ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
জয়পুরহাটে দিনব্যাপী জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীতে দুইদিনের গবেষণা সম্প্রসারণ কর্মশালার উদ্বোধন পৃথিবীর গঠন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র দেশের ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ ব্রাজিলিয়ান জন্য সুখবর, পূর্ণ অনুশীলনে নেইমার দায় নিজের কাঁধে নিলেন বিয়েলসা ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় যুবকের ফাঁসি মিডজার্নি আনছে নতুন আলট্রাসনিক বডি স্ক্যানার ক্যারিবীয় সাগরে আবারও মার্কিন হামলা, নিহত ২ হাইড্রেশন ব্রেকের বিরুদ্ধে স্কালোনি রসুনের ১০টি প্রমাণিত উপকারিতা চট্টগ্রামবাসীকে নিয়ে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার ঘোষণা ৫ ইসলামি ধারার ব্যাংকের চাকরিচ্যুতদের সাইপ্রাসে উদ্ধার মরদেহটি নিখোঁজ বাংলাদেশি ছাত্রের হতে পারে গুম ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার ১১ দলের সমাবেশ সুস্ময়ের আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে মেডেল জয় গাছের গায়ে যে কারণে সাদা রং দেওয়া হয় সাময়িক বন্ধের পর চালু মস্কোর ৪ বিমানবন্দর বেসরকারি সংস্থায় চাকরির সুযোগ দুর্নীতির মামলায় বিচারের মুখোমুখি স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী এমবাপ্পেকে থামাতে ইরাকের ৩ গোলরক্ষক খেলানোর ইচ্ছায় সাড়া দেয়নি ফিফা কওমি তরুণদের বাজেট ভাবনা শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক ফরিদপুরে বাসচাপায় নিহত ১ চলন্ত বাইকে ইটের আঘাতে আহত সেই যুবকের মৃত্যু অস্ট্রিয়াকে নিয়ে সতর্ক স্কালোনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে : ইরান এক রাতেই ইউক্রেনের ৩০১টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি রাশিয়ার নাইজেরিয়ায় অপহরণকারীদের মোকাবিলায় ১০০০ বনরক্ষী নিয়োগ ইউরোপের কয়েকটি দেশে তীব্র দাবদাহের সতর্কতা জারি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারে ভারতীয় পণ্যসহ ট্রাক ও বাস জব্দ, গ্রেপ্তার ৮

সোশ্যাল মিডিয়ার আসক্তি কাটানোর ৮ উপায়

প্রকাশ: ০৫ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৩:৩৯ পিএম
আপডেট: ০৫ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৫:০৪ পিএম
সোশ্যাল মিডিয়ার আসক্তি কাটানোর ৮ উপায়
সোশাল মিডিয়ায় আসক্ত তরুণ। ছবি: সংগৃহীত

সমসাময়িক প্রযুক্তির যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাছের মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ থেকে শুরু করে মনোরঞ্জনসহ প্রাত্যহিক জীবনের বেশিরি ভাগ ক্ষেত্রেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার আমাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে এ অভ্যাস কখন আসক্তির পর্যায়ে পৌঁছে গেছে তা লক্ষ্য করার আগেই আমাদের সার্বিক মানসিক স্বাস্থ্য, সৃজনশীলতা ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক হুমকির মুখে পড়ে গেছে।

এই আসক্তি ছাড়তে স্বপ্রণোদিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই।

সোশ্যাল মিডিয়ার আসক্তি ছাড়তে নিচের আটটি পরামর্শ আপনার জন্য কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে-

মন শক্ত করুন:

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের খারাপ প্রভাবগুলোর কথা নিজেকে বারবার মনে করিয়ে দিতে হবে। এই আসক্তি ছাড়ার মাধ্যমে আপনি নিজের কোন কোন ক্ষেত্রে সংশোধন চান, তা নিয়ে নিজের সঙ্গে কথা বলুন। ধরুন, আপনার খুব দেখতে ইচ্ছে করছে ইনস্টাগ্রামে নোটিফিকেশন এলো কি না। এ সময় আপনি নিজেকে বলতে পারেন, ‘এখন যদি আমি ইন্টারনেটে না ঢুকে ছবি আঁকি, তা হলে মনটা আরও ভালো হয়ে যাবে।’

এ ছাড়া দিনের শুধু একটা নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করবেন না। ফোনে কিছু বিল্ট-ইন প্রযুক্তি থাকে। এগুলোর মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

আপনি যদি ফেসবুক ব্যবহারের জন্য দিনে এক ঘণ্টা সময় ঠিক করে নেন, তা হলে এ সময়ের বেশি ব্যবহার করতে গেলে এই প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ফেসবুক অ্যাপ্লিকেশনটি বন্ধ করে দেবে।

ঘরে সোশ্যাল মিডিয়ামুক্ত এলাকা তৈরি করুন:

ঘরের নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় কোনো পরিস্থিতিতেই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার না করার প্রতিজ্ঞা করুন। ধরুন আপনি নিজের কাছে প্রতিজ্ঞা করলেন- শোবার ঘরে আপনি কখনোই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করবেন না। তা হলে দেখা যাবে, রাতে শুয়ে ফোন ব্যবহারের অভ্যাসটা কিছুদিনের মধ্যে কেটে যাবে। এভাবে আপনার অনলাইন ও বাস্তব জীবনের মধ্যে একটা স্বাস্থ্যকর দূরত্ব থাকবে।

ঘরের এই অংশে আপনি বরং বই পড়তে পারেন অথবা শরীরচর্চা করতে পারেন। এ ছাড়া আরও কতকিছুই তো আছে করার মতো।

ফোনের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন:

সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপলিকেশনের অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করে রাখুন। কিছুক্ষণ পর পর নোটিফিকেশনের আওয়াজ পেলে তো ফোন হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ স্ক্রল করতে ইচ্ছে করবেই। তাই মনোযোগ বাড়িয়ে সৃজনশীল কাজে ব্যস্ত থাকতে হলে ফোনের নোটিফিকেশন অ্যালার্ট বন্ধ রাখুন।

তবে অনলাইন প্রোফাইলগুলো থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হওয়াও কাজের কথা নয়। দিনের একটা নির্দিষ্ট সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করলে একদিকে আপনার সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারও নিয়ন্ত্রণে থাকল, অন্যদিকে আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগও ঠিক রইল।

কেন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুকছেন সে ব্যাপারে নিশ্চিত থাকুন:

ফেসবুকে লগইন করার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন আপনি কী উদ্দেশ্যে ঢুকতে চাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বেশির ভাগ প্ল্যাটফর্মই এমনভাবে সাজানো হয়েছে যেন আমরা এক কাজে এসে মাকড়সার জালের মতো গোলকধাঁধায় পড়ে উদ্দেশ্যহীন স্ক্রলিং করতে শুরু করি।

খেয়াল করলে দেখবেন, হয়তো পরের দিনের ক্লাস রুটিন জানতে মেসেঞ্জারে ঢুকেছেন, এর মধ্যে টুং করে একটা নোটিফিকেশন এলো- ‘... ফোনালাপ ফাঁস’। ব্যস, ভিডিওতে ক্লিক করার পর হঠাৎ খেয়াল করবেন ফোন হাতে নেওয়ার পর প্রায় দুই ঘণ্টা পার হয়ে গেছে। এর মধ্যে আপনি পান্ডাদের বাঁশ খাওয়া থেকে শুরু করে আইফোনের নতুন মডেলের রিভিউ পর্যন্ত দেখে ফেলেছেন।

এ ধরনের অর্থহীন স্ক্রলিংয়ের অভ্যাস বন্ধ করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢোকার আগে অবশ্যই নিজেকে মনে করান আপনি কেন ঢুকতে চাচ্ছেন।

একটা নির্দিষ্ট সময় ফোন থেকে দূরে থাকুন:

প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা এবং সপ্তাহের একটা নির্দিষ্ট দিনে ফোন থেকে দূরে থাকুন। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে একটু দূরে থাকলে অনলাইন জগতের সঙ্গে আপনার একটা স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক বজায় থাকবে এবং নির্ভরতা কমবে।

এর চেয়ে বরং বাস্তবে বন্ধুদের সঙ্গে অথবা কাছের মানুষের সঙ্গে সময় কাটান। এ সময়ে বিভিন্ন সামাজিক কাজও করতে পারেন। অর্থপূর্ণ জীবনব্যবস্থা তৈরি করতে এ উপায় খুবই কার্যকরী।

বন্ধুদের সহযোগিতা নিন:

আপনার সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার কমানোর বিষয়ে বন্ধু ও স্বজনদের সহযোগিতা নিতে পারেন। তারা আপনার পদক্ষেপগুলোতে অনুপ্রেরণা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।

এ ছাড়া আসক্তি কমাতে মানসিক সহায়তা দেয় এমন সংস্থার পরামর্শও আপনার কাজে লাগতে পারে।  যারা একই সমস্যায় ভুগছেন, তাদের অভিজ্ঞতা শুনলে আপনার পথ কিছুটা সহজ হবে।

প্রযুক্তি নিজের কাজে লাগান:

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি কমাতে কিছু অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা যায়। ফরেস্ট, স্ক্রিন টাইমের মতো অ্যাপ্লিকেশন ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় রেকর্ড করে আপনাকে জানাবে দিনে গড়ে কতক্ষণ ইন্টারনেট ব্যবহার হচ্ছে। এসব অ্যাপ ব্যবহার করে আপনি নিয়মিত অনলাইন থেকে দূরে থেকে বাস্তব লক্ষ্যগুলো অর্জনে মনোযোগী হতে পারবেন।

এ ছাড়া আপনার সোশ্যাল মিডিয়ার নিউজফিডে কী ধরনের কনটেন্ট দেখবেন, এটাও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ইতিবাচক ও অর্থপূর্ণ কনটেন্ট দেখার চেষ্টা করুন। এতে যতক্ষণ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন, সেটাও শিক্ষণীয় কাজে লাগবে।

নিজের যত্ন নিন:

প্রাত্যহিক রুটিনে নিজের যত্ন নেওয়ার জন্যে আলাদা একটা সময় রাখুন। ধ্যান, যোগব্যায়াম অথবা শরীরচর্চার মাধ্যমে আসক্তি কাটানো সম্ভব। এতে আপনার জীবনের অর্থপূর্ণ লক্ষ্যগুলো অর্জনে আরও বেশি মনোযোগী হতে পারবেন।

তবে তাড়াহুড়ো করবেন না। মনে রাখবেন, কোনো অভ্যাসই একদিনে ছাড়া যায় না। তাই ধৈর্য ধরে প্রতিদিন ছোট ছোট পদক্ষেপে এগোতে হবে। একদিন খেয়াল করবেন আসক্তি কেটে গেছে।

সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি কাটানো সময়সাপেক্ষ বিষয়। শুরুতে কঠিন মনে হলেও আত্মোপলব্ধির মাধ্যমে আপনি অবশ্যই এই আসক্তি কাটিয়ে উঠতে পারবেন। এক্ষেত্রে আশপাশের মানুষ অথবা অভিজ্ঞ সাইকোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। সোশ্যাল মিডিয়ার শেকল থেকে বেরিয়ে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনব্যবস্থায় ফিরে আসার ক্ষেত্রে এই লেখা আপনার জন্য কার্যকরী হবে বলে প্রত্যাশা রইল।

নাইমুর/পপি/অমিয়/

ভাইরাল ভিডিওতে জেলেনস্কি-মেলোনি, ব্যাখ্যায় সরব নেটদুনিয়া

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৩:১১ পিএম
ভাইরাল ভিডিওতে জেলেনস্কি-মেলোনি, ব্যাখ্যায় সরব নেটদুনিয়া
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি

জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন ঘিরে বিশ্বনেতাদের কূটনৈতিক বৈঠক ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার পাশাপাশি তাদের পারস্পরিক আচরণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মুহূর্তও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি পরস্পরকে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। ভিডিওটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের ব্যাখ্যা ও মন্তব্য দেখা গেছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, ইউরোপীয় কূটনৈতিক ও সামাজিক রীতির অংশ হিসেবে জেলেনস্কি মেলোনির গালে চুমু খেয়ে তাকে অভিবাদন জানানোর জন্য এগিয়ে আসেন।  কিন্তু ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে কিছুটা অস্বস্তির সঙ্গে তা এড়িয়ে যেতে দেখা যায়।

তবে মুহূর্তটি দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়। কেউ কেউ এটিকে ‘অস্বস্তিকর মুহূর্ত’ হিসেবে বর্ণনা করলেও সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

এর আগে সম্মেলনের ফাঁকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও জেলেনস্কির একটি সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতার ভিডিওও অনলাইনে আলোচনার জন্ম দেয়। ভিডিওটিতে ম্যাক্রোঁকে কথোপকথন শেষে দ্রুত অন্যত্র চলে যেতে দেখা যায়। যদিও ঘটনাটিকে ঘিরে বিভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়া হলেও ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় বা সংশ্লিষ্ট কোনো সূত্র থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক সম্মেলনে রাষ্ট্রপ্রধানদের সংক্ষিপ্ত অঙ্গভঙ্গি বা অভিবাদনের দৃশ্য প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় এবং সেগুলো নিয়ে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসে। তবে ভিডিও ক্লিপের সীমিত অংশ দেখে কূটনৈতিক সম্পর্ক বা ব্যক্তিগত অবস্থান সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সবসময় যথাযথ নাও হতে পারে।

মেলোনিকে নিয়ে এ ধরনের চর্চা এবারই প্রথম নয়। এর আগে প্যারিসের এক সম্মেলনে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁও ইউরোপীয় ঐতিহ্য মেনে মেলোনির গালে চুম্বন করে তাকে অভিবাদন জানাতে গিয়েছিলেন। তখনও মেলোনির অস্বস্তি প্রতিক্রিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল।

৮০তম জন্মদিন ঘিরে ট্রাম্পের ভাগ্যে বড় পরিবর্তনের আভাস জ্যোতিষীদের

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:১১ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
৮০তম জন্মদিন ঘিরে ট্রাম্পের ভাগ্যে বড় পরিবর্তনের আভাস জ্যোতিষীদের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন ঘিরে তার রাশিফল গণনা করেছেন জ্যোতিষীরা। তারা জানিয়েছেন, আগামী বছরটি ট্রাম্পের জন্য চরম উত্থান-পতন, বিতর্ক এবং শারীরিক দুর্বলতায় ভরা একটি বছর হতে চলেছে, যার প্রভাব পড়তে পারে পুরো যুক্তরাষ্ট্রের ওপর।

জ্যোতিষী লিসা স্টারডাস্টের মতে, ট্রাম্পের এই জন্মদিনে একটি ‘নতুন চাঁদ’ বা অমাবস্যার যোগ তৈরি হচ্ছে, যা তার ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিদ্রোহ ও বিরোধিতার ইঙ্গিত দেয়।

জ্যোতিষশাস্ত্রে জন্মদিনের সময় সূর্যের অবস্থানকে ‘সোলার রিটার্ন’ বলা হয়, যা আগামী এক বছরের রূপরেখা নির্ধারণ করে।

ট্রাম্পের ক্ষেত্রে এই সময়টি মোটেও সুখকর হবে না। বিশেষ করে ‘ব্ল্যাক মুন লিলিথ’-এর প্রভাবে ট্রাম্পের ক্যারিয়ারে চারপাশ থেকে প্রবল বিরোধিতার সৃষ্টি হবে এবং মানুষ তার সঙ্গে তীব্র তর্কে জড়িয়ে পড়বে।

অন্যদিকে, জ্যোতিষী সেলেস্তে ব্রুকস জানিয়েছেন, ট্রাম্পের শারীরিক শক্তি বা জীবনীশক্তি আগামী দিনে আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। জন্মদিনের আগের সময়ে চাঁদের একটি বিশেষ অবস্থান বা 'বালসামিক ফেজ'-এর কারণে তার ভেতরের শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি আরও বেশি স্পষ্ট হবে।

ব্রুকস বলেন, ‘আদালতে বা বিভিন্ন জায়গায় তার ঘন ঘন ঘুমিয়ে পড়ার ঘটনাতেই এই ক্লান্তির প্রমাণ মেলে।’

তবে শক্তি কমলেও সিংহ রাশির প্রভাবে তার লড়াই করার মানসিকতা বজায় থাকবে।

জবাবে আগামী আগস্ট মাসে ট্রাম্পের রাশিতে বড় ধরনের একটি ধাক্কা আসতে চলেছে। জ্যোতিষীদের গণনা অনুযায়ী, ‘আগামী ২৬ জুলাই এবং ১২ আগস্টের সূর্যগ্রহণ ট্রাম্পের জীবনে এক বিশাল পরিবর্তন নিয়ে আসবে। এই গ্রহণ তার দীর্ঘদিনের অবহেলিত সমস্যাগুলোকে সামনে এনে দাঁড় করাবে।’

লিসা স্টারডাস্টের আশঙ্কা, ‘এই সময়ে ট্রাম্প চরম বিভ্রান্তির মধ্যে পড়তে পারেন এবং এমনকি তিনি বড় কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও পড়তে পারেন।’

জ্যোতিষী মার্টিনের মতে, ট্রাম্পের রাশি মিথুন হওয়ায় তার স্বভাবসুলভ ‘দ্বিমুখী আচরণ’ এবং অতিরিক্ত কথা বলার প্রবণতা আগামী বছর আরও কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।

সব মিলিয়ে জ্যোতিষীদের দাবি, ৮০তম বছরটিতে ট্রাম্পের জীবনে এমন কিছু বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে, যা তাকে ও তার চারপাশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে পুরোপুরি নাড়িয়ে দেবে। সূত্র: হাফিংটন পোস্ট

আজহার/অমিয়/

৪৮ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ে, ৯ দিন পর বিচ্ছেদ চাইলেন যুবক

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
৪৮ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ে, ৯ দিন পর বিচ্ছেদ চাইলেন যুবক
প্রতীকী ছবি

মা-বাবার চাপে মাত্র পাঁচ মিনিটের একটি ভিডিও কলে পরিচয় হওয়া এক তরুণীকে বিয়ে করেছিলেন চীনের এক যুবক। কিন্তু বিয়ের মাত্র ৯ দিনের মাথায় তিনি আদালতে বিচ্ছেদের আবেদন করেন। চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ৩২ বছর বয়সী গু নামের ওই যুবক এই অদ্ভুত দাম্পত্য সংকটে পড়েছেন।

ছেলের দ্রুত বিয়ে হোক- এমন ইচ্ছা থেকেই তার বাবা-মা একটি স্থানীয় ম্যাট্রিমোনিয়াল সেন্টারের মাধ্যমে উত্তর-পশ্চিম চীনের শানজি প্রদেশের ৩০ বছর বয়সী এক তরুণীর সঙ্গে বিয়ে ঠিক করেন।

বিয়ের মধ্যস্থতাকারী যে প্রোফাইল দিয়েছিল, তাতে উল্লেখ ছিল যে, ওই তরুণীর কোনো ঋণ নেই, কোনো অপরাধমূলক অতীত নেই এবং কোনো গুরুতর রোগও নেই। এরপর দুজনের মধ্যে মাত্র পাঁচ মিনিটের একটি ভিডিওকলে কথা হয়। 

সরাসরি এক বারও দেখা না করেই মাত্র তিন দিনের মধ্যে তাদের বিয়ে নিবন্ধিত হয়।

কনের পরিবারকে দেওয়া কনেপণ এবং ম্যাট্রিমোনিয়াল সেন্টারকে দেওয়া কমিশনসহ মোট প্রায় ২ লাখ ৬৫ হাজার ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৮ লাখের বেশি) খরচ হয় যুবকের পরিবারের।

কিন্তু বিয়ের পর স্ত্রীর ক্রেডিট রিপোর্ট পরীক্ষা করে যুবক হতবাক হয়ে যান। তিনি জানতে পারেন, ওই তরুণীর বিপুল ঋণ রয়েছে এবং তার লিভার-সংক্রান্ত কিছু স্বাস্থ্য সমস্যাও আছে। এতে নিজেকে প্রতারিত মনে করে বিয়ের নবম দিনেই তিনি বিচ্ছেদের আবেদন করেন।

প্রথমে এতে সম্মতি দিলেও পরে মত পরিবর্তন করেন তরুণী। তিনি দাবি করেন, বিবাহবিচ্ছেদের খবর তাকে মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছে এবং তিনি বিষণ্নতায় ভুগছেন। এই অভিযোগে তিনি যুবকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন এবং ৫০ হাজার ইউয়ান ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।

অন্যদিকে, নিজেদের প্রতারিত করেছে বলে অভিযোগ তুলে ওই ম্যাট্রিমোনিয়াল সেন্টারের বিরুদ্ধেও আইনি লড়াই শুরু করেছেন যুবক। সূত্র: এনডিটিভি

অমিয়/

আজ ‘লম্বা মেয়েদের’ প্রশংসা পাওয়ার দিন

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:০৭ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১১:১৭ এএম
আজ ‘লম্বা মেয়েদের’ প্রশংসা পাওয়ার দিন
ছবি: প্রতীকী (এআই)

একজন নারীর বিশেষ সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাসকে উদযাপন করতেই আজ ২০ জুন বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘টল গার্ল অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে’ বা ‘লম্বা মেয়েদের প্রশংসা দিবস’। 

এই দিনটি কেবল বাহ্যিক রূপের উদযাপন নয়; এটি মূলত লম্বা মেয়েদের দৃপ্ত উপস্থিতি, ভেতরের শক্তি এবং সবার চেয়ে আলাদা হওয়ার সুন্দর অনুভূতিকে সম্মান জানানোর দিন। প্রতিটি লম্বা মেয়েরই অধিকার রয়েছে নিজেকে পরিমাপের ঊর্ধ্বে গিয়ে অনন্য হিসেবে দেখার।

ভিড়ের মধ্যে আলাদাভাবে নজর কাড়া- কখনো আনন্দের, আবার কখনো বা কিছুটা অস্বস্তির। লম্বা মেয়েদের ক্ষেত্রে এই অভিজ্ঞতা প্রতিদিনের। রাস্তায় চলতে গেলে মানুষের তাকিয়ে থাকা, অদ্ভুত সব প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া কিংবা সস্তা রসিকতার শিকার হওয়া তাদের জন্য নতুন কিছু নয়। কিন্তু সমস্ত অস্বস্তিকে পাশে ঠেলে নিজের উচ্চতা আর আত্মবিশ্বাস নিয়ে যখন একজন নারী কোনো ঘরে প্রবেশ করেন, তখন সেখানে তৈরি হয় এক অনন্য ও অবিস্মরণীয় আবহ।

অনেক লম্বা মেয়েই কৈশোরে বা বড় হওয়ার দিনগুলোতে নিজেদের উচ্চতা নিয়ে কিছুটা দ্বিধা বা হীনম্মন্যতায় ভোগেন। এই দিনটি সেই অস্বস্তিকে ঝেড়ে ফেলে বুক চিতিয়ে গর্ব করার সাহস জোগায়। যখন সমাজ তাদের এই অনন্যতাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে, তখন তাদের ফ্যাশন, শারীরিক ভাষা এবং আত্মবিশ্বাস এক নতুন মাত্রা পায়।

যেভাবে উদযাপন করতে পারেন এই দিনটি
খুব সাধারণ কিন্তু দারুণ কিছু উপায়ের মাধ্যমে আপনি আপনার পরিচিত লম্বা মেয়েদের মুখে হাসি ফোটাতে পারেন এবং এই দিবসটিকে অর্থবহ করে তুলতে পারেন:

খোলামনে প্রশংসা করুন: আপনার পরিচিত কোনো লম্বা মেয়ের উচ্চতা বা চমৎকার ফ্যাশন সেন্সের মন খুলে প্রশংসা করুন। আপনার আন্তরিক ও সুনির্দিষ্ট প্রশংসাসূচক শব্দগুলো তাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

ইতিবাচক গল্প শেয়ার করুন: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লম্বা মেয়েদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প বা ছবি শেয়ার করুন। ইতিবাচক হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে তাদের অনন্য অভিজ্ঞতাগুলোকে সবার সামনে তুলে ধরুন।

একসাথে সৃজনশীল কিছু করুন: আপনার লম্বা কোনো বান্ধবীকে নিয়ে বাইরে ঘুরতে যান বা কোনো খেলায় অংশ নিন। চমৎকার কোনো ফটোশুট করতে পারেন, যেখানে তাঁর উচ্চতা একটি বড় শক্তি হিসেবে ফুটে উঠবে।

ফ্যাশন ও স্টাইল নিয়ে আলোচনা: লম্বা গড়নের নারীদের জন্য মানানসই পোশাকের খোঁজখবর নিতে পারেন। কীভাবে পোশাক পরলে তারা আরও আরামদায়ক ও আত্মবিশ্বাসী বোধ করবেন, সেই স্টাইল টিপসগুলো একে অপরের সাথে শেয়ার করুন।

সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন: একদম সাধারণ মুহূর্তগুলোতেও আনন্দ খুঁজুন। যেমন—নিচু কোনো তাক থেকে কোনো জিনিস নামাতে কাউকে সাহায্য করুন, আবার উঁচু কোনো তাকের জিনিস নাগাল পেতে হাসিমুখে তাদের সাহায্য নিন (যদি উভয়ই এতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন)।

এই দিবসের ইতিহাস
কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ঘোষণা বা বহুজাতিক কোম্পানির প্রচারণায় এই দিনের সৃষ্টি হয়নি। এর শুরুটা হয়েছিল ইন্টারনেটের বিভিন্ন ফোরাম, ব্লগ এবং ছোট ছোট ওয়েবসাইটে লম্বা মেয়েদের অধিকার ও সৌন্দর্য নিয়ে সাধারণ কিছু আলোচনার মাধ্যমে। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে এই ধারণাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

লম্বা নারী এবং তাদের শুভাকাঙ্ক্ষীরা যখন নিজেদের জীবনের সত্য গল্প, ছবি এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করা শুরু করেন, তখন ডিজিটাল দুনিয়ায় একটি ইতিবাচক সাড়া পড়ে। ২০২০ সালের দিকে এই আন্দোলনটি আরও জোরালো রূপ নেয়। দেখা যায়, প্রতি বছরের ২০ জুন তারিখটিতে এই সংক্রান্ত পোস্ট, মিম এবং হ্যাশট্যাগের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। কোনো সরকারি স্বীকৃতি না থাকলেও, লম্বা মেয়েদের প্রতি ভালোবাসা আর সম্মান থেকেই দিনটি ‘টল গার্ল অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়।

এর পেছনে আরেকটি ঐতিহাসিক যোগসূত্র রয়েছে। ১৯৩৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ‘টল ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল’ (Tall Clubs International) নামের একটি সংস্থা গঠিত হয়েছিল। কায়ে সামনার আইনফেল্ড নামের এক নারী নিজের উচ্চতা নিয়ে সামাজিক সংগ্রামের কথা লিখে একটি পত্রিকায় কলাম প্রকাশ করেছিলেন। সেই লেখা পড়ে আরও অনেক লম্বা মানুষ তাঁর সাথে যোগ দেন। ইন্টারনেট আসার বহু বছর আগেই এই ক্লাবটি লম্বা মানুষদের একত্রিত করতে এবং তাদের মনে আত্মবিশ্বাস জোগাতে কাজ শুরু করেছিল।

লম্বা নারীদের নিয়ে কিছু আকর্ষণীয় ও বৈজ্ঞানিক তথ্য
উচ্চতার বৈশ্বিক মানচিত্র: জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা নারীরা বাস করেন উত্তর ও পূর্ব ইউরোপে। নেদারল্যান্ডস, লাটভিয়া, এস্তোনিয়াসহ বাল্টিক ও বলকান অঞ্চলের দেশগুলোর নারীরা গড়ে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা হয়ে থাকেন। অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকার নারীদের গড় উচ্চতা তুলনামূলকভাবে বেশ কম।

হৃদরোগের ঝুঁকি কম: চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক বিশাল গবেষণায় দেখা গেছে, জিনগতভাবে লম্বা মানুষের হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি সাধারণদের চেয়ে অনেকটাই কম থাকে।

নার্ভ ও রক্তনালীর সমস্যা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২ লাখের বেশি সামরিক বাহিনীর সদস্যদের ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, লম্বা মানুষদের পায়ে ভেরিকোজ ভেইন (রক্তনালী ফুলে যাওয়া), রক্ত জমাট বাঁধা এবং পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি (স্নায়ুর সমস্যা)-র মতো সমস্যা বেশি দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত উচ্চতার কারণে শরীরের নিচের অংশে রক্ত সঞ্চালনে বেশি চাপ পড়ার কারণে এমনটি হতে পারে।

উচ্চ আয় ও জীবন সন্তুষ্টি: অর্থনীতিবিদ ও মনোবিজ্ঞানীদের মতে, লম্বা ব্যক্তিরা ক্যারিয়ারে তুলনামূলকভাবে বেশি আয় করেন এবং নিজেদের জীবন নিয়ে বেশি সন্তুষ্ট থাকেন। গ্যালাপ-হেলথওয়েজ ওয়েল-বিয়িং ইনডেক্সের তথ্য অনুযায়ী, উচ্চতার প্রতি ইঞ্চি বৃদ্ধির সঙ্গে পারিবারিক আয় ৪.৫% থেকে ৮.৫% বৃদ্ধির সমপরিমাণ মানসিক সন্তুষ্টির সংযোগ রয়েছে।

বুলিং ও বডি শেমিং: অ্যান্টি-বুলিং সংস্থাগুলোর মতে, রূপ বা শারীরিক গঠন নিয়ে যে ‘অ্যাপিয়ারেন্স-টার্গেটেড বুলিং’ বা হেনস্থা করা হয়, তার অন্যতম বড় শিকার হন লম্বা মেয়েরা। অতিরিক্ত লম্বা বা খাটো হওয়া নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করা একজন কিশোরীর আত্মবিশ্বাসে মারাত্মক আঘাত হানে। তাই সমাজকে সচেতন করতে এবং বডি শেমিং রুখতে এই ধরণের দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম।

তামান্না রুপা/

ভারতের ‘মাইকেল জ্যাকসন’, শাড়ি পরে মুনওয়াক

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম
ভারতের ‘মাইকেল জ্যাকসন’, শাড়ি পরে মুনওয়াক
ছবি: সংগৃহীত

ঐতিহ্যবাহী শাড়ি পরে মাইকেল জ্যাকসনের অনুপ্রাণিত নৃত্য পরিবেশন করে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন এক ভারতীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তার নাচের ভঙ্গি, ভারসাম্য এবং সৃজনশীল উপস্থাপনা নেটিজনদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ভাইরাল ভিডিওতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কোমল কুমারীকে কিং অব পপ মাইকেল জ্যাকসনের জনপ্রিয় গান ‘বিলি জিন’-এর তালে নাচতে দেখা যায়।

তবে এই পরিবেশনাকে বিশেষ করে তুলেছে শুধু তার দক্ষতাই নয়, বরং শাড়ি পরে অত্যন্ত সাবলীলভাবে জটিল নৃত্যভঙ্গিগুলো তুলে ধরার ক্ষমতা।

ভিডিওটিতে একটি মজার নাটকীয় উপস্থাপনাও রয়েছে। সেখানে কল্পনা করা হয়েছে, ২০২৬ সালের সংগীতনির্ভর চলচ্চিত্র ‘মাইকেল’ দেখার পর যদি তার মা হঠাৎ করেই মাইকেল জ্যাকসনের নাচের প্রতি ভীষণ অনুরাগী হয়ে ওঠেন, তাহলে কী ঘটতে পারে।

সঙ্গীত শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কোমল একের পর এক মাইকেল জ্যাকসন-অনুপ্রাণিত নৃত্যভঙ্গি পরিবেশন করেন। তার পারফরম্যান্সে ছিল নিখুঁত শরীরী অঙ্গভঙ্গি, রোবোটিক পপিং এবং কিংবদন্তিতুল্য ‘মুনওয়াক’। 

শাড়ির ভারী ভাঁজ এবং স্বাভাবিক চলাফেরার সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তিনি প্রতিটি মুদ্রা অসাধারণ নিখুঁততা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন।

ভারতীয় ঐতিহ্য ও বিশ্বজনীন পপ সংস্কৃতির এই অভিনব মেলবন্ধন দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে। ভিডিওটি প্রকাশের পরই প্রশংসায় ভরে ওঠে মন্তব্যের ঘর। 

অনেকেই নৃত্যশিল্পীর অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ, সমন্বয় ও দক্ষতার প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, সাধারণ নাচের পোশাকেও যেসব মুদ্রা পরিবেশন করা কঠিন, শাড়ি পরে সেগুলো করা আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং।

আবার অনেকে ভিডিওটির হাস্যরসাত্মক উপস্থাপনারও প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, এই মজার ধারণাটি চিত্তাকর্ষক পারফরম্যান্সে বিনোদনের বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে।

কয়েকজন দর্শক রসিকতা করে মন্তব্য করেছেন, স্বয়ং মাইকেল জ্যাকসনও হয়তো এই শ্রদ্ধাঞ্জলিকে সাধুবাদ জানাতেন। 

অন্যদের মতে, এটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় পপ সংস্কৃতি এবং ভারতীয় ঐতিহ্যের অনন্য মেলবন্ধনের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। সূত্র: এনডিটিভি

অমিয়/