ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩১, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নতুন কমিটির আত্মপ্রকাশ

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৪, ০২:৪৬ পিএম
আপডেট: ২১ মে ২০২৪, ০৩:১৬ পিএম
একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নতুন কমিটির আত্মপ্রকাশ
জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে নতুন কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়। ছবি : খবরের কাগজ

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির অষ্টম জাতীয় সম্মেলনের পর মঙ্গলবার (২১ মে) নতুন কমিটির সদস্যদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি শহিদজায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক শহিদসন্তান আসিফ মুনীর তন্ময়। তিনি আগের কমিটির আইসিটি সেলের প্রধান। 

মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে ৯১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির নাম ঘোষণা করেন আগের কমিটির সভাপতি লেখক ও সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির।

নতুন কমিটিতে নির্বাহী সভাপতির দায়িত্বে আছেন আগের কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল। 

সাতজন সহসভাপতির মধ্যে রয়েছেন তিন শহিদসন্তান ড. মেঘনা গুহ ঠাকুরতা, তানভীর হায়দার চৌধুরী শোভন, শমী কায়সার। সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন সমাজকর্মী কেশব রঞ্জন সরকার। 

৫৫ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সভাপতির পদে রয়েছেন শাহরিয়ার কবির। সদস্য হিসেবে রয়েছেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, বিচারপতি শামসুল হুদা, বিচারপতি মমতাজউদ্দিন আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক অনুপম সেন, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাট্যজন নাসির উদ্দীন ইউসুফ, সংসদ সদস্য ও শহিদ পরিবারের সন্তান মানবাধিকারকর্মী আরমা দত্তসহ আরও অনেকে। 

কমিটির উপদেষ্টা মুনতাসীর মামুন বলেন, ‘নির্মূল কমিটিকে পরিচালনা করতে গিয়ে পদে পদে প্রতিবন্ধকতার শিকার হয়েছি। উচ্চ পর্যায় থেকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে আমাদের। আমাদের পরিত্যাজ্য করার একটা সিন্ডিকেট রয়েছে। অথচ সরকার যখন বিপদে পড়ে, তখন সরকারের পক্ষ থেকে শাহরিয়ার কবিরকে অনুরোধ জানায় তাদের পক্ষে যেন বিবৃতি দেয়।’ 

নবনির্বাচিত সভাপতি শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী বলেন, ‘সমাজে যেকোনো অন্যায়, অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ায় একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। আমরা পদের দাবিদার না। নিজের লাভের জন্য কারও দরজায় দরজায় ঘুরি না। আমরা সেই কাজটি করি যাতে সমাজ উপকৃত হয়।’ 

নবনির্বাচিত কমিটির নতুন কর্মসূচি নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের অবহিত করেন নতুন কমিটির সদস্যরা।

সংবাদ সম্মেলনে শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘দেশে সংখ্যালঘুর অধিকার রক্ষায় সরকারের কর্মসূচি পর্যাপ্ত মনে হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে আমরা সংখ্যালঘু কমিশন গঠনের আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছি। সরকার যদি তা করতে না পারে, তবে আমরাই জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করব।’ 

এ বিষয়ে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, ‘ভারত, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ায় বিচারিক ক্ষমতাসম্পন্ন জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন রয়েছে। বাংলাদেশে যদিও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রয়েছে, তবে তাদের তেমন ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। আমরা এখনো সরকারের কাছে বিচারিক ক্ষমতাসম্পন্ন সংখ্যালঘু কমিশনের দাবি জানাই। সরকার যদি না পারে, তবে আমরা নিজেরাই এ কমিশন গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেব।’

একাত্তরের মুক্তিসংগ্রামের ঐতিহাসিক আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র এবং নথিপত্রগুলোকে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করার দাবি নিয়ে কাজ করবে নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় পরিষদ। সাম্প্রদায়িকতা ও জাতিগত বিদ্বেষের বিস্তার ঘটছে উল্লেখ করে নবনির্বাচিত কমিটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এ নিয়ে সক্রিয় হবে বলে জানান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ রসূল। 

দেশে সংখ্যালঘু নিপীড়নের ঘটনায় নির্যাতিত নারীরা যেন আইনি সহায়তা পান, সে জন্য কাজ করার কথা জানিয়েছে কমিটি। 

সারা দেশে ৬২টি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিটি। এসব এলাকায় নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে ১৩টি মেডিকেল টিম কাজ করতে শুরু করবে। কারণ ব্যাখ্যায় কমিটির সদস্যরা বলেন, ‘নির্যাতনের শিকার নারীদের মাত্র ১০ ভাগ বিচার চাইতে যান। তখন অনেকাংশে দেখা যায়, ঘটনার আলামত নষ্ট করে ফেলা হয়েছে বা ভুক্তভোগীদের শারীরিক পরীক্ষার সময় পেরিয়ে যায়। তখন মামলার কার্যক্রমে জটিলতা দেখা দেয়। এজন্য আমাদের টিম সক্রিয়ভাবে কাজ করবে।’

নির্মূল কমিটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হয়রানির শিকার ভিকটিমদের আইনি সহায়তা দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। 

নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক আসিফ মুনীর তন্ময় জানান, নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আলোকিত করতে একাত্তরের ১১ জন শহিদ বুদ্ধিজীবীর নামে তরুণ বিগ্রেড গঠন করা হয়েছে৷ নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পাঠদান কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

জয়ন্ত সাহা/সালমান/

মোটরসাইকেল-ইজিবাইক নীতিমালা করার নির্দেশনা দিলেন মন্ত্রী

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৪, ০১:২৩ পিএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৪, ০১:২৩ পিএম
মোটরসাইকেল-ইজিবাইক নীতিমালা করার নির্দেশনা দিলেন মন্ত্রী
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

সড়ক-মহাসড়কে চলাচলের সময় গতিসীমা নীতিমালার তোয়াক্কা না করে একের পর এক দুর্ঘটনার কারণ হয়ে ওঠা মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকগুলোকে এবার নিয়ন্ত্রণ করতে চায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।

বুধবার (১৯ জুন) সকালে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক নীতিমালা প্রণয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরীকে নির্দেশনা দেন।
  
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ইদানিং অ্যাক্সিডেন্টের যে প্রবণতা তাতে দেখা যাচ্ছে, মোটরসাইকেলে অ্যাক্সিডেন্ট বেশি। ইজিবাইকগুলো ....তিন চাকার.. এগুলোও এক্সিডেন্টের মূল কারণ। বিআরটিএ বলছে, ৯৫টি দুর্ঘটনায় ৯২টি ক্যাজুয়ালিটির ঘটনা ঘটেছে (আদতে ৯৯টি দুর্ঘটনায় ১০৭ জনের প্রাণহানি হয়েছে)। দেখা যাচ্ছে এ পর্যন্ত যত অ্যাক্সিডেন্ট, মোটরসাইকেলে সবচেয়ে বেশি; এরপর ইজিবাইক।’

পরে তিনি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিবকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘সচিব সাহেবকে বলব, নীতিমালা করা প্রয়োজন। সারা দেশে লক্ষ লক্ষ তিন চাকার গাড়ি (ইজিবাইক), মোটরসাইকেল। এগুলো রাস্তার শৃঙ্খলাকে নিদারুণভাবে বিঘ্নিত করছে। কাজেই এখানে একটা সুষ্পষ্ট নীতিমালা থাকা প্রয়োজন। আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি, মানুষের জীবনটা আগে; জীবিকা নয়। এখন জীবিকা রক্ষা করতে গিয়ে জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেওয়ার মানে হয় না।’

গত ১৮ মে বিআরটিএর নির্দেশনায় ঢাকায় ব্যাটারি অথবা মোটরচালিত রিকশাভ্যান বন্ধের নির্দেশনা আসে। সারাদেশে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের কথাও সেই সময় উঠে আসে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়। কিন্তু সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা যায়নি রিকশাভ্যান মালিক-শ্রমিকদের জোরালো প্রতিবাদের কারণে। নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে আলোচনাও বন্ধ হয়ে যায়। 

বুধবার সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ের সময় ওবায়দুল কাদের এতে দায় দেখেন জনপ্রতিনিধিদের। তিনি বলেন, ‘এই যে ইজিবাইকগুলো রাস্তা ও হাইওয়েতে অবাধে চলাচল করে, অনেক জায়গায় অনেক জনপ্রতিনিধি সমর্থন করে অথবা পেছন থেকে মদদ দেয়।’

ঈদুল আজহার পরে বুধবার থেকে কর্মজীবী মানুষ ঢাকা ফিরতে শুরু করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী শনিবার ঢাকামুখী চাপ বাড়বে প্রতিটি সড়ক-মহাসড়কে। সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগে কর্মকর্তাদের এই ফিরতি যাত্রায় বিশেষ নজরদারি জারি রাখার নির্দেশনা দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।
 
ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক কাঠামো দ্রুত সংস্কারের কথাও বলেন ওবায়দুল কাদের। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোর নিয়মিত আপডেট পেতে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগকে পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেন তিনি।

জয়ন্ত সাহা/অমিয়/

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৯ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৪, ১০:৩৫ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৪, ১২:২২ পিএম
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৯ জনের মৃত্যু
উখিয়ায় বালুখালীর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসের এক বাংলাদেশি ও আট রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। চলছে উদ্ধারকাজ। ছবি: টেকনাফ প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালীর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভারী বর্ষণে পৃথক পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক বাংলাদেশি ও আট রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। 

বুধবার (১৯ জুন) ভোরে বালুখালী পান বাজার ও হাকিমপাড়া ক্যাম্পে এ ধস হয়।

বিষয়টি খবরের কাগজকে নিশ্চিত করেছেন ৮ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আমির জাফর। 

তিনি জানান, বুধবার ভোরের দিকে ক্যাম্প ৯ ও ১০-এর পান বাজার এবং হাকিমপাড়ায় পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে মাটিচাপা পড়ে কয়েকটি বসতি। পান বাজার ক্যাম্পে এক বাংলাদেশিসহ পাঁচ জন ও হাকিমপাড়া ক্যাম্পে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মরদেহ উপজেলা প্রশাসনের কাছে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পুলিশ ও বাসিন্দাদের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এখনো উদ্ধার কাজ চলমান রেখেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। 

এর আগে কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে আব্দুল করিম (১২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আরও দুজন আহত হয়। 

বুধবার (১৯ জুন) ভোরে ১৪নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে লাগোয়া পালংখালী ইউনিয়ের চোরাখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

শিশু করিম পালংখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড চোরাখোলা এলাকার শাহ আলমের ছেলে। সে থ্যাংখালী উচ্চবিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

ভোরে ভারী বৃষ্টির কারণে ১৪নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাহাড় ধসে এসে পালংখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড চোরাখোলা এলাকার কাঁটাতারের বাইরে শাহ আলমের বাড়ির দেয়াল ভেঙে যায়। সেই দেয়ালের নিচে চাপাপড়ে তার ছেলে আব্দুল করিম। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

মুহিববুল্লাহ মুহিব/অমিয়/

নতুন সময় অনুযায়ী অফিস শুরু আজ থেকে

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৪, ১২:২৫ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৪, ১২:২৫ এএম
নতুন সময় অনুযায়ী অফিস শুরু আজ থেকে

ঈদের ছুটি শেষ। বুধবার (১৯ জুন) থেকে দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান নতুন সময় অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। 

ঈদুল আজহার ছুটির পর প্রথম কর্মদিবস থেকে নতুন এ অফিস সময়সূচি কার্যকর হচ্ছে।

নতুন সময়সূচি অনুযায়ী যথারীতি কোর্ট-কাছারি ও স্টক মার্কেট চলবে।

গত ৩ জুন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

বাংলাদেশে স্বাভাবিক সময়ে অফিস চলতো সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। কিন্তু বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত করা হয়। এখন আবার আগের সময়সূচিতে ফিরছে অফিস সময়।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অফিস চলবে। তবে দুপুর একটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের জন্য বিরতি থাকবে। আর শুক্রবার ও শনিবার ছুটি থাকবে।
 
এখন কী কারণে অফিস সময় পুনঃনির্ধারণ করা হলো, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটিই তো স্বাভাবিক ছিল। দিনে ৮ ঘণ্টা কাজ হবে। ৫ দিনে ৪০ ঘণ্টা। এতদিন ৩৫ ঘণ্টা কাজ হতো, কিন্তু সেটি বিশেষ ব্যবস্থা ছিল। এখন আবার মূল অবস্থায় আসা হলো।

অমিয়/

নারায়ণগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের ২ আরােহী নিহত

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৪, ০৮:২১ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৪, ০৮:২১ পিএম
নারায়ণগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের ২ আরােহী নিহত
ছবি: খবরের কাগজ

নারায়ণগঞ্জে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী এক নারীসহ দুইজন নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) বিকেলে বন্দর উপজেলার লাঙ্গলবন্দ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল হক জানান, নিহতদের মধ্যে একজন হলেন জামালপুর জেলার অন্তর। তবে তার সঙ্গে থাকা নিহত নারীর পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকেল সোয়া তিনটার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে মোটরসাইকেলে একটি যাত্রীবাহী বাস পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়।

ওসি জানান, নিহতদের মাথায় আঘাত পেয়েছেন। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। নিহত অন্তরের মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঘটনা জানানো হয়েছে। নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা দেখে বাসটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

বিল্লাল হোসাইন/অমিয়/

অনুমোদনহীন ক্লিনিক বন্ধ করে দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৪, ০৪:২৩ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৪, ০৪:৪০ পিএম
অনুমোদনহীন ক্লিনিক বন্ধ করে দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

দেশের যে সমস্ত ক্লিনিকের অনুমোদন নেই বা চিকিৎসাসেবা দেওয়ার মতো মানসম্পন্ন নয় সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। 

মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগের কারণে অনেক রোগী মারা গেছেন। বিষয়টি আমরা আমলে নিয়ে কাজ করছি। অ্যানেসথেসিয়া ড্রাগ হ্যালোজিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এটা যে হাসপাতাল বা ক্লিনিকে ব্যবহার করবে, যে ফার্মেসি বা দোকানে বেচাকেনা হবে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা হবে। এরই মধ্যে এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে রাজধানীর কয়েকটি বড় হাসপাতাল ভিজিট করে একজন ডাক্তার হিসেবে লজ্জা লাগছে। একটি হাসপাতালের ইমাজেন্সিতে গিয়ে বুঝা যায় এই হাসপাতালের ভেতরের অবস্থা কী। একজন ডাক্তার হিসেবে খুব লজ্জিত হই। আমাদের এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। দেশের সাধারণ মানুষ খুব বেশি কিছু চান না। তারা শুধু চিকিৎসাসেবা চান।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্যসেবা সেমিনারে যখন যাই তখন আমরা শুধু একটি কথাই শুনতে পাই, প্রান্তিক পর্যায়ে বাংলাদেশ যে চিকিৎসাসেবায় উন্নতি করেছে সেজন্য সবাই প্রথমেই শেখ হাসিনার নাম নিয়ে বক্তব্য শুরু করেন।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্থানীয় সংসদ সদস্যরা যদি উপজেলা স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে নজর দেন তবে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত হতে বাধ্য। প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। আমরা সেই আলোকেই কাজ করে যাচ্ছি।’

এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সোনারাগাঁ উপজেলা হাসপাতালে মুজিব কর্ণার উদ্বোধন করেন।

এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল কায়সার, সিভির সার্জন মুশিয়ার রহমানসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তরা উপস্থিত ছিলেন।

সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল কায়সার বলেন, ‘মন্ত্রী কোথাও ভিজিট করলে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা বুঝানোর চেষ্টা করেন হাসপাতালটি পরিপূর্ণ ও সৌন্দর্য আছে। আমরা সঠিক বিষয়টি মন্ত্রী বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সামনে তুলে ধরি না।’

তিনি বলেন, ‘সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের নিয়ে আমরা অচিরেই সোনারগাঁয়ের প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন করব। সেখানে কী কী সমস্যা আছে সেগুলো চিহ্নিত করে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শরণাপন্ন হব। আমার বিশ্বাস স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমাদের সে সব সমস্যা সমাধান করবেন।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘বারদী কমিউনিটি ক্লিনিককে ২০ শষ্যা হাসপাতাল বানানোর জন্য মন্ত্রী আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন।’

বিল্লাল হোসাইন/সাদিয়া নাহার/অমিয়/