেমওয়ার্ক) পৌঁছেছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে পারে।

শনিবার (১৩ জুন) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শেহবাজ শরিফ জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান মাসব্যাপী সংঘাতের অবসান ঘটাতে দুই দেশ একটি শান্তি চুক্তির চূড়ান্ত খসড়ায় সম্মত হয়েছে। বর্তমানে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘চুক্তি স্বাক্ষরের পর আগামী সপ্তাহে উভয় পক্ষের মধ্যে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।’

পাকিস্তান এই পুরো প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা পালন করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিফাত/

যুদ্ধবিরতির মাঝেই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা, নিহত ১

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৪২ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
যুদ্ধবিরতির মাঝেই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা, নিহত ১
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ঘোষিত ‘যুদ্ধবিরতি’ উপেক্ষা করে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননের আরও ২০টি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের অবিলম্বে ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (এনএনএ) জানায়, দক্ষিণ লেবাননের টায়ার জেলার মায়রাকেহ পৌরসভা এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় ওই ব্যক্তি নিহত হন।

শুক্রবার (১২ জুন) দিনভর এবং রাত পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী তথাকথিত হলুদ রেখার (যে অংশটি ইসরায়েল নিয়ন্ত্রণ ও দখল করতে চাইছে) উত্তরের শহর ও গ্রামগুলোতেও অনবরত বিমান হামলা চালায়।

শান্তি চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা

এই হামলা এমন এক সময়ে চালানো হলো, যার ঠিক আগের দিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা করেন, যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চুক্তির খসড়ায় সম্মত হয়েছে এবং মধ্যস্থতাকারীরা চূড়ান্ত চুক্তির জন্য কাজ করছেন।

ইরানি গণমাধ্যমের দাবি, এই প্রাথমিক চুক্তিতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ অবসানের কথা বলা হয়েছে।

তবে চলমান আলোচনা ও চুক্তির মাঝে ইসরায়েলের এই আগ্রাসন নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার এই আলোচনায় ইসরায়েল কোনো পক্ষ নয়।

তাছাড়া, ইসরায়েলি নেতারা ইতোমধ্যেই সাফ জানিয়ে দেন, লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

অন্যদিকে, চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েল ও লেবাননের কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও মাঠপর্যায়ে লড়াই থামেনি। আগামী ২২ জুন দুই দেশের মধ্যে পরবর্তী দফায় আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা

তামান্না রুপা/অমিয়/

আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:১৮ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত
সংগৃহীত

ভারতের আসামের জোরহাটের বিমানঘাঁটিতে ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি এএন-৩২ পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনার কারণ এখনো জানা যায়নি এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য স্পষ্ট নয়।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে এএন-৩২ বিমানটি অবতরণের সময় বিমানঘাঁটির সীমানার ভেতরে বিধ্বস্ত হয়ে আগুন লাগে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে জরুরি পরিসেবা দলগুলোকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।

ভারতীয় বিমানবাহিনী ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর আরও তথ্য জানানো হবে।

এএন-৩২ বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বিমানবাহিনী।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, জোরহাটে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান দুর্ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত। আমরা আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছি।

আন্তোনভ এএন-৩২ একটি মজবুত, দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট টার্বোপ্রপ সামরিক পরিবহন বিমান, যা ভারতীয় বিমানবাহিনীর অন্যতম প্রধান পরিবহন বাহন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নে নির্মিত এ মডেলের প্রায় ১০০টি বিমান রয়েছে।

এএন-৩২ বিমানটি চরম প্রতিকূল পরিবেশে কার্যকরভাবে কাজ করার জন্য নকশা করা হয়েছে। এটি বেশি উচ্চতার বিমানঘাঁটি ও উষ্ণ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলবায়ুতেও পরিচালনা করা যায়। বিমানটি ৭ দশমিক ৫ টন পর্যন্ত মালামাল, ৫০ জন যাত্রী অথবা ৪২ জন প্যারাট্রুপার পরিবহন করতে সক্ষম এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে রসদ সরবরাহের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

আসামের কার্বি আংলং জেলায় একটি সুখোই এসইউ-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় ভারতীয় বিমানবাহিনীর দুই পাইলট নিহত হওয়ার কয়েক মাস পরই এই দুর্ঘটনা ঘটল। সূত্র: এনডিটিভি

আমান/অমিয়/