ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
প্রতিবেশী দেশ মাদক ঢুকিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করতে চায়: প্রতিমন্ত্রী টুকু রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান রাজবাড়ীতে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ইমাম গ্রেপ্তার সাকলায়েন ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার: পরীমনি ঈশ্বরদীতে ব্রাজিল সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা মৌসুমি ফল আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগকবলিত উপকূলের সুরক্ষায় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি শেষের বিবর্ণতায় সিরিজ হার বাংলাদেশের নাগরপুরে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ সহায়তা ও চাল বিতরণ আত্মপরিচয়ের খোঁজে বিপন্ন ব্রহ্মপুত্র পুলিশের ওপর হামলার মামলায় ১০ জন আটক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বিকাশে ‘নতুন কুঁড়ি’ আয়োজনের ঘোষণা ইয়াংজির বুনো পরিবেশেই হচ্ছে স্টার্জন মাছের প্রজনন শেরপুরে শ্বশুর-জামাই দ্বন্দ্ব, গাছে বেঁধে জামাইকে মারধরের অভিযোগ রাজশাহীতে বিদ্যুতের খুঁটিতে যুবকের মৃত্যু ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা তদন্তের সময় বাড়ল চারদিন সুপার ফাইবার উৎপাদনে চীনের সাফল্য এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে কর্মী ফুটবল যখন ক্যারিয়ার ও স্বপ্ন পালকযুক্ত নতুন ডাইনোসরের ফসিল আবিষ্কার সিলেটে শাহজালাল (রহ.) মাজার নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ শিশুদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে খেলাঘর আসর বরিশাল জেলা সম্মেলন তরুণদের সবচেয়ে বড় উৎসব ফুটবল বিশ্বকাপ তিস্তা রক্ষায় পরিকল্পিত ড্রেজিং, নির্মিত হবে টেকসই বাঁধ: পানিসম্পদমন্ত্রী পূবাইলে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে এক শিশুর মৃত্যু মাতৃমৃত্যুর হার কমাতে প্রয়োজন সচেতনতা হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু এনড্রিককে নিয়ে তাড়াহুড়ো নয় : আনচেলত্তি না ফেরার দেশে কবি আল মুজাহিদী

সুন্দরবনে জেলে, মৌয়াল অপহরণ এবং মুক্তিপণ প্রসঙ্গে

প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
সুন্দরবনে জেলে, মৌয়াল অপহরণ এবং মুক্তিপণ প্রসঙ্গে

বিগত দীর্ঘ সময় সুন্দরবন দস্যুমুক্ত ছিল। জেলে, মৌয়াল এবং বননির্ভর মানুষ নির্বিঘ্নে সুন্দরবনে কাজ করতে পেরেছিলেন। এর অন্যতম কারণ ছিল- সুন্দরবন ঘিরে যত অপরাধী বাহিনী ছিল তার সব বাহিনীর সদস্যই আত্মসমর্পণ করেছিলেন। অস্ত্র জমাসহ সব অন্যায় কর্মকাণ্ড থেকে এ বাহিনী এতদিন দূরে ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পরেই সুন্দরবনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অনেকাংশে কমে যায়। আর সে সুযোগটিই তারা নিয়ে এখন জেলে আর মৌয়ালদের অপহরণ করে বড় অঙ্কের টাকা মুক্তিপণ নিয়ে ছাড়ছেন অপরাধীরা। তবে সুন্দরবনের কোস্টগার্ড আর পুলিশের সহযোগিতায় কিছু অপহরণকৃত মানুষ রক্ষা পেলেও বেশির ভাগ অপহরণকৃত মানুষকেই মুক্তিপণ দিয়েই ছাড়া পেতে হচ্ছে। এটা বড় ধরনের একটা সমস্যা হিসেবে এখন জেলে, মৌয়ালদের ঘাড়ে চেপে বসেছে। অপহরণকারীরা একই বিকাশ দিয়ে বারবার অপহরণকারীদের চাহিদা মোতাবেক টাকা আদায় করলেও কেন মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিং করে তাদের অবস্থান চিহ্নিতকরণ করতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং কেস্টগার্ড। সেটাই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। গত ৪ ও ৫ মে সুন্দরবনের গোয়ালবুনিয়া, ধানোখালির খাল, মামুন্দো নদীর খাল ও মালঞ্চ নদের চালতে বেড়ের খাল থেকে ২০ জেলে এবং মৌয়ালকে অপহরণ করা হয়েছিল। পরে ৭ লাখ টাকার মুক্তিপণের বিনিময়ে তারা ছাড়া পান। তাই সরকারকে বনজীবীদের রক্ষায় সুন্দরবনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বড় ধরনের চিরুনি অভিযান চালিয়ে অপরাধীদের শেকড় একেবারে উপড়ে ফেলতে হবে। তাহলে জেলেরা নির্বিঘ্নে সুন্দরবনে নামতে পারবেন।

হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ী, সিপাহীপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]

লোডশেডিং বন্ধ হোক

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:০১ পিএম
লোডশেডিং বন্ধ হোক

প্রচণ্ড গরমের সময়ে রাজধানী ঢাকা, ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিং আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে জানা যাচ্ছে, জ্বালানি তেল গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, ফলে ঘন ঘন দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সৃষ্টি হচ্ছে

পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে শহরাঞ্চলে ব্যবসাবাণিজ্য, শিক্ষা স্বাস্থ্যসেবাসহ নানা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলেও কৃষিকাজ, সেচব্যবস্থা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে প্রচণ্ড গরমে শিশু, বয়স্ক অসুস্থ মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্ট ভোগ করছেন অনেক শিক্ষার্থী রাতে পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ পাচ্ছে না, যা তাদের শিক্ষাজীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ একটি আধুনিক উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক প্রয়োজন তাই জ্বালানি খাতে কার্যকর দূরদর্শী পরিকল্পনা গ্রহণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই একই সঙ্গে সংকটের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি

খান ইয়ামিন

আহ্বায়ক, আলেয়া সুলতানা স্মৃতি পাঠাগার

নম্বর হাবেলী গোপালপুর, মুজিব সড়ক, সদর, ফরিদপুর

[email protected]

মন্ত্রীদের আচরণ যা হওয়া উচিত

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
মন্ত্রীদের আচরণ যা হওয়া উচিত

বিগত সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সব মন্ত্রীর মধ্যে এক ধরনের অহংকার-অহমিকা এবং দম্ভ গড়ে উঠেছিল জনগণের ক্ষোভের মুখে শেষ পর্যন্ত তাদের দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে তাই এখনই বলে রাখা ভালো, জনগণের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে মন্ত্রীরা কখনই কথা বলবেন না আগে জনগণের অভাব-অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শুনবেন এবং তারা কী চায়, তাদের জন্য কতটুকু করতে পারবেন সেটা বুঝিয়ে বলবেন মন্ত্রীদের একজন প্রকৃত জনদরদি নেতা, যিনি সততা, সরলতা, ভালোবাসা আদর্শ নিষ্ঠার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান অধিকারের যোগ্যতা থাকতে হবে জনস্বার্থ জনকল্যাণের প্রশ্নে সংসদের ভেতরে এবং বাইরে সবসময় সোচ্চার থাকতে হবে

মন্ত্রীদের সাহসী, সংগ্রামী আপসহীন ভূমিকা পালনের মাধ্যমে জনসেবা চালিয়ে যেতে হবে কারণ মন্ত্রীদের কাছে দেশের মানুষের অনেক চাহিদা-আবদার থাকতেই পারে, এটা নতুন কিছু নয় মন্ত্রীরা ভোটের আগে তার এলাকায় জনগণকে যে ধরনের আশ্বাস কাজের গতির স্বপ্নের কথা বলেছিলেন তা ধীরে ধীরে পালন করার চেষ্টার কোনো অবহেলা করবেন না

মনে রাখবেন, রাজনৈতিক বিরোধিতা শুধু নির্বাচনের সময় হওয়া উচিত, কিন্তু বছরের বাকি সময় দলমতনির্বিশেষে সবার উন্নয়নের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ এবং ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখতে হবে মন্ত্রী হলেই যে আপনি দেশের অভিভাবক হয়েছেন সেটা না ভেবে জনগণের সেবক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চেষ্টা করুন, এতে অনেক ফল পাওয়া যাবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী

গণমাধ্যমকর্মী, ১৭ ফরিদাবাদ, গেন্ডারিয়া, ঢাকা

[email protected]

 

তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম
তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন

গ্রীষ্মের তাপদাহ এবার বেশ প্রচণ্ডভাবেই অনুভূত হচ্ছে। তীব্র তাপপ্রবাহে মানুষ তো বটেই, রাস্তায় থাকা পশুপ্রাণীরাও বিপর্যস্ত। তীব্র গরমে রাস্তার কুকুর, বিড়াল, গরু কিংবা পাখিরা পানির অভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছে, এমনকি মৃত্যুবরণও করছে। মানুষের মতো এসব অবলা প্রাণী নিজেদের কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করতে পারে না। অথচ এই পৃথিবী শুধু মানুষের নয়, পশুপাখিরাও প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের একটুখানি মানবিক উদ্যোগ তাদের জীবন রক্ষা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে বাড়ির বারান্দা, ছাদ, উঠান কিংবা রাস্তার পাশে পাত্রে পরিষ্কার পানি রাখা যেতে পারে। সম্ভব হলে কিছু খাবারের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারলে পশুপাখিরা আশ্রয় ও ছায়া পাবে। ফলে পরিবেশের জীববৈচিত্র্যও বজায় থাকবে। আমাদের সামান্য একটু সদয় আচরণ সহানুভূতিই পারে প্রকৃতির এই সুন্দর প্রাণগুলোকে সুস্থ ও সুন্দরভাবে বাঁচিয়ে রাখতে।

প্রজ্ঞা দাস
শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ, ইডেন মহিলা কলেজ
[email protected]

সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন

প্রতিবারের মতো এবারও সারা বিশ্ব ভুগছে বিশ্বকাপ জ্বরে। এই উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে আমাদের দেশেও। শহর থেকে মফস্বল কিংবা গ্রাম প্রায় প্রতিটি ঘরেই ছড়িয়েছে এ উন্মাদনা। প্রিয় দলের সমর্থনে পতাকা ওড়ানো, জার্সি কেনা আর প্রীতি ম্যাচগুলোর আয়োজনই জানিয়ে দিচ্ছে বাঙালিদের ফুটবলপ্রীতি। তবে এরই মধ্যে বিচ্ছিন্নভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফুটবলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাগুলো চোখে পড়ছে সংবাদমাধ্যমের বদৌলতে। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, গত ৩ জুন বুধবার হবিগঞ্জ জেলায় আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল সমর্থকদের আয়োজিত প্রীতি ম্যাচে কথা কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় দলের সমর্থকরা। এতে প্রায় অর্ধ শত মানুষ আহত হয়। এ ছাড়া চট্টগ্রামের লোহাগড়ায় প্রীতি ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আমাদের সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। খেলাধুলাকে শুধু বিনোদনের উৎস হিসেবে বিবেচনা করে অতি আবেগী না হয়ে পারস্পরিক সমঝোতাই পারে এরূপ সংঘর্ষ এড়াতে। এ আসরের আটচল্লিশটি পতাকার রঙের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা পৌঁছে যাক বিশ্বের প্রতিটি মানুষের কাছে।

মারিয়া হাসান
শিক্ষার্থী, প্রথম বর্ষ, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

আর কতকাল এ বৈষম্যের খেলা?

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
আর কতকাল এ বৈষম্যের খেলা?

কত আর বৈষম্য? সন্তানের চাকরি না পাওয়ার হাহাকার ও আমাদের প্রাপ্তি কী? চারদিকে এত মানুষের চাকরি হচ্ছে, সরকারি-বেসরকারি নানা নিয়োগের খবর আসছে; অথচ বিবিএ এবং এমবিএ পাস করার পরও আমার সন্তানের কপালে একটি চাকরি জুটছে না। একজন উচ্চশিক্ষিত তরুণের এই বেকারত্ব মেনে নেওয়া কতটা কঠিন, তা কেবল একজন ভুক্তভোগী মা-বাবাই জানেন। প্রশ্ন জাগে–এ বৈষম্যের শেষ কোথায়? আর কতকাল আমাদের এ যন্ত্রণা দেখতে হবে?

২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন, মেধা আন্দোলন ও কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে নেমেছিল দেশের তরুণ সমাজ। তখন বুকভরা আশা নিয়ে তাকিয়েছিলাম, হয়তো এবার সব ধরনের বৈষম্যের অবসান ঘটবে। কিন্তু আজ যখন আমার মেধাবী সন্তান দ্বারে দ্বারে ঘুরেও চাকরি পায় না, তখন নিজেকে বড় অসহায় মনে হয়। আজ হতাশ হয়ে নিজেকেই প্রশ্ন করতে ইচ্ছে হয়–তাহলে কি ২০২৪ সালের জুলাইয়ের সেই আন্দোলনগুলো মিথ্যা ছিল? মেধার মূল্যায়নের কথা বলে কি তবে একটি সরকারকে হটিয়ে আরেকটা সরকার বসানোর খেলা চলছিল? যদি আমার সন্তানের মতো যোগ্য ও শিক্ষিত তরুণরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিতই থাকে, তবে সেই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন বা জুলাই বিপ্লবকে আমরা কী বলব? এটা কি শুধুই কোনো গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল? আমরা আর কোনো আশ্বাস শুনতে চাই না। আমরা চাই প্রত্যেক তরুণের মেধার সঠিক মূল্যায়ন হোক। বৈষম্যের এই বেড়াজাল ভেঙে প্রত্যেক শিক্ষিত তরুণ যেন নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের সুযোগ পায়–এটাই আমাদের একমাত্র দাবি। আর কতকাল রক্ত ঝরিয়ে ও আন্দোলন করে অধিকার আদায় করতে হবে? এ দেশের মেধাবীরা আর কোনো বৈষম্য দেখতে চায় না।

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]