ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ব্রাজিলের শুরুর একাদশে চমক অতিরিক্ত সময়ের গোলে সুইসদের রুখে দিয়ে কাতারের বাজিমাত ৯২ বছর ধরে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে হারেনি ব্রাজিল নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল, ভাঙছে ৪০ বছরের ঐতিহ্য পেনাল্টিতে এমবোলোর গোল, এগিয়ে সুইজারল্যান্ড ফিটনেস প্রশ্নে রোনালদো, ‘আমাকে খেলতে দেখেননি?’ ‘জাপানি মেসি’র সঙ্গী উয়েদা এমবাপ্পের সমালোচনা ‘অতিরিক্ত ও অন্যায়’ দেড় দশকের জ্বালানিনীতি ছিল আমদানিনির্ভর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের অনুশীলন মাঠের পাশে মরদেহ উদ্ধার ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ ইমার্জিংদের ঝিলিকের মৃত্যুর রহস্যে নতুন মোড়, গ্রেপ্তার স্বামী রক্তদান মহৎ কিন্তু নিরাপদ রক্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ মার্তিনেজকে ঘিরে নতুন শঙ্কা শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ নাটোরে ৭০ দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন চাকরি মেলায় সাড়া, রাজশাহীতে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর তাৎক্ষণিক নিয়োগ ইনজুরিতে ছিটকে গেলেন মাইকেল অলিভার ‘ফেনীর সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল’ পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মিসরকে কেন জার্সি পরিবর্তন করতে বলল ফিফা? রবিবার বিশ্ব রক্তদাতা দিবস যে সম্পদ চোখের পলকে ধ্বংস হয়ে যায় রাজধানীতে প্রান্তিক গ্রামের ফুটবল উন্মাদনা, আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল ম্যাচ একদিনে ৫ মরদেহ উদ্ধার, বরগুনায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ দাউদকান্দিতে শিবির নেতার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ প্রলোভন দেখিয়ে ভোট আদায়কারীরা জনগণের বন্ধু নয়: তারেক রহমান
Nagad desktop

ক্যাম্বোডিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নয়, আরও আক্রমণের হুঁশিয়ারি থাই প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:৫৮ পিএম
আপডেট: ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:২০ পিএম
ক্যাম্বোডিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নয়, আরও আক্রমণের হুঁশিয়ারি থাই প্রধানমন্ত্রীর
ক্যাম্বোডিয়ার পুরসাত প্রদেশে থাইল্যান্ড-ক্যাম্বোডিয়া সীমান্ত বরাবর সংঘর্ষের পর ক্ষতিগ্রস্ত একটি বাড়ি দেখছেন এক ব্যক্তি। ছবিটি ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের। সংগৃহীত

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপের পর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল বলেছেন যে তার দেশ কম্বোডিয়ার সঙ্গে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছায়নি এবং থাই সামরিক বাহিনী বিতর্কিত সীমান্তে লড়াই চালিয়ে যাবে।  কিন্তু ট্রাম্প দাবি করেছেন, সংঘর্ষে লিপ্ত দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছেছে।

এর আগে, দুই দেশের মধ্যে শান্তি আলোচনায় মূল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছিলেন যে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা থেকে দুই দেশের শত্রুতা বন্ধ করা উচিত।

অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার দাবি করেন যে তিনি প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতিতে সফলভাবে মধ্যস্থতা করেছেন। তবে চলমান সামরিক সংঘাতের ফলে দ্রুতই তার দাবিটি বাতিল হয়ে যায়। ট্রাম্পের এই দাবি নিয়ে কম্বোডিয়া কোনো মন্তব্য করেনি।

থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সুরসান্ত কংসিড়ি জানিয়েছেন যে শনিবার চং আন মা এলাকায় চারজন সৈন্য নিহত হয়েছেন, যার ফলে সোমবার লড়াই শুরু হওয়ার পর থেকে মৃতের সংখ্যা মোট ১৪ জন সৈনিক হয়েছে। কম্বোডিয়ান কর্তৃপক্ষ এই সাম্প্রতিক আক্রমণগুলোর ফলে কোনো হতাহতের খবর জানায়নি।

ছয় দিনের এই নতুন করে শুরু হওয়া লড়াইয়ে দুই দেশ মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ২০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন। অনুমান করা হচ্ছে, ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তের উভয় পাশে প্রায় ৬ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এই সংঘাতটি মূলত শত শত বছরের পুরনো মন্দিরগুলোর মালিকানা নিয়ে বিতর্ককে কেন্দ্র করে।

থাই প্রধানমন্ত্রী অনুতিন শনিবার সকালে ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, ‘‘আমরা আমাদের ভূমি ও জনগণের প্রতি আর কোনো ক্ষতি বা হুমকি অনুভব না করা পর্যন্ত থাইল্যান্ড সামরিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। আমি এটি স্পষ্ট করে বলতে চাই। আজ সকালে আমাদের পদক্ষেপগুলি ইতিমধ্যেই কথা বলেছে।’’

থাই নেতার এই ঘোষণাটি আসে কম্বোডিয়া এর আগে থাইল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাদের ভূখণ্ডে বোমা ফেলা অব্যাহত রাখার অভিযোগ করার কয়েক ঘণ্টা পরে, যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন যে ব্যাংকক এবং নম পেনের মধ্যে লড়াই বন্ধ করার বিষয়ে চুক্তি হয়েছে।

ক্যাম্বোডিয়ার পুরসাত প্রদেশে বোমায় বিধ্বস্ত একটি সেতুর উপর দাঁড়িয়ে আছেন মানুষজন। ছবিটি ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের। সংগৃহীত

কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে জানিয়েছে, ‘‘২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর, থাই সামরিক বাহিনী দুটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে সাতটি বোমা ফেলেছে।’’

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ‘থাই বাহিনী এখনও বোমাবর্ষণ বন্ধ করেনি এবং বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে, এবং শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গ্রাম ও জনবসতিগুলিতে অসংখ্য বিমান ও স্থল হামলার তালিকা দিয়েছে।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম দ্য খেমার টাইমস কম্বোডিয়ার তথ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে থাইল্যান্ডের সীমান্তবর্তী পুরসাত প্রদেশের থমর ডা এলাকায় দুটি হোটেলে বোমা ফেলা হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমটি খারাপভাবে বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হোটেল এবং ক্যাসিনো ভবনগুলির ছবি প্রকাশ করেছে।

অন্য একটি হামলায়, থাই নৌবাহিনী উপকূলের কাছে একটি জাহাজ থেকে গুলি চালায় এবং কম্বোডিয়ার কোহ কং প্রদেশে ২০টি গোলা নিক্ষেপ করে, যা হোটেল এবং সৈকতগুলিতে আঘাত হানে বলে জানা গেছে।

এরপরেও, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে যে কম্বোডিয়ার সীমান্ত থাইল্যান্ডের সঙ্গে ‘‘অবিলম্বে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত’’ বন্ধ থাকবে। 

এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, থাইল্যান্ডে বসবাসরত ও কর্মরত কম্বোডিয়ান নাগরিকদের সেখানেই থাকতে হবে, অন্যদিকে থাই নাগরিকরাও কম্বোডিয়ায় থাকবেন, ‘‘যতক্ষণ না যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে।’’

ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় অক্টোবরে হওয়া একটি শান্তি চুক্তি গত সোমবার ভেঙে যাওয়ার পর দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় এই দুই প্রতিবেশীর মধ্যে লড়াইয়ের আজ ছয় দিন চলছে।

গত শুক্রবার ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গিয়ে ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার নেতাদের মধ্যে সমস্ত গোলাগুলি বন্ধ করার একটি চুক্তির মধ্যস্থতা করেছেন, যদিও যুদ্ধ চলছে।

ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে শুক্রবার বলেন, ‘‘আজ সকালে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল এবং কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেতের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের যুদ্ধের অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক পুনরুজ্জীবন নিয়ে আমার খুব ভালো কথোপকথন হয়েছে।’’

ট্রাম্প আরও বলেন, তারা আজ সন্ধ্যা থেকে সমস্ত গোলাগুলি বন্ধ করতে এবং আমার এবং তাদের সঙ্গে, মালয়েশিয়ার মহান প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সহায়তায় করা মূল শান্তি চুক্তিতে ফিরে যেতে সম্মত হয়েছেন।

ট্রাম্প তার পোস্টে আরও দাবি করেন যে একটি রাস্তার পাশে পেতে রাখা বোমা, যা ‘‘অনেক থাই সৈন্যকে হত্যা ও আহত করেছে, তা একটি দুর্ঘটনা ছিল।’’ থাই প্রধানমন্ত্রী অনুতিন ফেসবুকে এই দাবিটিও প্রত্যাখ্যান করে বলেন যে এটি নিশ্চিতভাবে রাস্তার দুর্ঘটনা ছিল না।

সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে যে এই সংঘাত অনুতিনের জন্য থাইল্যান্ডে তার অবস্থানকে শক্তিশালী করতে সহায়ক হয়েছে। এটি এমন এক সময়ে ঘটেছে যখন তিনি বিরোধী পিপলস পার্টির সঙ্গে আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত অচলাবস্থার কারণে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, যা একটি দ্রুত নির্বাচনের পথ তৈরি করেছে।

দক্ষিণে বন্যা এবং অর্থনীতি পরিচালনায় তার অনুভূত ভুল পদক্ষেপের কারণে তার জনপ্রিয়তা কমছিল। কম্বোডিয়ার সঙ্গে এই সংঘাতের ফলে তার জনপ্রিয়তা বেড়েছে।

আগামী দুই মাসের মধ্যে নির্বাচনের ফলাফল না জানা পর্যন্ত তিনি সম্ভবত যুদ্ধবিরতিতে ফিরতে চাইবেন না। সূত্র: আল জাজিরা

মাহফুজ/

 

ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ধীরাজ শেঠ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম
ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ধীরাজ শেঠ
ধীরাজ শেঠ। ছবি: সংগৃহীত

ভারত সরকার বর্তমান ভাইস চিফ অব আর্মি স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠকে দেশটির পরবর্তী সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) এ নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেনাবাহিনীর সহপ্রধান (ভাইস চিফ অব আর্মি স্টাফ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) এ খবর জানিয়েছে।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির সাবেক শিক্ষার্থী। ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে তিনি সাঁজোয়া বাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন। প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে তিনি অপারেশন, কৌশলগত পরিকল্পনা, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতি রয়েছে তার।

সামরিক জীবনে বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন ধীরজ শেঠ। তার কমান্ড দায়িত্বের মধ্যে ছিল মরু অঞ্চলে একটি সাঁজোয়া রেজিমেন্ট, পশ্চিমাঞ্চলে একটি সাঁজোয়া ব্রিগেড এবং জম্মু ও কাশ্মিরে একটি সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনীর নেতৃত্ব।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্যতম প্রধান স্ট্রাইক ফরমেশন সুদর্শন চক্র কোরের নেতৃত্ব দেন। পরে দিল্লি এরিয়ার জেনারেল অফিসার কমান্ডিং হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সামরিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব তদারকি করেন।

আর্মি কমান্ডার হিসেবে পদোন্নতির পর ধীরাজ শেঠ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ড এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ডের দায়িত্ব পালন করেন। এর মাধ্যমে দুইটি অপারেশনাল আর্মি কমান্ডের নেতৃত্ব দেওয়ার বিরল অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তিনি। আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অঞ্চলে কৌশলগত তদারকির দায়িত্বও পালন করেন।

সামরিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণেও তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। বিভিন্ন কোর্সে শীর্ষস্থান অর্জনের পাশাপাশি তিনি হায়ার কমান্ড কোর্স ও ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের স্নাতক। এছাড়া প্যারিসের মর্যাদাপূর্ণ কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কোর্সেও অংশ নিয়েছিলেন ধীরাজ শেঠ।

এসএন/

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের তারিখ ঘোষণা

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:৫০ পিএম
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের তারিখ ঘোষণা
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন আগামী ৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।

শনিবার (১৩ জুন) দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এ তথ্য প্রকাশ করেন।

আলি খামেনি প্রায় ৩৭ বছর দেশ শাসন করেছেন এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় নিহত হন। 

জানা গেছে, তার জন্মস্থান, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন সম্পন্ন হবে। শুরুতে মার্চ মাসে দাফনের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধের কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে তিন দিনের জানাজা ও শোকানুষ্ঠান শুরু হবে এবং ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোমে আরেকটি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় শোকানুষ্ঠানের প্রথম দিন ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গেও মিলে যাচ্ছে, যা এ বছর ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করবে।

খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি মার্চের শুরুতে তার উত্তরসূরি হিসেবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিযুক্ত হন। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর তিনি দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা।

বাবাকে হত্যার যে হামলায় বহু কর্মকর্তা নিহত হয়েছিলেন, সেই হামলায় আহত হয়েছিলেন মোজতবা খামেনিও। নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে তিনি জনসমক্ষে আসেননি এবং তার নামে প্রকাশিত বিবৃতির মাধ্যমেই যোগাযোগ করছেন বলে জানা গেছে। সূত্র: এনডিটিবি

রিফাত/

২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা: পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:১৯ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা: পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি শান্তিচুক্তির কাঠামোতে (ফ্রেমওয়ার্ক) পৌঁছেছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে পারে।

শনিবার (১৩ জুন) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শেহবাজ শরিফ জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান মাসব্যাপী সংঘাতের অবসান ঘটাতে দুই দেশ একটি শান্তি চুক্তির চূড়ান্ত খসড়ায় সম্মত হয়েছে। বর্তমানে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘চুক্তি স্বাক্ষরের পর আগামী সপ্তাহে উভয় পক্ষের মধ্যে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।’

পাকিস্তান এই পুরো প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা পালন করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিফাত/

যুদ্ধবিরতির মাঝেই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা, নিহত ১

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৪২ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
যুদ্ধবিরতির মাঝেই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা, নিহত ১
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ঘোষিত ‘যুদ্ধবিরতি’ উপেক্ষা করে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননের আরও ২০টি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের অবিলম্বে ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (এনএনএ) জানায়, দক্ষিণ লেবাননের টায়ার জেলার মায়রাকেহ পৌরসভা এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় ওই ব্যক্তি নিহত হন।

শুক্রবার (১২ জুন) দিনভর এবং রাত পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী তথাকথিত হলুদ রেখার (যে অংশটি ইসরায়েল নিয়ন্ত্রণ ও দখল করতে চাইছে) উত্তরের শহর ও গ্রামগুলোতেও অনবরত বিমান হামলা চালায়।

শান্তি চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা

এই হামলা এমন এক সময়ে চালানো হলো, যার ঠিক আগের দিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা করেন, যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চুক্তির খসড়ায় সম্মত হয়েছে এবং মধ্যস্থতাকারীরা চূড়ান্ত চুক্তির জন্য কাজ করছেন।

ইরানি গণমাধ্যমের দাবি, এই প্রাথমিক চুক্তিতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ অবসানের কথা বলা হয়েছে।

তবে চলমান আলোচনা ও চুক্তির মাঝে ইসরায়েলের এই আগ্রাসন নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার এই আলোচনায় ইসরায়েল কোনো পক্ষ নয়।

তাছাড়া, ইসরায়েলি নেতারা ইতোমধ্যেই সাফ জানিয়ে দেন, লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

অন্যদিকে, চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েল ও লেবাননের কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও মাঠপর্যায়ে লড়াই থামেনি। আগামী ২২ জুন দুই দেশের মধ্যে পরবর্তী দফায় আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা

তামান্না রুপা/অমিয়/

আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:১৮ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত
সংগৃহীত

ভারতের আসামের জোরহাটের বিমানঘাঁটিতে ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি এএন-৩২ পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনার কারণ এখনো জানা যায়নি এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য স্পষ্ট নয়।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে এএন-৩২ বিমানটি অবতরণের সময় বিমানঘাঁটির সীমানার ভেতরে বিধ্বস্ত হয়ে আগুন লাগে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে জরুরি পরিসেবা দলগুলোকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।

ভারতীয় বিমানবাহিনী ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর আরও তথ্য জানানো হবে।

এএন-৩২ বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বিমানবাহিনী।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, জোরহাটে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান দুর্ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত। আমরা আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছি।

আন্তোনভ এএন-৩২ একটি মজবুত, দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট টার্বোপ্রপ সামরিক পরিবহন বিমান, যা ভারতীয় বিমানবাহিনীর অন্যতম প্রধান পরিবহন বাহন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নে নির্মিত এ মডেলের প্রায় ১০০টি বিমান রয়েছে।

এএন-৩২ বিমানটি চরম প্রতিকূল পরিবেশে কার্যকরভাবে কাজ করার জন্য নকশা করা হয়েছে। এটি বেশি উচ্চতার বিমানঘাঁটি ও উষ্ণ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলবায়ুতেও পরিচালনা করা যায়। বিমানটি ৭ দশমিক ৫ টন পর্যন্ত মালামাল, ৫০ জন যাত্রী অথবা ৪২ জন প্যারাট্রুপার পরিবহন করতে সক্ষম এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে রসদ সরবরাহের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

আসামের কার্বি আংলং জেলায় একটি সুখোই এসইউ-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় ভারতীয় বিমানবাহিনীর দুই পাইলট নিহত হওয়ার কয়েক মাস পরই এই দুর্ঘটনা ঘটল। সূত্র: এনডিটিভি

আমান/অমিয়/