ঢাকা ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Khaborer Kagoj

স্বাধীনতার সুফল তৃণমূলে পৌঁছে দেওয়াই শেখ হাসিনার দর্শন: স্পিকার

প্রকাশ: ০২ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:১৬ পিএম
স্বাধীনতার সুফল তৃণমূলে পৌঁছে দেওয়াই শেখ হাসিনার দর্শন: স্পিকার
ছবি : খবরের কাগজ

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আরাধ্য স্বপ্ন সোনার বাংলা নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষের জন্য নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করছেন। এদেশের বঞ্চিত মানুষকে স্বাধীনতার সুফল পৌঁছে দেওয়াই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মূল দর্শন।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী লেখক ড. আবুল হাসনাত মিল্টন কর্তৃক রচিত 'শেখ হাসিনা দ্য মেকিং অব অ্যান এক্সট্রা অরডিনারি সাউথ এশিয়ান লিডার' গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, গ্রন্থটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্ম, সংগ্রাম, সফলতা ও জীবনের কঠিনতম সময়ের মর্মগাঁথা। এমডিজি থেকে এসডিজির প্রতিটি পর্যায়ে তিনি সম্মোহনী নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি তার সংগ্রাম এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তর করে নিজেকে বিশ্ব নেতাদের কাতারে শামিল করেছেন।

তিনি বলেন, গ্রন্থটি ইংরেজিতে রচিত হওয়ায় পৃথিবীর অন্যান্য ভাষাভাষী জাতিগোষ্ঠীর কাছেও সহজে পৌঁছানে সম্ভব হবে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে গ্রন্থটি বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অসাধারণ নেতৃত্বের সাক্ষ্য প্রদান করবে।

স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টুঙ্গিপাড়ার প্রতি মমত্ববোধ তার শেকড় ও মাটির প্রতি বন্ধনের বহিঃপ্রকাশ। পঁচাত্তর পরবর্তী এক ভয়াবহ নি:সঙ্গতার মধ্যে তিনি দৃঢ় মনোবল ধারণ করে বেদনাবিধুর পথ একাই অতিক্রম করেছেন।

লেখক ড. আবুল হাসনাত মিল্টন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শৈশব, কৈশোর ও বর্তমান সময়ের পাশাপাশি সমকালীন রাজনীতি এবং সর্বোপরি মা ও মানুষ হিসেবে তার জীবন কর্ম গ্রন্থটিতে স্থান পেয়েছে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি,  সংসদ সদস্য সাজ্জাদুল হাসান, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল, পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যান, গণমাধ্যমকর্মীগণ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এআর

বিধি ভেঙে নোটিশ পাচ্ছেন প্রার্থীরা

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:০১ এএম
বিধি ভেঙে নোটিশ পাচ্ছেন প্রার্থীরা

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনের প্রচার শুরুর পর আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠছে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যে দুই প্রার্থীসহ তিনজনকে শোকজ করা হয়েছে। আইন ভঙ্গ করায় তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা জানতে চেয়ে জবাবদিহি করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। 

সূত্র জানায়, বিপুলসংখ্যক মানুষ নিয়ে মিছিল করায় উপনির্বাচনে ঘোড়া প্রতীকের মেয়র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সারকে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কুসিক নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন এই শোকজ করেন। এর আগে বিধি ভঙ্গ করে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনি উঠান বৈঠক করায় বাস প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাহসিন বাহার সূচনা এবং নবাব ফয়জুন্নেছা উচ্চবালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তারকে শোকজ করা হয়। 

আগামী ৯ মার্চ কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মোট চারজন প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হচ্ছেন সাবেক মেয়র ও বিএনপির সাবেক নেতা মনিরুল হক সাক্কু, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাহসিন বাহার সূচনা, মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম এবং মহানগর স্বেচ্ছাবেক দলের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার। ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে প্রচারে নেমে পড়েছেন প্রার্থীরা। বিরামহীনভাবে নগরীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে চলেছেন কুসিকের চার মেয়র প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা। এরই মাঝে আসছে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ। এ ছাড়া কোনো কোনো প্রার্থী তাদের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন। 

জানা গেছে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে নগরের রেসকোর্স এলাকায় নিজাম উদ্দিন কায়সার নির্বাচনি প্রচারে গিয়ে লোকজন ও সমর্থক নিয়ে মিছিল করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাকে শোকজ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঘোড়া প্রতীকের মেয়র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার বলেন, ‘আমি যেখানেই যাই মানুষের ঢল নামে। তারপরও আমি আমার নেতা-কর্মীদের সতর্ক করেছি যেন কেউ নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ করে প্রচার না চালায়। তবে নির্বাচনি প্রচারে মানুষের অংশগ্রহণ নির্বাচন কমিশনের শিথিলভাবে দেখা উচিত বলে আমি মনে করি।’ 

এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উঠান বৈঠক করায় বাস প্রতীকের প্রার্থী তাহসীন বাহার ও স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তারকে শোকজ করে নির্বাচন কমিশন। এই কার্যক্রমের জন্য কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তার জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ তানিমের

এদিকে কুমিল্লা সিটির উপনির্বাচনে প্রচার শুরুর পর থেকে পোস্টার-লিফলেট ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন হাতি প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ও মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম। এ বিষয়ে তিনি পরপর দুই দিন দুটি অভিযোগ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করেছেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন, নগরীর ২ নং ওয়ার্ড, ৩ নং ওয়ার্ড, ৯ নং ওয়ার্ড, ২১ নং ওয়ার্ড ও ২৭ নং ওয়ার্ড এলাকার চিহ্নিত কিছু ব্যক্তি হাতি প্রতীকের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছেন এবং কর্মীদের হেনস্তা করেছেন।’

এ বিষয়ে নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘একটি অশুভ শক্তি তাদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে বিভিন্ন জায়গায় আমার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলছেন, আমাদের নেতা-কর্মীদের হেনস্তা করার চেষ্টা করছেন। তারা কিছুটা ভয়ভীতিও দেখিয়েছেন। আমি এই বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছি।’ 

নির্বাচনের সার্বিক বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘প্রতিটি অভিযোগই খুব গুরুত্ব-সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থীকে শোকজ করা হয়েছে। আগেও আমরা বাস প্রতীকের প্রার্থীকে এবং একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষককে আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় শোকজ করেছি। আইন অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন সচেষ্ট আছে।’

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা সিটির উপনির্বাচনে আচরণবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য ২৭টি ওয়ার্ডে ৯ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেটরা প্রচার শুরু হওয়ার পর থেকে সব প্রার্থী ও নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সবার আচরণবিধি পর্যবেক্ষণ করছেন। আচরণবিধি অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্বাচনি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। 

জ্বালানি ঘাটতি প্রশমিত করতে অফশোর গ্যাস উত্তোলন বেছে নিয়েছে সরকার

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৯:৩৪ এএম
জ্বালানি ঘাটতি প্রশমিত করতে অফশোর গ্যাস উত্তোলন বেছে নিয়েছে সরকার
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার দেশের জ্বালানি ঘাটতি প্রশমিত করতে অফশোর গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই উদ্দেশ্যে  আমাদের বিনিয়োগ প্রয়োজন। 

মঙ্গলবার (ফেব্রুয়ারি ২৭) সন্ধ্যায় সংসদ ভবন কার্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইটিএফসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইঞ্জিনিয়ার হানি সালেমের সঙ্গে সাক্ষাতে এ কথা বলেন তিনি। পরে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সরকার দেশের সব এলাকায় বিদ্যুৎ দিয়েছে।’ ১৯৯৬ সালে সরকারে তার প্রথম মেয়াদে তিনি বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎকে উন্মুক্ত করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের পদক্ষেপের ফলে দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বিরাজ করছে।’

তিনি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এর জন্য দেশে বিনিয়োগ প্রয়োজন উল্লেখ করে বলেন, ‘বিশেষ করে, আমরা গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নতি এবং খাদ্য উৎপাদনকে অগ্রাধিকার দিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার বর্তমান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এবং জনগণের ভোগান্তি কমানোর ওপর জোর দিয়েছে। এ লক্ষ্যে আমরা সব ধরনের উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছি।’

আইটিএফসির প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী হানি সালেম জানান, অবকাঠামো, আইসিটি, ঋণ ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি খাত এবং জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে তারা সর্বাত্মক সহায়তা দেবে।

প্রকৌশলী হানি সালেম বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আর্থিক ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন। ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের একটি চমৎকার ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন। সূত্র : বাসস

সালমান/

রাজধানীতে গ্যাস লিকেজ, দুই দফা অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ৬

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:২৫ পিএম
রাজধানীতে গ্যাস লিকেজ, দুই দফা অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ৬
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর শাহজাহানপুরের একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে দুই দফায় লাগা আগুনে দগ্ধ হয়েছেন ছয়জন। 

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টা ও সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঝিল মসজিদ এলাকার ৫৩ নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটেছে। তাদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে। 

দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন মিন্টু মিয়া (৫০), বাচ্চু মিয়া (৪৫), মিন্টু মিয়ার মেয়ে মারিয়া (১৮), মনির হোসেন (৪২), দেলোয়ার হোসেন (৫৭) ও আলী আকবর (৪৫)।

দগ্ধ মিন্টু হাওলাদার জানান, তিনি ওই বাসার নিচতলায় ভাড়া থাকেন। বাসার বাথরুমে ও রান্নাঘরে মাঝেমধ্যেই গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যেত। তবে তিনি অনেক খুঁজেও গ্যাস লিকেজ পাননি। গতকাল সকাল ৮টার দিকে রান্নাঘরে হঠাৎ করেই গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ হয়। এতে তিনি ও প্রতিবেশী বাচ্চু মিয়া দগ্ধ হন।

মিন্টু হালদারের স্ত্রী ঝর্ণা আক্তার জানান, সকালেই তাদের বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়। সকালের বিস্ফোরণের পর সন্ধ্যায় ওই বাসায় গ্যাসলাইন মেরামতের জন্য স্যানিটারি মিস্ত্রি যান। তখন সেখানে আবারও বিস্ফোরণ ঘটে। এতে স্যানিটারি মিস্ত্রিসহ মিন্টুর মেয়ে মারিয়াও দগ্ধ হন। পরে তাদের নিয়ে আসা হয় বার্ন ইনস্টিটিউটে।

বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা জানান, মিন্টু হাওলাদারের ৪০ শতাংশ পুড়ে গেছে। বাকিদের হাত-মুখসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় দগ্ধ হয়েছে। 

শাহজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজিত কুমার সাহা জানান, শাহজাহানপুরের ঝিল মসজিদের পাশে ৫৩ নম্বর বাড়ির নিচতলায় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনের ঘটনায় বেশ কয়েকজন দগ্ধ হয়েছেন। 

সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের শপথ বুধবার

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১:০০ পিএম
সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের শপথ বুধবার

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিজয়ী ৫০ জন এমপির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ৩টায় সংসদ ভবনের নিচতলায় শপথ কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। শপথবাক্য পাঠ করাবেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। 

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ সচিবালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। শপথের জন্য সদ্যনির্বাচিত নারী এমপিদের কাছে চিঠি দেওয়াসহ সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। 

এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে নারী আসনে বিজয়ীদের নামের তালিকাসহ একটি গেজেট প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ওই গেজেট ইসির পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদের সচিবালয়ে পাঠানো হয়। ইসি গেজেট কপি হাতে পাওয়ার পর সংসদ সচিবালয় নির্বাচিত নতুন এই এমপিদের শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি নেয়।

চলতি দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত এমপিরা হলেন- রেজিয়া ইসলাম (পঞ্চগড়), দ্রৌপদী দেবি আগরওয়াল (ঠাকুরগাঁও), আশিকা সুলতানা (নীলফামারী), রোকেয়া সুলতানা (জয়পুরহাট), কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি (নাটোর), জারা জেবিন মাহবুব (চাঁপাইনবাবগঞ্জ), রুনু রেজা (খুলনা), ফরিদা আক্তার বানু (বাগেরহাট), ফারজানা সুমি (বরগুনা), খালেদা বাহার বিউটি (ভোলা), ফরিদা ইয়াসমিন (নরসিংদী), উম্মে ফারজানা সাত্তার (ময়মনসিংহ), নাদিরা বিনতে আমির (নেত্রকোনা), মাহফুজা সুলতানা মলি (জয়পুরহাট), পারভীন জামান কল্পনা (ঝিনাইদহ), আরমা দত্ত (কুমিল্লা), লায়লা পারভীন (সাতক্ষীরা), মন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা), বেদৌরা আহমেদ সালাম (গোপালগঞ্জ), শবনম জাহান (ঢাকা), পারুল আক্তার (ঢাকা), সাবেরা বেগম (ঢাকা), শাম্মী আহমেদ (বরিশাল), নাহিদ ইজহার খান (ঢাকা), ঝর্ণা আহসান (ফরিদপুর), ফজিলাতুন নেছা (মুন্সীগঞ্জ), সাহেদা তারেক দীপ্তি (ঢাকা), অনিমা মুক্তি গমেজ (ঢাকা), শেখ আনার কলি পুতুল (ঢাকা), মাসুদা সিদ্দিক রোজী (নরসিংদী), তারানা হালিম (টাঙ্গাইল), শামসুন নাহার (টাঙ্গাইল), মেহের আফরোজ চুমকী (গাজীপুর), অপরাজিতা হক (টাঙ্গাইল), হাসিনা বারী চৌধুরী (ঢাকা), নাজমা আক্তার (গোপালগঞ্জ), ফরিদুন্নাহার লাইলী (লক্ষ্মীপুর), আশরাফুন নেছা (লক্ষ্মীপুর), কানন আরা বেগম (নোয়াখালী), শামীমা হারুন লুবনা (চট্টগ্রাম), ফরিদা খানম (নোয়াখালী), দিলারা ইউসুফ (চট্টগ্রাম), জ্বরতী তঞ্চঙ্গা (রাঙ্গামাটি), সানজিদা খানম (ঢাকা), নাছিমা জামান ববি (রংপুর), নাজনীন নাহার রোশা (পটুয়াখালী), ওয়াসিকা আয়শা খান (চট্টগ্রাম) ও রুমা চক্রবর্তী (সিলেট)।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টি থেকে সাবেক সংসদ সদস্য সালমা ইসলাম ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান নুরুন নাহার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।

শপথ গ্রহণ শেষে সংরক্ষিত নারী আসনের এই এমপিরা সংসদে যোগ দেবেন। এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য আবেদনকারী কোনো প্রার্থীই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় সবাইকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। ওই দিন ছিল নারী আসনের প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। 

সংরক্ষিত নারী আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) মুনিরুজ্জামান তালুকদার সেসময় বলেছিলেন, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন কোনো প্রার্থী তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় নির্বাচনি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী আবেদনকারী প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করার প্রবিধান রয়েছে।

বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি চুন্নুর

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৯:৫০ পিএম
বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি চুন্নুর
ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, মানুষ এক দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে আছে। অস্বাভাবিক দ্রব্যমূল্যের কারণে সাধারণ মানুষ হিমশিম খাচ্ছে। কোনো নিয়ন্ত্রণ নাই। সরকারের পক্ষ থেকে তেমন কোনো সুপারভিশনও নাই। ফলে মানুষ অসহনীয় কষ্টে জীবনযাপন করছে। এই অবস্থার মধ্যে মাত্র নির্বাচনটা গেল, আজকেই দেখলাম সরকার বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিটে ৩৪ থেকে ৭০ পয়সা বৃদ্ধি করেছে। গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। কারণটা বলেছে ডলারের ডিভ্যালুয়েশন এবং ভর্তুকি কমানো। প্রশ্ন হলো- আপনারা বাড়াবেন, ভদ্রভাষায় বলছেন সমন্বয়। মানে বৃদ্ধি কথাটাও সরকার বলে সমন্বয় করা, কিন্তু আসলে মূল্য বৃদ্ধি।

মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, আমার জানা নাই, বিদ্যুতের পার ইউনিট সরকারের উৎপাদন বা কিনতে গড় খরচ কত? সব সময় বলে আসছে হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। ভর্তুকি কমাতে হবে। আগামী তিন বছরে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি কমাবে। কিন্তু কীভাবে কমাবে! জনগণ নিষ্পেষিত, বাজারে যেতে পারছে না। বেকারত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিদ্যুতের দাম বাড়া মানে এর সঙ্গে অনেক জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পাবে। কারণ বিদ্যুতের সঙ্গে অনেক জিনিসের উৎপাদন জড়িত।

তিনি বলেন, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করেছেন। গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ অনেক ফ্যাক্টরি যেগুলো গ্যাসনির্ভর, সেখানে গ্যাস দিতে পারছেন না সার্বক্ষণিকভাবে। সেখানে আবারও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করেছেন। জনগণ অনেক আশা করে একটি সরকারকে মাত্র এক মাস আগে নির্বাচিত করল, আর সে সরকার জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো এভাবে চেপে বসেছে।

তিনি আরও বলেন, দলের পক্ষ থেকে সরকারকে অনুরোধ করব অন্ততপক্ষে গ্যাসের দাম এবং বিদ্যুতের দামটা এই মুহূর্তে বৃদ্ধি করবেন না। সরকার একটা স্থিতিশীল অবস্থায় আসুক, মানুষ একটা স্থিতিশীল অবস্থায় আসুক, ইকোনমি একটা নরমাল অবস্থায় আসুক তখন আপনারা চিন্তা করেন। এখন অন্তত চিন্তাটা বাদ দেন।