ঢাকা ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪
Khaborer Kagoj

২৮ অক্টোবর থেকে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ৮১৪

প্রকাশ: ০২ ডিসেম্বর ২০২৩, ১০:২৭ পিএম
২৮ অক্টোবর থেকে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ৮১৪
প্রতীকী ছবি

গত ২৮ অক্টোবর থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দায়ে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ৮১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও ফুটেজ এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য বিশ্লেষণ করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায় র‌্যাব। গত ২৮ অক্টোবর ও পরবর্তী সময়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত পরিবহন ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন নাশকতার দায়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে শনিবার (২ ডিসেম্বর) নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে রূপগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সালফা রাজসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।  

খাজা/এআর

কুসিকে মেয়র পদে উপনির্বাচন: প্রচারে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ০৮:২৯ পিএম
কুসিকে মেয়র পদে উপনির্বাচন: প্রচারে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
ছবি : খবরের কাগজ

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে উপনির্বাচনে ভোটের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে প্রার্থীদের প্রচার ততই বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে অভিযোগ-পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। বিরামহীন প্রচারের ফাঁকে গণমাধ্যমের কাছে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরছেন প্রার্থীরা। বিশেষ করে চার মেয়র প্রার্থীর মধ্যে তিন প্রার্থীই পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা, প্রচারে বাধা, হুমকি-ধমকি ও হামলার অভিযোগ এনেছেন। 

তবে তাদের বেশির ভাগ অভিযোগই যাচ্ছে মহানগর আওয়ামী লীগ সমর্থিত ‘বাস’ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী তাহসিন বাহার সূচনা ও তার কর্মী-সমর্থকদের দিকে। 

যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সূচনা বলছেন, বিএনপি ঘরানার দুই প্রার্থী নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ ও বাগবিতণ্ডায় লিপ্ত হয়ে উল্টো তার দিকে অভিযোগ ছুড়ছেন, বিষয়টি সত্য নয়। কুমিল্লায় নির্বাচনি প্রচার মাঠ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রয়েছে।

আগামী ৯ মার্চ কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে। নির্বাচনে মোট চারজন প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে প্রচারে সরগরম হয়ে উঠেছে কুমিল্লা মহানগরী। প্রার্থীদের গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও গানে গানে প্রচারে সর্বত্রই নির্বাচনি উৎসবের আমেজ। পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো নগরী। প্রচারের ৯ম দিনে গতকাল শনিবার গণসংযোগসহ ৪ প্রার্থী প্রচার ও উঠান বৈঠক করছেন নগরীর বিভিন্ন এলাকায়। 

শনিবার (২ মার্চ) সকাল থেকে ‘টেবিল ঘড়ি’ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী বিএনপির সাবেক নেতা ও দুবারের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু নগরীর চকবার থেকে কান্দিরপাড় এলাকায় গণসংযোগ করেন। প্রচারে নেমে মনিরুল হক সাক্কু অভিযোগ করেন, আগের দিন শুক্রবার বিকেলে নগরীর ১৫ নং ওয়ার্ড এলাকায় ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুল বিন জলিলের উপস্থিতিতে বিকেলে নগরীর কাটাবিল ও বালুধুম এলাকায় উঠান বৈঠকে হামলা করে চেয়ার, টেবিল ভাঙচুর ও পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয়। 

যদিও বিষয়টি অস্বীকার করে কাউন্সিলর জলিল বলেন, ‘আমি বাস মার্কার প্রচার চালানোর সময় হঠাৎই চিৎকার-চেঁচামেচির আওয়াজ পাই। গিয়ে দেখি দেয়াল ঘড়ি প্রতীক আর ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থীরা মারামারিতে জড়িয়েছেন। আমি কাউন্সিলর হিসেবে সেখানে গিয়ে বিষয়টি শান্ত করি।’

এ বিষয়ে মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ‘ঘটনাস্থলে ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থীর কোনো সমর্থক ছিলেনই না। মূলত বাস প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থক সাইফুলসহ অন্যরা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। আমার কাছে সবকিছুর প্রমাণ আছে, আমি নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করব।’

‘ঘোড়া’ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার গতকাল প্রচার চালান নগরীর ফৌজদারি এলাকায়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “বিভিন্ন জায়গার আমার ‘ঘোড়া’ প্রতীকের পোস্টার ছিঁড়ে ওই জায়গায় আরেকটা প্রতীকের পোস্টার লাগানো হচ্ছে। রাতের বেলায় মানুষের বাসায় বাসায় গিয়ে ভয়ভীতি দোখানো হচ্ছে। আমরা চাই এসব বন্ধ হোক, নির্বাচনের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় থাকুক।” 

‘হাতি’ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নূর-উর রহমান মাহমুদ তানিম গতকাল প্রচার চালান নগরীর রাজগঞ্জ এলাকায়। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে ভয়-ভীতি দেখানো এবং হুমকি প্রদর্শন দিন দিন বাড়তে থাকবে। এই সময়ে এসে যদি নির্বাচন কমিশন দৃঢ়তা দেখাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ৯ তারিখের নির্বাচন একটি প্রহসনে পরিণত হবে। আমার দাবি, যারা ভাঙচুর করছে, পোস্টার ছিঁড়ছে, দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। তারা সবাই চিহ্নিত, তারাই ঘুরে ঘুরে সব জায়গায় হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। আমি জানি না তাদের প্রার্থী তাদের এ ধরনের নির্দেশ দিয়েছেন কি না। আমার মতে কোনো প্রার্থীই চান না নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হোক।’ 

এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মহানগর আওয়ামী লীগ সমর্থিত ‘বাস’ প্রতীকের প্রার্থী তাহসিন বাহার সূচনা বলেন, ‘প্রচারে আমি কোনো প্রতিবন্ধকতার মুখের পড়িনি। কিন্তু দেখছি, আমার বিরুদ্ধেই সবার অনেক বেশি অভিযোগ। আমি সারা দিন কাজ করছি, অতিথি পাখির মতো হঠাৎ করে আসিনি। আগেও জনসম্পৃক্ত ছিলাম, এখনো আছি।’ 

সূচনা পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রতিপক্ষ প্রার্থীরা মারামারি করে অভিযোগ তোলেন আমার ওপর। এখানে দুই প্রার্থী একই দলের। তারা একজন আরেকজনকে কাদা ছোড়াছুড়ি করছেন। তাদের সেসব অভিযোগ ঘুরেফিরে আমার ওপর আসছে। আমার মনে হয়, তাদের নির্বাচনি প্রচার বন্ধ করে আগে গোলটেবিলে বসিয়ে জিজ্ঞাসা করা উচিত আসলে তাদের অভিযোগটা কার দিকে। প্রকৃত পক্ষে এ নির্বাচন নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই।’

বেইলি রোডে আগুন: কেন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করলেন না, প্রশ্ন দোকান মালিক সমিতির

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ০৮:০৯ পিএম
বেইলি রোডে আগুন: কেন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করলেন না, প্রশ্ন দোকান মালিক সমিতির
ছবি : খবরের কাগজ

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেছেন, ‘যারা রেগুলেটরি বোর্ডে আছেন, তাদের কোনো শাস্তি হয় না। কোনো প্রতিষ্ঠান নিয়ম না মানলে তারা শুধু নোটিশ দেন। নোটিশ বড় ব্যবস্থা না। আপনারা কেন সেই প্রতিষ্ঠান বন্ধ করলেন না, সেটাই প্রশ্ন।’

শনিবার (২ মার্চ) বেইলি রোডে পুড়ে যাওয়া ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘যেসব রেগুলেটরি বোর্ড এ ভবনে ব্যবসার অনুমতি দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। এই ধরনের ঘটনা আবার ঘটুক, এটা আমরা চাই না। যার ত্রুটি থাকবে তার বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে। সেটা যদি কোনো ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে হয় তবে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে, আর যদি কোনো সংস্থার বিরুদ্ধে হয়, তবে সেই সংস্থার বিরুদ্ধে।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা সবকিছু বাণিজ্যিকীকরণ করবেন আর সেটার মাধ্যমে মানুষের জীবন চলে যাবে, এটা হতে পারে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এখানে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হয়েছে, কাস্টমারদেরও ক্ষতি হয়েছে। অনেকের জীবন চলে গেছে। আমাদের শত কোটি টাকা নষ্ট হয়েছে।’ 

দোকান মালিক সমিতির সভাপতি বলেন, ‘আমরা বিডা এবং এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে মালিক সমিতিসহ স্টেক হোল্ডাররা বিভিন্ন মার্কেট পরিদর্শন করলাম। সেখানে আমরা দেখলাম কোথাও বিদ্যুতের সমস্যা, কোথাও ফায়ার সমস্যা। সমস্যা যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে, এখন ফায়ার সেফটিতে যারা কাজ করেন তারা একসময় ফায়ার ব্রিগেডে কাজ করতেন। তারা ফার্মগুলো খুলেছেন। এখন একেক মার্কেটে গিয়ে বলছেন ৩/৪/৫ কোটি টাকা লাগবে ফায়ার সেফটির জন্য। ব্যবসা শুরু করে দিয়েছেন অনেকেই।’

গাউসুল আজম মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ০৭:৫৫ পিএম
গাউসুল আজম মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে
ফাইল ফটো

রাজধানীর নীলক্ষেতে নিউমার্কেট থানা সংলগ্ন গাউসুল আজম মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

শনিবার (২ মার্চ) বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে ফায়ার সার্ভিস কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আজ গাউসুল আজম মার্কেটে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের পলাশী স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৫টা ৩২ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। 

তিনি আরও বলেন, আগুনের সূত্রপাত ও হতাহতের ব্যাপারে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও জানা যায়নি। 

অমিয়/

‘বঙ্গবন্ধুর ওপর রচিত কবিতা প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে হবে’

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ০৭:৫১ পিএম
‘বঙ্গবন্ধুর ওপর রচিত কবিতা প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে হবে’
ছবি : খবরের কাগজ

বঙ্গবন্ধুর ওপর রচিত ‘কবিতা’ প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে পারাটাই সবচেয়ে বড় অর্জন হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

শনিবার (২ মার্চ) ঢাকায় বাংলা একাডেমিতে ভাষাশহিদ মুক্তমঞ্চে বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদ আয়োজিত বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘যখন বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন হয়, তখন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটি রচনা করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের এই কবিতাটি বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে ভূমিকা রাখে। কাজী নজরুল ইসলামকে পেয়েছি বিদ্রোহী ভূমিকায় এবং বিভিন্নভাবে তাকে পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুর ওপর ‘কবিতা’ আমরা প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে পারি। এটা হবে আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। এ কাজটি হাতে নিয়েছে বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদ।

বাংলা একাডেমির ভাষাশহিদ মুক্তমঞ্চ থেকে সেটি ৫৬ হাজার বর্গমাইলে ছড়িয়ে যাবে আশাকরি। এটাই সময়। কারণ আমাদের সংগ্রাম ছিল সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী, স্বৈরাচার গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় জাতীয় কবিতা পরিষদ সংগ্রাম শুরু করেছিল। কবিতা পাঠ করতে করতে, আবৃতি করতে করতে আমরা সফল হয়েছি। আমাদের সংগ্রাম ছিল সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। সেখানেও আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সফল হয়েছি।’’

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘‘বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ৭৫-এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর যেভাবে নির্বাসিত করা হয়েছিল, যেভাবে সাম্প্রদায়িকতাকে সমাজের মধ্যে সাজিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল, যেভাবে আমাদের ইতিহাস, শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে- কবিতা সেখানে শক্তিশালী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। আজকে আমাদের দেশের সার্বিক উন্নয়ন হয়েছে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহারের দিকে তাকাই ‘উন্নয়ন দৃশ্যমান, বাড়বে এবার কর্মসংস্থান’ সঠিকভাবে উচ্চারিত হয়েছে উন্নয়ন দৃশ্যমান। কিন্তু এখন আমাদের মানুষ কাঠামোর উন্নয়ন করতে হবে। সে উন্নয়নটায় কবিতা একটা বিরাট ভূমিকা রাখতে পারে। মানব কাঠামোর যে উন্নয়ন এই উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদ একটি জোড়ালো ভূমিকা রাখবে। আমাদের স্বপ্ন, ৩০ লাখ শহিদের স্বপ্ন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ‘সোনার বাংলা’। সোনার বাংলা মানে কিন্তু আমরা কখনোই বলি না একটি ধনী দেশ, আমরা বলি সুখী দেশ হতে চাই। কবিতা নিশ্চয়ই সেখানে বিরাট ভূমিকা রাখবে।’’

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মোহাম্মদ নুরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. শাহাদাৎ হোসেন নিপু।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন।

অমিয়/

ডিসি সম্মেলন শুরু ৩ মার্চ

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ০৭:০১ পিএম
ডিসি সম্মেলন শুরু ৩ মার্চ

জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামীকাল (৩ মার্চ)। চার দিনব্যাপী এ সম্মেলন চলবে ৬ মার্চ পর্যন্ত।

রবিবার (৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সম্মেলন উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন।

তিনি জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) কারাবি হলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিসিরা মুক্ত আলোচনায় অংশ নেবেন। 

সোমবার (৪ মার্চ) সম্মেলনের পরবর্তী কার্য অধিবেশন ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

২৫টি কার্য অধিবেশনসহ মোট ৩০টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে ডিসিদের দেওয়া ৩৫৬টি প্রস্তাব নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি (২২টি) প্রস্তাব এসেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিষয়ে। এসব বিষয়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা।

এবারের সম্মেলনে প্রধান আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণরোধ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম জোরদার করা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম, স্থানীয় পর্যায়ে কর্ম-সৃজন ও দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি বাস্তবায়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ই-গভর্নেন্স, ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও সমন্বয় করা।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন জানান, গত বছর (২০২৩) মোট ২১২টি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে স্বল্পমেয়াদি অর্থাৎ এক বছরের মধ্যে বাস্তবায়নের কথা ছিল এ রকম সিদ্ধান্ত হয়েছিল ৫২টি। যার বাস্তবায়নের হার ৮৯ শতাংশ। তিন বছরের মধ্যে বাস্তবায়নের (মধ্যমেয়াদি) জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল ৯০টি। এগুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত বাস্তবায়নের হার ৫৯ শতাংশ। আর ৫ বছরের জন্য যেসব সিদ্ধান্ত (দীর্ঘমেয়াদি) নেওয়া হয়েছিল ৭০টি। এখন পর্যন্ত যার বাস্তবায়নের হার ৪৫ শতাংশ।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন বাস্তবায়নের এই হারে তারা সন্তুষ্ট। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাকি সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সম্মেলনের প্রথম দিন সাতটি সেশন অনুষ্ঠিত হবে।

উদ্বোধনী দিনে উন্মুক্ত আলোচনা এবং পাঁচটি কার্য অধিবেশন। দ্বিতীয় দিন ডিসিরা জাতীয় সংসদে (জেএস) ডাকবেন। ওইদিন মোট নয়টি সেশন অনুষ্ঠিত হবে।

তৃতীয় দিন ৫ মার্চ সাতটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। 

৬ মার্চ ডিসিরা আদালত ভবনে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। ওই দিন মোট সাতটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।

অমিয়/