ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বেনজিরকে শিগগিরই ফেরত আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মালয়েশিয়া ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী ২৮ জন টিনএজ থেকে গ্লোবাল সুপারস্টার চকরিয়ায় শ্রীরামকে অবমাননার প্রতিবাদে বিক্ষোভ রূপগঞ্জে  ব্যবসায়ীর বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন নওগাঁয় ডাকাতি করতে গিয়ে পুলিশের খাঁচায় ৩ ডাকাত আইওএস ২৭-এ আসছে নতুন ফিচার কেমন ছিল রাসুল (সা.)-এর প্রিয় পোশাক রাঙামাটিতে জাম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে শিক্ষিকার মৃত্যু ব্রাজিলের কাছে হেরেও ফুটবলারদের নিয়ে গর্বিত হাইতির কোচ বরকে মিষ্টিমুখ করাতে গিয়ে প্রাণ গেল চাচা শ্বশুরের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি চট্টগ্রামে র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার সাতকানিয়ায় মাদরাসায় হামলা ও দেওয়ালে জয় বাংলা লেখার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মোহনগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার আত্মসমর্পণ এআই ক্যামেরা বন্ধের পেছেন কি তবে ‘ইঁদুরের হাত’ অস্ট্রেলিয়ায় শনাক্ত হলো সংক্রামক এইচ৫ বার্ড ফ্লু রামপুরায় গুলিবিদ্ধ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্লা পলাশের’ মৃত্যু টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা ৮০তম জন্মদিন ঘিরে ট্রাম্পের ভাগ্যে বড় পরিবর্তনের আভাস জ্যোতিষীদের ৯০ মিনিট খেলতে এখনও প্রস্তুত নন ইয়ামাল ৪৮ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ে, ৯ দিন পর বিচ্ছেদ চাইলেন যুবক টাঙ্গাইলে সেপটিক ট্যাংকের বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণ গেল ৪ জনের কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ আব্দুস সাদেক আর নেই ফেনী স্টেশনে মেঘনা ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল, যাত্রীদের ভোগান্তি ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি নস্যাৎ করতে পারেন নেতানিয়াহু: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা তুরস্কের হারে নকআউটে যুক্তরাষ্ট্র নওগাঁর আম আমদানি করতে চায় জাপান বিশ্বকাপ থেকে প্রথম দল হিসেবে বিদায় নিল হাইতি টাঙ্গাইলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ৫০ লাখ টাকার সরকারি অনুদান

জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে সংস্কার শুরু করেছে বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৫, ০৪:২৮ পিএম
জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে সংস্কার শুরু করেছে বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা
চীনের হাইনানে বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (বিএফএ) সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনের ভাষণ দিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

বাংলাদেশের জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে অন্তর্বর্তী সরকার গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, ‘আমাদের তরুণ প্রজন্ম ও দেশবাসী বাংলাদেশের ভবিষ্যত নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে অসাধারণ সংকল্প ও শক্তি প্রদর্শন করেছে। জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে আমরা গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছি।’

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) চীনের হাইনানে বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (বিএফএ) সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনের ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

চলমান সংস্কার কর্মসূচির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, ‘স্বাধীন কমিশন গঠন করা হয়েছে যাতে নির্বাচনী ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, বেসামরিক প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে সংস্কার আনা যায়।’

এই সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে আমাদের জাতির একটি মৌলিক রূপান্তর সাধিত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা যখন একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে যাচ্ছি, তখন এশিয়ার অন্যান্য দেশের মতো আমরাও একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছি।’

বিশ্বব্যাপী আর্থিক বাজারের অস্থিরতা, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, কূটনৈতিক উত্তেজনা এবং বাণিজ্য বিঘ্নতা বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ড. ইউনূস বলেন, ‘সুদের হার বৃদ্ধি ও ঋণ পরিষেবা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এশিয়ার ঋণ সংকট আরও গভীর হচ্ছে।’

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী ২০৩০ অ্যাজেন্ডার প্রতি প্রতিশ্রুতি থাকা সত্ত্বেও অগ্রগতি খুব ধীর গতিতে হচ্ছে। এখন পর্যন্ত মাত্র ২৪ শতাংশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জিত হয়েছে।’

তিনি বলেন, উন্নয়নশীল এশীয় দেশগুলো প্রতি বছর ২ দশমিক ৫ থেকে ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এসডিজি অর্থায়নের ঘাটতির সম্মুখীন হচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এসডিজি অর্থায়নের বাইরেও এশিয়াকে ব্যাপক পরিমাণে অবকাঠামো বিনিয়োগ ও দায়িত্বশীল অর্থায়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য আনতে হবে।

দুর্নীতি ও আর্থিক অপচয় রোধের আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি ও অবৈধ অর্থপ্রবাহের শিকার।

তিনি উল্লেখ করেন, এ ধরনের দুর্নীতি ও আর্থিক অনিয়মের কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলো প্রতি বছর প্রায় এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হয়, যা তারা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহায়তা হিসেবে যে অর্থ পায় তার চেয়ে বহুগুণ বেশি।

তিনি বলেন, ‘এশিয়াকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সম্পদ পুনরুদ্ধার ও পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার জন্য একটি বহুপাক্ষিক মধ্যস্থতা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।’

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা ক্রমবর্ধমান চাপে রয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ার কারণে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো কঠিন সময় পার করছে।’

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ এই সংকটকে আরও গভীরতর করছে। 

‘খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ড. ইউনূস বলেন, ‘জ্বালানি নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষত জ্বালানি আমদানিকারক উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য। জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হলে মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং ঋণ সংকট বৃদ্ধি পায়।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই টেকসই জ্বালানি সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।’

প্রধান উপদেষ্টা মানবসম্পদ উন্নয়নে স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, ‘যেসব দেশ সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবায় বিনিয়োগ করে, তারা অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতার দিক থেকে ভালো ফল পায়।’

ড. ইউনূস বলেন, ‘আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যতের চাকরির বাজারের জন্য প্রস্তুত করতে ডিজিটাল শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের প্রসার ঘটাতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে, জলবায়ু পরিবর্তন তীব্রতর হচ্ছে, ঋণের বোঝা অসহনীয় হয়ে উঠছে এবং মানবিক সংকট বাড়ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা দুর্বল হয়ে পড়ছে, এবং বিশ্ব এখন সম্মিলিত পদক্ষেপের অভাবের কারণে একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতির সম্মুখীন।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বিশ্বের ৬০ শতাংশ জনসংখ্যা এবং ৫৫ শতাংশ বিশ্ব জিডিপি ধারণকারী এশিয়া এই পরিবর্তনগুলোর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।’

‘নতুন নিয়ম, বিধিনিষেধ এবং প্রযুক্তি সরকার পরিচালনা ও অর্থনৈতিক নীতিকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে,’ তিনি বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘এক দশক আগে যে নীতিগুলো কার্যকর ছিল, সেগুলো আর প্রাসঙ্গিক নয়। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রয়োজন।’

সম্মেলনে বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার মহাসচিব ঝাং জুন, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব ও বোয়াও ফোরামের চেয়ারম্যান বান কি-মুন এবং চীনের স্টেট কাউন্সিলের নির্বাহী উপ-প্রধানমন্ত্রী ডিং জুয়েশিয়াং বক্তব্য রাখেন। সূত্র: বাসস

অমিয়/

বেনজিরকে শিগগিরই ফেরত আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০২:২৯ পিএম
বেনজিরকে শিগগিরই ফেরত আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহযোগিতায় গ্রেপ্তার সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ।

শনিবার (২০ জুন) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুলিশ সদস্যদেরকে পুরস্কার প্রদান শেষে তিনি এসব কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বেনজীর আহমেদ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের বিষয়ে সংসদে যেদিন জানিয়েছি, তার পরের দিন বিকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। আশা করি, দেশটির সরকার যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে খুব শিগগিরই তাকে ফিরিয়ে দেবে।’

গত ১২ জুন দুবাইয়ের একটি শপিং মল থেকে বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনানুযায়ী গ্রেপ্তারের ৩০ দিনের মধ্যে প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাঠানোর সুযোগ থাকলেও সরকার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত নথিপত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী ২৩ জুনকে ঘিরে বলেন, ‘এলার্ট করা আমাদের কাজ। সন্দেহ করছি, ২৩ জুনকে (আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী) কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক দল অস্থিরতা, অস্থিতিশীলতা করতে চাইবে। পুলিশ তার দায়িত্ব পালন করবে, সেজন্য সারাদেশে এলার্ট করা হয়েছে। সেটিকে কোনো রাজনৈতিক দল মনে করি না, সেটি একটি মাফিয়া পার্টি।’

পুলিশকে অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্যই পুরস্কৃত করা হচ্ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যারা কর্তব্যপালন করছে, তাদের স্বীকৃতি দিতে চাই। মানুষের মধ্যে ধারণা ছিল, পুলিশ বাহিনী হয়তো নিষ্ক্রিয় হয়েছে। কিন্তু ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে তড়িৎ গতিতে পুলিশ বাহিনী নৈতিক সাহস ফিরে পেয়েছে। নির্বাচিত সরকার আসার পর তারা অনেক বেশি সক্রিয় হয়েছে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা দায়িত্ব পালন করছে; এটি লক্ষণীয়। এমন কৃতিত্বের জন্য তাদের সম্মান করা উচিৎ। সরকার তাদের উৎসাহ দিচ্ছে যেন বাকিরাও অনুপ্রাণিত হয় এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হয়।’

মোহাম্মদপরে চলমান অপরাধ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘মোহাম্মদপুর বহু বছর ধরে অপরাধীদের অভয়ারণ্য হয়েছে, সেখানে রাতারাতি নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সেখানে অপরাধীদের নির্মূল করা হবে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনা হবে।’

অন্তরা/

মালয়েশিয়া ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী ২৮ জন

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০২:২৯ পিএম
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী ২৮ জন
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১ থেকে ২৬ জুন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন। তিনি আগামীকাল রোববার (২১ জুন) কুয়ালালামপুরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন।

এরপর ২২ জুন মালয়েশিয়া থেকে সরাসরি চীন সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ও প্রবাসী মন্ত্রীসহ ২৮ জন সফরসঙ্গী নিয়ে যাবেন তিনি।

শনিবার (২০ জুন) সকালে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ও প্রবাসী মন্ত্রীসহ ২৮ জনের সফরসঙ্গী নিয়ে মালয়েশিয়া ও চীন সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরে গুরুত্ব পাবে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, হালাল অর্থনীতি ও কর্মী প্রেরণ।’

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘তিস্তাসহ নদী ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হবে। সফরে চীনের সঙ্গে দুইটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হতে পারে। সামরিক সক্ষমতা বিকাশের ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে যে সম্পর্ক আছে সেটি নিয়েও আলোচনা হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে চীনের প্রাইভেট সেক্টরের সঙ্গে আলোচনা হবে। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের আরও কর্মী নিতে অনুরোধ করা হবে। তবে যে প্রক্রিয়া বর্তমান, সেই রিভিউ প্রসেস শেষ হলে নিশ্চয়ই বাংলাদেশকে তারা গুরুত্ব দেবে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনসহ আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো মালয়েশিয়ায় গুরুত্ব পাবে।’

আমান/

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০১:১৯ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শনিবার (২০ জুন) প্রধানমন্ত্রীর চীন ও মালয়েশিয়া সফর নিয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

৪ দিনের চীন সফরে তারেক রহমান দেশটির প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। ২৩ থেকে ২৬ জুন তিনি চীন সফর করবেন।

এ ছাড়া ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়া সফরে এক সমঝোতা চুক্তি, ২টি এক্সচেঞ্জ অব নোটসহ জনশক্তি রপ্তানি নিয়ে আলোচনা হবে। মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী মূলত শুভেচ্ছা সফরে যাচ্ছেন।

রবিউল/নাঈম/

এআই ক্যামেরা বন্ধের পেছেন কি তবে ‘ইঁদুরের হাত’

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
এআই ক্যামেরা বন্ধের পেছেন কি তবে ‘ইঁদুরের হাত’
ঢাকার রাস্তায় এআই ক্যামেরা। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও বাংলামোটরে এআই ট্রাফিক ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন তথ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। এটিকে কারিগরি ত্রুটি বলে জানানো হলেও ডিএমপির এক কর্মকর্তা একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে জানান, ইঁদুরে তার কাটায় এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ বলছে, এ ধরনের তথ্য সঠিক নয়। সংশ্লিষ্ট সব এআই ক্যামেরা বর্তমানে সচল রয়েছে এবং নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, কারওয়ান বাজারের পর বাংলামোটরের এআই ক্যামেরাও বন্ধ করা হয়েছে। এতে অনেকে মনে করছেন, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই দুই পয়েন্টে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে।

ডিএমপির আইসিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সিস্টেম বিশ্লেষক শারমিন আফরোজ ওই টেলিভিশন চ্যানেলকে জানান, কারওয়ান বাজার এলাকায় এআই ক্যামেরা ব্যবস্থার কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। তবে, এটি কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত বা কার্যক্রম স্থগিতের কারণে নয়। মূলত ওই এলাকায় বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ অবকাঠামো-সংক্রান্ত কিছু কারিগরি কাজ চলাকালে ক্যামেরা সংযোগের তার বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে সাময়িকভাবে ক্যামেরাগুলোর কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। মেরামত ও কারিগরি ত্রুটি দূর করার পর ক্যামেরাগুলো আবারও সচল করা হয়েছে। বর্তমানে কারওয়ান বাজার এলাকায় তিনটি এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে এবং আরও একটি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলমান।

তিনি বলেন, এআই ক্যামেরা বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই। বর্তমানে রাজধানীতে ১১০টি এআই ক্যামেরা সচল রয়েছে। আরও ১০টি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।

অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএমপির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ইদুরে তার কাটায় দুই দিন বন্ধ ছিল ঢাকার দুই সিগন্যালের এআই ক্যামেরা। যদিও পরে সেগুলো মেরামত করে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

থিওটোনিয়াস/

হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:২৬ এএম
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ১ হাজার ১০৯ বাংলাদেশি। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ১৫৬টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন মোট ৬১ হাজার ৬৯৭ জন বাংলাদেশি হাজি।

দেশে প্রত্যাবর্তনকারী হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৫৭ হাজার ৩৭৮ জন।

এদিকে হজ পালন করতে সৌদি আরবে গিয়ে হজ সম্পন্ন হওয়ার আগে ও পরে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫৪ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা যান।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, ২০ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত দেশে ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ২৭ হাজার ৩৬৩ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এ ছাড়া সৌদি এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ২১ হাজার ৬৫২ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ৪ হাজার ১০ জন হাজি।

হজযাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত মোট ১৫৬টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৭৮টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৫৬টি এবং ফ্লাইনাস ২২টি ফ্লাইট।

স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬৬ হাজার ২৪৯টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৮ হাজার ১৯৮টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান।

হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ৩০ জুন। হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

অন্তরা/