ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পাহাড়, বন আর নীল জলের অপূর্ব মিলন ৪টি চলচ্চিত্র নিয়ে ‘সামার বাংলা হিট ফেস্ট’ তিন নাটকে প্রশংসিত হিমি পুশ-ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের প্রবাসী নিহত তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন সিনচিয়াংয়ে সংস্কৃতি ও পর্যটন উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন কানসাসের দাবদাহে ‘কুলিং ভেস্টে’ অনুশীলন আর্জেন্টিনার চীনের ছাংছুনে অপটিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির বিপ্লব বাংলাদেশের বাজারে এল টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো খোকসায় ২০ বছর ধরে অচল কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, ভোগান্তিতে কৃষক-খামারি কেইনই ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সেরা স্ট্রাইকার: লিনেকার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পুশইন, সংলাপের পরামর্শ জাতিসংঘের গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র নতুন অ্যান্ড্রয়েড ১৭ সংস্করণে গুগলের বড় চমক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সনদ পেল মার্কেন্টাইল ব্যাংক এবি ব্যাংক পিএলসির ৪৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ডিজিটাল পরিসরে নারীর নিরাপত্তা ও সহিংসতার স্বরূপ রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যা! একটি জাতির অবক্ষয়ের নির্মম চিত্র! ঝিনাইদহে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু ওয়াশিংটন-তেহরান শান্তিচুক্তি ও বৈশ্বিক বাস্তবতা এবারের স্বপ্নবিলাসী বাজেট বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: সংসদে আইনমন্ত্রী কাঁঠালকে কেন্দ্র করে বিরোধ, ছেলের মারধরে বাবার মৃত্যু সফলতা নির্ভর করবে বাস্তবায়ন সক্ষমতার ওপর যাত্রাবাড়ীতে অবৈধ দখল উচ্ছেদে; মামলা ও জরিমানা মদ ভেবে বিষপানে পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু ফেঞ্চুগঞ্জে হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ২ জন নিহত, নিখোঁজ ১ ‘বাড়তি জেদ’ নিয়ে খেলছেন বেলিংহ্যাম

আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম চলছে

প্রকাশ: ১১ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:৫৯ এএম
আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৪:২৯ এএম
আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম চলছে
ছবি: খবরের কাগজ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম চলছে। 

নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে (বেজমেন্ট-২) নির্বাচন কমিশনের অস্থায়ী আদালতে সোমবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় শুরু হওয়া কার্যক্রম চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। 

আপিলের শুনানি শেষ হবে ১৫ ডিসেম্বর। 

গতকাল (১০ ডিসেম্বর) আপিল শুনানির প্রথম দিনে ইসির আদালত থেকে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ৫৬ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাইয়ে বাতিল হওয়া ৭৩১ প্রার্থীর মধ্যে ৫ থেকে ৯ ডিসেম্বরে ইসির আদালতে আপিল করেন ৫৬১ জন। এই আপিলকারীদের বেশিরভাগই প্রার্থিতা ফিরে পেতে আবেদন করেছেন। 

তবে বেশকিছু আপিল আবেদন পড়েছে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাইয়ে বৈধ হওয়া প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে। 

ইসি সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিন প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া ৫৬ জনের মধ্যে ৩৩ জনই স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচনে লড়বেন। বাকি ২৩ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী।

এ পর্যন্ত প্রার্থিতা ফিরে পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন- ঢাকা-৫ কামরুল হাসান (রিপন), টাঙ্গাইল-২ আসনে ইউনুছ ইসলাম তালুকদার, টাঙ্গাইল-৭ আসনের রাফিউর রহমান খান ইউসুফ জাই, জামালপুর-২ আসনের জিয়াউল হক জিয়া, গোপালগঞ্জ-১ আসনের কাবির মিয়া, চট্টগ্রাম-১ আসনের মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, চট্টগ্রাম-২ আসনের মোহাম্মদ শাহজাহান, চট্টগ্রাম-৮ আসনের আবদুচ ছালাম, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের আব্দুল মোতালেব, বরগুনা-১ আসনের খলিলুর রহমান, মেহেরপুর-২ আসনের মোখলেসুর রহমান, রংপুর-২ আসনের বিশ্বনাথ সরকার।
 
ফরিদপুর-১ আসনের মাহমুদা বেগম ও মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, মাদারীপুর-২ আসনের ইউসুফ আলী সুমন, যশোর-২ আসনের এসএম হাবিবুর রহমান, যশোর-৩ আসনের মোহিত কুমার নাথ, যশোর-৬ আসনের আজিজুল ইসলাম, কুষ্টিয়া-১ আসনের ফিরোজ আল মামুন, বরিশাল-৬ আসনের মোহাম্মদ শামসুল আলম, কুমিল্লা-৫ আসনের সাজ্জাদ হোসেন ও এম এ জাহের, বরগুনা-১ আসনের নুরুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সৈয়দ নজরুল ইসলাম। 

শরীয়তপুর-১ আসনের গোলাম মোস্তফা, শরীয়তপুর-২ আসনের খালেদ শওকত আলী, নীলফামারী-১ আসনের জয়নাল আবেদীন, গাইবান্ধা-২ আসনের শাহ সারোয়ার কবীর, গাইবান্ধা-৫ আসনের ফারজানা রাব্বী বুবলী, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সৈয়দ সাফায়েতুল ইসলাম, নেত্রকোনা-৫ আসনের আনোয়ার হোসেন, ঝালকাঠি-১ আসনের আবুল কাসেম মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের হালিমুল হক মীরু এবং বগুড়া-৩ আসনের আফজাল হোসেন।

এছাড়া আপিলে কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাসিরুল ইসলাম খান প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। জাতীয় পার্টির পাঁচ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তারা হলেন- নোয়াখালী-২ আসনের তালেবুজ্জামান, যশোর-১ আসনের আক্তারুজ্জামান, খুলনা-৬ আসনের শফিকুল ইসলাম মধু, কুমিল্লা-২ আসনের এটিএম মঞ্জুরুল ইসলাম ও গাজীপুর-১ আসনের এম এম নিয়াজ উদ্দিন।

তৃণমূল বিএনপির খুলনা-৪ আসনের শেখ হাবিবুর রহমান, সিলেট-২ আসনে আব্দুর রব এবং সুপ্রিম পার্টির ঢাকা-২০ আসনের মিনহাজ উদ্দিন ও ময়মনসিংহ-১১ আসনের এবিএম জিয়া উদ্দিন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। 

এছাড়া পাবনা-২ আসন থেকে সঙ্গীত শিল্পী ডলি সায়ন্তনী, যশোর-৩ আসনের জাকের পার্টির মহিদুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের যশোর-৩ আসনের প্রার্থী শেখ নুরুজ্জামান প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। বিএনএফের মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের মমতাজ সুলতানা আহমেদ ও মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের বাচ্চু শেখের আপিলও মঞ্জুর হয়েছে। 

বাংলাদেশ কংগ্রেসের লালমনিরহাট-২ আসনের মো. দেলাব্বর হোসেন, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী মো. আব্দুল হামিদ, বগুড়া-৪ আশরাফুল আলম (হিরো আলম) ও নেত্রকোনা-২ আসনের বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী মো. আজহারুল ইসলাম খান, ইসলামী ফ্রন্টের ঢাকা-১৩ আসনের মো. জাফর ইকবাল নান্টু এবং জামালপুর-১ আসনের তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী মো. গোলাম মোস্তফা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ৯৪টি আপিলের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আপিলে প্রায় ৬০ শতাংশ প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এদিন ৫৬ জন প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর করা হয়। এর ফলে তারা বৈধ প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। ৩২টি আপিল নামঞ্জুর এবং ৬টির সিদ্ধান্ত অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। 

নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে (বেজমেন্ট-২) প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। আজ  সোমবার ১১ ডিসেম্বর শুনানি হবে ৯৫-২০০ নম্বর পর্যন্ত আপিলের। আগামীকাল ১২ ডিসেম্বর ২০১-৩০০ নম্বর আপিল, ১৩ ডিসেম্বর ৩০১-৪০০ নম্বর আপিল, ১৪ ডিসেম্বর ৪০১-৫০০ নম্বর আপিল এবং ১৫ ডিসেম্বর ৫০১ থেকে অবশিষ্ট আপিল আবেদনগুলোর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের সংসদ নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার পর সংসদীয় ৩০০ আসনের বিপরীতে মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছিল ২ হাজার ৭১৬টি। এর মধ্যে বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তারা বাতিল করেন ৭৩১টি।

এলিস/অমিয়/

এবারের স্বপ্নবিলাসী বাজেট বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: সংসদে আইনমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
এবারের স্বপ্নবিলাসী বাজেট বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: সংসদে আইনমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট একটি স্বপ্নবিলাসী ও উচ্চাভিলাষী বাজেট, যা বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং স্বনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের পথ সুগম করবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, একসময় বাজেট উপস্থাপনের পর ‘গরিব মারার বাজেট’ বা ‘বড়লোকের বাজেট’ বলে সমালোচনা করা হতো। তবে এবারের বাজেটকে ঘিরে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। কারণ এ বাজেটে গরিব, মধ্যবিত্ত, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, ব্যবসায়ী ও কর্মপ্রত্যাশী তরুণদের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার বাস্তব প্রতিফলন। বাজেটকে স্বপ্নবিলাসী ও উচ্চাভিলাষী বলে সমালোচনার জবাবে মন্ত্রী বলেন, “যে জাতি স্বপ্ন দেখতে পারে না, সে জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। উচ্চাভিলাষ ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়।”

মন্ত্রী জানান, কৃষি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখা হয়েছে। কৃষি কার্ড, উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে অতিরিক্ত প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। খাল-নদী পুনঃখনন, ব্যাপক বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলোও বাজেটে গুরুত্ব পেয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ বাজেট দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও সুশাসনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নেবে।

সংসদ/এলিস/আমান

মাথা ঝুঁকানোর দরকার নেই, নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী চেয়ারের প্রতি সম্মান জানাবেন: স্পিকার

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:৪৮ পিএম
মাথা ঝুঁকানোর দরকার নেই, নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী চেয়ারের প্রতি সম্মান জানাবেন: স্পিকার
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে প্রবেশের সময় স্পিকার বা সভাপতির চেয়ারের প্রতি মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান জানানো বাধ্যতামূলক নয় বলে জানিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সভাপতির চেয়ারের প্রতি সম্মান জানাবেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের দশম দিনে বাজেটের ওপর আলোচনার আগে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন স্পিকার।

এর আগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বলেন, সংসদে প্রবেশের সময় মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান জানানোর বিষয়টি ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এটি শিরকের পর্যায়ে যেতে পারে। তিনি দাবি করেন, কার্যপ্রণালীবিধি থেকে ‘ঝুঁকিয়া’ শব্দটি আগেই বাদ দেওয়া হয়েছে।

মুজিবুর রহমান বলেন, “আপনি সুন্দরভাবে সালাম দেন, আমরাও সালামের জবাব দিই। কিন্তু এখনও মাঝে মাঝে আগের মতো ঝুঁকে সম্মান জানানোর প্রবণতা দেখা যায়। কার্যপ্রণালী বিধি থেকে শিরকের বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়েছে, সেটি সবাই মেনে চলা উচিত।”

ওই বক্তব্যের পর বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখার আশ্বাস দেন স্পিকার। বৃহস্পতিবার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে স্পিকার বলেন, কার্যপ্রণালীবিধির ২৬৭(১) ধারায় আগে ‘ঝুঁকিয়া’ শব্দটি ছিল। তবে ২০০৬ সালে বিধিটি সংশোধন করে শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।

তিনি জানান, অষ্টম জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ওই সংশোধনী সংসদে গৃহীত হয়েছিল। স্পিকার বলেন, “অতএব কার্যপ্রণালী বিধির ২৬৭(১) ধারা থেকে ‘ঝুঁকিয়া’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে। সেহেতু মাননীয় সদস্যবৃন্দ জাতীয় সংসদে যার যার ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী স্পিকারের চেয়ারের প্রতি বা সভাপতির প্রতি সম্মান জানাবেন।”

স্পিকার/এলিস/আমান

আধুনিক যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকে আরও যুগোপযোগী করা হবে: সেনাপ্রধান

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
আধুনিক যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকে আরও যুগোপযোগী করা হবে: সেনাপ্রধান
ছবি: খবরের কাগজ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা ব্যবস্থার দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও দক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সক্ষম নেতৃত্ব তৈরিতে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশনপ্রাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, একটি দক্ষ, আধুনিক ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সেনাবাহিনী রাষ্ট্রের নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। আর সেই বাহিনীর নেতৃত্ব তৈরির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি। ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ প্রতিষ্ঠান দেশ ও বিদেশে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারী অসংখ্য মেধাবী সেনা কর্মকর্তা তৈরি করেছে।

তিনি জানান, প্রশিক্ষণের গুণগত মান বৃদ্ধি এবং আধুনিক সামরিক নেতৃত্ব বিকাশের লক্ষ্যে বিএমএতে ‘দ্বিতীয় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন’ চালু করা হয়েছে। নতুন এই ব্যাটালিয়ন আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যোগ্য নেতৃত্ব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

তিন বছরব্যাপী কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে এবার ১৮৪ জন অফিসার ক্যাডেট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। তাদের মধ্যে ১৮ জন নারী ক্যাডেট রয়েছেন। পাশাপাশি ফিলিস্তিন, তানজানিয়া, জাম্বিয়া ও মালদ্বীপের সাতজন বিদেশি ক্যাডেটও সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন।

অনুষ্ঠানে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার খায়রুল ইসলাম ‘সোর্ড অব অনার’ ও ‘সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক’ অর্জন করেন। বিদেশি ক্যাডেটদের মধ্যে তানজানিয়ার সার্জেন্ট আবু বকর ‘বিএমএ ট্রফি অব এক্সিলেন্স’ লাভ করেন। প্রশিক্ষণ সমাপনকারী ক্যাডেটরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার আনুষ্ঠানিক শপথ নেন।

এরপর অতিথি এবং প্রশিক্ষণ সমাপনকারী ক্যাডেটদের র‍্যাঙ্ক-ব্যাজ পরিয়ে দেন। পরে সেনাপ্রধান বিএমএতে নবনির্মিত বিভিন্ন অবকাঠামোর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে তিন বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি, অভিভাবক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আবদুস সাত্তার/আমান

হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:২৮ পিএম
হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে নতুন করে ১ হাজার ১৪৮ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশে এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৬৬ জনে পৌঁছেছে। এদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৩ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে দুই শিশু সিলেট বিভাগে মারা গেছে এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একজন করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

এ সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৭ জন। তাদের মধ্যে ৩৩১ শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৭৫) ও বরিশাল (১৩৫)। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছে ৮১৫ জন।

গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯৫ দিনে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের মধ্যে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ জনের এবং ৯৫ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।

নাঈম/

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই সংস্কার করা হবে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করবে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, ‘এ প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।’

তিনি আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কাজ করবে এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ তৈরি হয়।

তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এতে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।

কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা মতামত তুলে ধরেন।

অন্তরা/