সারা দেশের মতো সিলেটের রাজনীতির মাঠেও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। তাদের কর্মসূচি চলে পাল্টাপাল্টি। রাজনৈতিক মত ও পথও ভিন্ন। তবে দল চালানোর পন্থা অভিন্ন। সেটি হচ্ছে সিলেটে আওয়ামী লীগ-বিএনপির দলীয় কার্যালয়ভিত্তিক সাংগঠনিক কার্যক্রম নেই। দীর্ঘদিন ধরে এক ধারা বা মতাদর্শে এগোচ্ছে দুই দলই। এ জন্য দুই দলের কর্মীরা ঠাট্টা করে বলছেন, ‘এক তরিকা’!
এই ‘এক তরিকা’ হচ্ছে সিলেটে দুটি দলেরই কোনো স্থায়ী কার্যালয় নেই। কার্যালয়বিহীন কার্যক্রম চলে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের বাসাবাড়ি থেকে। নেতা বা নেতৃত্ব পরিবর্তন হলে বাসাবাড়ির সেই সব অঘোষিত অস্থায়ী কার্যালয়ের স্থানও দ্রুত বদলে যায়। কার্যালয় নিয়ে এই ঘূর্ণিপাকে দল দুটির কর্মীরা অসন্তুষ্ট হলেও নেতারা ভাবলেশহীন। জানতে চাইলে তারা বলেন, হবে। তবে হবেটা কবে, তা-ও সুনির্দিষ্ট নয়।
সিলেটে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কার্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রম না থাকার বিষয়টি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি অধ্যয়ন বিভাগের এক অনুসন্ধানেও উঠে এসেছে। এ নিয়ে সম্প্রতি একটি জরিপে বলা হয়, সিলেট বিভাগের সিলেট ছাড়া অন্য তিন জেলায় স্থায়ী কার্যালয় না হলেও সাইনবোর্ড সাঁটিয়ে অস্থায়ী কার্যালয় পরিচালনা করতে দেখা গেছে। সিলেটে দলীয় কার্যালয় নিয়ে চলে দলাদলি। এ অবস্থায় ক্ষুব্ধ সাধারণ কর্মীরা ঠাট্টার সুরে দুই দলের এই ধারাকে ‘এক তরিকা’ বলে মন্তব্য করেছেন। জরিপের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, মাঠের কর্মীদের নেতারা তাদের নিজ নিজ বলয়ে রাখার প্রবণতায় স্থায়ী কার্যালয় হচ্ছে না।
জানা গেছে, সিলেটে আওয়ামী লীগের রাজনীতির জেলাভিত্তিক সাংগঠনিক কাঠামো পরিচালিত হয় স্বাধীনতার আগে থেকে। স্বাধীনতার পর প্রথম জেলা সভাপতি দেওয়ান ফরিদ গাজী ১৯৭৩ সালে প্রতিমন্ত্রী হলে তার বাসভবন থেকে পরিচালিত হয় সাংগঠনিক কার্যক্রম। আশির দশকে প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রহিম সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে কার্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনার প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তালতলার গণি ম্যানশনে সাইনবোর্ড সাঁটিয়ে কয়েক দিন চলেছিল কার্যালয়ভিত্তিক সাংগঠনিক কার্যক্রম।
দেওয়ান ফরিদ গাজীর বাসা সিলেট নগরীর লামাবাজার এলাকায়। সিলেটে আওয়ামী লীগের রাজনীতির প্রায় অর্ধশতাধিক বছরের পথপরিক্রমায় নেতৃত্বসহ রাজনৈতিক নানা পটপরিবর্তনে অস্থায়ী কার্যালয় জিন্দাবাজার-পুরান লেন, আম্বরখানা, ছড়ারপার, বাগবাড়ী, ধোপাদীঘির পূর্ব পার, তেলিহাওর হয়ে নগরীর প্রান্তসীমার টিলাগড় পর্যন্ত গড়িয়েছে। বর্তমান জেলা সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরীর বাসা টিলাগড়ের শাপলাবাগ এলাকায়। নেতাদের বাসা ছাড়াও আওয়ামী লীগের কার্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রমে জেলা পরিষদের মিলনায়তনও ব্যবহার হয়। সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খান।
অন্যদিকে সিলেটে বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রম বিস্তৃত হয়েছে অনেকটা আওয়ামী লীগের পদাঙ্ক অনুসরণ করে। জাগো দল থেকে বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রমের সূত্রপাত হলে সিলেটে নেতাদের বাসাবাড়ি অস্থায়ী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার হয়। কাস্টঘর এলাকায় জাগো দলের কার্যালয় বিএনপি কার্যালয়ে রূপান্তর করা হয়েছিল। এরপর অনেকটা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম অনুসরণ করে নেতাদের বাসায় বাসায় কার্যক্রম চলে। নব্বইয়ের দশকে দলটির সাংগঠনিক কাঠামো ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়।
স্থানীয় নেতা-কর্মীরা বলেছেন, ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতাসীন হলে কার্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রম যথারীতি আওয়ামী লীগের মতো করে পরিচালিত হয়। শেখঘাট, লামাবাজার, সোবহানীঘাট, আম্বরখানা, জিন্দাবাজার-পুরান লেন, কুমারপাড়া, ভার্থখলা, তাঁতীপাড়া ও শাহজালাল উপশহরে নেতাদের বাসায় অস্থায়ী কার্যালয়ে চলছে কার্যক্রম।
তাঁতীপাড়ায় নগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও উপশহরে জেলা সভাপতি আব্দুল কাইয়ূম চৌধুরীর বাসা। এই দুই নেতার বাইরে নগরীর কুমারপাড়ায় সাবেক সিটি মেয়র ও দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরীর কুমারপাড়ার বাসাটির সামনে একটি বৈঠকখানাও অস্থায়ী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সেখানে ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন বিভাগীয় অফিস/বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’ সাইনবোর্ড রয়েছে। সিলেটে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল থেকে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় আরিফুল হকের অনুসারী রয়েছে দলটির সহযোগী সংগঠনে। এসব সংগঠন ঘরোয়া সভায় ব্যবহার করে সাইনবোর্ড সাঁটানো বৈঠকখানাটি।
১৯৯১ সালে জাতীয় নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে বিএনপিদলীয় প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মালিক সংসদ সদস্য হন। ওই সময় তার উদ্যোগে একবার স্থায়ী কার্যালয় করার চেষ্টা হয়েছিল। এরপর ২০০১ সালে চারদলীয় জোটের নেতৃত্বে বিএনপি দ্বিতীয়বার ক্ষমতাসীন হলে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বাসার সামনে বৈঠকখানাকে কার্যালয় হিসেবে চালানো হয়। তখন আরিফুল হক ছিলেন মহানগর বিএনপির সভাপতি।
মহানগর বিএনপির বিগত আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করা মিফতাহ্ সিদ্দিকী বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় পেরিয়ে ১৯৯১ সালে দলটি যখন ক্ষমতাসীন হয়েছিল, স্থায়ী কার্যালয় করার বিষয়টি আলোচনা হয়েছিল। এরপর আর আলোচনার মধ্যেই আসেনি। নেতাদের বাসাবাড়িমুখী তৎপরতা ওই সময়ের পর থেকেই শুরু হয়।
জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নূরে আলম সিরাজী কার্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রম শুরু করা প্রয়াত নেতা আবদুর রহিমের নেতৃত্বের সময়কে সুবর্ণকাল বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সাইনবোর্ড সাঁটিয়ে তালতলার গণি ম্যানশন থেকে পরিচালিত দলীয় কার্যক্রম পরবর্তী সময়ে অনুসরণ করার চেষ্টা হয়েছিল চালিবন্দরে ইব্রাহিম স্মৃতি সংসদ থেকে। সেখানে জেলা ও মহানগরের কার্যালয় হিসেবে সাইনবোর্ড আছে। কিন্তু কার্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা রক্ষা হয়নি বলে এখন আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে নিয়ে এক তরিকা বা একই মতাদর্শী কথার উদ্ভব হয়েছে।
এদিকে সিলেটে স্থায়ী কার্যালয় করতে আওয়ামী লীগের আছে ‘কমপ্লেক্স’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব। আর বিএনপি ‘সময় অনুকূল’ হলে বিষয়টি বাস্তবায়ন ভাবনার মধ্যে রেখেছে। দুই দলের দুই উদ্যোগ কত দূর? জানতে যোগাযোগ করলে দায়িত্বশীল নেতারা সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি।
সিলেটে জাতীয়তাবাদী যুবদল থেকে বিএনপির নেতৃত্বে আছেন জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ূম চৌধুরী। দলীয় কার্যালয় কি কখনো ছিল? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘স্থায়ী কার্যালয় কখনো ছিল না। তবে অস্থায়ী কার্যালয় আছে শাহজালাল উপশহরে।’
স্থায়ী কার্যালয় কেন নেই? এ প্রশ্নে কাইয়ূম চৌধুরী বলেন, ‘বিভিন্ন কারণে স্থায়ী কার্যালয় নেই। বিভিন্ন সময় বিভিন্নজন দায়িত্বে এসেছেন। তারা কেউ উদ্যোগ নেননি। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সময় অনুকূলে না থাকাও একটি কারণ।’
বিএনপির স্থায়ী কার্যালয় করতে জেলা সভাপতির বলা ‘সময় অনুকূল’ বিষয়টি খোলাসা না করলেও তার কথায় বোঝা গেছে, দলটি ক্ষমতাসীন হলে পরে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে। তার আগে নয়।
একাধিকবার নগর বিএনপির নেতৃত্বে থাকা সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন জানিয়েছেন, এখন তাঁতীপাড়ায় তার বাসার একটি অংশ অস্থায়ী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। স্থায়ী কার্যালয় না থাকা বা সাইনবোর্ড সাঁটিয়ে অস্থায়ী কার্যালয় না করা প্রসঙ্গে নাসিম খবরের কাগজকে বলেন, ‘অনেকেই ভাড়া দেয় না রাজনৈতিক দলকে। তা ছাড়া বিভিন্ন সময় যারা নেতৃত্বে আসেন বা এসেছেন, তারা কার্যালয় ম্যানেজ করতে পারেননি। যে যার যার মতো মেইন্টেইন করেছেন। কর্মীরা সব সময় বলছেন কার্যালয় দরকার। আমরাও ফিল করছি কার্যালয় দরকার। কিন্তু বাস্তবায়ন হয় না বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে।’
এদিকে নগর আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় নগরীর চালিবন্দর এলাকায় ইব্রাহিম স্মৃতি সংসদকে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের স্থায়ী কার্যালয় হিসেবে গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এখনো সেখানে সাইনবোর্ড আছে, কিন্তু কার্যক্রম নেই।
ইব্রাহিম আলী একজন অকৃতদার রাজনীতিবিদ ছিলেন। সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক পদে থাকাকালে ২০০৪ সালের ৭ আগস্ট গুলশান সেন্টারে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় নিহত হন। তার স্মরণে ইব্রাহিম স্মৃতি সংসদ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। প্রয়াত বদরউদ্দিন আহমদ কামরান তখন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে কার্যালয়ভিত্তিক সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করেন। ২০১৩ সালের ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ইব্রাহিম স্মৃতি সংসদে উদযাপন করা হয়েছিল।
২০২০ সালের ১৫ জুন করোনায় কামরানের মৃত্যুর পর কার্যালয়মুখী আর কেউ হননি। ২০১৮ সালে জাতীয় নির্বাচন ও পরবর্তী সময়ে ২০১৯ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব বদল হলে ইব্রাহিম স্মৃতি সংসদ আর কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার হয়নি। সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর বর্তমান সংসদ সদস্য ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছিলেন, কেবল সাইনবোর্ড দিয়ে কার্যালয় নয়, ‘আওয়ামী লীগ কমপ্লেক্স’ করে সেখানে স্থায়ী কার্যালয় করা হবে। কিন্তু মোমেনের মন্ত্রী থাকার পাঁচ বছরে কমপ্লেক্স নির্মাণের ব্যাপারে কোনো অগ্রগতি হয়নি।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে আব্দুল মোমেন খবরের কাগজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হতাশা প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘সিলেট হলো আওয়ামী লীগের ঘাঁটি। এখানে কত ধরনের অফিস আছে, আওয়ামী লীগের অফিস নেই কেন? তাই এ নিয়ে আমি স্থায়ী কার্যালয় করতে আওয়ামী লীগ কমপ্লেক্স স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে বিভিন্ন লোকের বিভিন্ন মত। যার ফলে এখনো হয়নি। কোথাও জায়গা নিতে গেলে এক দল বলে এখানে, আরেক দল বলে এখানে না। এসব কারণে হয়নি। কবে হবে আমি জানি না।’
মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন খবরের কাগজকে বলেন, ‘সিলেটে আওয়ামী লীগের স্থায়ী কার্যালয় বা কমপ্লেক্সের জন্য একটি কমিটি করা হয়েছিল। অনেকের কাছ থেকে ভিন্ন ভিন্ন প্রস্তাব আসে। এসব প্রস্তাব নিয়ে একমত হওয়া যায় না। সব প্রস্তাব পর্যালোচনা করে স্থায়ী কার্যালয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ তবে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ কবে হবে, এ বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি।
রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনায় বড় দুই দলের কার্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে কর্মীদের প্রতি নেতাদের জবাবদিহি খুব সহজেই প্রতিষ্ঠা পাবে বলে মনে করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সিলেটের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, আওয়ামী লীগ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর এক নেতার বাসায় গিয়ে দেখেছেন, তিন স্তরের নেতা-কর্মীর জন্য তিনটি কক্ষ বরাদ্দ। নিজ বাসাকে দলের জন্য বরাদ্দ করার পেছনে ত্যাগ হিসেবে দেখালেও এটি মোটেও তা নয়। এই ত্যাগ পরিত্যাগ হয় যখন নেতৃত্ব থাকে না।
কার্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রম নেই বলে সিলেটে আওয়ামী লীগ-বিএনপি দলমুখী নয়, নেতামুখী বলে মনে করেন ফারুক মাহমুদ চৌধুরী। এ অবস্থার পরিবর্তনে তিনি খবরের কাগজকে বলেন, ‘সময় অনুকূল নয় বলে বিএনপির সময়ক্ষেপণ হয়তো ক্ষমতাসীন হওয়ার অপেক্ষা। বিষয়টি তাদের জন্য মানা যায়। কিন্তু আওয়ামী লীগের বেলায় কোনো অজুহাত খাটে না। একটানা ক্ষমতাসীন থাকার মধ্যেও স্থায়ী কার্যালয় বা প্রস্তাবিত কমপ্লেক্স করতে না পারা স্থানীয় নেতৃত্বের ব্যর্থতা।’