ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
এমবাপ্পের সমালোচনা ‘অতিরিক্ত ও অন্যায়’ দেড় দশকের জ্বালানিনীতি ছিল আমদানিনির্ভর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের অনুশীলন মাঠের পাশে মরদেহ উদ্ধার ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ ইমার্জিংদের ঝিলিকের মৃত্যুর রহস্যে নতুন মোড়, গ্রেপ্তার স্বামী রক্তদান মহৎ কিন্তু নিরাপদ রক্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ মার্তিনেজকে ঘিরে নতুন শঙ্কা শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ নাটোরে ৭০ দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন চাকরি মেলায় সাড়া, রাজশাহীতে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর তাৎক্ষণিক নিয়োগ ইনজুরিতে ছিটকে গেলেন মাইকেল অলিভার ‘ফেনীর সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল’ পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মিসরকে কেন জার্সি পরিবর্তন করতে বলল ফিফা? রবিবার বিশ্ব রক্তদাতা দিবস যে সম্পদ চোখের পলকে ধ্বংস হয়ে যায় রাজধানীতে প্রান্তিক গ্রামের ফুটবল উন্মাদনা, আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল ম্যাচ একদিনে ৫ মরদেহ উদ্ধার, বরগুনায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ দাউদকান্দিতে শিবির নেতার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ প্রলোভন দেখিয়ে ভোট আদায়কারীরা জনগণের বন্ধু নয়: তারেক রহমান মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করায় আনন্দ মিছিল বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আগারগাঁওয়ে ‘রান ফর আর্থ’ আয়োজন সিদ্ধিরগঞ্জের ডিএনডি লেকে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু জনদুর্ভোগ নিরসন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবি ডা. শফিকুর রহমানের ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ধীরাজ শেঠ ‘তুই আসামি, চোখ নামিয়ে কথা বল’—ওসির বিরুদ্ধে নাঈম হাসানের অভিযোগ প্রযুক্তিদক্ষ তরুণরাই গড়বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী
Nagad desktop

বিএমইউ’র গবেষণা রিপোর্ট পুরুষদের মধ্যে তামাক ব্যবহার হ্রাসের হার নারীদের তুলনায় বেশি

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:৫১ পিএম
পুরুষদের মধ্যে তামাক ব্যবহার হ্রাসের হার নারীদের তুলনায় বেশি
ছবি: সংগৃহীত

দেশে ২৫-৬৯ বছর বয়সীদের তামাক ব্যবহার (ধূমপান ও ধোঁয়াবিহীন) ২০০৯ সালে ৫৪ শতাংশ ছিল। সেখান থেকে ১৩ শতাংশ কমে ২০২২ সালে ৪৭ শতাংশে নেমেছে। ধূমপানের হার ২৭ শতাংশ থেকে ২২ শতাংশে নেমেছে (১৯ শতাংশ আপেক্ষিক হ্রাস)। ধোঁয়াবিহীন তামাকের ব্যবহার ৩৬ শতাংশ থেকে ৩১ শতাংশ (১৪ শতাংশ আপেক্ষিক হ্রাস)।

‘বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের প্রবণতা ও পূর্বাভাস’ শীর্ষক বাংলাদেশ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) গবেষণায় এসব তথ্য ওঠে এসছে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ ডা. মিল্টন হলে গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে পুরুষদের মধ্যে তামাক ব্যবহারের হ্রাস নারীদের তুলনায় কিছুটা বেশি। গ্রামীণ এলাকায় তামাক ব্যবহার কমলেও শহুরে অঞ্চলে হ্রাসের হার বেশি স্পষ্ট।  

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, তামাক ব্যবহারের হার হ্রাস পেলেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এখনও চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। তথ্য বিশ্লেষণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এনসিডি (অসংক্রামক রোগ) প্রতিরোধ রোডম্যাপ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে তামাক ব্যবহার ৩০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য অর্জন করতে হলে বর্তমান নীতিমালার গতি দ্বিগুণ করতে হবে। ২০০৯-২০২২ সালের প্রবণতা বিশ্লেষণে দেখা যায়, বর্তমান হারে তামাক ব্যবহার কমলে ২০৩০ সালে হার দাঁড়াবে প্রায় ৪২ শতাংশ, যা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের চেয়ে বেশি।  

গবেষণা ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার। প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ মোমেনা মনি। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএমইউ জার্নালের এক্সিকিউটিভ এডিটর অধ্যাপক ড এম মোস্তফা জামান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম-সচিব (বিশ্ব স্বাস্থ্য) মো. মামুনুর রশিদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএমইউর প্রিভেনটিভ এ্যান্ড স্যোশাল মেডিসিন অনুষদের ডিন ও পাবলিক হেলথ এ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আতিকুল হক। 

আরিফ সাওন/মাহফুজ

দেড় দশকের জ্বালানিনীতি ছিল আমদানিনির্ভর: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১১:৫৪ পিএম
দেড় দশকের জ্বালানিনীতি ছিল আমদানিনির্ভর: তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ছবি: সংগৃহীত

দেশের মাটির নিচে পর্যাপ্ত নিজস্ব জ্বালানি থাকা সত্ত্বেও বিগত দেড় দশকের লুটেরা অর্থনীতির কারণে একটি আমদানিনির্ভর জ্বালানিনীতি তৈরি করা হয়েছিল। এই ভুল ও লুটেরা নীতির কারণেই দেশ এখন বড় ধরনের জ্বালানিসংকটের মধ্যে নিমজ্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দৈনিক ইনকিলাবের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই জটিল পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাতকে সচল করার জন্য রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এই মুহূর্তে চালুর অপেক্ষায় রয়েছে।

এই প্রকল্পের পুরো অর্থায়নই রাশিয়ার ঋণ থেকে এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সংগত কারণেই জ্বালানি নিরাপত্তার দিক থেকে রাশিয়া আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অংশীদার।’

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগত কারণে বাংলাদেশকে বহুমুখী আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রেখে পথ চলতে হয়। আমাদের তৈরি পোশাক রপ্তানির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারের ওপর নির্ভরশীল। আবার রেমিট্যান্স আয়ের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল। অন্যদিকে আমাদের আমদানির প্রধান উৎ ভারত চীন এবং উন্নয়ন প্রকল্পের বড় সহযোগী জাপান।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যে দেশের অর্থনীতিকে এমন বহু অংশীদারদের সঙ্গে পথ চলতে হয়, সেই দেশের রাজনীতিতেও অবশ্যই বহুমুখী চিন্তার সম্মান নিশ্চিত করতে হবে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী এখন প্রযুক্তির এক নতুন অংশীদার হাজির হয়েছে, যা মানব সভ্যতা এর আগে কখনো দেখেনি। বর্তমানে বিশ্বনেতারা যখনই দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় বৈঠকে বসেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’ সেখানে আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি বলেন, ইতিহাসের বেশির ভাগ ভালো-মন্দ এতদিন মানুষ একাই করেছে। কিন্তু ভবিষ্যতে মানুষের পাশাপাশি ভালো ও মন্দের যৌথ দায়িত্ব পালন করবে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এই প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের যুগে তথ্য যাচাই ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখতে গণমাধ্যমের দায়িত্ব আরও অনেক বেড়ে গেছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির অবাধ, সুষ্ঠু ও দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের পরিচ্ছন্ন ম্যান্ডেট নিয়ে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।

দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং সাম্য ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার এই নতুন অভিযাত্রায় দৈনিক ইনকিলাব অতীতে যেমন ছিল, ভবিষ্যতেও তেমনি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে বলে মন্ত্রী বিশ্বাস করেন।

ইনকিলাবের সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীনের সভাপতিত্বে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, সাবেক ধর্মমন্ত্রী নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, রাজনৈতিক দলের নেতারা ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এসএন/

ঝিলিকের মৃত্যুর রহস্যে নতুন মোড়, গ্রেপ্তার স্বামী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১১:৪১ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১১:৪৪ পিএম
ঝিলিকের মৃত্যুর রহস্যে নতুন মোড়, গ্রেপ্তার স্বামী
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর ধানমন্ডির একটি হাসপাতালের আটতলা থেকে আসমা ঝিলিক (৩৫) নামে এক অভিনেত্রীকে ফেলে হত্যার অভিযোগে তার স্বামী সাইফুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 শনিবার (১৩ জুন) ডিএমপির রমনা বিভাগের ধানমন্ডি জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) সাদ্দাম হোসাইন জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করায় তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তিনি জানান, অভিনেত্রী আসমা ঝিলিককে হত্যা করা হয়েছে, নাকি কোনো দুর্ঘটনাবশত পড়ে মারা গেছেন, সেটি তদন্তের পর বলা যাবে। নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

এর আগে শুক্রবার দুপুরে ধানমন্ডির বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আটতলা থেকে পড়ে মারা যান ঝিলিক। পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করেছে তার স্বামী। এ ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেন নিহতের ছোট ভাই মোজাম্মেল হক।

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১১:১৩ পিএম
আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের পর রোগীদের জন্য চরম অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগ তৈরি হয়েছে। এই হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ায় চিকিৎসা নিতে আসা মানুষ বিপাকে পড়েছেন। হাসপাতালে আগে থেকে ভর্তি চার শতাধিক রোগী ও তাদের স্বজনরাও চরম উৎকণ্ঠায় পড়েছেন। মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রোগী স্থানান্তরের নির্দেশে সংকটাপন্ন রোগীদের জীবন নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন শঙ্কা।

অন্যদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে আমার পেছনে। কিন্তু আমি লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছি। এটি সবার জন্য একটি শিক্ষা (পানিশমেন্ট) হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, শনিবার সকাল থেকেই হাসপাতালটিতে নতুন রোগী ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না। চিকিৎসার আশায় এসে অনেক রোগীকে ফিরে যেতে হয়েছে। যারা ভর্তি আছেন, তাদের অনেকেই চিকিৎসকের ছাড়পত্র নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করতে শুরু করেছেন। তবে আইসিইউ, এনএসইউ ও জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন সংকটাপন্ন রোগীদের স্থানান্তর নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।

আদ-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি এক রোগীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে খবরের কাগজকে বলেন, ‘লাইসেন্স বাতিল করা কোনো সমাধান নয়। সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করা উচিত ছিল। তা না করে সাধারণ মানুষকে অহেতুক হয়রানি করা হচ্ছে। আদ্-দ্বীনে যেখানে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকায় ডেলিভারি করানো যায়, অন্য হাসপাতালে সেখানে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা লাগে। আমরা সাধারণ মানুষ এ হাসপাতালের পক্ষে।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোগীদের ঢাকার ছয়টি সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশনা দিয়েছে। তবে ভুক্তভোগী রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালগুলোতে শয্যাসংকট ও অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে সেবা পাওয়া কঠিন। এ ছাড়া বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার উচ্চমূল্য বহন করাও অনেক পরিবারের জন্য অসম্ভব।
বর্তমানে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে চার শতাধিক রোগী ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে শুধু এনএসইউতেই ৪৬ জন রয়েছেন। লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তে এখন রোগী, স্বজন ও হাসপাতাল কর্মীদের মাঝে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।

আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল সবার জন্য শিক্ষা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে নরসিংদীতে এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, ‘আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে আমার পেছনে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছি। এটি সবার জন্য একটি শিক্ষা (পানিশমেন্ট) হবে। অন্যদিকে জামায়াতের নেতারা আজ আদ্-দ্বীনের পক্ষে কথা বলেন।’

বিতর্ক জুড়েছেন শিশির মনির
এদিকে হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল নিয়ে তৈরি হয়েছে আইনি জটিলতা ও ধোঁয়াশা। সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির দাবি করেছেন, কর্তৃপক্ষ পুরো হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেনি, বরং প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স বাতিল করেছে।

তিনি তার ফেসবুক পোস্টে লাইসেন্স নম্বরসহ কাগজপত্র তুলে ধরে বলেন, ‘আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স (এইচএসএম ৪৩১০০৫৮) বাতিল করেনি কর্তৃপক্ষ। বাতিল করেছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স (এইচএসএম ৪৫১০০৫৯)। এটি কি অবহেলা নাকি সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত, তা কর্তৃপক্ষই ভালো বলতে পারবে।’ তিনি জানান, আইসিইউ ও ডেলিভারি রোগীদের বিষয়টি বিবেচনা করে সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনার জন্য আপিল করা হবে।

পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৩০ পিএম
পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলায় নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

শনিবার (১৩ জুন) দুপুর দেড়টায় পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পরে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। 

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

পরে জনতার উদ্দেশ্য তিনি বলেন,  ২৫ বছর পূর্বে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া পেকুয়া উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। আজ তারই দল বিএনপি সরকার ফের এই পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছে। এর মাধ্যমে একটি কথা বারবার প্রমাণিত হয় যে বিএনপির যখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকে তখন জনগণের জন্য কাজ করে দেশের কল্যাণে কাজ করে। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন,  ‘বিএনপি যখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকে না তখনও দেশের স্বার্থে মানুষের কল্যাণে কাজ করে। জনমানুষের কথা বলে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির ক্ষমতায় থাকুক আর নাই থাকুক বিএনপির প্রধান বিষয় দেশ ও মানুষের স্বার্থ। আর এটিই বিএনপি একমাত্র লক্ষ্য ও প্রতিজ্ঞা।’ 

এই সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ ও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

রিফাত/

প্রলোভন দেখিয়ে ভোট আদায়কারীরা জনগণের বন্ধু নয়: তারেক রহমান

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:০৪ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
প্রলোভন দেখিয়ে ভোট আদায়কারীরা জনগণের বন্ধু নয়: তারেক রহমান
চকরিয়ায় জনসভায় বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

টিকিটের প্রলোভন দেখিয়ে জনগণের ভোট নেওয়ার রাজনীতি আর সফল হবে না। যারা মানুষের কল্যাণের পরিবর্তে প্রলোভন ও বিভ্রান্তির রাজনীতি করে, তারা কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারে না বলে বলছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারের চকরিয়ায় আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, “তারা জনগণকে ঠকিয়ে ভোট নিতে চেয়েছিল। টিকিটের প্রলোভন দেখিয়ে তারা ভোট নিতে চেয়েছিল। তারা জনগণের বন্ধু না। দেশের মানুষ এখন অনেক সচেতন। তারা বুঝতে শিখেছে কে দেশের জন্য কাজ করে আর কে নিজেদের স্বার্থে রাজনীতি করে।”

তিনি বলেন, দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে। জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যেই ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী বাজেটে ৪৫ লাখ পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। এর মাধ্যমে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে সরকারি সহায়তা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সহজে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

যোগাযোগ খাতের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করা হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

বাজেট নিয়ে সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, “যারা বাজেটের বিরোধিতা করছে, তারা বাংলাদেশের মানুষের বন্ধু হতে পারে না। এই বাজেট জনকল্যাণ ও উন্নয়নকে সামনে রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, উপজেলা পর্যায়ের ৩০ ও ৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। বেকারত্ব দূরীকরণ, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং শিল্পায়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।”

তারেকুর রহমান/এসএন