ঈদুল ফিতর মুসলমানদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহোৎসব। মুসলিম জাতির সবচেয়ে বড় আনন্দের দিন। মনের সব কালিমা দূর করে—মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলে, মান-অভিমান বিসর্জন দিয়ে একতা, সমদর্শিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ-সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনের দিন। মনের হিংসা-বিদ্বেষ, অহংকার, অহমিকা, আত্মম্ভরিতা, আত্মশ্লাঘা, লোভ, রাগ-ক্রোধসহ যাবতীয় কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজের পবিত্রতা ঘোষণা করার উপলক্ষ হলো ঈদ।
মহিমান্বিত দিনটির আনন্দ-উৎসবে ভিন্নমাত্রা যোগ করবে—রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শিক কিছু চমকপ্রদ আয়োজন। চলুন জেনে নিই, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ঈদ উদযাপন কেমন ছিল—
১. রাসুলুল্লাহ (সা.) গোসল করে পবিত্রতা অর্জন করতেন। (বুখারি, ১/১৩০)
২. সুন্দর ও উত্তম পোশাক পরিধান করতেন। (বায়হাকি, ৬৩৬৩)
৩. ঈদগাহে যাওয়ার আগে পানাহার করতেন। (বুখারি, ৯৫৩)
৪. তাকবির বলতেন। (সিলসিলাতুল আহাদিস, ১৭১)
৫. যাতায়াতের রাস্তা পরিবর্তন করতেন। (বুখারি, ৯৮৬)
৬. পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যেতেন। (তিরমিজি, ১২৯৫)
৭. ঈদগাহে শিশুদের সঙ্গে নিতেন। (সুনানে কুবরা বায়হাকি, ৬৩৪৯)
৮. ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতেন। (ফাতহুল কাদির, ২/৫১৭)
৯. ঈদের খুতবা শোনা। (ইবনে মাজাহ, ১০৭৩)
১০. ঈদের রাতের আমল করতেন। (আত তারগিব ওয়াত তারহিব লিল মুনজেরি, ৬৫৬)
১১. বেশি বেশি দোয়া করতেন। (মুসান্নাফে আবদির রাজ্জাক, ৭৯২৭)
১২. রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ঈদের রাতে ইবাদতকারীর অন্তর মরবে না। (ইবনে মাজাহ, ১৭৮২)