ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
জয়ের খোঁজে নেদারল্যান্ডস ফুরফুরে মেজাজে ইংলিশরা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে জয় পেল যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বিধিনিষেধ ফিফার কাছে অভিযোগ করবে ইরান ২-০ গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র শুরুতেই আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচে অভিষেক হবে স্প্যানিশ হার্নান্দেজের সিরিজ হারের পর বাংলাদেশ শিবিরে দুসংবাদ হোর্হে মেসির গুজব ছড়ানোয় বরখাস্ত তিস্তা মহাপরিকল্পনা শিগগিরই একনেকে পাস হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী চাঁদপুরের সানজিদার বিশ্বজয়, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ কোটি টাকার পূর্ণাঙ্গ বৃত্তি জাবিতে শিক্ষামন্ত্রীর আগমনে ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ ধর্ষণের অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি মরক্কোর অধিনায়ক হাকিমি গণপিটুনির শিকার চার ডিবি সদস্য গ্রেপ্তার, অপহরণ চেষ্টার মামলা শিশুস্বাস্থ্যে বড় উদ্যোগ, ৬ মাসে চালু ৫ বিশেষায়িত হাসপাতাল জামালপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ বিশ্বকাপে মরক্কোর নতুন বিস্ময় আয়ুব বুয়াদ্দি সংবাদ প্রকাশের জেরে বগুড়ার সাংবাদিক কারাগারে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের ২৬১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ব্রাজিল ম্যাচে থাকছে বিরল ৫০০ বছরের পুরোনো ফুটবল লেখক শিবিরের ১৭তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত ইসরাইল-হিজবুল্লাহ সংঘাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর, স্বস্তির আশা ছারছীনা দরবার শরীফের মরহুম পীর ছাহেব স্মরণে মিশরে আন্তর্জাতিক সেমিনার হিলি স্থবন্দরের পাইকারি বাজারে বেড়েছে চালের দাম অস্ট্রেলিয়ার গতিময় কাউন্টার-অ্যাটাকে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র নোয়াখালীতে মোটরের তারে জড়িয়ে প্রাণ গেলো মা-ছেলের প্রতিবেশী দেশ মাদক ঢুকিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করতে চায়: প্রতিমন্ত্রী টুকু রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান রাজবাড়ীতে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ইমাম গ্রেপ্তার সাকলায়েন ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার: পরীমনি

ল্যাবরেটরির নীরব দূষণ

প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:২২ পিএম
ল্যাবরেটরির নীরব দূষণ

বিশ্ববিদ্যালয় মানেই জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার কেন্দ্র। কিন্তু দেশের বিভিন্ন কেমিক্যাল ল্যাবে ব্যবহৃত অ্যাসিড, ক্ষার ও বিষাক্ত রাসায়নিকের ফলে এক নীরব দূষণ তৈরি হচ্ছে। Applied Chemistry ও Chemical Engineering (ACCE)-সহ অন্যান্য ইন-অর্গানিক ও অর্গানিক ল্যাবে হাইড্রোক্লোরিক, সালফিউরিক, নাইট্রিক অ্যাসিড, সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট, কপার সালফেটসহ বিভিন্ন ভারী ধাতু ও জৈব দ্রাবক ব্যবহৃত হয়। পরীক্ষার পর এসব রাসায়নিক প্রায়শই ল্যাবের বেসিনে ফেলে পানি দিয়ে ধুয়ে দেওয়া হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ করা হয় না। গবেষণাগারের রাসায়নিক বর্জ্য নিষ্কাশনব্যবস্থা না থাকায় কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাববর্জ্য সরাসরি ড্রেন বা নির্মূল ব্যবস্থায় না গিয়ে গবেষণাসংলগ্ন পানিপথে মিশছে, যা পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি করে। অনেক প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন পরিকল্পনায় ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট বা ড্রেনেজ সিস্টেমের কথা উল্লেখ করলেও, কার্যকর Effluent Treatment Plant (ETP) থাকলে তা পরিবেশ ও DOEএর নিয়ম অনুযায়ী স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয় এমন দৃশ্য বহু ক্ষেত্রে দেখা যায় না।

এ অব্যবস্থাপনার প্রথম শিকার হয় অবকাঠামো এসিডিক বর্জ্য পাইপলাইনের ধাতব অংশ ক্ষয় করে, কংক্রিট দুর্বল করে এবং ভবনের ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে ভারী ধাতু যেমন ক্রোমিয়াম, কপার, সিসা মাটিতে জমে উর্বরতা নষ্ট করে, পানিতে গেলে জলজ প্রাণীর জন্য বিষ সৃষ্টি করে এবং ধীরে ধীরে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। যার ফলে হতে পারে কিডনি রোগ, স্নায়বিক সমস্যা, এমনকি ক্যানসার। এ ক্ষতির কোনো তাৎক্ষণিক লক্ষণ দেখা যায় না। আজ যে বর্জ্য আমরা নির্বিঘ্নে ড্রেনে ফেলছি, তার ফল ভোগ করতে পারে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। ল্যাবরেটরির এ নীরব দূষণ ভবিষ্যতে আমাদের সবাইকে ব্যয়সাপেক্ষে প্রভাবিত করতে পারে, তাই এখনই ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

তাকিয়া তাবাচ্ছুম
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

লোডশেডিং বন্ধ হোক

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:০১ পিএম
লোডশেডিং বন্ধ হোক

প্রচণ্ড গরমের সময়ে রাজধানী ঢাকা, ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিং আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে জানা যাচ্ছে, জ্বালানি তেল গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, ফলে ঘন ঘন দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সৃষ্টি হচ্ছে

পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে শহরাঞ্চলে ব্যবসাবাণিজ্য, শিক্ষা স্বাস্থ্যসেবাসহ নানা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলেও কৃষিকাজ, সেচব্যবস্থা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে প্রচণ্ড গরমে শিশু, বয়স্ক অসুস্থ মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্ট ভোগ করছেন অনেক শিক্ষার্থী রাতে পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ পাচ্ছে না, যা তাদের শিক্ষাজীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ একটি আধুনিক উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক প্রয়োজন তাই জ্বালানি খাতে কার্যকর দূরদর্শী পরিকল্পনা গ্রহণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই একই সঙ্গে সংকটের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি

খান ইয়ামিন

আহ্বায়ক, আলেয়া সুলতানা স্মৃতি পাঠাগার

নম্বর হাবেলী গোপালপুর, মুজিব সড়ক, সদর, ফরিদপুর

[email protected]

মন্ত্রীদের আচরণ যা হওয়া উচিত

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
মন্ত্রীদের আচরণ যা হওয়া উচিত

বিগত সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সব মন্ত্রীর মধ্যে এক ধরনের অহংকার-অহমিকা এবং দম্ভ গড়ে উঠেছিল জনগণের ক্ষোভের মুখে শেষ পর্যন্ত তাদের দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে তাই এখনই বলে রাখা ভালো, জনগণের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে মন্ত্রীরা কখনই কথা বলবেন না আগে জনগণের অভাব-অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শুনবেন এবং তারা কী চায়, তাদের জন্য কতটুকু করতে পারবেন সেটা বুঝিয়ে বলবেন মন্ত্রীদের একজন প্রকৃত জনদরদি নেতা, যিনি সততা, সরলতা, ভালোবাসা আদর্শ নিষ্ঠার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান অধিকারের যোগ্যতা থাকতে হবে জনস্বার্থ জনকল্যাণের প্রশ্নে সংসদের ভেতরে এবং বাইরে সবসময় সোচ্চার থাকতে হবে

মন্ত্রীদের সাহসী, সংগ্রামী আপসহীন ভূমিকা পালনের মাধ্যমে জনসেবা চালিয়ে যেতে হবে কারণ মন্ত্রীদের কাছে দেশের মানুষের অনেক চাহিদা-আবদার থাকতেই পারে, এটা নতুন কিছু নয় মন্ত্রীরা ভোটের আগে তার এলাকায় জনগণকে যে ধরনের আশ্বাস কাজের গতির স্বপ্নের কথা বলেছিলেন তা ধীরে ধীরে পালন করার চেষ্টার কোনো অবহেলা করবেন না

মনে রাখবেন, রাজনৈতিক বিরোধিতা শুধু নির্বাচনের সময় হওয়া উচিত, কিন্তু বছরের বাকি সময় দলমতনির্বিশেষে সবার উন্নয়নের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ এবং ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখতে হবে মন্ত্রী হলেই যে আপনি দেশের অভিভাবক হয়েছেন সেটা না ভেবে জনগণের সেবক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চেষ্টা করুন, এতে অনেক ফল পাওয়া যাবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী

গণমাধ্যমকর্মী, ১৭ ফরিদাবাদ, গেন্ডারিয়া, ঢাকা

[email protected]

 

তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম
তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন

গ্রীষ্মের তাপদাহ এবার বেশ প্রচণ্ডভাবেই অনুভূত হচ্ছে। তীব্র তাপপ্রবাহে মানুষ তো বটেই, রাস্তায় থাকা পশুপ্রাণীরাও বিপর্যস্ত। তীব্র গরমে রাস্তার কুকুর, বিড়াল, গরু কিংবা পাখিরা পানির অভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছে, এমনকি মৃত্যুবরণও করছে। মানুষের মতো এসব অবলা প্রাণী নিজেদের কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করতে পারে না। অথচ এই পৃথিবী শুধু মানুষের নয়, পশুপাখিরাও প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের একটুখানি মানবিক উদ্যোগ তাদের জীবন রক্ষা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে বাড়ির বারান্দা, ছাদ, উঠান কিংবা রাস্তার পাশে পাত্রে পরিষ্কার পানি রাখা যেতে পারে। সম্ভব হলে কিছু খাবারের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারলে পশুপাখিরা আশ্রয় ও ছায়া পাবে। ফলে পরিবেশের জীববৈচিত্র্যও বজায় থাকবে। আমাদের সামান্য একটু সদয় আচরণ সহানুভূতিই পারে প্রকৃতির এই সুন্দর প্রাণগুলোকে সুস্থ ও সুন্দরভাবে বাঁচিয়ে রাখতে।

প্রজ্ঞা দাস
শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ, ইডেন মহিলা কলেজ
[email protected]

সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন

প্রতিবারের মতো এবারও সারা বিশ্ব ভুগছে বিশ্বকাপ জ্বরে। এই উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে আমাদের দেশেও। শহর থেকে মফস্বল কিংবা গ্রাম প্রায় প্রতিটি ঘরেই ছড়িয়েছে এ উন্মাদনা। প্রিয় দলের সমর্থনে পতাকা ওড়ানো, জার্সি কেনা আর প্রীতি ম্যাচগুলোর আয়োজনই জানিয়ে দিচ্ছে বাঙালিদের ফুটবলপ্রীতি। তবে এরই মধ্যে বিচ্ছিন্নভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফুটবলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাগুলো চোখে পড়ছে সংবাদমাধ্যমের বদৌলতে। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, গত ৩ জুন বুধবার হবিগঞ্জ জেলায় আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল সমর্থকদের আয়োজিত প্রীতি ম্যাচে কথা কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় দলের সমর্থকরা। এতে প্রায় অর্ধ শত মানুষ আহত হয়। এ ছাড়া চট্টগ্রামের লোহাগড়ায় প্রীতি ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আমাদের সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। খেলাধুলাকে শুধু বিনোদনের উৎস হিসেবে বিবেচনা করে অতি আবেগী না হয়ে পারস্পরিক সমঝোতাই পারে এরূপ সংঘর্ষ এড়াতে। এ আসরের আটচল্লিশটি পতাকার রঙের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা পৌঁছে যাক বিশ্বের প্রতিটি মানুষের কাছে।

মারিয়া হাসান
শিক্ষার্থী, প্রথম বর্ষ, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

বাংলাদেশের দুর্বল শিক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তন চাই

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম
বাংলাদেশের দুর্বল শিক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তন চাই

বর্তমান বিশ্ব এক নবউন্নতির যুগে প্রতিযোগিতা করছে। উন্নত বিশ্বের উন্নত চিন্তাধারা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে শিক্ষাপদ্ধতির ভিন্ন ধারা। উন্নত বিশ্বের অধিকাংশ শিক্ষা হলো প্র্যাকটিক্যাল। নতুন নতুন উদ্ভাবনীতে রাখছে অকল্পনীয় অবদান। কিন্তু আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়েও আবিষ্কার কিংবা কোনো উদ্ভাবনীতে রাখতে পারছে না নিজস্ব অবদান। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা মনীষীদের জীবনবৃত্তান্ত নিয়ে ব্যস্ত। প্র্যাকটিক্যাল বলতে কিছুই নেই। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং কম্পিউটার সাবজেক্ট আছে; কিন্তু প্র্যাকটিক্যালের জন্য নেই কোনো উন্নত ডিভাইস ও প্রজেক্টর। বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রি থাকলেও ডিগ্রিধারীরা রাখতে পারছে না কোনো উদ্ভাবনে অবদান। পর্যাপ্ত পরিমাণ ইলেমেন্টস ও উপযুক্ত প্রশিক্ষণের নেই কোনো ব্যবস্থা। অপরদিকে এসএসসি পর্যন্ত অতিরিক্ত সাবজেক্ট উঠিয়ে মৌলিক সাবজেক্টগুলোর প্রতি বেশি ফোকাস করা অত্যন্ত জরুরি। সর্বোপরি শিক্ষাব্যবস্থায় অপূর্ণতাকে পূর্ণতা দিতে যথেষ্ট কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে আরজি প্রকাশ করছি।

আবদুর রশীদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
[email protected]