ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নওগাঁয় ডাকাতি করতে গিয়ে পুলিশের খাঁচায় ৩ ডাকাত আইওএস ২৭-এ আসছে নতুন ফিচার কেমন ছিল রাসুল (সা.)-এর প্রিয় পোশাক রাঙামাটিতে জাম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে শিক্ষিকার মৃত্যু ব্রাজিলের কাছে হেরেও ফুটবলারদের নিয়ে গর্বিত হাইতির কোচ বরকে মিষ্টিমুখ করাতে গিয়ে প্রাণ গেল চাচা শ্বশুরের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি চট্টগ্রামে র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার সাতকানিয়ায় মাদরাসায় হামলা ও দেওয়ালে জয় বাংলা লেখার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মোহনগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার আত্মসমর্পণ এআই ক্যামেরা বন্ধের পেছেন কি তবে ‘ইঁদুরের হাত’ অস্ট্রেলিয়ায় শনাক্ত হলো সংক্রামক এইচ৫ বার্ড ফ্লু রামপুরায় গুলিবিদ্ধ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা পলাশের’ মৃত্যু টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা ৮০তম জন্মদিন ঘিরে ট্রাম্পের ভাগ্যে বড় পরিবর্তনের আভাস জ্যোতিষীদের ৯০ মিনিট খেলতে এখনও প্রস্তুত নন ইয়ামাল ৪৮ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ে, ৯ দিন পর বিচ্ছেদ চাইলেন যুবক টাঙ্গাইলে সেপটিক ট্যাংকের বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণ গেল ৪ জনের কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ আব্দুস সাদেক আর নেই ফেনী স্টেশনে মেঘনা ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল, যাত্রীদের ভোগান্তি ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি নস্যাৎ করতে পারেন নেতানিয়াহু: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা তুরস্কের হারে নকআউটে যুক্তরাষ্ট্র নওগাঁর আম আমদানি করতে চায় জাপান বিশ্বকাপ থেকে প্রথম দল হিসেবে বিদায় নিল হাইতি টাঙ্গাইলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ৫০ লাখ টাকার সরকারি অনুদান হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি দেশে আরও কমল স্বর্ণের দাম প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ জরুরি আজ ‘লম্বা মেয়েদের’ প্রশংসা পাওয়ার দিন সাড়ে তিন ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের পথে মেঘনা এক্সপ্রেস

মব জাস্টিস নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানালেন ৩ সমন্বয়ক

প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১০:৪৮ পিএম
আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১০:৫০ পিএম
মব জাস্টিস নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানালেন ৩ সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম, সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ

মব জাস্টিসের বিপক্ষে ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম, সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ। এতে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) দুজনকে মারধর করে হত্যার ঘটনায় বিচার নিশ্চিতের তাগিদ দেন। 

বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পৃথক স্ট্যাটাসে উচ্ছৃঙ্খল জনতার হাতে বিচারের বিপক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন এই তিন সমন্বয়ক। 

এদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা শামীম আহমেদকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সেখানকার এক সমন্বয়ক আহসান লাবিবকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক এবং অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্যাতনকারী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিলে উত্তেজিত মবকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না। তবে শিক্ষার্থীদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। মব জাস্টিস গ্রহণযোগ্য নয়। এটা কোনো সমাধানও আনবে না। 

তিনি আরও বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনা দুঃখজনক। অতি দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগসহ এই অভ্যুত্থান ও বিগত বছরগুলোতে যারা ছাত্র-ছাত্রীদের নিপীড়ন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত মামলা করতে হবে। ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং’ (তথ্যানুসন্ধান) কমিশন করে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশাসনের উদ্যোগে নির্যাতনকারীদের তালিকা প্রণয়ন করতে হবে। প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢালাওভাবে ‘বহিরাগত’ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, উচিতও নয়। এ জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন। যাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশে বিঘ্ন না ঘটে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক পরিসর যাতে উন্মুক্ত থাকে এবং জনগণের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিথস্ক্রিয়ারও সুযোগ থাকে। ‘বহিরাগত’ জনগণের চেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ অতি জরুরি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক সারজিস আলম ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে বলেন, ‘মানসিক ভারসাম্যহীন হোক, চোর অথবা দাগি আসামি হোক, কাউকে এভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলার অধিকার বা সাহস কোনো একজন ব্যক্তি কীভাবে পান? মব জাস্টিসের নামে নির্মমতা কখনোই সমর্থনযোগ্য নয়। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার ক্ষেত্রে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির উদাহরণ তৈরি হওয়া প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘কে কোথায় পড়ে, কী করে সেটা মুখ্য নয়। অন্যায় সব সময় অন্যায়। একটা জলজ্যান্ত মানুষকে পিটিয়ে মেরে ফেলতে যাদের বুক একবারের জন্যও কাঁপে না, তাদের মধ্যে মনুষ্যত্ব থাকতে পারে না।’

সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, ‘মব জাস্টিস কোনো বিচার নয়। এটি শুধু আরও সহিংসতা ও অন্যায়ের কারণ হয়। আমরা ন্যায়বিচার চাই, সহিংসতা নয়।’

আরেক স্ট্যাটাসে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথক দুটি ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। ‘মবলিঞ্চিং’ কোনো সমাধান হতে পারে না। এটা একটা সুস্পষ্ট অপরাধ। যে বা যারাই এর সঙ্গে জড়িত, তাদের শনাক্ত করে শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে। সাধারণ শিক্ষার্থী দাবি করে কেউ যেন পার পেয়ে যেতে না পারে।

তিনি বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থী পরিচয়ে ছাত্রলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের পুনর্বাসনের কোনো পথ যেমন উন্মুক্ত নয়, তেমনি আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে অপরাধে অভিযুক্ত হলে তাকেও শাস্তি পেতে হবে। এ ব্যাপারে প্রশাসন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে অনুরোধ করছি।

আহসান লাবিবকে অব্যাহতি 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ এর অন্যতম সমন্বয়ক আহসান লাবিবকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শামীম মোল্লাকে গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। 

বৃহস্পতিবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ঘটনার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আহসান লাবিবকে সমন্বয়কের পদ থেকে অব্যাহতির এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। 

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০১:১৯ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শনিবার (২০ জুন) প্রধানমন্ত্রীর চীন ও মালয়েশিয়া সফর নিয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

৪ দিনের চীন সফরে তারেক রহমান দেশটির প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। ২৩ থেকে ২৬ জুন তিনি চীন সফর করবেন।

এ ছাড়া ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়া সফরে এক সমঝোতা চুক্তি, ২টি এক্সচেঞ্জ অব নোটসহ জনশক্তি রপ্তানি নিয়ে আলোচনা হবে। মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী মূলত শুভেচ্ছা সফরে যাচ্ছেন।

রবিউল/নাঈম/

এআই ক্যামেরা বন্ধের পেছেন কি তবে ‘ইঁদুরের হাত’

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
এআই ক্যামেরা বন্ধের পেছেন কি তবে ‘ইঁদুরের হাত’
ঢাকার রাস্তায় এআই ক্যামেরা। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও বাংলামোটরে এআই ট্রাফিক ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন তথ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। এটিকে কারিগরি ত্রুটি বলে জানানো হলেও ডিএমপির এক কর্মকর্তা একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে জানান, ইঁদুরে তার কাটায় এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ বলছে, এ ধরনের তথ্য সঠিক নয়। সংশ্লিষ্ট সব এআই ক্যামেরা বর্তমানে সচল রয়েছে এবং নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, কারওয়ান বাজারের পর বাংলামোটরের এআই ক্যামেরাও বন্ধ করা হয়েছে। এতে অনেকে মনে করছেন, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই দুই পয়েন্টে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে।

ডিএমপির আইসিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সিস্টেম বিশ্লেষক শারমিন আফরোজ ওই টেলিভিশন চ্যানেলকে জানান, কারওয়ান বাজার এলাকায় এআই ক্যামেরা ব্যবস্থার কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। তবে, এটি কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত বা কার্যক্রম স্থগিতের কারণে নয়। মূলত ওই এলাকায় বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ অবকাঠামো-সংক্রান্ত কিছু কারিগরি কাজ চলাকালে ক্যামেরা সংযোগের তার বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে সাময়িকভাবে ক্যামেরাগুলোর কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। মেরামত ও কারিগরি ত্রুটি দূর করার পর ক্যামেরাগুলো আবারও সচল করা হয়েছে। বর্তমানে কারওয়ান বাজার এলাকায় তিনটি এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে এবং আরও একটি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলমান।

তিনি বলেন, এআই ক্যামেরা বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই। বর্তমানে রাজধানীতে ১১০টি এআই ক্যামেরা সচল রয়েছে। আরও ১০টি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।

অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএমপির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ইদুরে তার কাটায় দুই দিন বন্ধ ছিল ঢাকার দুই সিগন্যালের এআই ক্যামেরা। যদিও পরে সেগুলো মেরামত করে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

থিওটোনিয়াস/

রামপুরায় গুলিবিদ্ধ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা পলাশের’ মৃত্যু

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
রামপুরায় গুলিবিদ্ধ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা পলাশের’ মৃত্যু
শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে কাইল্লা পলাশ। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর রামপুরায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে কাইল্লা পলাশ (৫০) মারা গেছেন। 

শুক্রবার (২০ জুন) রাত ১টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পলাশের বাবার নাম ইউনুস খান। তার বাড়ি রাজধানীর পশ্চিম রামপুরায়। তিনি যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান হত্যা মামলায় দণ্ডিত ছিলেন। পলাশ এক মাস আগে কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান।

গত শুক্রবার (১২ জুন) জুমার নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে রামপুরা টিভি সেন্টারের বিপরীত পাশে মক্কি মসজিদ গলির মুখের প্রধান সড়কে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন পলাশ। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সেখানে চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার মাথা থেকে গুলির অংশবিশেষ বের করেন। অস্ত্রোপচারের পর থেকে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে ঢাকা মেডিকেল থেকে গত ১৫ জুন তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। 

অন্তরা/

হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:২৬ এএম
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ১ হাজার ১০৯ বাংলাদেশি। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ১৫৬টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন মোট ৬১ হাজার ৬৯৭ জন বাংলাদেশি হাজি।

দেশে প্রত্যাবর্তনকারী হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৫৭ হাজার ৩৭৮ জন।

এদিকে হজ পালন করতে সৌদি আরবে গিয়ে হজ সম্পন্ন হওয়ার আগে ও পরে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫৪ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা যান।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, ২০ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত দেশে ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ২৭ হাজার ৩৬৩ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এ ছাড়া সৌদি এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ২১ হাজার ৬৫২ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ৪ হাজার ১০ জন হাজি।

হজযাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত মোট ১৫৬টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৭৮টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৫৬টি এবং ফ্লাইনাস ২২টি ফ্লাইট।

স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬৬ হাজার ২৪৯টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৮ হাজার ১৯৮টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান।

হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ৩০ জুন। হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

অন্তরা/

জাতিসংঘে বাংলাদেশ: রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবি

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১০:২৪ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১০:২৬ এএম
জাতিসংঘে বাংলাদেশ: রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবি
ছবি: সংগৃহীত

রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সঠিক সমাধান হলো তাদের নিজ দেশ মায়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসন। প্রায় দশ বছর ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য মোটেও কল্যাণকর নয় এবং রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়। জাতিসংঘ মহাসচিবের মায়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূতের ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ দাবি তুলে ধরেন। 

শনিবার (২০ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মায়ানমারে এবং এর স্থায়ী সমাধানও সেখান থেকেই খুঁজে বের করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে দীর্ঘদিন আশ্রয় দেওয়ার ফলে বাংলাদেশের ওপর উল্লেখযোগ্য সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি কূটনৈতিক উদ্যোগ ও সম্পৃক্ততা আরো জোরদারের আহ্বান জানান, যেন রোহিঙ্গাদের দ্রুত নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়।

নাঈম/