ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
স্কটল্যান্ডকে হালকাভাবে নিচ্ছে না ব্রাজিল: লুকাস পাকুয়েতা আনোয়ার ইব্রাহিমের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী শেরপুরে পিকআপভর্তি ভারতীয় মদসহ আটক ৩ হাসানুল হক ইনুর মামলার রায় ৩০ জুন চাপের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল প্রজন্মের বিশ্বকাপ উন্মাদনা পরিসংখ্যানের প্রশ্ন এড়াতে স্বচ্ছতা আনতে চায় সরকার: জুনায়েদ সাকি মামাবাড়ি থেকে ফেরার পথে ড্রেনে পড়ে শিশুর মৃত্যু সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি বাড়ছেই রাজশাহীতে রেস্তোরাঁয় হামলা: সাবেক শিবির নেতাসহ ৩০ জনের নামে মামলা তাহিরপুরে ঢলে ঘরের সঙ্গে ভেসে গেছে মানসিক ভারসাম্যহীন তরুণ জাইমা রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করা যুবক গ্রেপ্তার মঙ্গল ও চাঁদে অভিযানের জন্য নাসার নতুন রোভার আরনেস্ট রূপগঞ্জে কারখানায় ডাকাতির মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ জয়পুরহাটে দিনব্যাপী জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীতে দুইদিনের গবেষণা সম্প্রসারণ কর্মশালার উদ্বোধন পৃথিবীর গঠন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র দেশের ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ ব্রাজিলিয়ান জন্য সুখবর, পূর্ণ অনুশীলনে নেইমার দায় নিজের কাঁধে নিলেন বিয়েলসা ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় যুবকের ফাঁসি মধুখালীতে ডাকাতি, নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ মিডজার্নি আনছে নতুন আলট্রাসনিক বডি স্ক্যানার ক্যারিবীয় সাগরে আবারও মার্কিন হামলা, নিহত ২ হাইড্রেশন ব্রেকের বিরুদ্ধে স্কালোনি রসুনের ১০টি প্রমাণিত উপকারিতা চট্টগ্রামবাসীকে নিয়ে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার ঘোষণা ৫ ইসলামি ধারার ব্যাংকের চাকরিচ্যুতদের সাইপ্রাসে উদ্ধার মরদেহটি নিখোঁজ বাংলাদেশি ছাত্রের হতে পারে গুম ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার ১১ দলের সমাবেশ সুস্ময়ের আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে মেডেল জয়

বিনিয়োগ পেতে শ্রম খাত সংস্কার করা হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশ: ১৪ নভেম্বর ২০২৪, ০৫:২৬ পিএম
বিনিয়োগ পেতে শ্রম খাত সংস্কার করা হবে: প্রধান উপদেষ্টা
সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস

সরকার দেশের তৈরি খাতে আরও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে শ্রম খাতে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ-২৯ বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনের ফাঁকে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করার সময় ড. ইউনূস তাকে বলেন, ‘শ্রম ইস্যুটি আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের অন্যতম এবং আমরা সব শ্রম সমস্যা সমাধান করতে চাই।’ 

থেরেসা মে বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রম ইস্যুতে কাজ করার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। তিনি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মানবপাচার ও অভিবাসন ইস্যু নিয়েও আলোচনা করেন।

ড. ইউনূস আইনি মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে অভিবাসন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি ঝুঁকি ও অনিয়মিত অভিবাসন কমিয়ে দেবে এবং মানবপাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করবে।

থেরেসাকে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের সময় বাংলাদেশি তরুণদের আঁকা গ্রাফিতি ও ম্যুরালবিষয়ক বই আর্ট অব ট্রায়াম্ফের একটি অনুলিপি উপহার দেন প্রধান উপদেষ্টা।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব ও মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, তুরস্ক এবং আজারবাইজানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আনামুল হক উপস্থিত ছিলেন।

বাসস/অমিয়/

আনোয়ার ইব্রাহিমের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
আনোয়ার ইব্রাহিমের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : পিএমও

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টায় পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের বাসভবনে এই মধ্যাহ্নভাজের আয়োজন করা হয়। এসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

মধ্যাহ্ন ভোজকালে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে মালয়েশিয়ার শিল্পীরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে স্কুলের শিক্ষার্থীরা ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার, শেষ বাংলাদেশ’ গানটির সঙ্গে নৃত্য পরিবেশ করে। দুই প্রধানমন্ত্রী ও তাদের সহধর্মিণীরা এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান ভবন থেকে নেমে আসলে প্রবেশ পথের দুই পাশে মালয়েশিয়ার শিশু-কিশোররা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকা হাতে উভয়কে স্বাগত জানায়।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে মূল ফটকে গাড়ির সামনে এসে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও তার সহধর্মিণী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানকে বিদায় জানান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী মোটর শোভাযাত্রা সহকারে কুয়ালালামপুরে শাংগ্রিলা হোটেলে ফিরে যান। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত কয়েকটি কর্মসূচি রয়েছে।

আমান/

পরিসংখ্যানের প্রশ্ন এড়াতে স্বচ্ছতা আনতে চায় সরকার: জুনায়েদ সাকি

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম
পরিসংখ্যানের প্রশ্ন এড়াতে স্বচ্ছতা আনতে চায় সরকার: জুনায়েদ সাকি
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। ছবি: খবরের কাগজ

সরকারি বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিসংখ্যান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জনমনে যে প্রশ্ন ও সংশয় তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ ব্যবস্থায় সরকার আরও স্বচ্ছতা আনতে চায় বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি।

সোমবার (২২ জুন) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে বিবিএসের নবপ্রতিষ্ঠিত মাইক্রোডেটা বিশ্লেষণাগার নিয়ে আয়োজিত অংশীজন সচেতনতামূলক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

গবেষণা, নীতিনির্ধারণ এবং উন্নয়ন পরিকল্পনায় সরকারি পরিসংখ্যানের কার্যকর ব্যবহার বাড়াতে নিরাপদ মাইক্রোডেটা বিশ্লেষণাগার (মাইক্রোডেটা অ্যানালাইসিস ল্যাব) চালু করছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। এই বিশ্লেষণাগারের মাধ্যমে অনুমোদিত গবেষক, শিক্ষার্থী, অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকরা বিবিএসের গোপনীয়তা-সুরক্ষিত মাইক্রোডেটা ব্যবহার করে গভীরতর গবেষণার সুযোগ পাবেন।

জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য শুধু তথ্য উন্মুক্ত করা নয়, বরং স্বাধীন গবেষণাকে উৎসাহিত করা, যাতে উন্নত গবেষণার মাধ্যমে সরকারি নীতিমালা আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক হয়। উন্নতমানের তথ্য সহজলভ্য হলে বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষার্থী ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানগুলো আরও গভীর গবেষণা করতে পারবে, যা জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তার কারণে এখনই সংবেদনশীল মাইক্রোডেটায় অনলাইনে প্রবেশাধিকার দেওয়া সম্ভব নয়। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হলে ধাপে ধাপে এ সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্ভরযোগ্য তথ্য ছাড়া উন্নয়নের অগ্রগতি মূল্যায়ন, নীতির কার্যকারিতা পরিমাপ এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন করা সম্ভব নয়। সরকার চায় গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং সাধারণ নাগরিক স্বাধীনভাবে সরকারি তথ্য বিশ্লেষণ করে দেশের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে পারেন। বিশ্বাসযোগ্য ভিত্তি তথ্য না থাকলে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, দারিদ্র্য কমানো কিংবা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি কতটা সফল হচ্ছে, তা নির্ভুলভাবে মূল্যায়ন করা যায় না।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মো. ফিরোজ সরকার বলেন, দেশের পরিসংখ্যান সেবাকে আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে এই গবেষণাগার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। স্বচ্ছ আবেদন প্রক্রিয়া, সুস্পষ্ট কার্যপদ্ধতি এবং ব্যবহারকারীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করা হবে।

বিবিএসের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ ওবায়দুল ইসলাম বলেন, নতুন এই গবেষণাগার শিক্ষার্থী, গবেষক, অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকদের জন্য সরকারি মাইক্রোডেটা ব্যবহারে একটি নিরাপদ ও সুশাসনভিত্তিক কাঠামো তৈরি করবে।

বাংলাদেশে কোইকার কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম বলেন, বিবিএসের সঙ্গে যৌথভাবে ডেটা প্ল্যাটফর্ম, ডেটা ওয়্যারহাউস এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তথ্য বিনিময় ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের পরিসংখ্যান অবকাঠামো আধুনিকায়নে কাজ করছে কোইকা।

কর্মশালায় জানানো হয়, দেশের সরকারি পরিসংখ্যানকে শুধু প্রতিবেদন বা প্রকাশিত সারণিতে সীমাবদ্ধ না রেখে গবেষণা, অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ, নীতিনির্ধারণ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট আলোচনায় আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। 

বিবিএস জানায়, দেশের বিভিন্ন শুমারি, জরিপ ও পরিসংখ্যান কার্যক্রমের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সরকারি তথ্য উৎপাদিত হলেও গবেষকদের জন্য এসব তথ্যের গভীর বিশ্লেষণ সবসময় সহজ ছিল না। বিশেষ করে ব্যক্তি-পর্যায়ের তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা রক্ষা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তথ্য ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নীতিমালার প্রয়োজন ছিল। নতুন মাইক্রোডেটা বিশ্লেষণাগার সেই সীমাবদ্ধতা দূর করবে।

নতুন ব্যবস্থায় গবেষক বা ব্যবহারকারীকে প্রথমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রে ব্যক্তিগত পরিচয়, প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন, গবেষণার উদ্দেশ্য এবং প্রয়োজনীয় ডেটাসেটের তথ্য দিতে হবে। এরপর বিবিএস আবেদন যাচাই করে তথ্যপ্রাপ্তির নীতিমালা ও গোপনীয়তার শর্ত পূরণ হলে অনুমোদন দেবে। অনুমোদনের আগে ব্যবহারকারীকে গোপনীয়তা চুক্তি, ব্যবহারকারী চুক্তি এবং নির্ধারিত কার্যপদ্ধতি অনুসরণের অঙ্গীকার করতে হবে।

মাইক্রোডেটা বিশ্লেষণাগারে গবেষকরা শুধুমাত্র বিবিএসের নির্ধারিত নিরাপদ কর্মপরিবেশে কাজ করতে পারবেন। সেখানে থাকবে কেন্দ্রীয় সার্ভার, গবেষণার জন্য পৃথক ওয়ার্কস্টেশন, পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার এবং নিয়ন্ত্রিত স্থানীয় নেটওয়ার্ক। নিরাপত্তার স্বার্থে সরাসরি ইন্টারনেট সংযোগ, ইমেইল কিংবা বাহ্যিক সংরক্ষণ যন্ত্র ব্যবহারের সুযোগ থাকবে না।

বিবিএসের ভাষ্য অনুযায়ী, গবেষকরা তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারলেও কোনো কাঁচা তথ্য, ব্যক্তি-পর্যায়ের রেকর্ড কিংবা গোপনীয় মাইক্রোডেটা ল্যাবের বাইরে নিতে পারবেন না। শুধুমাত্র যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদিত সারণি, চিত্র, পরিসংখ্যানগত ফলাফল, প্রোগ্রাম কোড বা লিখিত বিশ্লেষণ বাইরে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। এ জন্য পৃথক পর্যালোচনা কমিটি প্রতিটি আউটপুট পরীক্ষা করা। তথ্য সুরক্ষায় একাধিক স্তরের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মাইক্রোডেটা থেকে নাম, ঠিকানাসহ প্রত্যক্ষ পরিচয় শনাক্তকারী তথ্য অপসারণ করা হবে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীর প্রবেশাধিকার, সার্ভার লগ, কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, গোপনীয়তা চুক্তি, নিয়মিত তদারকি এবং আকস্মিক নিরীক্ষার মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হবে। 

বিবিএস আরও জানায়, ব্যবহারকারীদের জন্য একটি ডিজিটাল তথ্যভান্ডারও তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ডেটাসেটের তালিকা, বিষয়ভিত্তিক অনুসন্ধান, বছরের ভিত্তিতে বাছাই, মেটাডেটা এবং বিভিন্ন তথ্য বিন্যাসে প্রয়োজনীয় নথি পাওয়া যাবে। এর ফলে গবেষকরা গবেষণা শুরুর আগেই প্রয়োজনীয় তথ্য সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবেন এবং যথাযথ ডেটাসেট নির্বাচন করতে পারবেন। বর্তমান পর্যায়ে বিবিএস সদর দপ্তরে নিরাপদ অন-সাইট বিশ্লেষণাগারের মাধ্যমে সেবা দেওয়া হবে। পরবর্তী ধাপে তথ্যভান্ডার ও মাইক্রোডেটা সেবা আরও সম্প্রসারণ করে নিয়ন্ত্রিত ডিজিটাল প্রবেশাধিকার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

২০২৭ সাল এবং এর পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে আরও বিস্তৃত অনলাইন মাইক্রোডেটা সেবা চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিবিএস।

জাহাঙ্গীর আলম/অন্তরা/

চট্টগ্রামবাসীকে নিয়ে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার ঘোষণা ৫ ইসলামি ধারার ব্যাংকের চাকরিচ্যুতদের

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০১:৪২ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০১:৪৩ পিএম
চট্টগ্রামবাসীকে নিয়ে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার ঘোষণা ৫ ইসলামি ধারার ব্যাংকের চাকরিচ্যুতদের
চট্টগ্রামে মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে বিক্ষোভ মিছিল করেন চাকরিচ্যুত ব্যাংকাররা। ছবিটি নগরীর নিউমার্কেট এলাকা থেকে তোলা। - মোহাম্মদ হানিফ

চট্টগ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশের পাঁচটি ইসলামি ধারার ব্যাংক থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত প্রায় ১০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

এ সময় চাকরিচ্যুত ব্যাংকাররা ব্যাংকিং খাতে চলমান সংকট এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্দশা তুলে ধরেন। পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতে সব ষড়যন্ত্র চট্টগ্রামবাসীকে নিয়ে প্রতিহত করার ঘোষণা দেন। 

এ সময় তারা, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘তারেক রহমানের সরকার, চাকরিটা দরকার’, ‘লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই’-সহ নানা স্লোগান দেন।

এ সময় চাকরিচ্যুত ব্যাংকাররা বলেন, ৫ আগস্টের পর একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর প্রভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোতে ব্যাপক হারে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বদলি, আইডি ইনঅ্যাকটিভ করা, প্রশাসনিক হয়রানি এবং তথাকথিত ‘দক্ষতা মূল্যায়ন’ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

তারা বলেন, এর ফলে প্রায় ১০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি হারিয়েছেন, যা হাজারো পরিবারকে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে। আমরা আমাদের চাকরি ফেরত চাই। আমরা দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে কাজ করতে চাই। আমরা আজ যারা দাঁড়িয়েছি আমরা কোনো রাজনৈতিক দলে সম্পৃক্ত নই। আমাদের ভাইয়েরা কষ্টে আছেন, অনেকেই মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। আমরা রেমিট্যান্স ভাই, গ্রাহকদের বলতে চাই- আপনারা আমাদের পাশে থাকুন।

সরকার, অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা বলেন, আপনারা আমাদের চাকরি ফিরিয়ে দিন। আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে, সে ষড়যন্ত্র এখনও অব্যাহত আছে। গ্রাহক সাজিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উঠিয়ে একটি মহল অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করছে। আমরা প্রয়োজনে এই চট্টগ্রাম থেকে কঠোর আন্দোলন শুরু করব। এই চট্টগ্রামের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করব। 

চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের চট্টগ্রামের প্লাটফর্ম চিটাগং এলায়েন্সের মুখপাত্র ও সমন্বয়ক মোহাম্মদ মোক্তার রশিদ খবরের কাগজকে বলেন, ‘ব্যাংকে চাকরি করার সময় ব্যাংকারদের কাছ থেকে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করা হয়। চাঁদা না দেওয়ায় অনেককে মারধর, অনেককে চাকরিচ্যুত করা হয়। আমরা কোনো দলের নই, আমরা সাধারণ ব্যাংকার। সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ, আমাদের চাকরিটা ফিরিয়ে দেওয়া হোক।’

মানববন্ধন থেকে ১০টি দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো-

১) অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধাসহ অবিলম্বে পুনর্বহাল করতে হবে।
২) দক্ষ, অভিজ্ঞ, সৎ ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন করতে হবে।
৩) ব্যাংকের সব পর্যায়ে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে এবং চাকরিরত অবস্থায় প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪) ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ করপোরেট সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।
৫) গ্রাহকদের আমানতের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৬) মব সৃষ্টি করে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বাধা প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিয়ে ব্যাংকের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে হবে।
৭) ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর ব্যাংকে সংঘটিত সব অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
৮) ব্যাংকের মানবসম্পদ (এইচআর) নীতিমালা অনুসরণ না করে নিয়োগপ্রাপ্ত দলীয় ক্যাডারদের অপসারণ করতে হবে এবং সব নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
৯) শাখা ব্যবস্থাপক থেকে শুরু করে ক্যাশ অফিসার পর্যন্ত যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী কাউন্টারে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ থাকা সত্ত্বেও গ্রাহকদের অর্থ পরিশোধ না করে কৃত্রিম সংকট ও আতঙ্ক সৃষ্টি করছেন, তাদের চিহ্নিত করে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৫৭ ধারা অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
১০) ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম, গ্রাহকসেবা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে হবে।

মানববন্ধন শেষে চাকরিচ্যুত ব্যাংকাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে থেকে নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেন। 

কর্মসূচিতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ক্ষতিগ্রস্ত হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নেন।

তারেক মাহমুদ/অমিয়/

চলন্ত বাইকে ইটের আঘাতে আহত সেই যুবকের মৃত্যু

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
চলন্ত বাইকে ইটের আঘাতে আহত সেই যুবকের মৃত্যু
সাজিদ চৌধুরী রাফি। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইট মেরে আহত করা সাজিদ চৌধুরী রাফি (২১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সোমবার (২২ জুন) সকাল ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাফির চাচা মো. নুর হোসেন চৌধুরী।

তিনি জানান, ঘটনার দিন রাফিকে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরদিন ১০ জুন তাকে ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। প্রায় ১৩দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সে মারা গেছে।

এর আগে,গত ৯ জুন রাত সাড়ে ১২টার দিকে কাফরুল থানার পূর্ব শেওড়াপাড়ার আশরাফ আলী গলিতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়।

ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, একটি মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় এক তরুণ রাফিকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়ে মারে। ইটের আঘাতে তিনি মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় পড়ে অচেতন হয়ে যান। এ সময় মোটরসাইকেলটি তার শরীরের ওপর পড়ে থাকে। পরে ঘাতকরাই রিকশায় করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছিল বলে জানা গেছে।

অন্তরা/

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। ছবি: সংগৃহীত

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সোমবার (২২ জুন) মালয়েশিয়ায় স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পেরদানা পুত্রা ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 

দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের এ বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

এছাড়া তাদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক বিষয় পর্যালোচনার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

আলোচনায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্তকরণ, বিভিন্ন কারণে অবৈধ হয়ে যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মিতকরণ ও ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন, বাংলাদেশের আম, ফলমূল ও শাকসবজির জন্য মালেশিয়ার বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার জন্য বাংলাদেশের আবেদন, রিজওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি, রোহিঙ্গা ইস্যু এবং জাতিসংঘ ও অন্যান্য বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

বৈঠকের পর উভয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সংস্কৃতি বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

এ ছাড়া সন্ত্রাসবাদ দমন বিষয়ে গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি দলিল এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত একটি দ্বিপাক্ষিক দলিল বিনিময় করা হয়। দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দলিল দুটি বিনিময় করেন।

এরপর দুদেশের প্রধানমন্ত্রী একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন। সূত্র: বাসস

অন্তরা/