মালয়েশিয়া ও সৌদি আরবের পর এবার মধ্যপ্রাচ্যের চার দেশ- সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কুয়েত এবং কাতার রুটেও বিশেষ রেয়াতি ভাড়া সুবিধা চালু করেছে রাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজ সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
সোমবার (১৬ জুন) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রেমিট্যান্স-যোদ্ধাদের জন্য সৌদি আরব ও মালয়েশিয়া রুটে ইতোপূর্বে চালু করা এই বিশেষ রেয়াতি ভাড়াও অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশ থেকে নতুন কর্মীদের যাওয়ার ক্ষেত্রে এ দুই রুটে একমুখী যাত্রার এ সুবিধা প্রাথমিকভাবে ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারিত হলেও সোমবার নতুন করে সেটি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেয় বিমান।
এর আগে এই সুবিধা চালুর সময় ট্রাভেল অ্যাজেন্টদের পাঠানো বিমানের ই-মেইলে বলা হয়েছিল, ‘ওয়ার্কার ফেয়ার’ নামে বিমানের এই উদ্যোগের আওতায় ঢাকা থেকে সৌদি আরবের ভিত্তি ভাড়া (ট্যাক্স বাদে) হবে ৩৬০ মার্কিন ডলার। ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের ভিত্তি ভাড়া হবে ১৫০ ডলার।
ঢাকা ছাড়া অন্য কোনো জায়গা থেকে এই উদ্যোগের আওতায় কুয়ালালামপুরের ভিত্তি ভাড়া হবে ১৭৫ ডলার।
ট্রাভেল অ্যাজেন্টদের কাছে এখন ঢাকা থেকে সৌদি আরবের টিকেট কিনতে গেলে ৪০০ থেকে ৪৮০ ডলার ভিত্তি ভাড়া গুণতে হয়। আর মালয়েশিয়ার জন্য এই ভাড়া হয় ৩০০ থেকে ৩৫০ ডলার।
নতুন করে চালু হওয়া এই চার রুটের বিশেষ রেয়াতি ভাড়াও শুধু একমুখী টিকিটের জন্য প্রযোজ্য হবে এবং ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এর আগে মালয়েশিয়া ও সৌদি আরব রুটে বিমান যাত্রীকে এই সুবিধা পেতে হলে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো-বিএমইটি কার্ড বা বিএমইটির সত্যায়ন প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছিল বিমান।
তবে এবার সেটি সহজ করে দেওয়া হয়েছে বলে খবরের কাগজকে জানিয়েছেন বিমানের জনসংযোগ শাখার মহাব্যবস্থাপক এ বি এম রওশন কবীর।
তিনি বলেন, ‘আগে বিএমইটি সত্যায়ন ছাড়া না পাওয়ায় এক ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তাই এই পদ্ধতি এখন সহজ করা হয়েছে। কেউ যদি টিকেট কাটার ক্ষেত্রে শুধু প্রবাসী শ্রমিক হিসেবে যাচ্ছেন, সেটি প্রমাণ করতে পারলেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে। বিএমইটি সত্যায়নের বাধ্যবাধকতা নেই।’
তিথি/পপি/