ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কেমন ছিল রাসুল (সা.)-এর প্রিয় পোশাক ব্রাজিলের কাছে হেরেও ফুটবলারদের নিয়ে গর্বিত হাইতির কোচ বরকে মিষ্টিমুখ করাতে গিয়ে প্রাণ গেল চাচা শ্বশুরের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি চট্টগ্রামে র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার সাতকানিয়ায় মাদরাসায় হামলা ও দেওয়ালে জয় বাংলা লেখার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মোহনগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার আত্মসমর্পণ এআই ক্যামেরা বন্ধের পেছেন কি তবে ‘ইঁদুরের হাত’ অস্ট্রেলিয়ায় শনাক্ত হলো সংক্রামক এইচ৫ বার্ড ফ্লু রামপুরায় গুলিবিদ্ধ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা পলাশের’ মৃত্যু টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা ৮০তম জন্মদিন ঘিরে ট্রাম্পের ভাগ্যে বড় পরিবর্তনের আভাস জ্যোতিষীদের ৯০ মিনিট খেলতে এখনও প্রস্তুত নন ইয়ামাল ৪৮ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ে, ৯ দিন পর বিচ্ছেদ চাইলেন যুবক টাঙ্গাইলে সেপটিক ট্যাংকের বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণ গেল ৪ জনের কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ আব্দুস সাদেক আর নেই ফেনী স্টেশনে মেঘনা ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল, যাত্রীদের ভোগান্তি ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি নস্যাৎ করতে পারেন নেতানিয়াহু: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা তুরস্কের হারে নকআউটে যুক্তরাষ্ট্র নওগাঁর আম আমদানি করতে চায় জাপান বিশ্বকাপ থেকে প্রথম দল হিসেবে বিদায় নিল হাইতি টাঙ্গাইলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ৫০ লাখ টাকার সরকারি অনুদান হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি দেশে আরও কমল স্বর্ণের দাম প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ জরুরি আজ ‘লম্বা মেয়েদের’ প্রশংসা পাওয়ার দিন সাড়ে তিন ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের পথে মেঘনা এক্সপ্রেস আনচেলত্তির সন্তুষ্টি, স্কটল্যান্ড ম্যাচেই ফিরছেন নেইমার কাতারের দেওয়া 'উড়ন্ত হোয়াইট হাউস' উন্মোচন করলেন ট্রাম্প জি-৭ সম্মেলনের ‘আমি বস’ মন্তব্য ছিল শুধুই মজা, বললেন ট্রাম্প

ঋতুস্রাবে করণীয় কী, প্রান্তিকে জানে না অনেক নারী

প্রকাশ: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৮:৫০ পিএম
আপডেট: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৯:১২ পিএম
ঋতুস্রাবে করণীয় কী, প্রান্তিকে জানে না অনেক নারী
রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনে গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘মাসিক সমতা ও যৌন-প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার’ সংক্রান্ত গোল টেবিল বৈঠক। ছবি: খবরের কাগজ

ব্যবহারের পরে নষ্ট করে ফেলা যায় এমন স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করেন মাত্র ৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ নারী চা শ্রমিক। ৮৭ দশমিক ১৩ শতাংশ নারী ঋতুস্রাবকালীন সময়ে এখনও পুনরায় ব্যবহারযোগ্য কাপড় ব্যবহার করেন। ৭৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ নারী শ্রমিক ঋতুস্রাবের প্রথম অনুভূতি বুঝতে পারেন না। ৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ নারী শ্রমিক ঋতুস্রাবকালীন সময়ে করণীয় কী তা জানেন না। ৯২ শতাংশ নারীকে স্যানিটারি ন্যাপকিন বদলাতে হয় চা বাগানের কোনো ঝোঁপের আড়াল বা উন্মুক্ত স্থানে।

গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন (জিবিএফ) এর অধীনে ‘আনচার্টেড রেড ওয়াটারস’ প্রকল্পের অধীনে সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমন তথ্য।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে ডেইলি স্টার ভবনে ‘বাংলাদেশে নির্বাচিত প্রান্তিক সম্প্রদায়ের মাসিক সমতা: নীতি ও কর্মসূচির আলোকে’ শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠকে এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়। প্রকল্পের গবেষক ফারিয়া রহমান ও বর্ষা আহমেদ এ তথ্য উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, গত ২৩ নভেম্বর রাজবাড়ির দৌলতদিয়ায় যৌনকর্মীদের নিয়ে, ২১ নভেম্বর মিরপুরের ব্যাপ্টিস্ট মিশন ইন্টিগ্রেটেড স্কুলে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী কিশোরীদের ওপর, ১৭ নভেম্বর শ্রীমঙ্গলের চা শ্রমিকদের ওপর এবং ১৫ নভেম্বর মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় বেদে সম্প্রদায়ের নারীদের ওপর সমীক্ষা পরিচালিত হয়েছে।

রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনে গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘মাসিক সমতা ও যৌন-প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার’ সংক্রান্ত গোল টেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা। ছবি: খবরের কাগজ

সমীক্ষায় উঠে এসেছে যৌন পল্লীর ৫৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ নারী স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করেন। সেখানে মাত্র ১ দশমিক ৫ শতাংশ নারী ঋতুস্রাবকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার তথ্য পাচ্ছেন। ২৪ শতাংশ নারী বলছেন ঋতুস্রাবকালীন সময়েও তাদের যৌনকর্মে বাধ্য করা হয়। বেদেপল্লীতে স্বাস্থ্যসম্মত সেনিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করেন ৪৮ শতাংশ নারী। এই সমাজে প্রথম ঋতুস্রাবের পরে স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে সচেতন নন শতকরা ৭৫ ভাগ নারী। এই সমাজের ৫৮ ভাগ নারী ঋতুস্রাবকালীন জটিলতার জন্য চিকিৎসকের কাছে যান না।

গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের অ্যালামনাই উপমা রশিদের সঞ্চালনায় এই আলোচনায় অংশ নেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মঈনুল হাসান, আইসিডিডিআরবির হেলথ অ্যান্ড ওয়াশ বিভাগের কর্মকর্তা মাহবুব উল আলম, ইউনাইটেড নেশন্স পপুলেশন ফান্ড-ইউএনএফপিএ এর ঢাকা অঞ্চলের কর্মকর্তা ডা. মেহবুবা নূর প্রথা, সাজিদা ফাউন্ডেশনের সালমা আহমেদ, ব্রাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ আব্দুল জব্বার, ব্যাপ্টিস্ট মিশন ইন্টিগ্রেটেড স্কুলের গ্লোরিয়া চন্দ্রাণী বাড়ৈ, স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের তেহসিনা খানম, শেয়ার-নেট বাংলাদেশের কান্ট্রি কো অর্ডিনেটর ড. ফারহানা হক, মানবমুক্তি সংস্থার আতাউর রহমান মঞ্জু, হাউজ অব ভলেন্টিয়ারসের সাদিয়া তাসনিম, বি-স্ক্যানের সালমা মাহবুব (বি-স্ক্যান)। 

আলোচনা সভার শুরুতে জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর পর্বের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ঝর্ণা আক্তার, যৌনকর্মী আশা আক্তার (ছদ্মনাম), শ্রীমঙ্গলের কালিঘাট চা বাগানের শ্রমিক সীমা রাণী তাঁতী তুলে ধরেন । 

গবেষক মাহবুব উল আলম বলেন, ‘হাইজিন ম্যানেজমেন্টের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল সেনিটারি ন্যাপকিন। সেটাকে আসলে ফ্যান্সি পণ্য হিসেবে দেখিয়ে ইমপোর্ট ট্যাক্স হিউজ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ওষুধপত্র ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয় প্রক্রিয়া (এমএসআর) নিয়ে সবাই কথা বলা শুরু করল। তখন এটা কিছু কমানো হয়। আমরা চাই, সেনিটারি ন্যাপকিন কোনো ফ্যান্সি প্রোডাক্টের আওতায় থাকবে না। জীবন রক্ষাকারী এ পণ্যে ভ্যাট-ট্যাক্স কিছুই যদি না থাকে তাহলে দামটাও বেশ কমে আসবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা আমাদের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এখানে ভূমিকা রয়েছে।’  

ঋতুস্রাবকালীন কর্মজীবী নারীদের জন্য যে ধরনের অবকাঠামো দরকার সেটি এখনো গড়ে ওঠেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি। সেনিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারের পরে সেটি কি গৃহস্থালি বর্জ্য নাকি হাসপাতাল বর্জ্যের সঙ্গে ভাগাড়ে যাবে সেই ব্যবস্থাপনাও করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পুরুষের অন্তর্ভুক্তির বিষয় নিয়ে সামাজিক মহলে সচেতনতা বৃদ্ধির পরামর্শ দেন মাহবুব উল আলম। তাছাড়া প্রতিবন্ধী ও প্রান্তিক নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আলাদা ব্যবস্থাপনা প্রণয়ণেও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। 

ডা. মঈনুল হাসান সরকারি হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো থেকে বিনামূল্যে সেনিটারি ন্যাপকিন সরবরাহ করা যায় কি না এমন একটি প্রস্তাবনা উত্থাপন করতে বলেন নাগরিক সমাজকে। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ওষুধ, ইনজেকশন, ভ্যাকসিন ফ্রি দিচ্ছি। আমি মনে করি, এর মধ্যে সেনিটারি ন্যাপকিনটাও ইনক্লুড করা যায় কি না। সর্বমহল থেকে এমন প্রস্তাবনা এলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মুভ করতে পারি। মেডিকেল সার্জিকেল রিঅ্যাজেন্ট প্রকিউরমেন্ট প্রসিডিউরে (এমএসআর) সেনিটারি ন্যাপকিন ইনক্লুড করতে পারি।

মাহফুজ/এমএ/

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০১:১৯ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শনিবার (২০ জুন) প্রধানমন্ত্রীর চীন ও মালয়েশিয়া সফর নিয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

৪ দিনের চীন সফরে তারেক রহমান দেশটির প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। ২৩ থেকে ২৬ জুন তিনি চীন সফর করবেন।

এ ছাড়া ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়া সফরে এক সমঝোতা চুক্তি, ২টি এক্সচেঞ্জ অব নোটসহ জনশক্তি রপ্তানি নিয়ে আলোচনা হবে। মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী মূলত শুভেচ্ছা সফরে যাচ্ছেন।

রবিউল/নাঈম/

এআই ক্যামেরা বন্ধের পেছেন কি তবে ‘ইঁদুরের হাত’

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
এআই ক্যামেরা বন্ধের পেছেন কি তবে ‘ইঁদুরের হাত’
ঢাকার রাস্তায় এআই ক্যামেরা। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও বাংলামোটরে এআই ট্রাফিক ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন তথ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। এটিকে কারিগরি ত্রুটি বলে জানানো হলেও ডিএমপির এক কর্মকর্তা একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে জানান, ইঁদুরে তার কাটায় এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ বলছে, এ ধরনের তথ্য সঠিক নয়। সংশ্লিষ্ট সব এআই ক্যামেরা বর্তমানে সচল রয়েছে এবং নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, কারওয়ান বাজারের পর বাংলামোটরের এআই ক্যামেরাও বন্ধ করা হয়েছে। এতে অনেকে মনে করছেন, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই দুই পয়েন্টে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে।

ডিএমপির আইসিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সিস্টেম বিশ্লেষক শারমিন আফরোজ ওই টেলিভিশন চ্যানেলকে জানান, কারওয়ান বাজার এলাকায় এআই ক্যামেরা ব্যবস্থার কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। তবে, এটি কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত বা কার্যক্রম স্থগিতের কারণে নয়। মূলত ওই এলাকায় বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ অবকাঠামো-সংক্রান্ত কিছু কারিগরি কাজ চলাকালে ক্যামেরা সংযোগের তার বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে সাময়িকভাবে ক্যামেরাগুলোর কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। মেরামত ও কারিগরি ত্রুটি দূর করার পর ক্যামেরাগুলো আবারও সচল করা হয়েছে। বর্তমানে কারওয়ান বাজার এলাকায় তিনটি এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে এবং আরও একটি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলমান।

তিনি বলেন, এআই ক্যামেরা বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই। বর্তমানে রাজধানীতে ১১০টি এআই ক্যামেরা সচল রয়েছে। আরও ১০টি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।

অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএমপির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ইদুরে তার কাটায় দুই দিন বন্ধ ছিল ঢাকার দুই সিগন্যালের এআই ক্যামেরা। যদিও পরে সেগুলো মেরামত করে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

থিওটোনিয়াস/

রামপুরায় গুলিবিদ্ধ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা পলাশের’ মৃত্যু

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
রামপুরায় গুলিবিদ্ধ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা পলাশের’ মৃত্যু
শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে কাইল্লা পলাশ। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর রামপুরায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে কাইল্লা পলাশ (৫০) মারা গেছেন। 

শুক্রবার (২০ জুন) রাত ১টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পলাশের বাবার নাম ইউনুস খান। তার বাড়ি রাজধানীর পশ্চিম রামপুরায়। তিনি যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান হত্যা মামলায় দণ্ডিত ছিলেন। পলাশ এক মাস আগে কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান।

গত শুক্রবার (১২ জুন) জুমার নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে রামপুরা টিভি সেন্টারের বিপরীত পাশে মক্কি মসজিদ গলির মুখের প্রধান সড়কে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হন পলাশ। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সেখানে চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার মাথা থেকে গুলির অংশবিশেষ বের করেন। অস্ত্রোপচারের পর থেকে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে ঢাকা মেডিকেল থেকে গত ১৫ জুন তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। 

অন্তরা/

হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:২৬ এএম
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ১ হাজার ১০৯ বাংলাদেশি। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ১৫৬টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন মোট ৬১ হাজার ৬৯৭ জন বাংলাদেশি হাজি।

দেশে প্রত্যাবর্তনকারী হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৫৭ হাজার ৩৭৮ জন।

এদিকে হজ পালন করতে সৌদি আরবে গিয়ে হজ সম্পন্ন হওয়ার আগে ও পরে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫৪ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা যান।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, ২০ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত দেশে ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ২৭ হাজার ৩৬৩ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এ ছাড়া সৌদি এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ২১ হাজার ৬৫২ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ৪ হাজার ১০ জন হাজি।

হজযাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত মোট ১৫৬টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৭৮টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৫৬টি এবং ফ্লাইনাস ২২টি ফ্লাইট।

স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬৬ হাজার ২৪৯টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৮ হাজার ১৯৮টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান।

হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ৩০ জুন। হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

অন্তরা/

জাতিসংঘে বাংলাদেশ: রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবি

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১০:২৪ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১০:২৬ এএম
জাতিসংঘে বাংলাদেশ: রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবি
ছবি: সংগৃহীত

রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সঠিক সমাধান হলো তাদের নিজ দেশ মায়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসন। প্রায় দশ বছর ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য মোটেও কল্যাণকর নয় এবং রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়। জাতিসংঘ মহাসচিবের মায়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূতের ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ দাবি তুলে ধরেন। 

শনিবার (২০ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মায়ানমারে এবং এর স্থায়ী সমাধানও সেখান থেকেই খুঁজে বের করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে দীর্ঘদিন আশ্রয় দেওয়ার ফলে বাংলাদেশের ওপর উল্লেখযোগ্য সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি কূটনৈতিক উদ্যোগ ও সম্পৃক্ততা আরো জোরদারের আহ্বান জানান, যেন রোহিঙ্গাদের দ্রুত নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়।

নাঈম/