ঢাকা ২ বৈশাখ ১৪৩১, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

মিরপুরের অধিকাংশ হোটেল ও রেস্টুরেন্টই অগ্নিঝুঁকিপূর্ণ

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ১০:০২ এএম
মিরপুরের অধিকাংশ হোটেল ও রেস্টুরেন্টই অগ্নিঝুঁকিপূর্ণ

রাজধানীর মিরপুরে যত্রতত্র গড়ে উঠেছে বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও খাবার হোটেল। এসব রেস্টুরেন্টের বেশির ভাগই অগ্নিঝুঁকিপূর্ণ। শুক্রবার (১ মার্চ) ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরে দায়িত্বশীল এক মিডিয়া কর্মকর্তা খবরের কাগজকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

ওই কর্মকর্তা জানান, খুব শিগগির মিরপুরের যত্রতত্র গড়ে ওঠা রেস্টুরেন্ট অগ্নিঝুঁকিপূর্ণ বলে ঘোষণা করা হবে।

সূত্র জানায়, রেস্টুরেন্টগুলোতে রান্নার জন্য গ্যাস সিলিন্ডার ও ইলেকট্রিক চুলা ব্যবহৃত হলেও অধিকাংশের নেই সরকারি কোনো অনুমোদন। ফায়ার সেফটি লাইসেন্স কিংবা সরকারি কাগজপত্র ছাড়াই বছরের পর বছর চলছে এসব হোটেল-রেস্টুরেন্ট। মিরপুর ৬০ ফিট, ১, ২, ১০, ১১, ১২, ১৪ কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, দারুস সালাম, গাবতলী, ভাসানটেকে এ ধরনের রেস্টুরেন্টের সংখ্যা বেশি। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, মিরপুর ১০ থেকে মিরপুর ১২ পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক রেস্টুরেন্ট। এসব রেস্টুরেন্ট বেশির ভাগ গড়ে উঠেছে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও বহুতল ভবনে। মিরপুর ১২ নম্বরের এ ব্লকের ৭ নম্বর রোডের ৪৫ নম্বর ভবন।  ৯ তলা ভবনটি কেএফসি বিল্ডিং নামে পরিচিত। ভবনটির নিচতলা থেকে ৯ তলা পর্যন্ত কাচ দিয়ে ঘেরা। ভবনটির চারপাশের দেয়ালও কাচ দিয়ে তৈরি। ভবনটির প্রতিটি ফ্লোরে রয়েছে নামিদামি রেস্টুরেন্ট। 

এদিকে মিরপুর ১২ নম্বরে সাফুরা ট্রেড সিটির দশম তলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখানে ১০টি ফুডকোর্ট রয়েছে। প্রতিটি ফুডকোর্টের কিচেনে গ্যাস সিলিন্ডার রয়েছে। ভবনটিতে কয়েকটি রেস্টুরেন্ট ও শোরুম রয়েছে।  

সাফুরা ট্রেড সিটির ম্যানেজার হুমায়ুন কবির বলেন, ‘এখানে আন্ডারগ্রাউন্ডে সিলিন্ডার রাখার জায়গা নেই। সবাই কিচেনে ৩৫ কেজি ওজনের সিলিন্ডার ব্যবহার করেন। অবশ্য কোথাও আগুন লাগলে এই ভবনে ২-৩টি সিঁড়ি রয়েছে। মানুষ সহজে নামতে পারবে।’ 

মিরপুর ১২ নম্বর কেএফসি ভবনের মালিকের প্রতিনিধি আরিফ বলেন, ‘বেইলি রোডের ঘটনার জন্য ভবনমালিকরা আরও সচেতন হয়েছেন। সবাই নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। আমাদের ভবন অগ্নিঝুঁকিপূর্ণ কি না, তা দেখার জন্য ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়েছে। এই ভবনে কোনো ত্রুটি আছে কি না, তা পরীক্ষা করা হবে।’ 

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে বেশির ভাগ রেস্টুরেন্ট নতুন। দুই মাস আগে সবাইকে বলা হয়েছিল যেন ফায়ার সেফটি লাইসেন্স নিয়ে নেয়। যতটুকু জানি লাইসেন্সের জন্য সবাই আবেদন করেছে।’

খাজা/ 

ঈদের ছুটি শেষ অফিসে ফিরছেন চাকরিজীবীরা

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৪০ পিএম
ঈদের ছুটি শেষ অফিসে ফিরছেন চাকরিজীবীরা
ছবি : খবরের কাগজ

পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পহেলা বৈশাখের ছুটি শেষে হয়েছে রবিবার।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) খুলছে অফিস-আদালত, ব্যাংক-বিমা ও শেয়ারবাজার। আজ থেকে কর্মস্থলে ফিরছেন চাকরিজীবীরা।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) দেশে উদযাপিত হয় মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। ঈদ উপলক্ষে ১০, ১১ ও ১২ এপ্রিল (বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার) সরকারি ছুটি ছিল। ঈদের পর ১৩ এপ্রিল শনিবার সপ্তাহিক ও ১৪ এপ্রিল রবিবার পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাংলা নববর্ষের ছুটি। ফলে ১০ তারিখ থেকে ১৪ তারিখ পর্যন্ত ছুটি কাটিয়েছেন চাকরিজীবীরা।

তবে যারা ঢাকার বাইরে ঈদ করতে গেছেন তাদের অনেকে ঐচ্ছিক ছুটি নিয়েছেন। এদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় অফিস আদালতে পুরোদমে কার্যক্রম শুরু হতে আরও কয়েকদিন লাগতে পারে। এছাড়া অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী সপ্তাহে খুলবে। তখন রাজধানী চিরচেনা রূপে ফিরবে।

এদিকে পবিত্র ঈদুল-ফিতর উপলক্ষে প্রথমবারের মতো টানা ৬ দিন ছুটি কাটিয়েছেন সংবাদপত্রে কর্মরত সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ৯ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ছুটি ঘোষণা করে সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজ পেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)।

জোবাইদা/অমিয়/

পদ্মা সেতু দিয়ে স্বস্তিতে রাজধানীতে ফিরছেন মানুষ

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৫৩ এএম
পদ্মা সেতু দিয়ে স্বস্তিতে রাজধানীতে ফিরছেন মানুষ
ছবি: খবরের কাগজ

পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে টানা পাঁচ দিনের ছুটি শেষে পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ স্বস্তিতে ঢাকায় ফিরছেন। 

সোমবার (১৫ এপ্রিল) খুলেছে সরকারি অফিস আদালত, ব্যাংক-বীমাসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। ছুটি শেষ হওয়ায় কর্মস্থলে যোগ দিতে ভোর থেকেই পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন।

সকালে শরীয়তপুর জাজিরা পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকারের তেমন কোন চাপ দেখা যায়নি। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির সংখ্যা বাড়তে থাকে। তবে মোটরসাইকেলের চাপ ছিলো চোখে পড়ার মতো। 

যাত্রী ও চালকরা জানান, ভোগান্তি আর ঝামেলা ছাড়াই এবার ঈদ শেষ করে ঢাকায় ফিরতে পেরেছেন তারা। পদ্মা সেতু তাদের জীবনের যোগাযোগের আমূল পরিবর্তন করে দিয়েছে। 

তবে, বাড়তি ভাড়া নিয়ে অভিযোগ করেন যাত্রীরা। ঈদ বকশিশের কথা বলে বাসগুলো বাড়তি টাকা আদায় করেছে বলে জানান তারা।

রাজবাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে আসা রুবেল জানান, পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকায় আসতে অনেকটা পথ বেশি হলেও ফেরিপথ থেকে সময় কম লাগে। সহজে আসা যায়। তাই ঝামেলা ছাড়াই তিনি এবার পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকায় যাওয়ার স্বস্তির কথা জানান।

বরিশাল থেকে আসা জুয়েল হোসেন জানান, আগে লঞ্চ দিয়ে ঈদ করতে বাড়িতে যেতেন। ঘন্টার পর ঘন্টা লঞ্চে বসে থাকতে হতো। এখন আর সেই ঝামেলা নেই। সহজেই অল্প সময় ঢাকা থেকে বাড়িতে ঈদ করতে আসতে পারছেন আবার চলেও যেতে পারছেন।

গোপালগঞ্জ থেকে আসা কামরুজ্জামান বলেন, ‘আগে যখন ঈদের ছুটিতে আসতাম, তখন এই ঘাটে ফেরির জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতাম। আর এখন পদ্মা সেতু খুব সহজেই বাড়িতে আসি, আবার ঢাকায় চলে যাই। এ জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।’

পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজার ম্যানেজার জানান, গত ২৪ ঘন্টায় পদ্মা সেতুতে টোল আদায় হয়েছে তিন কোটি ২৯ লাখ ৭২ হাজার ৩০০ টাকা। মোট গাড়ি পারাপার হয়েছে ৩৪ হাজার ৯২৬টি।

রাজিব হোসেন/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

চলমান তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৫১ এএম
চলমান তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

দেশের অধিকাংশ জেলার ওপর দিয়ে যে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে তা আগামী ২৪ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর

সোমবার (১৫ এপ্রিল) সকালে আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। 

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

তাপপ্রবাহের বিষয়ে বলা হয়েছে, রংপুর ও নীলফামারী জেলাসহ রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

এছাড়া আগামী ৫ দিনের মধ্যে তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অমিয়/

ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের অভিযান

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৩৫ এএম
ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের অভিযান
ফিটনেসবিহীন ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনের বিরুদ্ধে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের অভিযান শুরুর ৩৬ ঘন্টার মধ্যে ৪৮৮টি যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ছবি: খবরের কাগজ

ত্রুটিপূর্ণ ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের অভিযান শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ৩৬ ঘণ্টায় বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, লেগুনা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেটকার এবং মোটরসাইকেলসহ ৪৮৮টি যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগ ।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) থেকে এই অভিযান শুরু হয়। 

এই অভিযানের ফলে ফিটনেসবিহীন এবং ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন রাস্তায় চলাচল করা লক্ষণীয়ভাবে কমে যাবে বলে আশা করা যায়। 

চলমান এই অভিযানে বিভিন্ন ব্যানারে চলাচলরত বাসের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর মধ্যে রাইদা, শ্যামলী, রাজীব, শরীয়তপুর সুপার, বাহাদুর শাহ, পদ্মা, গাবতলী ৮নং, বলাকা, তুরাগ, হানিফ, আবাবিল, অনাবিল সুপার, বোরাক, বিহঙ্গ, পাহাড়িকা, মেঘনা ডিলাক্স, ট্রান্সসিলভা, বিকল্প, ইমরান, শিকড়, ইমাদ, গ্রিন এক্সসেস, হানিফ, জেদ্দা বাস, বিএমএফ বাস, রাজধানী, রমজান, আশিয়ান, মিয়ামি, সেবা, দিঘীরপাড়, সেবা সুপার, তিশা, অনন্যা সুপার, লাবিবা, শ্রাবণ, ইভান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পরিবহন,  ইউরো পরিবহন, চৌধুরী পরিবহন, জয় পরিবহন, সুরমা সুপার, সাজ্জাদ বাস, সেভেন স্টার, আনন্দ, সাকুরা, সুন্দরবন ও চৌধুরী পরিবহন। 

তাছাড়া নিষিদ্ধ সময়ে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি যাতে মহানগরীতে প্রবেশ করে যানজট সৃষ্টি না করতে পারে সেজন্য চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

এনাম আবেদিন/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

বিজিপির আরও ৫ সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:৫৫ এএম
বিজিপির আরও ৫ সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে
ছবি : সংগৃহীত

মায়ানমার চলমান সংঘাতে বিদ্রোহীদের সঙ্গে টিকতে না পেরে নাফ নদী সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে মায়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) আরও ৫ সদস্য। এ নিয়ে এখন ১৪ জন বিজিপি সদস্য বিজিবির হেফাজতে রয়েছে।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী নাফ নদী সীমান্ত দিয়ে এই ৫ বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নেন।

এর আগে রবিবার ভোরে অস্ত্রসহ ৯ বিজিপি বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন ২ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে মায়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষের জেরে রবিবার সকাল ও রাতে টেকনাফের হোয়াইক্যং ঝিমংখালী ও খারাংখালী সীমান্ত দিয়ে মায়ানমার ১৪ জন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। 

এদিকে, গত ৩০ মার্চ বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ির উপজেলার জামছড়ি সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে ১৭৭ জন বিজিপি সদস্য। এরপর মায়ানমার সেনাবাহিনীর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মায়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর আরও ৩ জন সদস্য তুমব্রু সীমান্ত এলাকা কোনাপাড়া দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তাদেরকে বর্তমানে নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবির স্কুলে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। 

এ নিয়ে সর্বমোট ১৯৪ জন বিজিপি সদস্য বাংলাদেশের আশ্রয়ে রয়েছে।

এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি মায়ানমারে চলমান অভ্যন্তরে সংঘাতের জেরে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মায়ানমার সেনা, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য, শুল্ক কর্মকর্তাসহ ৩৩০ জনকে ১৫ দিন পর কক্সবাজারের ইনানী নৌবাহিনীর জেটি দিয়ে সাগরপথে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

শাহীন/অমিয়/