ঢাকা ১১ বৈশাখ ১৪৩১, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

অরণ্য রক্ষা করুন

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:৪১ এএম
অরণ্য রক্ষা করুন

বাংলাদেশে ক্রমশ সবুজ গাছগাছালির সংখ্যা কমছে। ঢাকা শহরে তো গাছপালার কোনো দেখা নেই। গাছের প্রয়োজন কতটা, এ নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। মনে রাখতে হবে, সবুজ প্রকৃতি না থাকলে আগামী দিনে আমাদের অস্তিত্ব থাকবে না। দুর্ভাগ্য, অরণ্য ধ্বংস করে সভ্যতা গড়ে তোলা হয়েছে। অপরদিকে গভীর বনজঙ্গলকে এখন ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে লোভী মানুষ। 

সবুজ প্রকৃতি ধ্বংসের কারণে বন্য প্রাণীর মধ্যে নানা ধরনের অস্বাভাবিকতা দেখা গেছে। ভূমির জলন্তর কমছে, নদীভাঙনের কবলে পড়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘনঘটা চারদিকে অনবরত। এত কিছুর পরও অধিকাংশ মানুষ এখনো সচেতন হয়ে উঠতে পারেনি সঠিকভাবে। সরকারও তো কম নয়, গাছপালা উজাড় করে শহরের আয়তন বৃদ্ধি করেই চলেছে। আবাসনের জন্য ঢাকার আশপাশে যত খাল, বিল, জলাশয় রয়েছে তা ভরাট করেই যাচ্ছে। কে কাকে বাধা দেবে, সবাই যে অরণ্য, বিল, জলাশয় ও ফসলের খেত ধ্বংসের দলে। বনাঞ্চল থেকে অযথা বৃক্ষ নিধন চলছে। সেই সঙ্গে ম্যানগ্রোভ ধ্বংস চলছে। অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে বৃক্ষনিধন। বেশি বেশি করে গাছ রোপণ করতে হবে। নদী-খাল-বিল-জলাশয় রক্ষা করতে হবে। 

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

রায়গঞ্জের চকনুর এলাকার রাস্তাটি সংস্কার চাই

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৫৫ পিএম
রায়গঞ্জের চকনুর এলাকার রাস্তাটি সংস্কার চাই

পুরাতন বগুড়া রোড নামে পরিচিত আঞ্চলিক মহাসড়কে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের চকনুর এলাকায় মগরোবের বাড়ির সামনে পাকা সড়কের একাংশ আনুমানিক ১০০ ফুট দেবে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দের। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে অসংখ্য যানবাহন, স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শত শত শিক্ষার্থী ও জনসাধারণ। গত ১৬ এপ্রিল দুপুরে সরেজমিন দেখা যায়, সড়কের ১০০ ফুট রাস্তা দেবে গেছে। দেখা দিয়েছে খানাখন্দের। ইতিপূর্বে মাটি ফেলে সংস্কার করা হলেও পাকা করা হয়নি।

হেলেদুলে চলছে ইজিবাইক, সিএনজি, অটোভ্যান, বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। কয়েকজন যানবাহন ড্রাইভারের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, অনেক দিন ধরেই এখানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। মাঝেমধ্যে ইট ও মাটি ফেলে সংস্কার করা হলেও পাকা করা হচ্ছে না। ফলে আমাদের মতো চালকদের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে। তাছাড়া বৃষ্টি হলে তো কথায় নেই। এমতাবস্থায়, উপজেলার চকনুর এলাকার সড়কের মগরোবের বাড়ির সামনে উন্নতমানের গাইড ওয়ালসহ রাস্তাটুকু সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

মো. মোকাদ্দেস হোসাইন সোহান 
গ্রামপাঙ্গাসী চাঁনপাড়া, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ
[email protected]

বাংলা সন-তারিখ লেখা বাধ্যতামূলক হোক

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৫৩ পিএম
বাংলা সন-তারিখ লেখা বাধ্যতামূলক হোক

তীব্র দহনের মধ্যেই আসে বাংলা নববর্ষের প্রথম মাস বৈশাখ। উৎসব শুরু এই বৈশাখ মাস থেকেই। বৈশাখজুড়ে হালখাতা, অক্ষয় তৃতীয়া, গণেশ পুজো। বৈশাখ মানেই মিষ্টিমুখ, ভূরিভোজ ও পান্তাভাতে ইলিশ মাছ ভাজা।  নতুন পোশাক পরার মুখ্যম সময় বৈশাখ মাস। বাঙালি হিন্দু পুরুষ সেজে ওঠে ধূতি-পাঞ্জাবি পরে। আর সব ধর্মের নারী পরে লাল, নীল রঙিন শাড়ি। তবে নববর্ষ আজ হয়ে গেছে একদিনের বাঙালি সাজার মতোই। তারপর বাংলা বর্ষ ভুলে গিয়ে আবার সবাই ফিরে যায় সেই বাংলা ইংরেজির মিশেলে। বাংলা ক্যালেন্ডার এখন তো বেরই হয় না। বাংলা তারিখ নিয়ে কারও যেন আগ্রহ নেই। 

আজকাল বাংলা ক্যালেন্ডারের বাংলা সন, তারিখ, মাস প্রতিদিন কোথাও ব্যবহার হচ্ছে না। সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি সাল-তারিখই ব্যবহার হয়। সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার প্রমুখ বাংলা ভাষার জন্য শহিদ হন ৮ ফাল্গুন। সেই দিনটি আজও ইংরেজি তারিখে উদযাপিত হয় অর্থাৎ একুশে ফেব্রুয়ারি। বাংলা ভাষার দাবিতে শহিদ হলো অথচ আজও শহিদ দিবস বা আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস হিসেবে ৮ ফাল্গুন তারিখ উহ্য থেকে গেল!  একমাত্র দৈনিক সংবাদপত্রে দেখা যায় ইংরেজি সাল-তারিখের পাশাপাশি বাংলা সন-তারিখের ব্যবহার। অন্যান্য ক্ষেত্রে কোথায়! কাজেই দৈনিক সংবাদপত্রের মতো সব ক্ষেত্রে বাংলায় সন, তারিখ, মাস লেখা বাধ্যতামূলক হোক। তবেই বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জীবনে বাংলা ভাষা সম্পূর্ণভাবে গুরুত্ব পাবে। 

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

গরমে বাড়ছে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি

প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৫৯ এএম
গরমে বাড়ছে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি

গ্রীষ্মের তপ্ত রোদে দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তাপপ্রবাহ। এ সময় ডায়রিয়া, আমাশয়সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। অতিরিক্ত গরমে হতে পারে হিট স্ট্রোক, পানিশূন্যতার মতো মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা। তীব্র গরমে কিছু নিয়ম মেনে চলে নিজের ও পরিবারের সবার সুস্থতা নিশ্চিত করুন। গ্রীষ্মের এ তীব্র গরম ও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে বেশ কিছু টিপস মেনে চলতে হবে। তাহলে চলুন প্রথমেই জেনে নিই হিট স্ট্রোক কী? সাধারণত দেহের তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায় থেকে অতিরিক্ত বেড়ে গেলে হিট স্ট্রোক হয়। হিট স্ট্রোক হলে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে শরীরের তাপমাত্রা ১০৬° ফারেনহাইট বা তার বেশি পৌঁছাতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, বেশি সময় ধরে উচ্চ তাপমাত্রায় থাকলে হিট স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আর এই পর্যায়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, বৃক্ক ও পেশির ক্ষতি হতে পারে। মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট। এটি ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের চেয়ে বেশি হলেই হিট স্ট্রোক হতে পারে। এ সমস্যায় তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না পেলে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। অতিরিক্ত গরমের কারণে যেকোনো সময় হিট স্ট্রোক হতে পারে। সেই সঙ্গে ক্লান্তি এবং পেশিতে ক্র্যাম্প লাগার মতো আসুবিধা তো রয়েছেই। তাই সাবধান হওয়াটা জরুরি। এই গরমে একটু সতর্কতার সঙ্গে চললেই আমরা বাঁচতে পারি এই সমস্যা থেকে। এ ব্যাপারে প্রতিটি মানুষের সতর্কতা অবলম্বন জরুরি।

ডা. মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ 
[email protected]

সুন্দরীকে বাঁচাতে হবে

প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৫৭ এএম
সুন্দরীকে বাঁচাতে হবে

বড় বড় ঝড় ও প্রাকৃতিক বিপর্যয় সুন্দরবনে আছড়ে পড়ার পর ম্যানগ্রোভে ধাক্কা খেয়ে গতিপথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়। আর তাতেই বেঁচে যায় দুই বাংলার দক্ষিণাঞ্চল ও তার আশপাশের অঞ্চলগুলো। ‘সুন্দরী’ গাছ সুন্দরবনকে বাঁচিয়ে চলেছে প্রতিনিয়ত, তাই দেশের স্বার্থে সুন্দরবনকে বাঁচাতেই হবে। পূর্বপ্রজন্ম দেশের বনাঞ্চলসহ বহু বনাঞ্চল উজাড় করেছে। এ রকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এটাই আমাদের অনুরোধ। ম্যানগ্রোভই সুন্দরবনের প্রাণ। ম্যানগ্রোভ না বাঁচলে বাঁচবে না সুন্দরবন। তাই সরকারি প্রকল্পের দিকে তাকিয়ে বসে না থেকে জনসাধারণের নিজ নিজ উদ্যোগেই ম্যানগ্রোভ রোপণ করতে হবে। জানা গেছে, পর্যটক টানতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হচ্ছে সুন্দরবনকে। সুন্দরবনজুড়েই চলছে নাকি ম্যানগ্রোভ নিধন। বিঘার পর বিঘা জমিতে ম্যানগ্রোভ কেটে চলছে মাছের ঘের তৈরির কাজ। তৈরি হচ্ছে বসতবাড়ি, হোটেল, রিসোর্ট। অবৈধ মাছের ঘের বা মেছোভেড়িগুলো যেন গিলে খাচ্ছে সুন্দরবনকে। অথচ এই ম্যানগ্রোভই দুই বাংলাকে প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে বাঁচায় প্রতিনিয়ত। গরান, বাইন, কেওড়া, সুন্দরী, গেওয়া ইত্যাদি গাছ সুন্দরবনের সম্পদ। তাদের ছায়াতলে রয়েল বেঙ্গল টাইগার খুঁজে পায় নিশ্চিন্ত আস্তানা। আবার বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে সুন্দরবনকে রক্ষা করে ওই গাছগুলো। সে কথা কেউ যেন না ভুলে যায়।

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

উপজেলা নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ চাই

প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৪২ এএম
উপজেলা নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ চাই

উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৮ মে। এরই মধ্যে আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ায় তৃণমূলের অনেক নেতা-কর্মীই এই নির্বাচনে অংশ নেবেন বা সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকবেন। ফলে নির্বাচন ঘিরে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে উপজেলা নির্বাচনের প্রার্থিতা নিয়ে বিরোধ ও সংঘর্ষের খবর এসেছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসতে আসতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের প্রবণতা দেখা যায়। প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনের আগে থেকেই মাঠ দখলের প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এর ফলে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হয়। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, নির্বাচনের আগে-পরে শান্তি বজায় রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই উপজেলা নির্বাচন অবাধ, নির্বিঘ্ন ও সুষ্ঠু করতে শুরু থেকেই অরাজকতা সৃষ্টিকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। নতুবা উপজেলা নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ বিষয়ে সক্রিয় এবং অনমনীয় ভূমিকা পালন করতে হবে। 

ফাহিম হাবিব 
৫/১ এফ ১, মোহনপুর, রিং রোড, শ্যামলী, ঢাকা। 
[email protected]