উনিশ শতকের শেষভাগে উপমহাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করে। ব্রিটিশ শাসকদের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। মানুষ পরাধীনতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে সংগঠিত হয়। এ রকম একটি সময়ে পূর্ববাংলায় আবির্ভূত হন আবদুল হামিদ খান। তার জন্মের প্রায় পাঁচ বছর পর ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় উপমহাদেশের প্রথম রাজনৈতিক দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস। দলটি ভারতের রাজনীতিতে এবং দেশ-ভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কাছাকাছি সময়ে একজন রাজনীতিক এবং একটি রাজনৈতিক দলের জন্মের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।

আমরা যদি আবদুল হামিদ খানের জন্ম-ইতিহাস পর্যালোচনা করি তাহলেই পাঠক উপলব্ধি করতে পারবেন উপমহাদেশের রাজনীতির সঙ্গে তিনি কতটা সম্পৃক্ত ছিলেন।
ব্রিটিশ ভারতে সিরাজগঞ্জ ছিল পাবনা জেলার একটি মহকুমা। যমুনা নদীর তীরে সিরাজগঞ্জ শহরের অদূরে ধানগড়া গ্রামে হাজি শরাফত আলী খান ও মজিরন নেসা বিবির ঘরে জন্ম নেন আবদুল হামিদ। তার বড় এবং ছোট দুই ভাই এবং এক বোন। তার বয়স যখন চার কিংবা পাঁচ বছর, তখন তার বাবা মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর ভয়ংকর বিপদে পড়ে পরিবারটি। তার দুঃসম্পর্কের চাচা ইবরাহিম জমিজমা দেখভাল করতেন। তাদের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও ছিল। সেটিও ছিল চাচার নিয়ন্ত্রণে। পরিবারের খরচাপাতি দেওয়ার ব্যাপারে তিনি খুবই উদাসীন ছিলেন। তার পরও চাচার ওপরই তাদের ভরসা করতে হতো।
হঠাৎ এক রাতে যমুনা থেকে উঠে আসা ওলাওঠা রোগ ছড়িয়ে পড়ে ধানগড়া গ্রামে। সেই রোগ এক রাতেই আবদুল হামিদের মা আর দুই ভাইকে কেড়ে নেয়। তিনি আর ছোট বোন চাচার আশ্রয়ে থাকতে বাধ্য হন। কিছুদিন তিনি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেন। মাকে হারানোর দুই বছরের মধ্যেই আবদুল হামিদ চাচার বাড়ি থেকে অজানার পথে বেরিয়ে পড়েন। কিশোর বয়স। ছন্নছাড়া জীবন। অনেক দিন-রাত অনাহারেই কাটাতে হয় তাকে। আশ্রয় নেন অচেনা-অজানা অনেকের গৃহে। যমুনার জেলে নৌকায়ও তার অনেক রাত কাটে।
বিশ শতকের প্রথমার্ধে ইরাক থেকে ধর্ম প্রচারের জন্য আসেন আধ্যাত্মিক সাধক সৈয়দ নাসিরউদ্দিন বোগদাদি। ঘটনাচক্রে তার সঙ্গে আবদুল হামিদের পরিচয় হয়। তিনি তার কাজে সহযোগিতা করেন। তার বিনয় এবং একাগ্রতা দেখে মুগ্ধ হন বোগদাদি। ১৯০৪ সালে তিনি আসামে যাওয়ার সময় আবদুল হামিদকে সঙ্গে নিয়ে যান। তার আগ্রহ ও প্রতিভা দেখে বোগদাদি সিদ্ধান্ত নেন, ইসলামি ধর্মশাস্ত্রে তাকে লেখাপড়া শেখাবেন। বিলম্ব না করে তিনি আবদুল হামিদকে দেওবন্দে মাওলানা মাহমুদুল হাসানের কাছে পাঠান। ১৯০৭ থেকে ১৯০৯ সাল পর্যন্ত আবদুল হামিদ দেওবন্দে ছিলেন। দুই বছর ধর্মশাস্ত্রের ওপর পড়াশোনা শেষে তিনি কাগমারীতে ফিরে আসেন। এখানে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। এসময় তার সঙ্গে চরমপন্থি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে পরিচয় ঘটে। পরে তিনি চরমপন্থিদের সঙ্গে কিছু কাজকর্মও করেন।
১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার পর শুরু হয় বিশ্বযুদ্ধ। যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বেই খাদ্যদ্রব্যের দাম বেড়ে যায়। পূর্ববাংলার বিভিন্ন জেলায় দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। সে সময় তিনি দুর্ভিক্ষপীড়িতদের সেবায় কাজ করেন। সেই থেকে অবহেলিত, সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের সাহায্য-সহযোগিতায় তিনি নিজেকে নিয়োজিত করেন।
১৯১৭ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ ময়মনসিংহ সফরে আসেন। তিনি এখানে বিভিন্ন সমাবেশে বক্তৃতা করেন। তার বক্তৃতা আবদুল হামিদকে উজ্জীবিত করে এবং তিনি রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯২১ সালে দেশবন্ধুর নেতৃত্বে সারা দেশে যে অসহযোগ আন্দোলন হয় তাতে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। ১৯২৪ সালে তিনি আসামে কৃষকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন শুরু করেন। আসামের ধুবড়ী জেলার ভাসানচরে বহিরাগত বাঙালি কৃষকদের নিয়ে তিনি একটি বৃহৎ সমাবেশ করেন। সেই সমাবেশ থেকেই আবদুল হামিদকে ‘ভাসানীর মওলানা’ ডাক শুরু হয়। তার পর ধীরে ধীরে মওলানা ভাসানী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। শুধু রাজনীতিক নয়, পীর হিসেবেও তিনি আসামে খ্যাতি লাভ করেন। ধুবড়ী জেলায় অসংখ্য ভক্ত তার কাছে মুরিদ হন।
মওলানা ভাসানী তখন জয়পুরহাটে জমিদার বাড়িতে থাকেন। ওই বাড়ির কন্যা আলেমা খাতুনকে বিয়ে করেন। বিয়ের অল্প দিনের মধ্যেই ঘটল অঘটন! তিনি যেহেতু কৃষকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করতেন, সেহেতু পূর্ববাংলার জমিদাররা তাকে শত্রু মনে করতেন। তারা মনে করতেন, জমিদারদের বিরুদ্ধে তিনি প্রজাদের ক্ষেপিয়ে তুলছেন। তাই কয়েকজন জমিদার জোটবেঁধে নালিশ করলেন সরকারের কাছে। তার প্রতিক্রিয়া হিসেবে ১৯২৬ সালের শেষ দিকে পূর্ববাংলা সরকার ভাসানীকে ‘অবাঞ্ছিত ব্যক্তি’ ঘোষণা করে। গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য স্ত্রীকে রেখেই তিনি আসামে চলে যান। আসামেও কৃষকদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম ছড়িয়ে দেন। ১৯৩৮ সালে আসামে লাইনপ্রথা আন্দোলন তীব্র হয়ে ওঠে। ১৯৪৭ সালে দেশ-ভাগের সময় পর্যন্ত তার আন্দোলন অব্যাহত ছিল।
১৯৪৭ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলা ও আসাম লীগের কমিটির জরুরি সভায় মওলানা ভাসানী সভাপতিত্ব করেন। ওই সমাবেশ থেকে ১০ মার্চ আসাম দিবস ঘোষণা করা হয়। ওই দিনই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান চলে যাওয়ার শর্তে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। পরে তাকে আসাম সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তানে ঠেলে দেওয়া হয়। সেখান থেকে তিনি টাঙ্গাইলে ফিরে আসেন। সন্তোষে তিনি স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দক্ষিণ টাঙ্গাইলের একটি আসন থেকে মুসলিম লীগের প্রার্থী হিসেবে ভাসানী নির্বাচিত হন। প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খাঁ পদত্যাগ করায় আসনটি শূন্য হয়। পরে অবশ্য গভর্নরের আদেশে ভাসানীর নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
১৯৪৯ সালে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে আওয়ামী মুসলিম লীগের আত্মপ্রকাশ ঘটে। দলটির গঠন প্রক্রিয়ায় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং তার শিষ্য শেখ মুজিব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। শেখ মুজিব জেলে থাকায় তাকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়। সাধারণ সম্পাদক করা হয় শামসুল হককে। আওয়ামী মুসলিম লীগ পরে আওয়ামী লীগ নাম ধারণ করে। এ দলটির নেতৃত্বে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন হয়। ভাষা আন্দোলনই এ দেশের স্বাধীনতার বীজ বপন করে।
১৯৫৭ সালের ঘটনা। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী অভিভক্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের একটি সামরিক চুক্তিকে কেন্দ্র করে সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে মতবিরোধ হয় মওলানা ভাসানীর। পরে তিনি কাগমারীতে সমাবেশ ডাকেন। ওই সমাবেশে তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, শহীদ তুমি আজ আমাকে পাক-মার্কিন সামরিক চুক্তি সমর্থন করতে বলছো। তুমি যদি আমাকে বন্দুকের নলের সামনে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞেস করো, আমি বলব ‘না’। তুমি যদি আমাকে কামানের সামনে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞেস করো, আমি বলব ‘না’। তুমি যদি আমাকে কবরে গিয়েও জিজ্ঞেস করো, সেখান থেকেও চিৎকার করে বলব ‘না’। সেই সমাবেশটি হয়েছিল ১০ ফেব্রুয়ারি। ১৮ মার্চ তিনি আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন এবং ২৫ জুলাই তিনি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি গঠন করেন।
মওলানা ভাসানী ছিলেন চীনপন্থি। চীনা প্রেসিডেন্ট মাও সে তুংয়ের সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক ছিল। ১৯৬৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে তিনি দেশটি সফর করেন। সেখানে তিনি মাও সে তুং ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাইসহ অন্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। চীন সফর শেষে ঢাকায় ফেরেন করাচি হয়ে। করাচির মেয়র তার সম্মানে নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করেন। মওলানার পরনে চিরাচরিত লুঙ্গি আর সাদামাটা পাঞ্জাবি। মাথায় তালের টুপি। তিনি মঞ্চে উঠলেন। তার বেশভূষা দেখে উপস্থিত দর্শক-স্রোতাদের মধ্যে গুঞ্জন, ইয়ে তো মিসকিন হ্যায়।
মওলানা ভাসানী ভাষণ শুরু করলেন পবিত্র কোরআন পাঠ করে। দর্শকদের মধ্যে আবার গুঞ্জন, ইয়ে তো মওলানা হ্যায়। এবার তিনি বিশুদ্ধ উর্দুতে বক্তৃতা করলেন। এবার দর্শকস্রোতারা মহা-উচ্ছ্বাসের সঙ্গে বললেন, আরে বাহ! ইয়ে তো পলিটিশিয়ান হ্যায়। এরপর ভাষণে মওলানা ভাসানী বিশ্বপরিস্থিতি এবং সাম্রাজ্যবাদী শোষণ-নিপীড়নের কথা বললেন। এবার দর্শকরা বিস্ময়ের সঙ্গে বললেন, হায় আল্লাহ! ইয়ে তো স্টেটসম্যান হ্যায়।
মওলানা ভাসানী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে নিজের ছেলের মতো ভালোবাসতেন। তার কোনো ক্ষতি হোক তা তিনি চাইতেন না। শেখ মুজিবও মওলানা ভাসানীকে অসম্ভব সম্মান করতেন। ‘পিতা-পুত্রের’ সম্পর্ক গভীর থেকে গভীরতর হয়েছিল। তার প্রমাণ মেলে ১৯৬৯ সালে। শেখ মুজিব রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আসামি। তার বিচার চলছে আদালতে। বিচারে মুজিবের ফাঁসি হবে বলে লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ে।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানও মওলানা ভাসানীকে সম্মান করতেন। একটা সময় মাও সে তুংয়ের পরামর্শে আইয়ুব খানকে সমর্থনও দিয়েছিলেন। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণের কারণে মওলানা ভাসানী সেই সমর্থন শেষ পর্যন্ত প্রত্যাহার করে নেন। মুজিবের বিচার প্রক্রিয়া যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে তখন তিনি তার মুক্তির দাবিতে রাজপথে নামেন। তার আন্দোলনের তোড়ে আইয়ুব খানের মসনদ খান খান হয়ে যায়। গণ-অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে আইয়ুব খানের পতন ঘটে। ক্ষমতার আসনে বসেন জেনারেল ইয়াহিয়া খান। পাকিস্তানি স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে শেখ মুজিবের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ আন্দোলন গড়ে তোলে। সে আন্দোলনে মওলানা ভাসানী পূর্ণ সমর্থন জানান। এভাবেই স্বাধীনতার আন্দোলন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে দেশকে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ামক শক্তি হিসেবে তিনি আবির্ভূত হন।
১৯৭০ সালের নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড়ে দক্ষিণাঞ্চলে প্রায় ১৫ লাখ লোক মারা যায়। মওলানা ভাসানী দুর্গত এলাকা সফর করে ঢাকায় ফিরে এসে ৪ ডিসেম্বর পল্টন ময়দানে জনসভা করেন। সভায় মওলানা ভাসানী বললেন, ১৯৫৭ সালে কাগমারী সম্মেলনে বলেছিলাম, পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের প্রতি তোমাদের শোষণ, জুলুম ও বেইনসাফি কার্যকলাপ বন্ধ না হলে আমি ‘আসসালামু আলাইকুম’ দিতে বাধ্য হব। এবার সর্বনাশা ঝড়ে লাখ লাখ লোক মরল, তোমরা কেউ দেখতে এলে না। ঝড়ের আগাম খবর দিলা না। আজ আমি চূড়ান্তভাবে জানাচ্ছি, ‘আসসালামু আলাইকুম’। মওলানা ভাসানী জেনে-বুঝেই ’৭০-এর নির্বাচন বর্জন করেছিলেন এবং পুত্রতল্য শেখ মুজিবকে ব্লাঙ্ক চেক দিলেন। স্বাধীনতা সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করতে সব ধরনের সহযোগিতা করেন।
বাংলাদেশ এবং আসামের রাজনীতির ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। তার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই অবহেলিত মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। তিনি কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। ব্রিটিশ কিংবা পাকিস্তানি শাসক- কোনো শক্তির কাছে মাথানত করেননি। সব সময় ন্যায়ের পক্ষে এবং অন্যায়ের বিপক্ষে সোচ্চার ছিলেন। আত্মসুখের জন্য কখনোই তিনি ভাবতেন না। সব সময় সমাজের অবহেলিত, পশ্চাদপদ মানুষের কথা ভাবতেন। তাদের কল্যাণে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। তাই তাকে মজলুম জননেতা হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়।
১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন। প্রয়াণ দিবসে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।
লেখক: কথাসাহিত্যিক ও সম্পাদক, খবরের কাগজ


