ঢাকা ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

শিপ রিসাইক্লিং শিল্পে কমপ্লায়েন্স নিশ্চিতকরণে সিনিয়র শিল্প সচিব-যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনারের আলোচনা

প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৩৯ পিএম
শিপ রিসাইক্লিং শিল্পে কমপ্লায়েন্স নিশ্চিতকরণে সিনিয়র শিল্প সচিব-যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনারের আলোচনা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের শিপ রিসাইক্লিং বা জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ শিল্পে হংকং কনভেনশন ২০০৯ দ্রুত কমপ্লায়েন্স বা প্রতিপালন নিশ্চিতকরণ বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানার সঙ্গে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম এক বৈঠকে মিলিত হন।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর মতিঝিলে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের দপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) ও উন্নয়ন অংশীদারদের নিকট থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতাসহ শিল্প মন্ত্রণালয়ের করণীয় নির্ধারণ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। 

সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে অন্যতম প্রধান জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকারী দেশ। জীবনের শেষ সীমায় পৌঁছানো জাহাজের নিরাপদ এবং পরিবেশসম্মত উপায়ে পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের উদ্দেশে আইএমও'র তত্ত্বাবধানে Hong Kong International Convention, 2009 (হংকং কনভেনশন) প্রণীত হয়। বাংলাদেশ কর্তৃক গত ১২ জুন ২০২৩ তারিখে হংকং কনভেনশন অনুসমর্থন করা হয়েছে। সে হিসেবে ২০২৫ সালের মধ্যে সকল ইয়ার্ডসমূহে Treatment Storage and Disposal Facility (TSDF) হংকং কনভেনশন অনুযায়ী Compliant না হলে শিপ রিসাইক্লিং এর জন্য নতুন করে কোনো জাহাজ ভাঙার অনুমোদন শিল্প মন্ত্রণালয় হতে পাওয়া যাবে না। তাই বাংলাদেশের এ সম্ভাবনাময় শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের নিকট থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পরামর্শ গ্রহণসহ সার্বিক প্রস্তুতি ও করণীয়সমূহ দ্রুত নির্ধারণ করতে হবে।

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শামীমুল হক, যুগ্মসচিব প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস, IMO-Norway sensrec Project Phase III এর প্রকল্প পরিচালক সঞ্জয় কুমার ঘোষ ও আইএমও'র ন্যাশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. জসিম উদ্দিন বাদল অংশগ্রহণ করেন।

আগামীতে শনিবারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে না: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৪, ১০:০৯ এএম
আগামীতে শনিবারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে না: শিক্ষামন্ত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

শিখন ঘাটতি পূরণে শনিবারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়টি আগামীতে থাকবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। 

শুক্রবার (২৪ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘এখন অভিজ্ঞতা ও কার্যক্রম ভিত্তিক শিখন পদ্ধতি। যদি বেশি সময় ধরে বিদ্যালয় বন্ধ থাকে তা শিক্ষার্থীদের জন্যও অনেক কঠিন হয়ে যায়। অবশ্যই শনিবার খোলা থাকা প্রত্যাশিত নয়। যেহেতু কিছুদিন নষ্ট হয়েছে তবে আমরা আশা করি আগামীতে এটি আর থাকবে না।’ 

শনিবার ক্লাসের বিষয়ে চূড়ান্ত করা এমন প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিখনফল অর্জনের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মদিবস থাকে। তাছাড়া শিক্ষায় আমাদের যে কর্মদিবস হোক সেটি বছরব্যাপী নির্দিষ্ট করতে হয়। যেহেতু আমরা অনেকগুলো কর্মদিবসে পড়াতে পারেনি, সেজন্য বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে খোলা আছে। তবে এটি সাময়িক একটি প্রক্রিয়া। ঈদুল আযহা পরবর্তী দিবসের ব্যাপারে যদি পরিপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়, তখন সেটি থাকবে না।’ 

২০২৬ সাল থেকে কারিকুলাম পুরোপুরি সব শ্রেণির জন্য বাস্তবায়ন হবে কি না এবং ধারণা দেওয়া হয়েছে কি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শুরুতে প্রথম যে পরীক্ষাটি হবে সেটি দশম শ্রেণির। মূল্যায়নের প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত হলে তখন সেটি আমরা প্রকাশ করব। এখন একটা সমস্যা হলো এ নিয়ে স্পেকুলেশন বেশি হলে, শিক্ষার্থী-অভিভাবক-শিক্ষক বিভ্রান্ত হবেন। তাই এই মুহুর্তে মন্তব্য করতে চাই না। তবে সামষ্টিক ও কার্যক্রম মূল্যায়নের যে বিষয়টি আছে সেই দুটোর মধ্যে সমন্বয় করে একটি ভারসাম্য রাখা হয়েছে। এ ছাড়া আগে বিভাগ অনুযায়ী অনেকগুলো বিষয়ের পরীক্ষা ছিল। এ ছাড়া মাদরাসা শিক্ষা রয়েছে, সেটির সঙ্গেও সমন্বয় করতে হবে। তাই এই বিষয়ে বলা এখন সমীচীন হবে না।’ 

এর আগে টিএসসি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত যোগাযোগ উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন শিক্ষামন্ত্রী। 

এ সময় তিনি বলেন, ‘বর্তমান সময়ের শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র অল্প কিছু সংখ্যক সরকারি চাকরির যে হাতছানি, সেটার প্রতি ধাবিত হওয়ার মানসিকতা শিক্ষার্থীদের সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ট্রোলিং হচ্ছে।’

এ সময় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. শামসুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহাম্মদ, আজকের পত্রিকার সম্পাদক অধ্যাপক গোলাম রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনোয়ারুল-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ) এবং মহাসচিব মোল্লা মো. আবু কাওছার, সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা প্রমুখ।

আরিফ জাওয়াদ/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

নজরুলের গানেই বিদ্বেষ, সহিংসতা রুখে দেওয়ার আহ্বান

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৪, ০৯:৫০ এএম
নজরুলের গানেই বিদ্বেষ, সহিংসতা রুখে দেওয়ার আহ্বান
ছবি : খবরের কাগজ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের গানে যে সাম্য ও মানবতার বাণী ধ্বনিত হয়েছে বারবার, সে বাণীকে জাতীয় জীবনে ধারণ করে সমাজের সব বিদ্বেষ ও সহিংসতা রুখে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়েছেন রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, গবেষক ও সংস্কৃতিকর্মীরা৷

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মজয়ন্তীর আয়োজনে জাতীয় কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে এসে তারা এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন৷ 

শনিবার (২৫ মে) ভোর সোয়া ৬টায় জাতীয় কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খানের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা জানায় বাংলা একাডেমি, নজরুল ইনস্টিটিউট, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, জাতীয় জাদুঘর, কপিরাইট অফিস, শিল্পকলা একাডেমির কর্মকর্তারা।

নজরুল সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পরে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকে সারা বিশ্বে যেভাবে যুদ্ধ ও অশান্তি লেগে আছে নজরুল কিন্তু সবসময় এটার বিপক্ষে ছিলেন৷ অসাম্প্রদায়িকতার পক্ষে ছিলেন তিনি। সবসময় শান্তি চাইতেন৷ নজরুলের গানগুলো যদি আন্তর্জাতিকভাবে চর্চা করি, তাহলে বিশ্বকে শান্তির স্থানে নিয়ে যেতে পারব৷
  
নজরুল সংগীত ও নজরুল রচনাবলীর প্রচার ও কপিরাইট বিষয়ে খবরের কাগজের এক প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইজাহার খান বলেন, নজরুলের গানের কপিরাইট সংরক্ষণের দায়িত্ব শুধু পরিবারের না, রাষ্ট্রেরও৷ নজরুলের গান যত তাড়াতাড়ি করে ফেলতে পারবো, ততই ভালো৷ তাহলে দেশের সম্পদ দেশেই থাকবে৷

পরে তিনি বলেন, আমরা চাইবো, কবির যত গান, নাটক, রচনা রয়েছে তা কেবল ইংরেজি ভাষায় নয়, বিশ্বের অন্যান্য ভাষায় অনূদিত হয়৷ নজরুলের কবিতা ও গান নিয়ে আরও গবেষণা করা উচিত৷ 

পরে নজরুল ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান খায়রুল আনাম শাকিল বলেন, মানুষে মানুষে যে হানাহানি, সমাজে যে বিদ্বেষ কবি নজরুল এর বিপক্ষে ছিলেন আজীবন৷ তিনি জীবনভর বলে গেছেন মানুষে মানুষে প্রেম থাকবে৷ জাতীয় কবির দর্শন, ভাবনাগুলো জাতীয় জীবনে ধারণ করতে পারলে তবে তার প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানাতে পারবো৷ 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম সারাজীবন অসাম্প্রদায়িকতা ও মানবিকতার চর্চা করেছেন এবং সাম্যবাদের পক্ষে অসংখ্য কবিতা লিখেছেন। নজরুলের প্রতিবাদ ও সাম্যের কথা তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারলে আমরা নজরুল চর্চাকে প্রাতিষ্ঠানিক করতে পারবো৷ 

অসাম্প্রদায়িকতা প্রতিষ্ঠায় নজরুল চর্চার তাৎপর্য নিয়ে অধ্যাপক মাকসুদ কামাল বলেন,নজরুলকে আমরা তখনই সর্বাত্মকরণে ধারণ করতে পারব, যখন আমরা জাতীয় জীবনে অসাম্প্রদায়িকতাকে সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠা করতে পারব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক নিজামুল হক ভুঁইয়া, ঢাবি প্রক্টর অধ্যাপক মো. মাকসুদুর রহমান  উপস্থিত ছিলেন৷ 

পরে ঢাবির বিভিন্ন হলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানানো হয়৷ 

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পরে কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানায় যুবলীগ, ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল, সিপিবি, বাসদ, ডেমোক্রেটিক পার্টি ও ১০ দলীয় জোট, সমাজতান্ত্রিক মহিলা দল, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট৷ 

এছাড়া সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, সুরসপ্তক, ধুমকেতু, আন্তর্জাতিক নজরুল একাডেমি, বাফা, জলতরঙ্গের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়৷ 

জয়ন্ত সাহা/অমিয়/

সিলেটের নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৪, ০৯:৪৬ এএম
সিলেটের নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান
গ্যাসকূপের সন্ধান। খবরের কাগজ ফাইল ফটো

সিলেটের কৈলাশটিলা গ্যাসফিল্ডের নতুন একটি কূপে গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। খননকাজ শুরু হওয়ার সাড়ে ৪ মাসের মাথায় গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে গ্যাসের ফ্লো শুরু হয়েছে।

শনিবার (২৫ মে) ও আগামীকাল রবিবার (২৬ মে) এই পরীক্ষা চলমান থাকবে। প্রেসার ঠিক থাকলে এই কূপ থেকে প্রতিদিন ১৮ থেকে ২১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে এই গ্যাস যেতে পারবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কৈলাশটিলা ৮ নম্বর কূপ থেকে গ্যাসের সঙ্গে উপজাত হিসেবে কনডেনসেটও (তরল হাইড্রোকার্বন) মিলবে, তবে প্রতি ঘনফুট গ্যাসের সঙ্গে কী পরিমাণ কনডেনসেট মিলবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই তা জানা যাবে।

সিলেট গ্যাস ফিল্ড সূত্রে জানা যায়, সারা দেশে গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে নতুন যেসব প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়, তার একটি এই কৈলাশটিলা ৮ নম্বর কূপ। এ কূপের খনন কাজ শুরু হয় চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি। সাড়ে ৪ মাসে সফলভাবে খনন কাজ শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য গ্যাসের প্রেশারসহ অন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছে। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে গ্যাসের মজুতের পরিমাণ জানাবেন সংশ্লিষ্টরা। সিলেট গ্যাস ফিল্ড কোম্পানির এই কূপটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে খনন করছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্স। কূপের মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে বিদ্যমান পাইপলাইন ও আড়াই কিলোমিটার দূরত্বে ব্যবহারযোগ্য প্রসেস প্ল্যান্ট রয়েছে। 

তাই দ্রুত এই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব বলে জানান কর্মকর্তারা। সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানান, কৈলাশটিলা ৮ নম্বর কূপ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ২১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়েছে। কূপের ৩ হাজার ৪৪০ থেকে ৫৫ হাজার ফুট গভীরতায় গ্যাস পাওয়া গেছে। পাইপলাইন হয়ে গেলে আগামী তিন মাসের মধ্যে এই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা যাবে।

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়াই হবে নজরুলের প্রতি শ্রদ্ধা: কাদের

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৪, ০৮:৩৫ এএম
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়াই হবে নজরুলের প্রতি শ্রদ্ধা: কাদের
ছবি : খবরের কাগজ

সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ সমূলে উৎপাটিত করে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে পারলেই জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (২৫ মে) সকালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানাতে এসে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আজকের এদিনে বলতে চাই, আমরা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী হয়েছি। কিন্তু সেই বিজয়কে সুসংহত করার এখনো অনেক কাজ বাকি। বিজয়কে সুসংহত করার পথে বাধা দিতে বিএনপির পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশের কিছু সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি তৎপর। আজকের এ দিনে বলতে চাই, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষকে সমূলে উৎপাটিত করে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়াই হবে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি, বিদ্রোহ বেদনার কবি, যৌবনের কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় কবি। জাতীয় কবির জন্মতিথিতে আমরা বলব, বাঙালি জাতির স্বাধিকার সংগ্রাম, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা সংগ্রামে আমাদের প্রেরণার উৎস হচ্ছেন কবি নজরুল। যার কবিতা, গান স্বাধীনতা ও স্বাধিকার সংগ্রামে আমাদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

বিএনপি নেতাদের এক অভিযোগ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীকে জেলে পাঠানোর এজেন্ডা আমাদের নেই। যে দুর্বৃত্ত, অগ্নিসন্ত্রাস, খুন করে, অস্ত্র ব্যবসা করে, অপরাধীর বিরুদ্ধে জেল-জুলুম হয়, মামলা হয়। সেখানে কোনো বিএনপি বা কোনো দলের ব্যাপারে নির্বাচনের পর নতুন করে আমরা কোনো চিন্তাভাবনা করিনি। এমন চিন্তা নেই যে, রাজনৈতিক দলের কাউকে নির্যাতন করব, জেলে পাঠাব।

তবে অপরাধ করে কেউ পার পাবে না এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের কেউ যদি অপরাধ করে থাকে, এসবের সঙ্গে যারা জড়িত তারা রাজনৈতিক নেতা বা কর্মী নয়, এরা হচ্ছে দুর্বৃত্ত। তাদের শায়েস্তা করতেই হবে জনস্বার্থে, জাতীয় স্বার্থে।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়া, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন প্রমুখ।

জয়ন্ত সাহা/অমিয়/

‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু’ গানটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে গাওয়ার অনুরোধ কবি পরিবারের

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৪, ০৮:১৩ এএম
‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু’ গানটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে গাওয়ার অনুরোধ কবি পরিবারের
ছবি : খবরের কাগজ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু...’ গানটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের পরে গাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

শনিবার (২৫ মে) ভোরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মজয়ন্তীতে কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে এসে এই দাবি করেন কবির নাতনি নজরুল সংগীতশিল্পী খিলখিল কাজী।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন কবির আরেক নাতনি মিষ্টি কাজী। 

খিলখিল কাজী বলেন, জাতীয় সংগীতের পরে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় কবির ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু’ গানটি বাজানোর অনুরোধ জানাই। এ গানে তিনি দেশ ও মানুষের মুক্তির কথা বলেছেন। মানুষের এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেছে। এ গানটি নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর খুব প্রিয় ছিল। মানুষকে আলোকিত পথে নিয়ে যাওয়ার দিকনির্দেশনা দেয়।

বিদ্রোহী কবির রচনাবলি বিশ্বের নানা ভাষায় অনুবাদের দাবি রেখে খিলখিল কাজী বলেন, নজরুল রচনাবলি আমাদের জাতীয় সম্পদ। এ রচনাবলি অনুবাদের মাধ্যমে পৃথিবীর সব ভাষাভাষী মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হোক। তার রচনা অনুবাদের দায়িত্ব সরকারের। নজরুল ইনস্টিটিউটের পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের দাবি হলো, এ কাজটি দ্রুত করা হোক। 

জাতীয় কবির জন্মদিনের দিনটি সরকারিভাবে ছুটি ঘোষণার দাবিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। 

জয়ন্ত সাহা/অমিয়/