ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সেনবাগে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের ‘রোদে লিচু পোড়ায় ক্ষতির মুখে চাষি-ব্যবসায়ী’ প্রস্তাবিত বাজেটে বিএনপির নেতা-কর্মীরা খুশি ‘ফেবারিট’ তুরস্কের সামনে আত্মবিশ্বাসী অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ২০২৬ এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘লিচুর ন্যায্য দাম পেতে সংরক্ষণ সুবিধা জরুরি’ বিনিয়োগ বাড়াতে নেওয়া হয়েছে সাহসী উদ্যোগ, বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ আরআইবিএর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ব্র্যাকইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস লুপাস চিকিৎসায় যুগান্তকারী সাফল্য, জিন থেরাপিতে সুস্থ ৫ রোগী ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির দাফন ৯ জুলাই ‘লাভ তো দূরের কথা বাড়ি থেকে টাকা দিতে হচ্ছে’ বাজেটের রাজস্ব আদায় বড় চ্যালেঞ্জ: এফবিসিসিআই বরিশালে হাম-ডেঙ্গুর মাঝে উদ্বেগ ছড়াচ্ছে ডায়রিয়াও ভারতের নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ নতুন ভোরের অপেক্ষায় জার্মানি ১৪ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১৪ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল সুইজারল্যান্ডে জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমিত করতে গণভোট যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির সবশেষ পরিস্থিতি রাজশাহীতে বৈরী আবহাওয়ায় লিচুর সর্বনাশ সেলিনা হোসেনের জন্মদিন আজ ময়মনসিংহে হামে উৎকণ্ঠা আর জীবন বাঁচানোর লড়াই ১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের প্রথম গোল জন ম্যাকগিনের অজিদের আজ ধবলধোলাই করার লগন হাতি বনাম লা ত্রির লড়াই বিশ্বাসের সমুদ্রে ফন ডাইকের তরি ১৪ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি সমতায় বিশ্বকাপ মিশন শুরু ব্রাজিলের স্বপ্নের জাদুকর মুসিয়ালা পথপ্রদর্শক বাকুনা
Nagad desktop

নারায়ণগঞ্জে বুলবুলের অন্যরকম একদিন

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৫, ১০:২৬ এএম
আপডেট: ২৫ আগস্ট ২০২৫, ০১:০৬ পিএম
নারায়ণগঞ্জে বুলবুলের অন্যরকম একদিন
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল নারায়ণগঞ্জ সারকারি বালিকা বিদ্যালয়ে গেলে মেয়ে ক্রিকেটাররা উৎফুল্ল হয়ে ছবি তোলে। ছবি : সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জ জেলায় পাশাপাশি দুইটি স্টেডিয়াম। একটি ওসমানি স্টেডিয়াম। পাশেই ক্রিকেট স্টেডিয়াম। ওসমানী স্টেডিয়াম অনেক পুরোনো। মূলত ফুটবল খেলাই বেশি হয়ে থাকে। ক্রিকেট খেলাও হতো। পরে স্টেডিয়ামের পাশে নিচু জায়গায় মাটি ভরাট করে ক্রিকেটের জন্য মাঠ নির্মাণ করা হয়। যেটি মূলত নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স হিসেবে পরিচিত। এরপর থেকেই নারায়ণগঞ্জের ক্রিকেট চর্চা এই মাঠেই হয়ে থাকে। সকাল-বিকেল দুই বেলা ক্লেমন ক্রিকেট একাডেমি, নিট কনসার্ন ক্রিকেট একাডেমি, রেইনবো ক্রিকেট একাডেমি, রাইফেল ক্লাবসহ আরও বেশ কয়েকটি সংগঠন খেলোয়াড়দের নিয়ে অনুশীলন করে থাকে। যেখানে অধিকাংশই স্কুলছাত্র।

এই স্কুলছাত্রদের মাঝে ১০ বছরের নিচেও অনেক ছেলে আছে। প্রতিদিন সকাল থেকে তারা অনুশীলন করে থাকলেও গতকাল রবিবার ছিল তাদের জন্য অন্য রকম। আগে থেকেই তারা জানতেন বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল আসবেন। সবার মাঝে তাই অন্য রকম একটা ভালো লাগা কাজ করছিল। বিরাজ করছিল উত্তেজনা। এই উত্তেজনা ছিল বুলবুলকে সামনা সামনি দেখার। এদিন তারা অনুশীলন করে আর বাড়ি ফিরে যাননি। অপেক্ষায় ছিলেন বিসিবি সভাপতির। প্রখর রৌদ্রে তারা মাঠে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন। নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির আয়োজনে এই অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছিল Cricket Development & Idea.

নারায়ণগঞ্জ থেকে আসার পথে ফতুল্লা রিয়া গোপ স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে নির্ধারিত সময়ের কিছু পরে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ওসমানী স্টেডিয়ামে এসে পৌঁছালে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর তিনি মাঠের হালকা কাদা মাড়িয়ে সরাসরি চলে যান সেই সব অপেক্ষারত ছোট ছোট ক্রিকেটারদের কাছে। তাদের মাঝে কিছু মেয়ে ক্রিকেটারও ছিলেন। বুলবুলকে সামনা সামনি পেয়ে তাদের মাঝে কিছুটা অস্থিরতা দেখা দেয়। এ অস্থিরতা বুলবুলকে আরও কাছে পাওয়ার। ছবি তোলার। অটোগ্রাফ নেওয়ার। এ জন্য তাদের আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হয়। কারণ মাঠের এক পাশে অস্থায়ী মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হয় বিসিবি সভাপতিকে।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বুলবুলের সঙ্গে আসা বিসিবি পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিম, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক কমিটির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম মিঞা, সদস্য মাসুদুজ্জামান, শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ, জাকারিয়া ইমতিয়াজ, গোলাম গাউস, সাবিত আল হাসান, মো. হাসান (নুরজামাল), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আলমগীর হুসাইন, সাবেক ক্রিকেটার ডালিম, জাহাঙ্গীর, রনি তালুকদার, শহিদুল, ডালিম, মনা, পাপ্পু, টিক্কা, কোচ জলিসুর রহিম, জিয়াউল হক, মশিউর রহমান সোহেল প্রমুখ।

বক্তৃতাপর্ব শেষ হওয়ার পর অপেক্ষারত ক্ষুদে ক্রিকেটারদের জন্য আসে সেই বহুল কাঙ্ক্ষিত লগন। বিসিবি সভাপতির সঙ্গে করমর্দন করার পালা। যারা এদিক-সেদিক ঘোরাঘুরি করছিলেন, মাইকে ঘোষণা শোনা মাত্র কার আগে কে দাঁড়াবেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়। এ সময় কিছুটা বিশৃঙ্খলাও দেখা দেয়। কিন্তু বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে লাইনে দাঁড়ানোর নির্দেশনা পাওয়ার পর সবাই নিজ নিজ জায়গায় সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে পড়েন। এদিকে বুলবুল একে একে হাত মেলাতে মেলাতে অগ্রসর হতে থাকেন। কিন্তু সহজেই ছাড় পাচ্ছিলেন না। কেউ কেউ অটোগ্রাফও নেন। কেউ কেউ হাত মেলানোর পর ছবি তোলারও বায়না করেন। বুলবুল হাসিমুখে তাদের কাছে টেনে নিয়ে ছবি তোলেন। আবার কারও কারও সঙ্গে নিজ থেকেই কথা বলে তাদের সম্পর্কে জেনে নেন। এভাবে একে একে সবার সঙ্গে সৌহার্দ্য বিনিময়ের পর তিনি চলে যান নারায়ণগঞ্জ সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে। যথারীতি ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। সবাই ছিলেন মেয়ে ক্রিকেটার।

নাসিফ নামের এই খুদে ক্রিকেটারের কাঁধে এভাবেই হাত রেখে বুলবুল ছবি তোলেন। ছবি : সংগৃহীত

বুলবুলকে পেয়ে তাদের মাঝেও অস্থিরতা বিরাজ করতে থাকে ছবি তোলা আর অটোগ্রাফ নেওয়ার জন্য। এখানে বিসিবি সভাপতি সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা দেওয়ার পর শুরু হয় ছবি তোলার হিড়িক। সবাইকে নিয়ে গ্রুপ ছবি তোলা হলেও এতে যেন তারা তৃপ্তি পাচ্ছিলেন না। সেলফি বা এককভাবে ছুবি তোলার চাহিদা ছিল কম-বেশি সবার। বুলবুল হাসিমুখে সবার আবদার পূরণ করেন। বাদ যাননি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারাও। সেখান থেকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের রুমে আসতে এক মিনিটের পথ বুলবুলকে পাড়ি দিতে হয়েছে বেশি সময় নিয়ে। কারণ ধাপে ধাপে ছুবি তোলা আর অটোগ্রাফ দেওয়ার আবদার পূরণ করতে হয়েছে। এর মাঝে একটি মেয়ে এসে তার স্কুলড্রেসে অটোগ্রাফ দিতে বায়না করেন। কিন্তু বুলবুল তার সে আবদার পূরণ করতে পারেননি। তিনি এভাবে অটোগ্রাফ দিতে রাজি হননি। পরে সেই মেয়েকে খাতা নিয়ে আসতে বলেন। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে সেই মেয়ের পক্ষে আর খাতা নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি। এভাবেই বুলবুলকে পেয়ে তারা আনন্দময় একটি দিন পার করেন মেয়েরা।

নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার কমপ্লেক্সে বক্তৃতায় বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল নারায়ণগঞ্জের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ‘এই নারায়ণগঞ্জ আমাদের জন্য আইডল ছিল। এখানের ক্রিকেটের ইতিহাস বেশ বড়। আমি যখন খেলতাম, তখন নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে আমার এক সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। এখানে বিভিন্ন লীগ অনুষ্ঠিত হতো।’ ফতুল্লা রিয়া গোপ আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের করুণ অবস্থা দেখে তার কান্না এসে গেছে বলে জানান বুলবুল। তিনি বলেন, ‘এখানে আসার আগে আমি ফতুল্লা স্টেডিয়ামে গিয়েছিলাম। স্টেডিয়ামটির করুণ অবস্থা দেখে আমার কান্না চলে আসছে। এখানে একসময় অসংখ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতো। অথচ এই মাঠটির অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত করুণ।’

ছোট ছোট ক্রিকেটারদের উদ্দেশে আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘ক্রিকেট জীবনের ছোট্ট একটি অংশ। আমার সামনে ভবিষ্যতের ক্রিকেটাররা বসে আছেন। আমি জানি এখানে সম্ভাবনাময় অনেক খেলোয়াড় আছে, যারা আগামী দিনের তামিম, সাকিব হবে। আমার ইচ্ছা নারায়ণগঞ্জে একটি ইনডোর স্টেডিয়াম করার। তাহলে ক্রিকেট খেলোয়াড়রা সব সময় খেলার মধ্যে থাকতে পারবেন।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের সময় বছরের নির্দিষ্ট সময় ক্রিকেট খেলা হতো। এখন ১২ মাসই খেলা হয়। আশা করছি, আগামী এক দেড় বছরের মধ্যেই নারায়ণগঞ্জে এত উন্নয়ন করব, যেন নারায়ণগঞ্জের খেলোয়াড়দের বিভিন্ন লেভেলে খেলার জন্য ঢাকায় যেতে না হয়। এখানেই তারা কোচ পাবেন। সবকিছুই আমাদের পাইপলাইনে আছে। আমি আজ যেসব কথা বলছি তা যেন বাস্তবায়ন করতে পারি সে জন্য দোয়া করবেন। আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এসব কাজের কথা বলছি। কারণ আইসিসিতে থাকাকালে আমি এই কাজগুলোই করে এসেছি।’

পলাশ/নিলয়/

নতুন ভোরের অপেক্ষায় জার্মানি

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৩৮ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৪৪ এএম
নতুন ভোরের অপেক্ষায় জার্মানি
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের পর সবচেয়ে সমৃদ্ধ ইতিহাস যার, সেই জার্মানির দিকে তাকালেই ফুটবল দুনিয়া এখনো দেখতে পায় এক অদম্য পরাশক্তিকে। চারটি বিশ্বকাপ, চারবার রানার্সআপ, চারবার তৃতীয় স্থান; পরিসংখ্যানের প্রায় প্রতিটি স্তরেই শক্ত অবস্থান জার্মানদের। কিন্তু ইতিহাস সব সময় বর্তমানের নিশ্চয়তা দেয় না। ২০১৪ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর টানা দুই বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায়; জার্মান ফুটবলের জন্য যা ছিল অকল্পনীয় এক ধাক্কা। এবার সেই বিকল হয়ে যাওয়া যন্ত্র আবারও চালু করার মিশন শুরু হচ্ছে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে।

যুক্তরাষ্ট্রের হিউসটনের এনআরজি স্টেডিয়ামে আজ রাত ১১টায় বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে জুলিয়ান নাগেলসম্যানের দল। প্রতিপক্ষ কুরাসাও; ক্যারিবীয় অঞ্চলের ছোট্ট দ্বীপদেশ, যারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলছে। কাগজে-কলমে ব্যবধান আকাশ-পাতাল হলেও জার্মানি এবার কোনো ঝুঁকি নিতে রাজি নয়।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে জার্মানি মানেই বড় মঞ্চের দল। ১৯৫৪, ১৯৭৪, ১৯৯০ ও ২০১৪; চারটি বিশ্বকাপ তাদের শোকেসে। আছে চারবার ফাইনালে হারের আক্ষেপও। আবার চারবার তৃতীয় হওয়ার রেকর্ডও তাদের। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপেও তিনবার শিরোপা জিতেছে তারা। তবে সব সাফল্যের মাঝেও সাম্প্রতিক স্মৃতি খুব সুখের নয়। ২০১৮ সালে রাশিয়ায় গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়, একই ঘটনা কাতারেও। এমন ব্যর্থতা জার্মানদের ইতিহাসে বিরল। তাই এবারের বিশ্বকাপ শুধু আরেকটি টুর্নামেন্ট নয় বরং নিজেদের পুনরুদ্ধারের লড়াই।

সেই মিশনের নেতৃত্বে আছেন জুলিয়ান নাগেলসম্যান। তরুণ ও অভিজ্ঞদের মিশেলে নতুন ছন্দের দল গড়েছেন তিনি। এই দলটিতে আছে গতি, আছে সৃজনশীলতা, আছে আক্রমণের ধার। মাঝমাঠে জসুয়া কিমিচ, সামনে জামাল মুসিয়ালা ও ফ্লোরিয়ান ভির্টজ; বর্তমান ইউরোপের সবচেয়ে ভয়ংকর আক্রমণাত্মক জুটিগুলোর একটি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আক্রমণের কেন্দ্রে থাকবেন কাই হার্ভাটেজ, যিনি জাতীয় দলের হয়ে ইতোমধ্যে ২২ গোল করেছেন।

সাম্প্রতিক ফর্মও আত্মবিশ্বাসী হওয়ার মতো। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ ৯ ম্যাচেই জয় পেয়েছে জার্মানি। এ বছর প্রীতি ম্যাচে হারিয়েছে সুইজারল্যান্ড, ঘানা, ফিনল্যান্ড এবং বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রকেও। বাছাইপর্বেও ছিল দাপুটে পারফরম্যান্স।

তবু নাগেলসম্যান সতর্ক। ম্যাচের আগে জার্মান কোচ পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, ছোট দল বলে কাউকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। তার ভাষায়, বিশ্বকাপে নাম নয়, মানসিকতাই সবচেয়ে বড় বিষয়। অধিনায়ক কিমিচও একই সুরে কথা বলেছেন। সমর্থকরা বড় ব্যবধানে জয় চাইতে পারেন, কিন্তু দলের প্রথম লক্ষ্য ভালো ফুটবল খেলে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করা।

অন্যদিকে কুরাসাওয়ের জন্য এটি রূপকথার মতো যাত্রা। মাত্র দেড় লাখেরও কম জনসংখ্যার দেশটি বাছাইপর্ব পেরিয়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে উঠে এসেছে। আয়তন ও জনসংখ্যা; দুই দিক থেকেই তারা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে ছোট দেশগুলোর একটি।

বিশ্ব র‌্যাকিংয়ে ৮২ নম্বরে থাকা দলটির সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ। তবে তাদের ভয় নেই। কোচ ডিক অ্যাডভোকেট ও অধিনায়ক কুকো মার্টিনা স্পষ্ট করে দিয়েছেন; তারা শুধু অংশ নিতে আসেনি, প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করতে এসেছে। জার্মানি ও কুরাসাও এর আগে কখনো আন্তর্জাতিক ফুটবলে মুখোমুখি হয়নি। ফলে আজকের ম্যাচই হবে দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎ। বিশ্বকাপে অনেক গল্প জন্ম নেয়। তবে জার্মানদের কাছে আজকের গল্পের নাম একটাই; প্রবল দাপটে ফিরে আসা।

১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের প্রথম গোল জন ম্যাকগিনের

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:২৭ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:০৫ এএম
১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের প্রথম গোল জন ম্যাকগিনের
ছবি: সংগৃহীত

ক্রেইগ বার্লির পর প্রথম স্কটিশ খেলোয়াড় হিসেবে ফিফা বিশ্বকাপে গোল করার কীর্তি গড়লেন জন ম্যাকগিন। রবিবার বস্টন স্টেডিয়ামে হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে বল জালে জড়িয়ে তিনি এই ইতিহাস গড়েন।

অ্যাস্টন ভিলার এই মিডফিল্ডার ম্যাচের ২৮তম মিনিটে ডি-বক্সের প্রান্ত থেকে একটি শট নেন, যা ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে হাইতির গোলরক্ষককে ফাকি দিয়ে জালে জড়ায়। এই গোলের মধ্যদিয়ে স্কটল্যান্ড ১-০ এগিয়ে যায়।

১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপের পর এটিই বিশ্বমঞ্চে স্কটল্যান্ডের প্রথম গোল। সেবার নরওয়ের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে বার্লির করা গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল দলটি।

সর্বশেষ ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পর আবারও বৈশ্বিক এই টুর্নামেন্টে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে স্কটল্যান্ড। এবার তাদের মূল লক্ষ্য ইতিহাসের প্রথমবারের মতো গ্রুপ পর্বের বৈতরণী পার হয়ে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়া।

সমতায় বিশ্বকাপ মিশন শুরু ব্রাজিলের

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৬:০৭ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৬:২৮ এএম
সমতায় বিশ্বকাপ মিশন শুরু ব্রাজিলের
ছবি: সংগৃহীত

মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে ব্রাজিলকে। ফেবারিটদের রীতিমতো নাচিয়েছে তারা। ২১ মিনিটে পিছিয়ে পড়লেও ৩২ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের গোলে শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র হয়েছে ম্যাচ। 

রবিবার (১৪ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে দুদলের লড়াই হয়েছে বেশ। 

মরক্কোর হাই প্রেসিংয়ে শুরু থেকেই চাপে পড়ে ব্রাজিলের রক্ষণভাগ। বল দখলে ব্রাজিল এগিয়ে থাকলেও একের পর এক আক্রমণ চালিয়েছে মরক্কো। প্রথম ৩০ মিনিটেই ১২টি শট নেয় তারা। 

ম্যাচের ২১ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় মরক্কো। ব্রাজিলের রক্ষণভাগের ঠিক মাঝখান দিয়ে ব্রাহিম দিয়াজের নিখুঁত পাস ধরে এগিয়ে যান ইসমাইল সাইবারি। তিনি ব্রাজিলের গোলরক্ষক অ্যালিসনের মাথার ওপর দিয়ে চিপ করে গোল করেন।

গোল হজমের পর দ্রুতই ম্যাচে ফিরে ব্রাজিল। ম্যাচের ৩২ মিনিটে লেফট উইং ধরে এগিয়ে যান ভিনি। সেখান থেকে পাস দেন ব্রুনো গিমায়েরেসের কাছে। বক্সে ফিরতি পাস পেয়ে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দারুণ শটে মরক্কোর জাল কাঁপান ভিনি। তাতে ১-১ গোলে সমতায় ফিরে ব্রাজিল। 

ম্যাচজুড়ে মাঝমাঠ ভুগিয়েছে ব্রাজিলকে। কাসেমিরো ও লুকাস পাকুয়েতা নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি। যার প্রভাব পড়েছে ম্যাচে। এরপরও ভিনিসিয়ুসের করা গোলের সুবাদে ড্র নিয়ে মাঠে ছাড়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

এসজি/

ভিনিসিয়ুসের গোলে সমতায় ফিরল ব্রাজিল

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৫৮ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:১৫ এএম
ভিনিসিয়ুসের গোলে সমতায় ফিরল ব্রাজিল
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ব্রাজিল-মরক্কো। ম্যাচের শুরু থেকে ব্রাজিলকে চেপে ধরে গত আসরের সেমিফাইনালিস্টরা। ম্যাচের ২১ মিনিটে গোল আদায় করে এগিয়ে যায় তারা। তবে ৩২তম মিনিটে মরক্কোর জালে বল জড়িয়ে ব্রাজিলকে সমতায় ফেরান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

রবিবার (১৪ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শুরু হয় দুদলের লড়াই।

ম্যাচের শুরু থেকেই হাই প্রেসিংয়ের মাধ্যমে ব্রাজিলের রক্ষণকে চাপে রাখে মরক্কো। ম্যাচের ১৪ মিনিটে দারুণ সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি ইগর থিয়াগো। ভিনিসিয়ুসের দারুণ ক্রসে বক্সের মধ্যে ফাঁকা জায়গায় বল পান তিনি। কিন্তু তা জালে জড়াতে ব্যর্থ হন তিনি। এর কয়েক মিনিট পরেই গোলের সুযোগ নষ্ট হওয়ার আক্ষেপে পুড়ে ব্রাজিল।  

২১ মিনিটে গোল হজম করে বসে তারা। ব্রাজিলের রক্ষণভাগের ঠিক মাঝখান দিয়ে ব্রাহিম দিয়াজের নিখুঁত পাস ধরে এগিয়ে যান ইসমাইল সাইবারি। তিনি ব্রাজিলের গোলরক্ষক অ্যালিসনের মাথার ওপর দিয়ে চিপ করে গোল করেন।

গোল হজমের পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে পড়ে ব্রাজিল। দ্রুতই ম্যাচে ফিরে তারা। ম্যাচের ৩২ মিনিটে লেফট উইং ধরে এগিয়ে যান ভিনি। সেখান থেকে পাস দেন ব্রুনো গিমায়েরেসের কাছে। বক্সে ফিরতি পাস পেয়ে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দারুণ শটে মরক্কোর জাল কাঁপান ভিনি। তার গোলে ১-১ সমতায় ফিরে বিরতিতে যায় ব্রাজিল। 

সালমান/ 

ব্রাজিলের শুরুর একাদশে চমক

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:২৪ এএম
ব্রাজিলের শুরুর একাদশে চমক
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামতে যাচ্ছে ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো, যারা গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট। আর এই ম্যাচের জন্য শুরুর একাদশে এসেছে চমক।

রবিবার (১৪ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমগুলো মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে দানিলো, অ্যালেক্স সান্দ্রো ও ম্যাথিউস কুনহার নাম সামনে এনেছিল। তবে শুরুর একাদশে তাদের সুযোগ মেলেনি। ইবানিয়েজ, দগলাস সান্তোস ও ইগর থিয়াগোকে নিয়ে শুরুর একাদশ সাজিয়েছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

ব্রাজিল একাদশ: অ্যালিসন বেকার (গোলরক্ষক), ইবানিয়েজ, গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহায়েস, মার্কুইনহোস, দগলাস সান্তোস, কাসেমিরো, ব্রুনো গুইমারেস, লুকাস পাকুয়েতা, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ইগর থিয়াগো ও রাফিনিয়া।

মরক্কো একাদশ: ইয়াসিন বুনু (গোলরক্ষক), নুসাইর মাজরাউই, আশরাফ হাকিমি (অধিনায়ক), ইসা দিওপ, শাদি রিয়াদ, এল আইনাউই, আইয়ুব বুয়াদ্দি, উনাহি, ব্রাহিম দিয়াজ, সাইবারি ও বিলাল এল খানুস।

সালমান/