রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সাক্ষাৎ হয়েছে প্রিন্স হ্যারির। গত ২০ মাসের মধ্যে এটিই প্রথম বৈঠক। বাবা ও ছেলের শীতল সম্পর্ক উষ্ণ করার প্রথম পদক্ষেপ মনে করা হচ্ছে এটিকে।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ দেখা হয় ডিউক অব সাসেক্স হ্যারি ও তার বাবা রাজা তৃতীয় চার্লসের। ওই সময়ের কিছু আগ দিয়ে খবর আসে যে রাজা ক্যানসারের চিকিৎসার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। বাকিংহ্যাম প্যালেসের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, ৭৬ বছর বয়সী চার্লস লন্ডনের ক্লেরেন্স হাউসে সন্তানের সঙ্গে চা পান করেছেন।
৪০ বছর বয়সী হ্যারি লন্ডনের এক খেলার আয়োজনে যোগ দিতে উপস্থিত হয়েছেন। সেখানে এক সাংবাদিক তাকে রাজার স্বাস্থ্য সম্পর্কে প্রশ্ন করলে উত্তরে তিনি বলেন, হ্যাঁ, তিনি ভালো আছেন, ধন্যবাদ। ২০২০ সালে প্রিন্স হ্যারি ও তার মার্কিন স্ত্রী মেগান যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাসের জন্য চলে যান। তারা সে সময় রাজপরিবার ও এর নানা অনুশীলন নিয়ে বিভিন্ন সমালোচনা করেন। হ্যারির আত্মজীবনী স্পেয়ার প্রকাশিত হয়।
হ্যারি চার্লস ও তার বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়ামকে নিয়ে বেশ কিছু মন্তব্য করেছিলেন, যা একটা সময়ে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটায়। পরে তার গত মে মাসে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে করা এক মামলায় হেরে যান হ্যারি। তার নিরাপত্তা বাতিল করা হয়েছিল। সেটি ফিরে পেতেই ওই মামলা চালান তিনি। এরপর পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতির ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।
বিবিসিকে প্রিন্স হ্যারি বলেন, ‘অবশ্যই আমার পরিবারের কিছু সদস্য কখনো আমাকে বই লেখার জন্য ক্ষমা করবেন না। অবশ্যই তারা আমাকে অনেক কিছুর জন্যই ক্ষমা করবেন না। তবে আমি তাদের সঙ্গে সব ঠিক করে ফেলতে আগ্রহী। আর লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। জীবন মূল্যবান।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানি না, আমার বাবার হাতে কতটা সময় আছে। তিনি আমার সঙ্গে এই নিরাপত্তাজনিত ঘটনার কারণে কথা বলছেন না। তবে ঠিক হয়ে গেলে ভালো হতো।’ সূত্র: রয়টার্স