ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

এলজিইডির প্রকৌশলীর স্ত্রীর ৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ০১:২১ পিএম
আপডেট: ২১ মে ২০২৪, ০১:২১ পিএম
এলজিইডির প্রকৌশলীর স্ত্রীর ৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

অবৈধ উপায়ে অন্তত ৬ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পিআরএল ভোগরত) মো. মজিবুর রহমান সিকদারের স্ত্রী কামরুন নাহারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মামলা হয়েছে। 

সোমবার (২০ মে) দুদকের ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন দুদক উপপরিচালক জেসমিন আক্তার। 

এজাহারে বলা হয়, কামরুন নাহার একজন গৃহিণী হওয়া সত্ত্বেও স্থাবর-অস্থাবরসহ মোট ৬ কোটি ৯ লাখ ২৮ হাজার ২৭৫ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। এসব সম্পদের বৈধতা দেখানোর জন্য তিনি মাছের ঘের লিজ নিয়ে ব্যবসা করার মিথ্যা তথ্য-উপাত্ত দুদকে দাখিল করেছেন। এ ক্ষেত্রে লিজসংক্রান্ত চুক্তির কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্টি করা হয়েছে। কামরুন নাহার তার আয়কর বিবরণীতে ২০০১-০২ করবর্ষ থেকে ২০২০-২১ করবর্ষ পর্যন্ত মোট আয় দেখিয়েছেন ৬ কোটি ৭৪ লাখ ৮ হাজার ৮১৪ টাকা।

এর মধ্যে বৈধ উৎস ছাড়াই আয় দেখানো হয়েছে ৫ কোটি ৫৪ লাখ ৬৪ হাজার ২৭৫ টাকা এবং রাখি-মালের ব্যবসা (স্টক বিজনেস) বাবদ আয় দেখানো হয়েছে ৫৪ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। এটি ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়েছে। অর্থাৎ কামরুন নাহারের ৬ কোটি ৯ লাখ ২৮ হাজার ২৭৫ টাকার সম্পদ অর্জনের বৈধ কোনো উৎস পাওয়া যায়নি। এদিকে দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে তিনি ৫ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ৪৫৩ টাকার সম্পদের মালিকানা দেখিয়েছেন। ফলে তিনি ৯৪ লাখ ২৩ হাজার ৮২২ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। 

এদিকে ৪ কোটি ২০ লাখ ৩৭ হাজার ৫২৮ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে কামরুন নাহারের স্বামী মজিবুর রহমান সিকদারের বিরুদ্ধে গত ১৪ মে আরেকটি মামলা করেন দুদক উপপরিচালক জেসমিন আক্তার। ওই এজাহারে বলা হয়, মজিবুর রহমান সিকদার তার সম্পদ বিবরণীতে স্থাবর ও অস্থাবর মোট ১০ কোটি ৭৮ লাখ ৯০ হাজার ৯৩৬ টাকার সম্পদের মালিকানা উল্লেখ করেন। যাচাইকালে তার নামে মোট ১২ কোটি ২ লাখ ৯৪ হাজার ৯৩৬ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ বাকি ১ কোটি ২৪ লাখ ৪ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য তিনি গোপন করেছেন। অনুসন্ধানে তার পারিবারিক মোট ব্যয়সহ ৮ কোটি ৬৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪৭৭ টাকার সম্পদের বৈধ উৎস পাওয়া যায়। ফলে বাকি ৪ কোটি ২০ লাখ ৩৭ হাজার ৫২৮ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ বলে প্রমাণিত হয়েছে। 

মজিবুর রহমান সিকদার তার অবৈধ সম্পদকে বৈধতা দেখানোর অপকৌশলের অংশ হিসেবে চা বিক্রেতা, পান বিক্রেতা, মুদি দোকানদার, কাঠমিস্ত্রি, কৃষক এবং প্রবাসী শ্রমিকের কাছ থেকে দানের মাধ্যমে প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের ২০৩ দশমিক ৫ শতাংশ জমির মালিকানা উল্লেখ করেছেন। অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট দানের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রমাণিত হয়। দানকারীদের কারও সঙ্গে মজিবুর রহমান সিকদারের কোনো রকম আত্মীয়তারও সম্পর্ক নেই। 

আছাদুজ্জামানের তথ্য ফাঁস করায় এডিসি জিসানুল হক বরখাস্ত

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:৪৫ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:৪৫ পিএম
আছাদুজ্জামানের তথ্য ফাঁস করায় এডিসি জিসানুল হক বরখাস্ত
আছাদুজ্জামান মিয়া ও জিসানুল হক

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের অভিযোগে গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) জিসানুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। 

রবিবার (২৩ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের শৃঙ্খলা শাখা থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এর আগে আছাদুজ্জামানের ব্যক্তিগত তথ্য কীভাবে অনলাইনে গেল, সেটি নিয়ে তদন্ত করে পুলিশ। এই কর্মকর্তা ছাড়াও পুলিশের আরও দুই নন-ক্যাডার সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়। তাদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মো. জাহাংগীর আলম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জিসানুল হকের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। সরকারি চাকরি আইন-২০১৮-এর ধারা ৩৯ (১) এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮-এর বিধি ১২ (১) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালীন তিনি বাংলাদেশ সার্ভিস রুল অনুযায়ী খোরপোশ ভাতা প্রাপ্য হবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

সংসদ ভবনে ‘মুজিব ও স্বাধীনতা’ জাদুঘরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:৩৩ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:৩৩ পিএম
সংসদ ভবনে ‘মুজিব ও স্বাধীনতা’ জাদুঘরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ ভবনে নির্মিত ‘মুজিব ও স্বাধীনতা’ জাদুঘরের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা। সোমবার (২৪ জুন) বিকেলে সংসদ ভবনের ১ম লেভেলে স্থাপিত ওই জাদুঘর পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জাদুঘরে প্রদর্শিত বিভিন্ন স্থিরচিত্র ও ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে অবহিত করেন। 

পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন এবং জাদুঘরের সংগ্রহশালার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে এ ধরনের জাদুঘর নির্মাণে উদ্যোগের জন্য স্পিকারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শন শেষে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যসহ জাতীয় সংসদের সদস্যরাও জাদুঘরটি পরিদর্শন করেন। 

‘মুজিব ও স্বাধীনতা’ জাদুঘরের প্রথম কক্ষে বাংলার প্রাচীন ইতিহাস থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধুর শৈশব ও কৈশোর, খোকা থেকে শুরু হয়ে তারুণ্যে মুজিব ভাই হয়ে ওঠা, ভারত ভাগ ও পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা, উত্তাল ভাষা আন্দোলন ও ১৯৫০-এর দশকের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, বাঙালির মুক্তির সনদ ৬ দফা, ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান ও ১৯৭০-এর নির্বাচন পর্যন্ত প্রদর্শিত হয়েছে। 

সত্তরের ঐতিহাসিক নির্বাচনে বিজয়ের প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে ঘটনাপ্রবাহ এগিয়ে গেছে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসের দিকে। ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, ২৫ মার্চের গণহত্যা, ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা, ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে সর্বস্তরের মানুষের অকাতর সংগ্রাম এবং মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের আত্মত্যাগের ধারাবর্ণনাও স্থান পেয়েছে এই কক্ষে। একাত্তরে বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল বিজয়, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ অবদানের সঙ্গে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠন, আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের পরিচিতি করার ইতিহাস। বঙ্গবন্ধুর পারিবারিক জীবনের কিছু খণ্ডচিত্র এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা স্থান পেয়েছে জাদুঘরে।

এলিস/এমএ/ 

মুখে বললেও বিএনপিতে গণতন্ত্র নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:২০ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:২০ পিএম
মুখে বললেও বিএনপিতে গণতন্ত্র নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ নেতাদের দল নয়, কর্মীদের দল। এখানে দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র আছে। এখানেই অন্য দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের পার্থক্য। বিএনপি মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে, কিন্তু তাদের নিজের দলেই গণতন্ত্র নেই। সেই কারণে যখনই শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সাধারণ কর্মীরা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (২৪ জুন) বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বিএনপির জন্মটাই অগণতান্ত্রিকভাবে। বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল চলে, সেখানে সিদ্ধান্ত আসে দেশের বাইরে থেকে, পদায়ন-মনোনয়ন হয় রাতের আঁধারে। আর পত্রিকায় ‘মহাসচিবের খোঁজে বিএনপি’ শিরোনাম আর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কান্নার ছবি ছাপা হয়। যদিও তারা বলে, মির্জা ফখরুল সাহেবের কান্না বেগম জিয়ার অসুস্থতার জন্য, কিন্তু আমরা জানি, বেগম জিয়া তো দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ।” 

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের ৭৫ বছরের পথচলায় যেসব নেতা বেসুরে কথা বলেছেন, দল ছেড়ে চলে গেছেন, তারা রাজনীতি থেকেও হারিয়ে গেছেন। ১৯৭৫ সালের পর জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগকে বিভক্ত করার অপচেষ্টা করেছেন। শেখ হাসিনা সেই দ্বিধাবিভক্তি থেকে আওয়ামী লীগকে রক্ষা করে সুসংযত করেছেন। গত ৪৩ বছর ধরে দলকে অসামান্য নেতৃত্ব দিয়ে পরপর চারবারসহ মোট পাঁচবার রাষ্ট্রক্ষমতায় গেছেন। দেশকে বিশ্বের বুকে অনন্য উচ্চতায় আসীন করেছেন।

এ সময় দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করতে গিয়ে কাউকে যেন ‘ইনোসেন্ট ভিক্টিম’ বা কোনো প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্নবিদ্ধ করা না হয়, সে বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই গণমাধ্যমে দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ হবে। আমাদের সরকারের নীতি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রয়াস হিসেবে যদি ধারাবাহিকভাবে সংবাদ পরিবেশিত হয়, তাহলে বুঝতে হবে সেটি ষড়যন্ত্রের অংশ। ইনভেস্টিগেশনের আগেই গণমাধ্যমের সামনে কাউকে দুর্নীতিবাজ বলাও সমীচীন নয়।’

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, অবশ্যই দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ হবে এবং সেটি দুর্নীতি দমনে সহায়ক। কিন্তু কেউ যেন ‘ইনোসেন্ট ভিক্টিম’ না হয় এবং কোনো প্রতিষ্ঠানকে যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না করা হয়, সে বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজন।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ডা. অরূপ রতন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানার সঞ্চালনায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন এমপি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।

দুর্নীতিতে অভিযুক্তদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা পেলে ব্যবস্থা: আইজিপি

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৮:৪৩ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৮:৪৩ পিএম
দুর্নীতিতে অভিযুক্তদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা পেলে ব্যবস্থা: আইজিপি
ছবি : খবরের কাগজ

দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা ব্যক্তিদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার নির্দেশনা পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

সোমবার (২৪ জুন) পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ১১০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সেগুন বাগিচায় আয়োজিত শোভাযাত্রা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন তিনি।

সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের দুর্নীতির বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হচ্ছে। এরপর আমরা দেখছি, শুনছি যে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নির্বিঘ্নে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, ‘পুলিশ যা করে, আইন মেনেই করে। তবে পুলিশ চাইলে যে কাউকে যেকোনো সময় স্টপ করতে পারে না। এ জন্য আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে হয়। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা ব্যক্তিদের বিদেশযাত্রার নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে নির্দেশনা পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ সময় ঢাকা রেঞ্জের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রথম বুলেট নিক্ষেপকারী ঢাকা রেঞ্জ পুলিশ দেশ সেবায় আরও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করি।’

এর আগে শোভাযাত্রায় অংশ নেন রেঞ্জ পুলিশের সদস্যরা।

রাষ্ট্রায়ত্ত ৫৬ প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকের পাওনা ৫১ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৮:১৯ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৮:১৯ পিএম
রাষ্ট্রায়ত্ত ৫৬ প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকের পাওনা ৫১ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী
ফাইল ছবি

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ৫৬টি প্রতিষ্ঠানের কাছে সরকারি-বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ৫১ হাজার ৩৯১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা পাওনা বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। 

সোমবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। এসময় অধিবেশনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। 

অর্থমন্ত্রী জানান, রাষ্ট্রায়ত্ত এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রায় ১৫ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) কাছে। এছাড়া বড় অঙ্কের টাকার মধ্যে চিনি কলগুলোর কাছে পাওনা প্রায় ৭ হাজার ৮১৩ কোটি টাকা; সার, রাসায়নিক ও ওষুধ শিল্পের কাছে ৭ হাজার ২৫০ কোটি টাকা, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কাছে ৫ হাজার ১৮ কোটি টাকা, বাংলাদেশ বিমানের কাছে পাওনা ৪ হাজার ৪৪১ কোটি টাকা। 

চট্টগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব উর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে কোনো ব্যাংকেই আর্থিক সংকট নেই। তবে কতিপয় ব্যাংকে উচ্চ খেলাপি ঋণ, মূলধন ঘাটতি ও তারল্য সমস্যা বিদ্যমান। এ সমস্যা নিরসনে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন করে কর্মকর্তা নয়টি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পর্যবেক্ষক হিসেবে এবং সাতটি ব্যাংকে কো-অর্ডিনেটর হিসেবে নিয়োজিত। 

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানত হ্রাস পাওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হওয়ায় মানুষ আমানত তুলে বিনিয়োগ করছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থাহীনতা বা মূল্যস্ফীতির কারণে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানত কমছে না। 

এলিস/এমএ/