ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১৬টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নোবিপ্রবিতে শিক্ষামন্ত্রী প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনবল নিয়োগ, পদ ১১১ মালয়েশিয়া থেকে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভাঙ্গায় শিক্ষার্থীর সঙ্গে অসদাচরণ, মাদরাসাশিক্ষক আটক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ধরিয়ে দিলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা রাবি ছাত্রদলের বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রামগঞ্জে স্কুলছাত্র মেহেদী হত্যা মামলায় হল সুপারসহ গ্রেপ্তার ২ স্কটল্যান্ডকে হালকাভাবে নিচ্ছে না ব্রাজিল: লুকাস পাকুয়েতা আনোয়ার ইব্রাহিমের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী শেরপুরে পিকআপভর্তি ভারতীয় মদসহ আটক ৩ হাসানুল হক ইনুর মামলার রায় ৩০ জুন চাপের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল প্রজন্মের বিশ্বকাপ উন্মাদনা পরিসংখ্যানের প্রশ্ন এড়াতে স্বচ্ছতা আনতে চায় সরকার: জুনায়েদ সাকি মামাবাড়ি থেকে ফেরার পথে ড্রেনে পড়ে শিশুর মৃত্যু সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি বাড়ছেই রাজশাহীতে রেস্তোরাঁয় হামলা: সাবেক শিবির নেতাসহ ৩০ জনের নামে মামলা তাহিরপুরে ঢলে ঘরের সঙ্গে ভেসে গেছে মানসিক ভারসাম্যহীন তরুণ জাইমা রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করা যুবক গ্রেপ্তার মঙ্গল ও চাঁদে অভিযানের জন্য নাসার নতুন রোভার আরনেস্ট রূপগঞ্জে কারখানায় ডাকাতির মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ জয়পুরহাটে দিনব্যাপী জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীতে দুইদিনের গবেষণা সম্প্রসারণ কর্মশালার উদ্বোধন পৃথিবীর গঠন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র দেশের ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ ব্রাজিলিয়ান জন্য সুখবর, পূর্ণ অনুশীলনে নেইমার দায় নিজের কাঁধে নিলেন বিয়েলসা ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় যুবকের ফাঁসি মধুখালীতে ডাকাতি, নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ

মেজর সিনহা হত্যার পাঁচ বছর আজ

প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২৫, ০৯:৫৮ এএম
মেজর সিনহা হত্যার পাঁচ বছর আজ
মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ফাইল ফটো

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানকে ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে হত্যা করা হয় তাকে। মর্মান্তিক ওই ঘটনার পাঁচ বছর অতিবাহিত হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার।

ওই ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক মো. লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন বিচারিক আদালত। অধস্তন আদালতের দেওয়া ওই রায় বহাল রেখেছেন উচ্চ আদালত। রায়ে বিচারিক আদালতে অপর ছয় আসামিকে দেওয়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও বহাল রেখেছেন উচ্চ আদালত।

বিচারিক আদালতের দেওয়া রায় বহাল রেখে বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২ জুন ওই রায় দেন।

নিয়ম অনুযায়ী কোনো মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে, যা ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে পরিচিত।

বিচারিক আদালতের রায়ের পর আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি নিয়ে এ রায় দেন উচ্চ আদালত।

হাইকোর্টে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) মো. জসিম সরকার। খবরের কাগজকে তিনি বলেন, ‘হাইকোর্টের দেওয়া রায় এখনো প্রকাশিত হয়নি। রায় প্রকাশ হলে আপিল করার কথা আসবে। যদিও এই মামলায় আপিল করলে আসামিপক্ষ করবে। আমরা করব না। কারণ আমরা তো বিচারিক আদালতের দেওয়া রায় বহাল চেয়েছি। হাইকোর্ট শুনানি নিয়ে তা বহাল রেখেছেন। তবে আমরা আপিল বিভাগে নোট দিয়ে রেখেছি, যেন হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হলে শুনানির আগে তা রাষ্ট্রপক্ষকে অবহিত করে।’

হাইকোর্টে প্রদীপের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। হাইকোর্টের রায়ের পর তিনি বলেছিলেন, ‘রায়ের প্রত্যয়িত অনুলিপি গ্রহণের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ আছে। উনি (প্রদীপ) চাইলে আপিল করতে পারেন।’

আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর এর আগে গত ২৯ মে শুনানি হয়েছিল। তখন রায় ঘোষণার জন্য ২ জুন দিন ধার্য রেখে আদেশ দেন আদালত। এর ধারাবাহিকতায় ওই দিন রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

রায়ে যাবজ্জীবন বহাল থাকা ছয় আসামি হলেন সাবেক এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল রুবেল শর্মা ও সাগর দেব, কক্সবাজারের বাহারছড়ার মারিশবুনিয়া গ্রামের মো. নুরুল আমিন, মোহাম্মদ আইয়াজ ও মো. নিজাম উদ্দিন।

উল্লেখ্য, ওই ঘটনায় করা মামলায় ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রদীপ ও লিয়াকতকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। বিচারিক আদালতের রায়ের পর রায়সহ নথিপত্র ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছায়। পরে তা ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। এ ছাড়া দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ২০২২ সালে আসামিরা পৃথক আপিল ও জেল আপিল করেন।

চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি শুরু হয়ে গত ২৯ মে সম্পন্ন হয়। শুনানি শেষে আদালত ২ জুন রায়ের জন্য দিন ধার্য রাখেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, ডিএজি মো. জসিম সরকার, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল লাবণী আক্তার ও সুমাইয়া বিনতে আজিজ। আসামিপক্ষে ছিলেন দুই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও এস এম শাহজাহান।

খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নোবিপ্রবিতে শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম
খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নোবিপ্রবিতে শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: খবরের কাগজ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) এসেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার (২২ জুন) সকালে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বর্ণিল অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী। 

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৬ সালে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘নোবিপ্রবির ২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন শিক্ষামন্ত্রী।’

সকালে তিনি কেক কেটে, পায়রা উড়িয়ে এবং বর্ণাঢ্য র‍্যালির মাধ্যমে বর্ণিল অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পরে বর্ণাঢ্য আনন্দ র‍্যালীতে নেতৃত্ব দেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. শাহজাহান (এমপি), নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৫১ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর হাতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার ও অ্যাওয়ার্ড তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ৪৯ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’ এবং তিনটি ক্যাটাগরিতে তিনজনকে ‘ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হবে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে নোবিপ্রবি শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জনের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এটিকে আরও এগিয়ে নিতে প্রশাসন কাজ করছে।

বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। একই সঙ্গে তার রুহের মাগফিরাত কামনায় কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। পরে কোম্পানীগঞ্জে বিএনপি প্রয়াত মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের কবর জিয়ারত করবেন শিক্ষামন্ত্রী।

মজনু/রিফাত/

মালয়েশিয়া থেকে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৪:০৪ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৪:০৬ পিএম
মালয়েশিয়া থেকে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সরকারি সফর শেষে বিকেলে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে দালিয়ান রওনা হন।

এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া থেকে চীনের দালিয়ানের  উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। দালিয়ানে তিনি দুইদিন কর্মব্যস্ত সময় কাটাবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী চীনের রাজধানী বেইজিং যাবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সফরের মূল কর্মসূচি শুরু হবে।

দালিয়ানে বিশ্ব আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বুঙ্গা রায় কমপ্লেক্সের এক্সক্লুসিভ ভিআইপি টার্মিনালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান মালয়েশিয়ার ধর্মমন্ত্রী জুলফিকলি হাসান ও তার সহধর্মিণী।

এ সময়ে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম ও ডেপুটি হাইকমিশনার শাহানারা মনিকা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য,গতকাল দুই দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া আসেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর।

প্রথমে দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে খোলামেলা আলোচনায় দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।

পরবর্তী পর্যায়ে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৃহত্তর পরিসরে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আমান/

বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম
বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করতে আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২২ জুন) পুত্রজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে একান্ত ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মালোয়শিয়ায় থাকা বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি দ্রুত শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনার কথা বলেছি। এছাড়াও অনিয়মিত শ্রমিকদের বৈধকরণ এবং আটক বাংলাদেশিদের সম্ভাব্য প্রত্যাবাসনের বিষয়টিও উত্থাপন করেছি।

তিনি আরও বলেন, একমত হয়েছি যে শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া হতে হবে স্বচ্ছ, ন্যায্য ও সাশ্রয়ী, যাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা কমে এবং শ্রমিকদের ব্যয় হ্রাস পায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়া বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ঠ অংশীদার। পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং জনগণের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্কের ভিত্তিতে আমাদের এই বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার ব্যাপক ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আমরা দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মতবিনিময় করেছি।

রোহিঙ্গা সমস্যা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দুর্দশা নিয়ে আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং তাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের বিষয়ে মালয়েশিয়ার অব্যাহত সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

বাংলাদেশ আসিয়ানের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চায় জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা করেছি। বাংলাদেশ আসিয়ানের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততা চায় এবং আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার প্রত্যাশা করে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং তার সহধর্মিণীকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। বাংলাদেশের জনগণ তাদের স্বাগত জানাতে পারলে গর্ববোধ করবে।

অন্তরা/

আনোয়ার ইব্রাহিমের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
আনোয়ার ইব্রাহিমের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : পিএমও

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টায় পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের বাসভবনে এই মধ্যাহ্নভাজের আয়োজন করা হয়। এসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

মধ্যাহ্ন ভোজকালে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে মালয়েশিয়ার শিল্পীরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে স্কুলের শিক্ষার্থীরা ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার, শেষ বাংলাদেশ’ গানটির সঙ্গে নৃত্য পরিবেশ করে। দুই প্রধানমন্ত্রী ও তাদের সহধর্মিণীরা এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান ভবন থেকে নেমে আসলে প্রবেশ পথের দুই পাশে মালয়েশিয়ার শিশু-কিশোররা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকা হাতে উভয়কে স্বাগত জানায়।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে মূল ফটকে গাড়ির সামনে এসে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও তার সহধর্মিণী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানকে বিদায় জানান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী মোটর শোভাযাত্রা সহকারে কুয়ালালামপুরে শাংগ্রিলা হোটেলে ফিরে যান। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত কয়েকটি কর্মসূচি রয়েছে।

আমান/

পরিসংখ্যানের প্রশ্ন এড়াতে স্বচ্ছতা আনতে চায় সরকার: জুনায়েদ সাকি

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম
পরিসংখ্যানের প্রশ্ন এড়াতে স্বচ্ছতা আনতে চায় সরকার: জুনায়েদ সাকি
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। ছবি: খবরের কাগজ

সরকারি বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিসংখ্যান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জনমনে যে প্রশ্ন ও সংশয় তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ ব্যবস্থায় সরকার আরও স্বচ্ছতা আনতে চায় বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি।

সোমবার (২২ জুন) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে বিবিএসের নবপ্রতিষ্ঠিত মাইক্রোডেটা বিশ্লেষণাগার নিয়ে আয়োজিত অংশীজন সচেতনতামূলক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

গবেষণা, নীতিনির্ধারণ এবং উন্নয়ন পরিকল্পনায় সরকারি পরিসংখ্যানের কার্যকর ব্যবহার বাড়াতে নিরাপদ মাইক্রোডেটা বিশ্লেষণাগার (মাইক্রোডেটা অ্যানালাইসিস ল্যাব) চালু করছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। এই বিশ্লেষণাগারের মাধ্যমে অনুমোদিত গবেষক, শিক্ষার্থী, অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকরা বিবিএসের গোপনীয়তা-সুরক্ষিত মাইক্রোডেটা ব্যবহার করে গভীরতর গবেষণার সুযোগ পাবেন।

জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য শুধু তথ্য উন্মুক্ত করা নয়, বরং স্বাধীন গবেষণাকে উৎসাহিত করা, যাতে উন্নত গবেষণার মাধ্যমে সরকারি নীতিমালা আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক হয়। উন্নতমানের তথ্য সহজলভ্য হলে বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষার্থী ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানগুলো আরও গভীর গবেষণা করতে পারবে, যা জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তার কারণে এখনই সংবেদনশীল মাইক্রোডেটায় অনলাইনে প্রবেশাধিকার দেওয়া সম্ভব নয়। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হলে ধাপে ধাপে এ সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্ভরযোগ্য তথ্য ছাড়া উন্নয়নের অগ্রগতি মূল্যায়ন, নীতির কার্যকারিতা পরিমাপ এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন করা সম্ভব নয়। সরকার চায় গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং সাধারণ নাগরিক স্বাধীনভাবে সরকারি তথ্য বিশ্লেষণ করে দেশের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে পারেন। বিশ্বাসযোগ্য ভিত্তি তথ্য না থাকলে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, দারিদ্র্য কমানো কিংবা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি কতটা সফল হচ্ছে, তা নির্ভুলভাবে মূল্যায়ন করা যায় না।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মো. ফিরোজ সরকার বলেন, দেশের পরিসংখ্যান সেবাকে আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে এই গবেষণাগার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। স্বচ্ছ আবেদন প্রক্রিয়া, সুস্পষ্ট কার্যপদ্ধতি এবং ব্যবহারকারীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করা হবে।

বিবিএসের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ ওবায়দুল ইসলাম বলেন, নতুন এই গবেষণাগার শিক্ষার্থী, গবেষক, অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকদের জন্য সরকারি মাইক্রোডেটা ব্যবহারে একটি নিরাপদ ও সুশাসনভিত্তিক কাঠামো তৈরি করবে।

বাংলাদেশে কোইকার কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম বলেন, বিবিএসের সঙ্গে যৌথভাবে ডেটা প্ল্যাটফর্ম, ডেটা ওয়্যারহাউস এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তথ্য বিনিময় ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের পরিসংখ্যান অবকাঠামো আধুনিকায়নে কাজ করছে কোইকা।

কর্মশালায় জানানো হয়, দেশের সরকারি পরিসংখ্যানকে শুধু প্রতিবেদন বা প্রকাশিত সারণিতে সীমাবদ্ধ না রেখে গবেষণা, অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ, নীতিনির্ধারণ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট আলোচনায় আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। 

বিবিএস জানায়, দেশের বিভিন্ন শুমারি, জরিপ ও পরিসংখ্যান কার্যক্রমের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সরকারি তথ্য উৎপাদিত হলেও গবেষকদের জন্য এসব তথ্যের গভীর বিশ্লেষণ সবসময় সহজ ছিল না। বিশেষ করে ব্যক্তি-পর্যায়ের তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা রক্ষা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তথ্য ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নীতিমালার প্রয়োজন ছিল। নতুন মাইক্রোডেটা বিশ্লেষণাগার সেই সীমাবদ্ধতা দূর করবে।

নতুন ব্যবস্থায় গবেষক বা ব্যবহারকারীকে প্রথমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রে ব্যক্তিগত পরিচয়, প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন, গবেষণার উদ্দেশ্য এবং প্রয়োজনীয় ডেটাসেটের তথ্য দিতে হবে। এরপর বিবিএস আবেদন যাচাই করে তথ্যপ্রাপ্তির নীতিমালা ও গোপনীয়তার শর্ত পূরণ হলে অনুমোদন দেবে। অনুমোদনের আগে ব্যবহারকারীকে গোপনীয়তা চুক্তি, ব্যবহারকারী চুক্তি এবং নির্ধারিত কার্যপদ্ধতি অনুসরণের অঙ্গীকার করতে হবে।

মাইক্রোডেটা বিশ্লেষণাগারে গবেষকরা শুধুমাত্র বিবিএসের নির্ধারিত নিরাপদ কর্মপরিবেশে কাজ করতে পারবেন। সেখানে থাকবে কেন্দ্রীয় সার্ভার, গবেষণার জন্য পৃথক ওয়ার্কস্টেশন, পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার এবং নিয়ন্ত্রিত স্থানীয় নেটওয়ার্ক। নিরাপত্তার স্বার্থে সরাসরি ইন্টারনেট সংযোগ, ইমেইল কিংবা বাহ্যিক সংরক্ষণ যন্ত্র ব্যবহারের সুযোগ থাকবে না।

বিবিএসের ভাষ্য অনুযায়ী, গবেষকরা তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারলেও কোনো কাঁচা তথ্য, ব্যক্তি-পর্যায়ের রেকর্ড কিংবা গোপনীয় মাইক্রোডেটা ল্যাবের বাইরে নিতে পারবেন না। শুধুমাত্র যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদিত সারণি, চিত্র, পরিসংখ্যানগত ফলাফল, প্রোগ্রাম কোড বা লিখিত বিশ্লেষণ বাইরে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। এ জন্য পৃথক পর্যালোচনা কমিটি প্রতিটি আউটপুট পরীক্ষা করা। তথ্য সুরক্ষায় একাধিক স্তরের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মাইক্রোডেটা থেকে নাম, ঠিকানাসহ প্রত্যক্ষ পরিচয় শনাক্তকারী তথ্য অপসারণ করা হবে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীর প্রবেশাধিকার, সার্ভার লগ, কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, গোপনীয়তা চুক্তি, নিয়মিত তদারকি এবং আকস্মিক নিরীক্ষার মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হবে। 

বিবিএস আরও জানায়, ব্যবহারকারীদের জন্য একটি ডিজিটাল তথ্যভান্ডারও তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ডেটাসেটের তালিকা, বিষয়ভিত্তিক অনুসন্ধান, বছরের ভিত্তিতে বাছাই, মেটাডেটা এবং বিভিন্ন তথ্য বিন্যাসে প্রয়োজনীয় নথি পাওয়া যাবে। এর ফলে গবেষকরা গবেষণা শুরুর আগেই প্রয়োজনীয় তথ্য সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবেন এবং যথাযথ ডেটাসেট নির্বাচন করতে পারবেন। বর্তমান পর্যায়ে বিবিএস সদর দপ্তরে নিরাপদ অন-সাইট বিশ্লেষণাগারের মাধ্যমে সেবা দেওয়া হবে। পরবর্তী ধাপে তথ্যভান্ডার ও মাইক্রোডেটা সেবা আরও সম্প্রসারণ করে নিয়ন্ত্রিত ডিজিটাল প্রবেশাধিকার চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

২০২৭ সাল এবং এর পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে আরও বিস্তৃত অনলাইন মাইক্রোডেটা সেবা চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিবিএস।

জাহাঙ্গীর আলম/অন্তরা/