ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) গঠনতন্ত্র সংশোধনের প্রস্তাব ৩০তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) উত্থাপন করা হয়েছে।
সভায় এ বিষয়ে সংগঠনের সভাপতি আবু সালেহ আকন জানান, সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং সদস্যসেবা আধুনিকায়নের লক্ষ্যেই এই সংশোধনী আনা হয়েছে। তিনি বলেন, সদস্যদের মতামত ও অংশগ্রহণের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের কাঠামো নির্ধারিত হবে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) উৎসবমুখর পরিবেশে ডিআরইউ প্রাঙ্গণ ও মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এজিএমে সকাল থেকেই সদস্যদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আবু সালেহ আকন।
দুপুরে এজিএমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ডিআরইউর সাবেক সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং প্রবীণ সদস্যরা।
উদ্বোধনী পর্বে সাবেক সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন বাদশা, ইলিয়াস হোসেন, রফিকুল ইসলাম আজাদ, মোরসালিন নোমানি এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ বক্তব্য দেন।
তারা সংগঠনের অগ্রগতির ধারাবাহিকতা, পেশাদার সাংবাদিকতার উন্নয়ন এবং ডিআরইউর ভূমিকা তুলে ধরেন।
সভা শুরুর পর গত এক বছরে প্রয়াত সদস্যদের স্মরণে শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয় এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের আর্থিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল সদস্যদের উদ্দেশ্যে ‘সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন’ উপস্থাপন করেন, যেখানে বিগত বছরের কার্যক্রম, অর্জন এবং আগামীর পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া কর্ম অধিবেশনে আর্থিক প্রতিবেদন ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদনের ওপর আলোচনা হয়। সদস্যদের মতামত ও পর্যালোচনার ভিত্তিতে উভয় প্রতিবেদন সর্বসম্মতভাবে অনুমোদিত হয়।
এজিএমের শেষ পর্বে গঠনতন্ত্র সংশোধনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়, যা ছিল সভার অন্যতম প্রধান আলোচ্যসূচি। সংগঠনের কাঠামোকে সময়োপযোগী ও সেবামুখী করতে এই সংশোধনী ভবিষ্যতে দিকনির্দেশক ভূমিকা রাখবে বলে আশা ব্যক্ত করেন সভাপতি।
বার্ষিক সাধারণ সভার আলোচনা ও ৩০ নভেম্বরের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সদস্যদের সম্মিলনে ভোটের উৎসব আমেজের দুপুরে শেষ হয় ডিআরইউর এর এই আয়োজন।
এলিস/এসএন