ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান ফেসবুকে কান্না করা সেই নয়ন পেলেন ছাত্রদলে পদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ: উচ্ছ্বাসে ভরা প্রবেশিকা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা হাইতিকে হারিয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল কুমিল্লায় চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি নেতাকে হত্যাচেষ্টা যুবদল কর্মীর পাকিস্তান সম্মান ও স্বীকৃতি অর্জন করেছে: শেহবাজ শরিফ ২০ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ফিফা বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে সর্বশেষ হ্যাটট্রিক করেছেন যিনি ২০ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল বাংলাদেশের আজ দ্বিতীয় লক্ষ্য পূরণের ম্যাচ প্রতিপক্ষ পাকিস্তান ধানমন্ডিতে শিশু গৃহপরিচারিকার রহস্যজনক মৃত্যু অরুণাচলে বাঁধ নির্মাণ করেছে চীন পাল্টা প্রকল্প ভারতের সুইডেনের বিপক্ষে ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংয়ের খেলা নিয়ে সংশয় হাইতিকে ৩-০ গোলে হারাল ব্রাজিল টাইলস আমদানিতে ধস, কমেছে রাজস্ব আয় ব্রিটেনে উপনির্বাচনে বার্নহামের জয়, চ্যালেঞ্জের মুখে স্টারমারের প্রধানমন্ত্রিত্ব ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত চা-শ্রমিকরা রাজধানীতে আবাসিক হোটেলে সৌদিপ্রবাসীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য গফরগাঁওয়ে ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে মৃত্যু শেবাচিমে মোবাইলের আলোয় আইসিইউ সেবা উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালাতে ইরাকে গোপন সেল গঠন ইরানের ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি হঠাৎ দেখা নীলমাথা হাঁস সবার আগে শেষ নকআউটে মেক্সিকো বৈঠা যেন তার জীবনের নিয়তি আগের পোশাকে ফিরছে পুলিশ কানাডার উৎসব ম্লান ভয়াবহ চোটে গোলোৎসবের দিন মেসির গোল উদযাপনে বদলের পরামর্শ

নির্বাচনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১৭ দিন মাঠে থাকবে ৯০ হাজার সেনা

প্রকাশ: ২৮ নভেম্বর ২০২৫, ১০:০৫ এএম
নির্বাচনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১৭ দিন মাঠে থাকবে ৯০ হাজার সেনা
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল ঘোষণার প্রথম দিন থেকেই আচরণবিধি প্রতিপালন, অস্ত্রবাজ সন্ত্রাসীদের ওপর কঠোর নজরদারি এবং অপতথ্য মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ- সবই থাকবে কড়া পর্যবেক্ষণে। গতকাল বৃহস্পতিবার আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে দেশের সব বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ সভায় এই অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে ইসি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক থেকেই মূলত নির্বাচনের নিরাপত্তা-পরিকল্পনার চূড়ান্ত রূপরেখা নির্ধারণ হয়। বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার, স্বরাষ্ট্র সচিব, ইসি সচিবসহ বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে সভা শেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে কোনো বক্তব্য রাখা হয়নি। নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ইসির পরিকল্পনার চূড়ান্ত ছক বা পরিকল্পনা সম্পর্কে জানান সংস্থাটির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
 
ইসি সচিব জানান, দুটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন উপলক্ষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে দ্বিতীয় দফা এই বৈঠকে মোট ২৩টি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সবের মধ্যে রয়েছে- অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও বৈধ অস্ত্র জমা নেওয়া, মনোনয়ন দাখিল থেকে প্রতীক বরাদ্দ পর্যন্ত নিরাপত্তা, পোস্টার-ব্যানার অপসারণ, ভোটকেন্দ্র ও নির্বাচনি এলাকার নিরাপত্তা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা, দুর্গম এলাকায় হেলিকপ্টার সহায়তা, সিসিটিভি স্থাপন ও লাইভ মনিটরিং, ড্রোন ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ, বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকের নিরাপত্তা, পোস্টাল ভোটিংয়ের নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপতথ্য মোকাবিলা। ইসি বলছে, এসব ইস্যুই নিরাপদ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিতের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে।

নিরাপত্তায় ৩ স্তরের ব্যবস্থা
ইসির সভায় জানানো হয়, এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র থেকে শুরু করে গোটা নির্বাচনি এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে। প্রথম স্তরে থাকবে স্ট্রাইকিং ফোর্স, যারা প্রতিটি কেন্দ্রে স্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালন করবে। দ্বিতীয় স্তরে থাকবে মোবাইল ফোর্স, যারা কেন্দ্রভিত্তিক ও আশপাশের এলাকায় টহল দেবে এবং যেকোনো ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাবে। তৃতীয় স্তর হিসেবে রাখা হবে সেন্ট্রাল রিজার্ভ ফোর্স, যারা জরুরি পরিস্থিতি কিংবা সহিংসতা সম্ভাব্য এলাকায় দ্রুত পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মূল্যায়নে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন- এই তিন ভাগে বিভক্ত করে মোতায়েন কৌশল সাজাতে আগেই নির্দেশ দিয়েছিলেন সিইসি। 

আচরণবিধি প্রতিপালনে কঠোর বার্তা
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, তফসিল ঘোষণার পর প্রথম দিন থেকেই আচরণবিধি লঙ্ঘন রোধে কঠোর অবস্থানে মাঠে থাকবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, সমর্থক- সবাইকে একই মানদণ্ডে রাখা হবে। নির্বাচনের সময়ে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের কাছ থেকে থাকা-খাওয়াসহ কোনো ধরনের সুবিধা না নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদেরও শৃঙ্খলা ভঙ্গ বা অবহেলার ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন পর্যন্ত কোনো ধরনের ব্যত্যয় বা শিথিলতা বরদাশত করা হবে না।

মাঠে থাকবে ৯০ হাজার সেনা 
এবার প্রায় পৌনে ১৩ কোটি ভোটারের জন্য ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে থাকবে ২ লাখ ৬০ হাজারের বেশি ভোটকক্ষ। বিশাল এই কাঠামোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে থাকবেন ৭ লাখেরও বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। এর মধ্যে আনসার-ভিডিপির সদস্য থাকবেন সাড়ে ৫ লাখের বেশি; পাশাপাশি পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা থাকবে সমন্বিতভাবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা শক্তি হিসেবে ৯০ হাজারের বেশি সেনা সদস্য ১৭ দিন মাঠে থাকবেন। তারা ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সেনা, নৌ, বিমানবাহিনী- সব শাখার সমন্বয়ে গঠিত এই বাহিনী রিজার্ভ ও স্ট্রাইকিং উভয় ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। ভোটের আগে-পরে আট দিনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব আগেই এসেছে; এবার সেটিই বাস্তবায়নের পথে।

অপতথ্য সাইবার সিকিউরিটি সেল
ডিজিটাল যুগে নির্বাচনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ অপতথ্য, গুজব ও ভয়েস ক্লোন প্রযুক্তি- এ কথা মাথায় রেখে সাইবার সিকিউরিটি সেল এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নজরদারিতে কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। এখানে ইউএনডিপির প্ল্যাটফর্মসহ তথ্য মন্ত্রণালয়, সিআইডি, এনটিএমসি ও অন্যান্য সংস্থার সমন্বিত সক্ষমতা ব্যবহার হবে। ইসি সচিব বলেন, অপতথ্য মোকাবিলায় দ্রুত ‘ভালো তথ্য’ ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সন্ত্রাসী শনাক্তকরণ ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ব্যত্যয় হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। চিহ্নিত সন্ত্রাসী, দুর্বৃত্ত, অস্ত্রধারী ও নাশকতাকারীদের তালিকা আগেই সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে সীমান্ত ও সমুদ্রপথ সিল করে দেওয়া হবে। নির্বাচনপূর্ব অশান্তির সম্ভাবনা, কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই- এসব প্রতিরোধে সর্বোচ্চ কঠোরতায় কাজ করবে বাহিনী।

ভোটকেন্দ্রে ১৩-১৮ জন সদস্যের নিরাপত্তা বলয়
একেকটি ভোটকেন্দ্রে কমপক্ষে ১৩ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৮ জন নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এদের মধ্যে আনসার, পুলিশ, মোবাইল টিম ও রিজার্ভ ফোর্সের সদস্য থাকবেন। পোস্টাল ভোটিংয়ের নিরাপত্তা থেকে রিটার্নিং অফিসারের বাসস্থান পর্যন্ত প্রতিটি ধাপেই নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে।

সভায় ইসির প্রত্যাশা শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচন। সেই লক্ষ্যেই তারা মাঠে নামাচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় সমন্বিত নিরাপত্তা কাঠামো।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:১৪ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:১৫ এএম
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা
বৃষ্টি। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ওপর মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় আট বিভোগের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

শনিবার (২০ জুন) রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

একই সঙ্গে রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া বইতে পারে। সেই সঙ্গে আকাশ বিদ্যুৎ চমকাতে পারে এবং হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। 

আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। তবে বৃষ্টি হলেও সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

নাঈম/

রাজধানীতে আবাসিক হোটেলে সৌদিপ্রবাসীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:৪৩ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ এএম
রাজধানীতে আবাসিক হোটেলে সৌদিপ্রবাসীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য
ছবি: প্রতীকী

রাজধানীর পল্টনের আবাসিক হোটেল রমনায় মো. আল আমিন (৪০) নামে এক সৌদিপ্রবাসীর মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের সঙ্গে থাকা এক তরুণীকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

গতকাল শুক্রবার (১৯জুন) দুপুরে অচেতন অবস্থায় সৌদিপ্রবাসী আল আমিনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, নিহত আল আমিন গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরশাদী এলাকার ফেরদৌস উদ্দীনের ছেলে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের সঙ্গে থাকা তরুণীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ থানা হেফাজতে নিয়ে গেছে।
  
তবে পুলিশ বলছে, নিহতের পরিবারের কোনো অভিযোগ নেই, তারা ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নিয়ে যেতে চায়।হোটেল রমনার বয় (কর্মী) মোহম্মদ হানিফ বলেন, ‘আল আমিন সৌদিপ্রবাসী। তিনি শুক্রবার (গতকাল) সকালে দেশে ফিরে হোটেল রমনা আবাসিকের ৯ তলার ৯২৩ নম্বর কক্ষ ভাড়া নেন। তার সঙ্গে একজন তরুণীও ছিলেন। তার নাম সাগরিকা আক্তার। পরে আমরা জানতে পারি, সৌদি আরবে থাকাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সাগরিকার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। বিগত ছয় মাস তাদের মধ্যে মোবাইল ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। ওই তরুণী বাগেরহাটের মোল্লারহাট উপজেলার চরকান্দি গ্রামের সবুর শেখের মেয়ে। তিনি গাজীপুর নার্সিং কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের একজন শিক্ষার্থী।’ 

অন্যদিকে আটক তরুণী সাগরিকা দাবি করেন, ‘আল আমিন ওয়াশরুমে যাওয়ার পর হঠাৎ পড়ে যাওয়ার শব্দ শুনতে পান। ওয়াশরুমের দরজা খোলা ছিল এবং আল আমিন মেঝেতে পড়ে ছিলেন। পরে তার চিৎকারে হোটেলের বয় হানিফসহ কর্তৃপক্ষ এগিয়ে যান। পরে তারা সবাই মিলে আল আমিনকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক আল আমিনকে মৃত ঘোষণা করেন।’

গতকাল রাত সোয়া ৮টার দিকে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে পল্টন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাদেকুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, ‘মরদেহের সুরতহাল এখনো শেষ হয়নি। তবে নিহতের পরিবারের কোনো অভিযোগ নেই, তারা ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নিয়ে যেতে চায়। তবে সিনিয়র অফিসারদের সঙ্গে আলোচনা করে দেখি, তারা কী নির্দেশনা দেন।’

ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, ‘নিহত সৌদিপ্রবাসী আল আমিনের বন্ধুর বোন সাগরিকা। সাগরিকার ভাইও সৌদি আরবে থাকেন। সেখান থেকে কিছু জিনিস আল আমিনকে দিয়ে পাঠিয়েছিলেন। সেসব নিতে সাগরিকা ওই হোটেলে গিয়েছিলেন।’ তিনি বলেন, ‘চিকিৎসক জানিয়েছেন, আল আমিন স্ট্রোক করে মারা গেছেন।’ 

আগের পোশাকে ফিরছে পুলিশ

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:২১ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:২৮ এএম
আগের পোশাকে ফিরছে পুলিশ
পুলিশের ইউনিফর্ম

বাংলাদেশ পুলিশের ইউনিফর্মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, ‘গাঢ় নীল’ এবং ‘হালকা অলিভ’ (জলপাই) রঙের সংমিশ্রণে আগের পোশাকে ফিরছে পুলিশ। পোশাক আগের রঙের হলেও এবার সবার প্যান্ট হবে খাকি।

পোশাক পরিবর্তনের বিষয়ে ঘোষণা দিয়ে গত বৃহস্পতিবার সদর দপ্তর থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ওই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জেলাসহ অন্য ইউনিটের পুলিশের জন্য গাঢ় নীল রঙের শার্ট হবে, সব মেট্রোপলিটন পুলিশের হবে হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের এবং সব পুলিশের প্যান্টের রং হবে খাকি। এ ছাড়া এপিবিএন, এসপিবিএন, এসবি, সিআইডি এবং র‍্যাব এই পোশাকের আওতামুক্ত থাকবে। অর্থাৎ তাদের পোশাক পরিবর্তন হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গত বছর ২০ জানুয়ারি আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়। পুলিশের সব সদস্যের জন্য নির্ধারিত হয় আয়রন (লোহা) রঙের পোশাক। গত বছর ২৫ নভেম্বর নতুন পোশাকে মাঠে নামে পুলিশ। তবে এই পোশাক সাত মাসও টিকল না। এই পোশাক নিয়ে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা শিগগিরই একনেকে পাস হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১১:৩৭ পিএম
তিস্তা মহাপরিকল্পনা শিগগিরই একনেকে পাস হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী
রংপুরে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ছবি: খবরের কাগজ

আমরা সবাই মিলে একত্রিত হয়ে আজকে এই এলাকায় এসেছি। সরেজমিনে দেখেছি। পদ্মা ব্যারাজ যেভাবে একনেকে পাস হয়েছে, খুব শিগগির আমাদের টেকনিক্যাল টিম কাজ করার পর রিপোর্ট দিলে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ একনেকে পাস করানো হবে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে নীলফামারী জেলায় তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। 

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আমাদের বলেছেন আপনারা যান এবং এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করে আসেন যে আমি খুব শিগগির এই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ হাতে নেব। এটা আমাদের প্রতিশ্রুতির অংশ।’

মন্ত্রী বলেন, ‘এই প্রকল্প গ্রহণ করার আগে পেছনে অনেক কথা বলতে পারেন। কিন্তু একটা কথাই আমি বলার চেষ্টা করছি। পরিকল্পনা অনুযায়ী যদি না এগোই তাহলে আমরা হোঁচট খেতে পারি। যার কারণে বিশেষজ্ঞ টিম কাজ করছে। আমরা সবার মতামত গ্রহণ করব। প্রয়োজনে দু-চারটা দেশের বিশেষজ্ঞদেরও।’

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেন শিগগিরই এসে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজটা উদ্বোধন করতে পারেন, সেই কাজটাও সম্পন্ন করা হবে।

এর আগে তিনি তিস্তা প্রধান সেচ খাল, জলঢাকার ধাইজান নদী, চারালকাটা নদী ও দিনাজপুর সেচ খাল পরিদর্শন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পানিসম্পদ সচিব ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিনসহ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে গঠিত ৯ সদস্যের কমিটির সদস্যসহ অন্যরা।

এদিকে লালমনিরহাট প্রতিনিধি জানান, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘তিস্তা নদীর ভাঙন ও বন্যাকবলিত মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার দ্রুত পরিকল্পিত ড্রেজিং ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করবে। আমরা যদি পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ করি এবং পরিকল্পিত ড্রেজিং করি, তবে এই অঞ্চলের মানুষকে ইনশাআল্লাহ রক্ষা করতে সক্ষম হব।’ গতকাল দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন শেষে অবসর রেস্ট হাউসে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘উজানে গজলডোবায় যেভাবে পানির স্রোত আসছে, তারা তো তাদের গেটগুলো ওপেন করে দিয়েছে। এই খাড়া স্রোতের কারণে তিস্তার পাড় ভেঙে যাচ্ছে এবং নদীভাঙন বিশাল আকার ধারণ করেছে। পানি এত ওভারফ্লো হচ্ছে যে, এলাকার মানুষের বসবাস করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘তিস্তাপাড়ের সবদিক বিবেচনা করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা অতীব প্রয়োজন। এটা শুধু এই অঞ্চলের জন্য নয়, গোটা দেশের জন্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই আজ আমরা টেকনিক্যাল টিম নিয়ে পরিদর্শনে এসেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘তিস্তা শুধু আপনাদের দুঃখ না, এটা সারা বাংলাদেশের দুঃখ। আমরা যখন এই কাজগুলো দৃশ্যমান করে সমাপ্ত করতে পারব, তখন হয়তো ছয়-সাত বছর সময় লাগে যাবে। কিন্তু এর যে বেনিফিট আসবে তা এ অঞ্চলের মানুষ পাবে। এতে সারা বাংলাদেশের অর্থনীতি চাঙ্গা হবে এবং অর্থনীতির ভিত মজবুত হবে।’ 

পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায় পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুলসহ অন্যরা।

শিশুস্বাস্থ্যে বড় উদ্যোগ, ৬ মাসে চালু ৫ বিশেষায়িত হাসপাতাল

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১০:১৬ পিএম
শিশুস্বাস্থ্যে বড় উদ্যোগ, ৬ মাসে চালু ৫ বিশেষায়িত হাসপাতাল
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

আগামী ছয় মাসের মধ্যে খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে এবং কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করতে যাচ্ছে সরকার।

এর মধ্যে বরিশাল  ও খুলনা বিভাগের হাসপাতাল দুটি আগস্টের প্রথম দিকে চালুর সকল প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে।

প্রতিটি হাসপাতালে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) সুবিধা, কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের সুযোগ রাখা হবে। পাশাপাশি বড় পরিসরের আইসিইউ ইউনিটও থাকবে হাসপাতালগুলোতে।

এসব হাসপাতালের আসবাবপত্র ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের দরপত্র প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে হাসপাতালগুলোর কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে। 

পুুরোদমে কার্যক্রম চালুর জন্য প্রতিটি হাসপাতালে ১ হাজার ৪৭৫ জন জনবলের প্রয়োজন হবে। প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন। 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ইতোমধ্যে খুলনা, বরিশাল ও কুমিল্লা গিয়ে হাসপাতাল ভবনগুলো পরিদর্শন করেছেন। 

বরিশাল শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনকালে তিনি আগামী আগস্টের শুরুতে হাসপাতালটি চালুর ঘোষণা দেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, নিউনেটাল ভেন্টিলেটর, সিটি স্ক্যান, এক্সরে মেশিন, পোর্টেবল এক্স-রে, মাল্টি প্যারামিটার বা কার্ডিয়াক মনিটর, ফটোথেরাপি মেশিনসহ ২০০ বেডের শিশু হাসপাতাল চালু করতে যেসব যন্ত্রাংশ প্রয়োজন, সেগুলো জুলাইয়ের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হবে। আগামী ১ আগস্ট হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হবে।

এর আগে গত ১০ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে দেশের ছয় বিভাগে অব্যবহৃত পড়ে থাকা ছয়টি শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দেন। 

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হাসপাতালগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে আগামী ২ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দেন। মূলত এরপরই হাসপাতালগুলো চালুর তোড়জোড় শুরু হয়। 

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের পাঁচ বিভাগে একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল চালু হচ্ছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এসব হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রের (আইসিইউ) ব্যবস্থাও থাকবে।

তিনি আরও বলেন, এই পাঁচটি হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় ফার্নিচার ও যন্ত্রপাতির টেন্ডার ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালে ১ হাজার ৪৭৫ জন করে জনবল প্রয়োজন। পূর্ণ জনবল বরাদ্দ করার জন্য ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী জনপ্রশাসন মন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সাখাওয়াত হোসেন জানান, প্রতিটি শিশু হাসপাতালে আইসিইউ থাকবে। সেন্ট্রালি এয়ার কন্ডিশন ব্যবস্থা থাকবে। একটি করে আইসিইউ থাকবে এবং ভবিষ্যতে বেড বাড়ানোর পরিসরও রাখা হবে। আইসিইউর জন্য একটি বড় স্পেস রাখা হবে। 

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারও ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত বরিশাল শিশু হাসপাতালটি পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, এই শিশু হাসপাতালটিও আগস্টে চালু হবে। প্রথম ধাপে জরুরি বিভাগের কার্যক্রম শুরু করা হবে। 

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল চালু করতেও জোরোশোরে কাজ শুরু হয়েছে। 

গত ২০ মে স্বাস্থ্যমন্ত্রী খুলনায় নির্মাণাধীন শিশু হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন এবং আগামী ৬ মাসের মধ্যেই হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। 

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. মুজিবুর রহমান বলেন, গণপূর্ত বিভাগ ও সিভিল সার্জনকে সঙ্গে নিয়ে আমরা খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। নতুন শিশু হাসপাতাল সম্পর্কে আমাদের কাছ থেকে তথ্য নিচ্ছে মন্ত্রণালয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে যে নির্দেশনা আসবে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

এদিকে গত ২৫ মে কুমিল্লার সদর দক্ষিণের বেলতলী এলাকায় নির্মাণাধীন শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনে যান মন্ত্রী। এই হাসপাতালটিও আগামী ছয় মাসের মধ্যে চালুর ঘোষণা দেন তিনি। 

নির্মাণকাজ শেষেও দীর্ঘ ছয়বছর অব্যবহৃত পড়ে থাকার পর চালু হতে যাচ্ছে বিশেষায়িত রংপুর শিশু হাসপাতালও। তারেক রহমানের নির্দেশের প্রেক্ষিতে দ্রুত এই হাসপাতাল চালু করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে হাসপাতালটির অবকাঠামো পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. নাজমুল হোসেন। 

তিনি বলেন, ‘শুধু এই পাঁচটি শিশু হাসপাতালই নয়, স্বাস্থ্য বিভাগে এ ধরণের আরও অনেক স্থাপনা রয়েছে, যেগুলো এখনও চালু হয়নি। বিষয়টি নজরে আসার পর প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সেগুলো চালু করারও নির্দেশ দেন।’

এদিকে বহুল প্রতীক্ষার পর অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চালু হতে যাচ্ছে কুমিল্লা শিশু হাসপাতালটিও। ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সচিবের সঙ্গে জরুরি বৈঠক শেষে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. শাহজাহান হাসপাতালটি চালুর বিষয়ে জনবল ও যন্ত্রপাতির চাহিদাপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিয়েছেন।

এদিকে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী তিন মাসের মধ্যে হাসপাতালটি চালু করা হবে। 

ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস রাজশাহী শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। 

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব বলেন, প্রথম ধাপে শিশু হাসপাতালটিতে আউটডোর সেবা চালু করা হবে। পরবর্তী অর্থবছরে ধাপে ধাপে অন্যান্য সেবাও চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

বাসস/এসএন