যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে রোনাল্ড রিগ্যান বিমানবন্দরের কাছে আকাশে একটি যাত্রীবাহী বিমান ও সামরিক হেলিকপ্টারের মধ্যে সংঘর্ষে বিমানের ৬৪ জন এবং হেলিকপ্টারে ৩ জনসহ মোট ৬৭ জনের সবাই নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
দুর্ঘটনার পর নদী থেকে এখনো পর্যন্ত ৩০টিরও বেশি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের মরদেহ উদ্ধার করতে কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসন।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে আমেরিকান এয়ারলাইনসের একটি অভ্যন্তরীণ বিমান এবং ইউএস আর্মির ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারের মধ্যে ভূপৃষ্ঠ থেকে স্বল্প উচ্চতায় আকাশে সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার পর বিমান ও হেলিকপ্টারটি হিমশীতল পটোম্যাক নদীতে বিধ্বস্ত হয়। বিমানটিতে ৬০ জন যাত্রী এবং ৪ জন ক্রু ছিলেন। আর সামরিক হেলিকপ্টারটিতে ৩ জন মার্কিন সেনা ছিলেন।
এ দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত এয়ার ট্রাফিকের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। কারণ এ দুর্ঘটনার আগের দিনও একটি ফ্লাইট রানওয়ে থেকে উড্ডয়নের আগ মুহুর্তে উড্ডয়ন বাতিল করা হয়েছে হেলিকপ্টারের অতিরিক্ত ট্রাফিকের কারণে। দুর্ঘটনায় শিকার হেলিকপ্টার ও বিমানের ব্ল্যাকবক্স উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তের পর হয়তো প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
ট্রাম্প অবশ্য এ দুর্ঘটনার জন্য তার বিরোধী দল ডেমোক্রাট পার্টিকে অর্থাৎ বাইডেনের সময়ের পলিসিকে দোষারোপ করছেন।
২০০১ সালে টুইন টাওয়ারে হামলার পর আমেরিকায় বিমান দুর্ঘটনায় এই প্রথম এত বেশি লোক নিহত হলো। সূত্র: এনবিসি নিউজ
মাহফুজ/এমএ/