পৃথিবীর সর্বোত্তম স্থান মসজিদ। এখানে শুধু মহান স্রষ্টা ও রিজিকদাতা আল্লাহকে স্মরণ করা হয়। দুনিয়ার সব কার্যক্রম থেকে মুক্ত হয়ে মসজিদে প্রবেশ করতে হয় এবং সেখানে দুনিয়াবি ও অশ্লীল কোনো আলোচনা হয় না, তাই মসজিদ শ্রেষ্ঠ। সমাজের ছোট-বড়, ধনী-গরিব, উঁচু-নীচ সবাই দৈনিক পাঁচবার মসজিদে মিলিত হয়ে একই ইমামের পেছনে সব ধরনের ভেদাভেদ ভুলে অপূর্ব সাম্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
মুসলিম সমাজের জ্ঞানচর্চা, ধর্মীয় অনুশীলন থেকে শুরু করে সামাজিক ঐক্য ও সম্মিলিত কর্মকাণ্ডের অনেকটাই মসজিদের ওপর নির্ভরশীল। মসজিদ ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের উৎসভূমি। এটি মুসলমানদের আশ্রয়স্থল।
মসজিদে প্রবেশে যেমন দোয়া পড়ার কথা হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, তেমনি বের হওয়ার সময়ও দোয়া পাঠের বর্ণনা এসেছে। দোয়ার পাশাপাশি রয়েছে আদবও। মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় বাম পা প্রথমে বাইরে দিতে হয়। পরে বিসমিল্লাহ ও দরুদসহ বের হওয়ার দোয়া পড়তে হবে। দোয়াটি হলো—
بِسْمِ اللَّهِ وَالصّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِك
বাংলা উচ্চারণ: ‘বিসমিল্লাহি ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসুলিল্লাহ, আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদলিকা।’
বাংলা অর্থ: আল্লাহর নামে (বের হচ্ছি)। আল্লাহর রাসুলের ওপর দরুদ ও শান্তি বর্ষিত হোক। হে আল্লাহ! আপনি আমার জন্য আপনার দয়ার দরজাগুলো খুলে দিন। (আবু দাউদ, হাদিস: ১/১২৬)
লেখক: আলেম, গবেষক ও সাংবাদিক