ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাংলাদেশের হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচ ডিজিটাল রূপান্তরের ভবিষ্যৎ নিয়ে ঢাকায় ১২তম ডিজিটাল সামিট অনুষ্ঠিত আমরা শুধু কেপ ভার্দে নই, পুরো আফ্রিকার জন্য খেলছি: বুবিস্তা বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা দোকানের তালা ভেঙে ১ হাজার ৪৪০ ক্যান বাংলাদেশি বিয়ার জব্দ খবরের কাগজের বাগেরহাট প্রতিনিধিকে প্রাণনাশের হুমকি আজ বিশ্ব সংগীত দিবস সৃজনশীল অর্থনীতি: বাংলাদেশের নতুন প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা ইতিহাসের পাতায় তিউনিসিয়া-জাপান ম্যাচ: ফুটবল বিশ্বকাপের ১০০০তম লড়াই ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা উত্তরের ৪ জেলায় বন্যার শঙ্কা, আগামী ৭২ ঘণ্টায় বাড়তে পারে নদ-নদীর পানি আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে : ডা. শফিকুর রহমান স্পেনের ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন এলোয় রুম: কুরাসাও গোলরক্ষকের বিশ্বরেকর্ড ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, দূষণের শীর্ষে জাকার্তা টাকার অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত উখ্যাইংওয়ংয়ের সাম্বা সাম্বা সাম্বা, ফিরে এল সাম্বা নৃত্য ২১ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ড্রাগন-মাল্টার বাগান গড়ে সফল প্রবাসফেরত সাদেক ২১ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় কারাবন্দি এক ম্যাজিস্ট্রেট যশোরে জাপার ২৫ নেতার পদত্যাগ বগুড়ার প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণ রবিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট নারায়ণগঞ্জের হাসপাতালে নেই জলাতঙ্কের টিকা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি শতাধিক লেবার এমপি-মন্ত্রীর ইসলামী ব্যাংক দখলের চেষ্টা হলে সরকারবিরোধী আন্দোলন হবে: জামায়াত নেতা নুরুল ইসলাম যুক্তরাষ্ট্র-ইতালি উত্তেজনা ট্রাম্পের মন্তব্যে চটেছেন মেলোনি প্লেগের জীবাণু আবিষ্কার ইকুয়েডরকে রুখে দিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রথম পয়েন্ট অর্জন করল কুরাসাও

সিন্ডিকেটের থাবায় এবারও চামড়ায় ধস

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ০৯:১৬ এএম
সিন্ডিকেটের থাবায় এবারও চামড়ায় ধস
নগরীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর চামড়া বেচাকেনার পর গতকাল লালবাগের পোস্তার একটি গুদামে লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ছবি: খবরের কাগজ

শিল্পমন্ত্রী আবুল মুক্তাদির ঈদুল আজহার আগে জোর আশ্বাস দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এবার কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারির কথাও বলা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে মন্ত্রীর সেই আশ্বাসের প্রতিফলন দেখা যায়নি। কোরবানির মাঠের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ উল্টো এবং হতাশাজনক।

বিগত বছরের তুলনায় এবার পশুর চামড়া আরও কম দামে বিক্রি হয়েছে। ন্যায্য মূল্য পাওয়া তো দূরের কথা, বহু মানুষের চামড়া পরিবহনের ন্যূনতম খরচও ওঠেনি। ক্রেতা না পেয়ে অনেকে চামড়া রাস্তায় ফেলে দিয়েছেন। আবার অনেকে বাধ্য হয়ে চামড়া মাটিচাপা দিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গত এক যুগ ধরে কোরবানির চামড়ার বাজারে চরম অস্থিরতা চলছে। প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট সিন্ডিকেট কৌশলে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই সিন্ডিকেট সরকারের বেঁধে দেওয়া দামকে তোয়াক্কা করে না। তারা অনেক কম দামে চামড়া কেনে। ফলে প্রতিবছর প্রচুর চামড়া নষ্ট হয়। মূলত সঠিক সংরক্ষণের অভাবেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান এ বিষয়ে তার মতামত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতিবছর কোরবানির পশুর চামড়া কেনাবেচা নিয়ে চরম নৈরাজ্য তৈরি হয়। সরকারকে দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। সরকার বিভাগীয় শহরগুলোতে বিসিকের শিল্প প্লট ব্যবহার করতে পারে। সেখানে চামড়া সংরক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভব। মৌসুমি ব্যবসায়ী ও কোরবানিদাতারা চামড়া কেনার পর সেখানে তা সংরক্ষণ করবেন। পরবর্তী সময় ভালো দাম পাওয়া গেলে আড়তদার ও ট্যানারি মালিকদের কাছে তা বিক্রি করা যাবে। এতে চামড়া নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকবে না। একই সঙ্গে কম দামে দ্রুত চামড়া বিক্রি করার তাড়াও থাকবে না।

চামড়ার বাজারের এই অস্থিরতা দূর করতে শিল্প মন্ত্রণালয় একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে। সেই প্রতিবেদনেও সরকারি উদ্যোগে চামড়া সংরক্ষণের সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি কারখানাগুলোর অব্যবহৃত জায়গায় সংরক্ষণ কেন্দ্র করা সম্ভব। এসব কেন্দ্রে আশপাশের এলাকা থেকে চামড়া সংগ্রহ করে সহজেই সংরক্ষণ করা যাবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাকশিল্পের পরেই চামড়া খাতের বড় সম্ভাবনা রয়েছে। এই খাতের ওপর ভিত্তি করে দেশের লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এ খাত থেকে রপ্তানি আয় বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই সম্ভাবনাময় খাতের জন্য সরকারের কোনো দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নেই। খোদ শিল্পমন্ত্রী স্বীকার করেছেন, চামড়া খাতের উন্নয়নে সরকারের বর্তমানে কোনো কর্মপরিকল্পনা নেই। তবে তিনি জানিয়েছেন, অতি শিগগির একটি কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।

অথচ ঈদুল আজহার আগে শিল্পমন্ত্রী কয়েক দফায় গণমাধ্যমে আশ্বাস দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এবার চামড়া বাজারে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। চামড়া সরকার নির্ধারিত দামেই বিক্রি হবে। মাঠপর্যায়ে কোথাও যেন অনিয়ম না হয়, সে জন্য প্রশাসন কঠোর নজরদারি করবে। চামড়া যেন নষ্ট না হয়, সে জন্য বাজারে প্রচুর পরিমাণে লবণ সরবরাহ করা হয়েছে। এমনকি চামড়া সঠিক পদ্ধতিতে সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী এমন সব বড় বড় উদ্যোগের কথা বললেও মাঠের বাস্তব চিত্র ছিল ভিন্ন। খবরের কাগজের ব্যুরো অফিস, প্রতিনিধি, নিজস্ব প্রতিবেদকদের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, কোথাও কোরবানির চামড়ার ন্যায্য দাম মেলেনি।
ঈদের দিন বিকেলে বরিশাল নগরের পদ্মাবতী ও পেঁয়াজপট্টি এলাকার চামড়ার পাইকারি আড়তগুলোতে গিয়ে চরম মন্দা দেখা যায়। সেখানে গরুর চামড়া অত্যন্ত কম দামে কেনাবেচা হচ্ছিল। তবে ছাগল ও বকরির চামড়ার দিকে ব্যবসায়ীরা ফিরেও তাকাচ্ছিলেন না। রিকশা, ভ্যান ও ট্রাকে করে চামড়া নিয়ে আসা কোরবানিদাতা, মৌসুমি ব্যবসায়ী ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বিপাকে পড়েন। আড়তদাররা অনেক ক্ষেত্রে তাদের চামড়া ফেরত নিয়ে যেতে বলেন। উপায় না পেয়ে চামড়া সংগ্রহকারীরা আড়তের সামনেই চামড়া ফেলে রেখে চলে যান।

বরিশাল নগরের কাউনিয়া বিসিক সড়ক এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম রিপন নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আগে অন্তত ১০ থেকে ২০ টাকায় হলেও ছাগলের চামড়া বিক্রি করা যেত। কিন্তু এ বছর চামড়া নিয়ে আড়তে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছি। শেষ পর্যন্ত অবিক্রীত চামড়া দোকানের সামনেই ফেলে আসতে বাধ্য হয়েছি।

চামড়া ফেলে দেওয়ার এই চিত্র দেখা গেছে বগুড়াতেও। বগুড়া সিটি করপোরেশন থেকে বাঘোপাড়া ডাম্পিং স্টেশনে নিয়োগ করা ট্রিপ গণনাকারী মো. মনিরুল ইসলাম তথ্য দিয়েছেন। তিনি জানান, ঈদের দিন রাত ২টা থেকে রবিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত ওই ডাম্পিং স্টেশনে প্রচুর চামড়া ফেলা হয়েছে। ছাগল, ভেড়া ও গরুর চামড়া নিয়ে প্রায় ২০টি ট্রাক সেখানে আসে। প্রতিটি ট্রাকে গড়ে ৫০০টি করে চামড়া ছিল। মো. মনিরুল ইসলাম আরও বলেন, এই ডাম্পিং স্টেশনের বাইরেও বেশ কিছু এলাকায় চামড়া মাটিতে চাপা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকার মৌসুমি ব্যবসায়ী মো. ইলিয়াস তার লোকসানের কথা জানান। তিনি বলেন, ঈদের দিন নগরের চকবাজার এলাকা থেকে ৩৫০ টাকা দামে বড় আকারের গরুর চামড়া কিনেছিলাম। সেদিন বিকেল ৪টার দিকে চামড়াগুলো বিক্রির জন্য নগরের আতুরার ডিপোতে নিয়ে যাই। কিন্তু আড়তদাররা প্রতি পিস চামড়ার দাম মাত্র ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা। ভেবেছিলাম এবার চামড়া বিক্রি করে ভালো লাভ পাব। কিন্তু এভাবে বড় অঙ্কের লোকসান দিতে হবে, তা কখনো ভাবিনি।
জয়পুরহাটেও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন। সেখানকার ব্যবসায়ীরা মাঠ থেকে ৩০০ টাকায় চামড়া কিনে আড়তে মাত্র ১০০ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। এই দামে চামড়া বিক্রি করে তাদের লাভ তো দূরের কথা, যাতায়াত ও গাড়ি ভাড়ার টাকাই ওঠেনি। মৌসুমি ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত দামে আড়তদাররা চামড়া কিনছেন না। তারা সিন্ডিকেট করে নিজেদের ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করে চামড়া কিনছেন। জয়পুরহাটের বাজারে প্রতিটি গরুর চামড়া মাত্র ২০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর ছাগলের চামড়া কেনার প্রতি ব্যবসায়ীদের কোনো আগ্রহই ছিল না।

জয়পুরহাট শহরের নতুনহাট এলাকার মোয়াজ্জেম হোসেন এবং জামালগঞ্জ বাজারের মেহেদী হাসানসহ একাধিক মৌসুমি ব্যবসায়ী একই কথা বলেন। তারা জানান, কোরবানির চামড়ার বাজারে আকস্মিক এই দরপতন তাদের দিশেহারা করে ফেলেছে।
লক্ষ্মীপুর জেলাজুড়ে এবার কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে এক নজিরবিহীন লঙ্কাকাণ্ড ঘটেছে। সরকারের নানামুখী আশ্বাস এবং স্থানীয় প্রশাসনের তদারকিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। মাঠপর্যায়ে চামড়া বিক্রি হয়েছে একেবারে পানির দামে। অনেক জায়গায় চামড়া কেনার জন্য কোনো ক্রেতাই খুঁজে পাওয়া যায়নি। এতে চরম ক্ষোভ ও হতাশায় জেলার বিভিন্ন স্থানে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলার খবর পাওয়া গেছে।

জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের রামনগর মাদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ক্রেতার অভাবে ১৫০টি চামড়া মাটিতে গর্ত করে পুঁতে ফেলতে বাধ্য হয়েছে। মাদ্রাসার সুপার হাফেজ মাওলানা শহীদ উল্যাহ অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানান, বিপুল উৎসাহ নিয়ে তারা বাড়ি বাড়ি থেকে প্রায় ১৫০টি চামড়া সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু দিনভর অপেক্ষা করেও কোনো পাইকারি ক্রেতার দেখা মেলেনি। কেউ চামড়া কিনতে রাজি হয়নি।

তিনি আরও জানান, শ্রমিক ও গাড়ি ভাড়া দিয়ে এই চামড়াগুলো সংগ্রহ করতে মাদ্রাসার কয়েক হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। তীব্র গরমে একপর্যায়ে চামড়াগুলো পচতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত পরিবেশ রক্ষার্থে গত শুক্রবার রাতে চামড়াগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। এর ফলে মাদ্রাসার এতিম ও দুস্থ শিক্ষার্থীদের ফান্ডের বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেল। শুধু চন্দ্রগঞ্জেই নয়, লক্ষ্মীপুর সদর, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগর উপজেলার চিত্রও ছিল প্রায় একই রকম।

পবিত্র ঈদুল আজহার দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায় চামড়া সংগ্রহের তোড়জোড় দেখা যায়। বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানার অর্থের জোগান দিতে লোকজন গ্রাম থেকে চামড়া সংগ্রহ করে নিয়ে আসেন। মাধবদী, পাঁচদোনা, ভেলানগর ও ইটাখোলা মোড়ে এসব চামড়া এনে জড়ো করা হয়।

মাধবদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দামের চরম বিপর্যয়। সেখানে খাসির চামড়া মাত্র ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর গরুর একটি চামড়া সর্বোচ্চ ৩৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে এক মাদ্রাসার হুজুর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিগত সময়ে একটি গরুর চামড়া ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হতো। কিন্তু আজ সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে চামড়াগুলো একেবারে পানির দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এর ফলে মাদ্রাসার গরিব ও এতিম ছাত্রদের হক চরমভাবে নষ্ট হচ্ছে।

মাঠপর্যায়ের চামড়া ক্রেতা কবির হোসেন ও আকবর আলী নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তারা জানান, তারা খাসির চামড়া ২০ টাকায়, গরুর চামড়া ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় এবং মহিষের চামড়া ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে কিনছেন।

তারা আরও বলেন, এসব চামড়া সংগ্রহ করে ঢাকায় নেওয়ার পর ট্যানারি মালিকরা আরও কম দাম নির্ধারণ করেন। ট্যানারি মালিকদের এমন খামখেয়ালিপনা ও আচরণের কারণে মাঠপর্যায়ে তাদেরও লোকসান দিয়ে চামড়া বিক্রি করতে হয়। মূলত পুরো চেইন জুড়েই এক ধরনের অব্যবস্থাপনা ও সিন্ডিকেটের প্রভাব কাজ করছে। এর ফলে প্রান্তিক কোরবানিদাতা থেকে শুরু করে মৌসুমি ব্যবসায়ী ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিবছর বিশাল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:০৬ এএম
ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
ছবি: খবরের কাগজ

ঢাকাসহ দেশের ১৫ জেলায় ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় এসব এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রবিবার (২১ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সতর্কবার্তায় বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, ঢাকা, টাঙ্গাইল, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অন্য এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের সব বিভাগেই অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের আশঙ্কাও রয়েছে। এ ধরনের আবহাওয়া পরিস্থিতি চলতি সপ্তাহজুড়ে অব্যাহত থাকতে পারে।

উত্তরের ৪ জেলায় বন্যার শঙ্কা, আগামী ৭২ ঘণ্টায় বাড়তে পারে নদ-নদীর পানি

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:০৫ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৪১ এএম
উত্তরের ৪ জেলায় বন্যার শঙ্কা, আগামী ৭২ ঘণ্টায় বাড়তে পারে নদ-নদীর পানি
ফাইল ফটো

দেশের উত্তরাঞ্চলের চার জেলায় আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। তিস্তাসহ তিন নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। ফলে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলো সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

গতকাল শনিবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বেড়েছে এবং আগামী তিন দিন এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

এ সময় তিস্তা নদীর পানি চার জেলায় বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। পাশাপাশি ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি রংপুর, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামে সতর্কসীমা ছুঁতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিচু এলাকা কিছু সময়ের জন্য প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও পানি বাড়ছে। সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি আগামী তিন দিন আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ ছাড়া নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার নদীসংলগ্ন নিচু এলাকাও কোথাও কোথাও প্লাবিত হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন দেশের আট বিভাগেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু সক্রিয় রয়েছে। পাশাপাশি গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিস্তৃত রয়েছে, যা বৃষ্টিপাত বাড়াতে সহায়তা করছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, সিলেট ও খুলনা বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী পাঁচ দিন রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, দূষণের শীর্ষে জাকার্তা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:২৮ এএম
ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, দূষণের শীর্ষে জাকার্তা
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের ১২৪টি দূষিত শহরের তালিকায় আজ ঢাকার অবস্থান ১৫তম। আইকিউ এয়ারের মানসূচকে ঢাকার স্কোর ৮৩। বায়ুর এই মানকে ‘সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

রবিবার (২১ জুন) সকাল ৮টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান বিষয়ক ওয়েবসাইট আইকিউ এয়ারের তথ্য থেকে বায়ুমানের এ অবস্থা জানা যায়।

বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, ১৬৫ স্কোর নিয়ে বায়ু দূষণের শীর্ষে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। তালিকায় ১৫৩ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে বাহরাইনের মানামা এবং ১৫১ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা। এ ছাড়া ১৪৫ স্কোর নিয়ে পাকিস্তানের লাহোর চতুর্থ এবং ১৪২ স্কোর নিয়ে কঙ্গোর কিনশাসা পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে।

তথ্যমতে, একিউআই স্কোর ৫১ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে বাতাসকে ‘সহনীয়’ বা ‘মধ্যম’ মানের হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষের জন্য বাতাস তুলনামূলকভাবে নিরাপদ হলেও, অতিসংবেদনশীল ব্যক্তি এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভোগা মানুষের জন্য সামান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকতে পারে।

সাধারণত কোনো শহরের একিউআই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’ এবং ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৩০১ বা তার বেশি হলে বাতাসকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ধরা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

অন্তরা/

রবিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম
রবিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীতে বসবাসকারীদের প্রতিদিনই নানা প্রয়োজনে কোনো না কোনো মার্কেট কিংবা শপিংমলে যেতে হয়। কিন্তু কোথাও গিয়ে দেখলেন, সেখানকার সব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ। তখন কাজ তো হলোই না বরং সময় নষ্ট, সেই সঙ্গে মনও খারাপ হবে।

রবিবার (২১ জুন) চলুন অনাকাঙ্ক্ষিত বিড়ম্বনা এড়াতে দেখে নেই আজ কোন কোন এলাকার দোকানপাট ও শপিং মল থাকবে বন্ধ।

বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার মার্কেট 

বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আইডিবি), পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসী পল্লী, ইব্রাহীমপুর বাজার, রজনীগন্ধা মার্কেট, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোড়ান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স, মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ডস সুপার মার্কেট।

বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট

আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট অঞ্চল, তেজগাঁও শিল্প অঞ্চল, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী বাণিজ্যিক অঞ্চল, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টারসিটি বাস টার্মিনাল অঞ্চল, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ীর একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ।ে

আমান/

এক যুগ পেরোলেও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি আয়াজ হত্যা মামলা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:১৭ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৪৬ এএম
এক যুগ পেরোলেও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি আয়াজ হত্যা মামলা
আয়াজ হক। ছবি: খবরের কাগজ

২০১৪ সালের ৯ জুন ঢাকার গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলের ছাত্র আয়াজ হককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় করা মামলা বিচারিক আদালত ও উচ্চ আদালতে নিষ্পত্তির পর বর্তমানে আপিল বিভাগে বিচারাধীন। ওই ঘটনায় করা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় এর মধ্যে কেটে গেছে একযুগ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ৯ জুন ঢাকা সিটি কলেজের প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ও খরচ বাবদ টাকা তোলা নিয়ে আয়াজের বড় ভাই আশদিন হকের সঙ্গে আসামিদের কথা কাটাকাটি ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই দিন বিকালে আসামিরা জিগাতলা যাত্রী ছাউনির কাছে আয়াজকে একা পেয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই ঘটনায় নিহতের বাবা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শহীদুল হক মামলা করেন। ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর অধস্তন আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে নিম্ন আদালত ইনজামামুন ইসলাম ওরফে জিসানকে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেন। তাছাড়া তৌহিদুল ইসলাম, মশিউর রহমান আরাফ, তৌহিদুল ইসলাম শুভ, আবু সালেহ মো. নাসিম ও আরিফ হোসেন রিগ্যানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয় আসামিদের সবাইকে। দণ্ডিতদের মধ্যে জিসান কারাগারে, শুভ জামিনে ও বাকি আসামিরা বর্তমানে পলাতক।

বিচারিক আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে জিসান ও শুভ হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি আসামিদের করা আপিলের ওপর শুনানি সম্পন্ন হয়। ওই বছর ১৬ মার্চ এই মামলার রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। রায়ে ইনজামামুন ইসলাম ওরফে জিসানকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড থেকে ১২ বছর ও তৌহিদুল ইসলামকে যাবজ্জীবন থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। আদালতে জিসানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদার।

হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে নিহতের বাবা শহীদুল হক সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেন। তিনি খবরের কাগজকে বলেন, আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত হাইকোর্টের ওই রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। আপিল বিভাগে এই মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। তাই বর্তমানে অধস্তন আদালতের দেওয়া রায়ই বহাল আছে। ঘটনার পর একযুগ পেরিয়ে গেছে। আমরা এই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছি।