হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, যুদ্ধের ময়দানে যখন নবিজি (সা.) শত্রুর মুখোমুখি হতেন, তখন তিনি সুরা ফাতিহার এই বিশেষ অংশটি পাঠ করতেন। এই দোয়ার বরকতে ফেরেশতারা অদৃশ্যভাবে শত্রুদের আঘাত করে ধরাশায়ী করে দিতেন।
শত্রুর দিকে তাকিয়ে পড়ার দোয়া:
يَا مَالِكَ يَوْمِ الدِّيْنِ، إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
উচ্চারণ: ইয়া মালিকি ইয়াউমিদ্দিন, ইয়্যাকা নাবুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তায়িন।
অর্থ: হে বিচার দিবসের মালিক! আমরা আপনারই ইবাদত করি এবং আপনারই কাছে সাহায্য চাই।
এই দোয়াটি পড়ার সময় মনে এই বিশ্বাস রাখা জরুরি যে, সাহায্য কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে এবং তিনিই সবকিছুর চূড়ান্ত ফয়সালাকারী।
হাদিস অনুযায়ী, এই দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহতায়ালা ফেরেশতাদের পাঠিয়ে মুমিনকে সাহায্য করেন এবং শত্রুর মনে ত্রাস সৃষ্টি করে দেন।
এ ছাড়া আগের অধ্যায়ে বর্ণিত ‘আল্লাহুম্মা ইন্না নাজআলুকা ফি নুহুরিহিম....’ দোয়াটিও শত্রুর অনিষ্ট থেকে বাঁচতে অত্যন্ত কার্যকর। দোয়া কেবল শব্দ নয়, এটি আল্লাহর সঙ্গে বান্দার এক গভীর সংযোগ। এই দোয়াগুলো নিয়মিত আমল করলে আল্লাহ আমাদের সকল প্রকাশ্য ও গোপন শত্রুর অনিষ্ট থেকে হেফাজত করবেন ইনশাআল্লাহ।
লেখক: আলেম ও সাংবাদিক