ঢাকা ২ বৈশাখ ১৪৩১, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
Khaborer Kagoj

কেএনএফের সশস্ত্র তৎপরতার গন্তব্য কত দূর?

প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৪১ এএম
কেএনএফের সশস্ত্র তৎপরতার গন্তব্য কত দূর?
কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার স্নাতক নাথান বম একসময় পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন সন্তু লারমার পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি জেএসএসের ছাত্রসংগঠনে যুক্ত ছিলেন। তবে জনসংহতি সমিতির বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে পরে স্বতন্ত্র আঞ্চলিক সংগঠন তৈরির উদ্যোগ নেন তিনি। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন কুকি-চিন জাতীয় উন্নয়ন সংস্থা। এরপর ২০১৭ সালে বম সম্প্রদায়ের দুই হাজার কর্মী নিয়ে গড়ে তোলেন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট বা কেএনএফ। মূলত বম জনগণের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় সংগঠনটি। আর রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার ৯টি উপজেলা নিয়েই হবে এর ভৌগোলিক সীমানা। 

এরপর নিজেদের সামরিক শক্তি জানান দিতে একের পর এক অপরাধ তৎপরতায় নামে সংগঠনটি। তবে পৃথক রাজ্য গঠনের দাবি থেকে সম্প্রতি সরে এসেছে কেএনএফ। নতুন দাবি ‘কুকি-চিন টেরিটোরিয়াল কাউন্সিল বা কেটিসি গঠন। এর মধ্যে বান্দরবান ও রাঙামাটি জেলার সাতটি উপজেলায় পৃথক স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। অবশ্য কেএনএফের এই দাবি ও অপতৎপরতাকে ‘পার্বত্য চট্টগ্রামকে ‘জুম্মল্যান্ড’ বানানোর নীল নকশারই অংশ’ বলে মনে করছে পাহাড়ে আঞ্চলিক দলগুলোর সশস্ত্র তৎপরতা বিরোধী সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ।

থামছে না অপতৎপরতা
২০২২ সালের জুনে রাঙামাটির বিলাইছড়িতে জেএসএসের একটি ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে তিনজনকে হত্যা করে সামরিক শক্তির কথা জানান দেয় কেএনএফ। ওই বছরের নভেম্বরে সেনাবাহিনী ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান শুরু করলে ২৭০ জন কুকি ভারতের মিজোরামে পালিয়ে যায়। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে কেএনএফের ১৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে কেএনএফ ব্যাপক আলোচনায় আসে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে। র‌্যাবের সঙ্গে দিনব্যাপী বন্দুকযুদ্ধের পর কেএনএফের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প থেকে গ্রেপ্তার হয় জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার ১৭ জন কর্মী এবং কেএনএফের ৩ সদস্য। উদ্ধার করা হয় অস্ত্র ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম। 

২০২৩ সালের মার্চে কেএনএফের হামলায় সেনাবাহিনীর একজন মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার নাজিম উদ্দিন ও দুই সেনা আহত হন। এপ্রিলে রোয়াংছড়িতে সেনাবাহিনী ও আরেক আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কেএনএফের আটজন নিহত হয়। ১৭ মে রুমার সুংসুংপাড়ায় সেনাবাহিনীর টহল টিমের ওপর গুলিবর্ষণ করে কেএনএফ। এতে সেনাবাহিনীর দুই কর্মকর্তা নিহত হন। 

শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটির সঙ্গে বৈঠক
পাহাড়ে কেএনএফের সশস্ত্র তৎপরতায় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা ও বাসিন্দাদের শান্তি বিঘ্নিত হতে থাকে। প্রশাসনের অভিযানে কিছুটা থেমে আবার শুরু হয় অপরাধ কর্মকাণ্ড। এর পরই পার্বত্য অঞ্চলে কেএনএফ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সংঘাত নিষ্পত্তির জন্য গঠন করা হয় শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটি। উদ্যোগ নেওয়া হয় বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লার নেতৃত্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটির সঙ্গে কেএনএফের বৈঠকে বসার। সেই উদ্যোগের প্রাথমিক সাফল্যও আসে। ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটি ও সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফের মধ্যে প্রথমবারের মতো ভার্চুয়াল সংলাপ হয়। এরপর বান্দরবান জেলা পরিষদের সভাকক্ষে ৫ আগস্ট দ্বিতীয় দফা ভার্চুয়াল সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৫ নভেম্বর প্রথমবার মুখোমুখি বৈঠকে বসে কেএনএফ-শান্তি কমিটি। সমঝোতা হয় সন্ত্রাস বন্ধে। সর্বশেষ গত ৫ মার্চ দ্বিতীয় দফায় মুখোমুখি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কেএনএফের সদস্যদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং পুনর্বাসন প্রক্রিয়া নিয়ে উভয়ের মধ্যে আলোচনা হয়। বৈঠকে কেএনএফ বন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার, বিদেশে অবস্থানকারীদের ফিরিয়ে আনা এবং কেএনএফ সদস্যদের পুনর্বাসন করাসহ সাত দফা দাবি জানানো হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় দফার আলোচনার বিষয়গুলো নিয়ে এই এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে আবারও শান্তি কমিটির সঙ্গে কেএনএফের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যেই রুমা ও থানছিতে ব্যাংক ডাকাতি, অপহরণ ও অস্ত্র লুণ্ঠনের ঘটনা ঘটল।

যে দাবিতে এগোচ্ছে কেএনএফ
সর্বশেষ বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লার নেতৃত্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে স্বতন্ত্র রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে কেএনএফ। গত ১২ মার্চ একটি দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেএনএফের চেয়ারম্যান নাথান বমের উপদেষ্টা লালএংলিয়ান বম বলেছেন, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রতি আস্থা আছে বলেই পৃথক রাজ্য গঠনের দাবি থেকে সরে এসেছে কেএনএফ। নতুন দাবি ‘কুকি-চিন টেরিটোরিয়াল কাউন্সিল বা কেটিসি গঠন। এর মধ্যে বান্দরবান ও রাঙামাটি জেলার সাতটি উপজেলায় পৃথক স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।

আর এ দাবির তিন সপ্তাহ না যেতেই বান্দরবানের রুমা রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকে ডাকাতি ও ব্যবস্থাপককে অপহরণ এবং পুলিশের অস্ত্র লুণ্ঠন করে। আবার এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গতকাল প্রকাশ্য দিবালোকে আরেক উপজেলা থানচিতেও সোনালী ও কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির দুঃসাহস দেখাল কেএনএফ। 

যা বলছে পাহাড়ের মানুষ
তবে এ ঘটনাকে রাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বলে মনে করছেন পাহাড়ে আঞ্চলিক দলগুলোর সশস্ত্র তৎপরতাবিরোধী সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ। সংগঠনটির মহাসচিব আলমগীর কবির বলেন, ‘কেএনএফের এ ধরনের দুঃসাহস রাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বলে মনে করি। তারা রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করছে। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান বন্ধ রেখে শান্তি বৈঠক চলায় কেএনএফ অস্ত্রে সজ্জিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। শান্তি বৈঠক চলা অবস্থায় কেএনএফের এ ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড বলছে শান্তি বৈঠকের প্রয়োজনীয়তা নেই। এটা পার্বত্য চট্টগ্রামকে ‘জুম্মল্যান্ড’ বানানোর নীল নকশারই অংশ। তাই পাহাড়ের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তামিল টাইগারদের মতোই রাষ্ট্রীয় কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে দ্রুত। আমরা ব্যাংক ডাকাতি, অস্ত্র লুঠের তীব্র নিন্দা জানাই। একই সঙ্গে ব্যাংক ম্যানেজারের দ্রুত উদ্ধারের দাবি জানাই।’

ময়মনসিংহের সড়ক ফাঁকা

প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৫৭ পিএম
ময়মনসিংহের সড়ক ফাঁকা
ময়মনসিংহ নগরীর পাটগুদাম ব্রিজ। ছবি: খবরের কাগজ

ঈদের কয়েকদিন আগে থেকে ময়মনসিংহে যানবাহনের চাপ বেড়ে বিভিন্ন স্থানে যানজটের সৃষ্টি হলেও বুধবার (১০ এপ্রিল) দুপুর থেকেই সড়কে গাড়ির চাপ কমে যায়। যৎসামান্য গাড়ি চলাচল করায় সড়ক একেবারেই ফাঁকা ছিল। 

পুলিশ বলছে, গত কয়েকদিনে প্রায় সব যাত্রী বাড়ি ফিরে যাওয়ায় ঈদের একদিন আগেই সড়কে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

নগরীর পাটগুদাম ব্রিজ মোড়ে যানজটে গত কয়েকদিন ঘরমুখো যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছিলেন। 

বুধবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে ব্রিজ মোড়ে শ্যামলছায়া পরিবহনের একটি বাস যাত্রীর জন্য দাঁড়িয়েছিল। পরে যাত্রী না পেয়ে চলে যাওয়ার আগ মুহুর্তে কথা হয় বাসের চালক আব্দুল হাইয়ের সঙ্গে। তিনি খবরের কাগজকে বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে মঙ্গলবারই প্রায় সব যাত্রী বাড়িতে চলে গেছে। যারা যানজটের ভয় কিংবা ছুটি পাননি তারা আজকে বাড়ি ফিরছেন। যাত্রী কম হওয়ায় অনেক মালিক ঈদের আগের দিন বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন।’

বাসের ভেতরে থাকা যাত্রী লিটন মিয়া বলেন, ‘বেসরকারি একটি কোম্পানিতে চাকরি করি। এতদিন ছুটি না পাওয়ায় আজকে বাড়ি যাচ্ছি। একেবারেই যানজট না থাকায় দুর্ঘটনার আশংকাও কম। ফলে নিশ্চিতে স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি যেতে পারছি।’

জেলা মোটর মালিক সমিতির মহাসচিব মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘যাত্রী থাকলে সড়কে ঠিকই সব বাস চলাচল করতো। যেহেতু যাত্রীর সংখ্যা কম, তাই গাড়ি চালালে তেলের খরচও উঠবে না। ফলে অনেক বাস মালিক গাড়ি বন্ধ রেখেছেন।’

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক (প্রশাসন) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘সকালে ময়মনসিংহের কোথাও যানজট না থাকলেও ব্রিজ মোড়ে কিছুটা ছিল। তবে দুপুর থেকে একেবারেই যানজটমুক্ত। গত কয়েকদিন সব স্থানে যানজটমুক্ত রাখতে পুলিশ যথেষ্ট আন্তরিকতার সঙ্গে দ্বায়িত্ব পালন করেছে। তবে আজকে গাড়ি চলাচল কম থাকায় সড়কে পুলিশের পরিশ্রম অনেকাংশেই কমেছে।’

কামরুজ্জামান মিন্টু/অমিয়/

ভোগান্তির পরও দুই মহাসড়কে স্বস্তিতে ঈদযাত্রা

প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৪, ১০:২৪ এএম
ভোগান্তির পরও দুই মহাসড়কে স্বস্তিতে ঈদযাত্রা
ফাঁকা মহাসড়ক। মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুরের চোরাস্তা এলাকা থেকে তোলা ছবি। খবরের কাগজ

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গাজীপুর, সাভার ও আশুলিয়াসহ আশপাশের কারখানাগুলো সোমবার দুপুরে একসঙ্গে ছুটি ঘোষণা করা হয়। ছুটি ঘোষণার পর ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানজট ও জনজট সৃষ্টি হলেও পরদিন মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকেই অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে যায়। এখন এ দুই মহাসড়কে কোনো ভোগান্তি ছাড়াই স্বস্তিতে চলাচল করতে পারছেন ঘরমুখো যাত্রীরা।

গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ি, কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে শ্রীপুর উপজেলার মাওনা, জৈনা বাজার ও গাজীপুর মহাগরের চান্দনা-চৌরাস্তা, স্টেশন রোড, চেরাগ আলী, বোর্ড বাজার, সাইনবোর্ড এলাকায় গতকাল সোমবার দুপুর থেকে সারারাত যানবাহনের চাপ ছিল। এতে কোথাও কোথাও দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হলে ভোগান্তি বাড়ে ঘরমুখো মানুষের। 

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) ভোর থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাড়ির চাপ বেড়ে যায়। ১২টার পর থেকে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহনের চাপ অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে যায়। 

নাওজোড় হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক মো. শাহাদত হোসেন খবরের কাগজকে জানান, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় সোমবার দুপুর থেকে রাতভর যানবাহনের ধীরগতি থাকলেও মঙ্গলবার সকালে কিছুটা কমতে শুরু করে। সকাল সাড়ে ১২টার দিকেও আশেপাশে যানবাহনের সারি থাকলেও থেমে থেমে যানবাহন চলে। এরপর থেকে পুরো পরিবেশ স্বাভাবিক হয়, বলা চলে কোনো ধরনের যানজট ছাড়াই চলাচল করছে গণপরিবহনসহ বিভিন্ন পরিবহন।

ঢাকার একটি কোম্পানির কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল বলেন, ‘ভোরের দিকে ঢাকা থেকে কাপাসিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হই। আমাদের বাসটি মহাসড়কের কয়েকটি অংশে যানজটে আটকে যায়। বেলা ১২টার দিকে বাসটি কাপাসিয়ায় পৌঁছে। ১২টার পর ঢাকা থেকে আমার আরেক স্বজন কাপাসিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলেও তার সড়কে খুব বেশি একটা সময় লাগেনি।’ 

পরিবার নিয়ে টঙ্গী থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন একটি গার্মেন্টস্ কারখানার শ্রমিক মোতাহার হোসেন। তিনি বলেন, ‘সকালে ভিড় থাকায় আমরা যাত্রা বাতিল করেছিলাম। পরে দুপুরের দিকে ভিড় কমে যাওয়ায় আমরা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করছি। পুরো সড়কে এখনো কোথাও খুব বেশি সময়ের জন্য বা যানজটের জন্য বাস দাঁড়ায়নি।’

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক রুটে চলাচলকারী আল-আমিন পরিবহনের সুপারভাইজার বলেন, ‘ঈদে ময়মনসিংহ বাইপাস থেকে গাজীপুর বাইপাস বা গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত প্রতিনিয়ত চলাচল করেছি। গতকালের তুলনায় মঙ্গলবার সকালে ভিড় থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমতে শুরু করে।’

গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার মো. আলমগীর হোসেন খবরের কাগজকে বলেন, ‘মহানগরের ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্পটে সোমবার দুপুরের পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গাড়ির প্রচণ্ড চাপ ছিল। কিন্তু কোনো যানজট ছিল না। মঙ্গলবার সকালে চান্দনা-চৌরাস্তা ফ্লাইওভারের নিচে ঢাকামুখী গাড়ি মাঝে মধ্যেই কিছুটা জটলা তৈরি হলেও তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। ফ্লাইওভারের উপর দিয়ে ময়মনসিংহগামী গাড়ি চলাচলে কোনো সমস্যা নেই।’

পলাশ প্রধান/অমিয়/

লক্কড়ঝক্কড় গাড়িতেই ঝুঁকি নিয়ে ঈদযাত্রা

প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:১৩ এএম
লক্কড়ঝক্কড় গাড়িতেই ঝুঁকি নিয়ে ঈদযাত্রা
ময়মনসিংহ নগরীর পাটগুদাম ব্রিজ মোড় এলাকা থেকে তোলা ছবি। খবরের কাগজ

ময়মনসিংহের সড়ক মহাসড়কগুলোতে সারা বছরই দাপিয়ে বেড়ায় ফিটনেসবিহীন লক্কড়ঝক্কড় গাড়ি। তবে ঈদ এলে এসব গাড়ির দৌরাত্ম্য আরও বেড়ে যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। প্রায় অকেজো গাড়িগুলোর বডিতে রঙ লাগিয়ে সড়ক মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়েই চলাচল করছেন ঘরমুখো মানুষ।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত সরেজমিনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে নগরীর বাইপাস, পাটগুদাম ব্রিজ মোড় ও  শম্ভুগঞ্জ মোড় এলাকায় এমন চিত্র দেখা যায়। 

ভাল গাড়ির পাশাপাশি এসব গাড়িতেও চলাচল করছেন যাত্রী৷ এর আগে এদিন সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ময়মনসিংহের জেলা সদরে তিনজন, ত্রিশালে তিনজন ও তারাকান্দায় একজন নিহত হয়েছেন। নিহত সাতজনের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন রয়েছেন। এই দুর্ঘটনা ঈদের আগে সড়কে চলাচল করা যাত্রীদের আরও আতঙ্ক বাড়াচ্ছে।

বিরিশিরি-জারিয়া-ময়মনসিংহ সড়ক দিয়ে চলাচল করছিল রুকন এন্টারপ্রাইজ নামের গাড়িটি। পাটগুদাম ব্রিজ মোড়ে কথা হয় গাড়ির চালক ফয়জুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ঈদ সামনে রেখে গাড়িটি মেরামত করে রং লাগানো হয়েছে। গাড়ির মালিকের নির্দেশেই সড়কে নামানো হয়েছে।’

গাড়ির যাত্রী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ঈদ সামনে রেখে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ময়মনসিংহের অংশসহ জেলার সবগুলো সড়কে অসংখ্য ফিটনেসবিহীন গাড়ি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এসব গাড়ির বেশিরভাগ লাইসেন্সবিহীন অদক্ষ চালক। ঈদের আগে আমার মতো অনেক যাত্রী ভালো গাড়িতে উঠতে না পেরে এসব গাড়িতে যাতায়াত করছে। যেকোনো সময় দূর্ঘটনা ঘটতে পারে জেনেও উঠতে হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব গাড়ি চলাচল বন্ধ করতে পারলে আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করতে হতো না।’

গত দুই বছরে ময়মনসিংহ বিভাগের সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনায় শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন উল্লেখ করে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর ময়মনসিংহ জেলার সভাপতি আব্দুল কাদের চৌধুরী মুন্না বলেন, ‘এসব পুরোনো গাড়িতে যেমন দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি, তেমনি সড়কে নামানোর পর সড়কের কোথাও বিকল হয়ে প্রচণ্ড জ্যাম সৃষ্টি করে ঘরমুখী মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলছে। সড়কে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করতে হলে ফিটনেসবিহীন যান চলাচল বন্ধ করতে হবে।’

জেলা মোটর মালিক সমিতির মহাসচিব মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমরা চাই না লক্কড়ঝক্কড় গাড়ি সড়কে চলুক। তবুও কিছু মালিক আমাদের অজান্তেই সড়কে এসব গাড়ি নামিয়েছে।’

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ট্রাফিক পরিদর্শক (অ্যাডমিন) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান খবরের কাগজকে বলেন, ‘অনেক গাড়ির মালিক ইচ্ছে করেই ফিটনেস সার্টিফিকেট নবায়ন করে না। এতে সরকার হারাচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব। কিছু ফিটনেসবিহীন গাড়ি ঈদকে টার্গেট করে সড়কে নামিয়ে দেয়। আমরা এসব গাড়িকে আটকানোর জন্য ট্রাফিক সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছি। কারণ এসব গাড়ি কারণে সড়কে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে।’

অমিয়/

নজরদারিতে হিন্দাল শারক্বীয়া, ধরাছোঁয়ার বাইরে ৬ নেতা

প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:০০ পিএম
নজরদারিতে হিন্দাল শারক্বীয়া, ধরাছোঁয়ার বাইরে ৬ নেতা
নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া প্রধান শামীম মাহফুজ

বান্দরবানে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) এর ব্যাংক ডাকাতির ঘটনার পর নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া আবারও আলোচনায় এসেছে। রাষ্ট্রবিরোধী এই সংগঠনের কেএনএফের সঙ্গে শুরু থেকেই এর যোগ সূত্র ছিল। শারক্বীয়ার প্রধান শামীম মাহফুজ ও কেএনএফের প্রধান নাথান বম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একসঙ্গে পড়াশোনার সময় পরিচয় ঘটে। এ সময় তারা তাদের ভিন্ন দুটি উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করার জন্য একসঙ্গে কাজ করার চুক্তিবদ্ধ হন। এই চুক্তি ছিল ৩ বছরের। 

শারক্বীয়ার জঙ্গিদের পাহাড়ে প্রশিক্ষণের জন্য নাথান বম সহযোগিতা করেছিলেন। সেই ঘাঁটিগুলো পরে র‌্যাব চূর্ণবিচূর্ণ করে দেয়। এর বিনিময়ে শারক্বীয়া নাথান বমকে বিপুল পরিমাণের অর্থ সরবরাহ করে। এই অর্থ দিয়ে নাথান বম বিভিন্ন ট্রেনিং পরিচালনা এবং অস্ত্র সংগ্রহ করে। নাথান বমকে ঢাকার বাসাবোতে একটি বাসা ভাড়া করে দেয় শামীম মাহফুজ। পরে সেই বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব।

র‌্যাব বলছে, নাথান বমের সঙ্গে শারক্বীয়ার শুরু থেকে একটি যোগসূত্র আছে। বান্দরবানের ঘটনার পর যাতে শারক্বীয়া মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সেই দিকেও নজর রেখেছে তারা। পাশাপাশি শারক্বীয়ার যে ৬ জন জঙ্গি দেশে নাকি দেশের বাইরে অবস্থান করছে তা তারা অনুসন্ধান করছেন। খুঁজে পেলে দ্রুতই তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। 

এ বিষয়ে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম বিভাগের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন সোমবার (৮ এপ্রিল) খবরের কাগজকে জানান, ‘কেএনএফের সঙ্গে শারক্বীয়ার শুরু থেকেই একটি যোগসূত্র ছিল। শারক্বীয়ার ৬ জঙ্গি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে আছে।’

তবে এ বিষয়ে ভিন্ন মত দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (সিসিটিসি) মো. আসাদুজ্জামান। তিনি গতকাল বিকেলে জানান, এই সংগঠনের আর অস্তিত্ব নেই। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

ছুটিতে চিকিৎসা ঠিক রাখতে চলবে কঠোর নজরদারি

প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৪, ০১:৫৯ পিএম
ছুটিতে চিকিৎসা ঠিক রাখতে চলবে কঠোর নজরদারি

পবিত্র ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষ বরণ উপলক্ষে টানা দীর্ঘ ছুটিতে হাসপাতালগুলোতে রোগীদের সেবা দেওয়া যাতে বিঘ্নিত না হয় সেদিকে নজর রেখে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। যার আলোকে ইতিমধ্যেই হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ছুটির ভেতরে চিকিৎসক, নার্স, কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের বিশেষ রোস্টার তৈরি করার জন্য। হাসপাতালগুলোতে সেভাবেই রোস্টার করা হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকাসহ সারা দেশের বিশেষায়িত ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোর চিকিৎসাসেবা তদারকির জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কয়েকজন পরিচালকসহ মোট ২০ কর্মকর্তা ঢাকার ২০টি প্রতিষ্ঠান মনিটরিংয়ের দায়িত্বে থাকবেন। আরও ৪১ জন কর্মকর্তা একই ধরনের মনিটরিংয়ে থাকবেন সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে। 

গত ৪ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. হারুন অর রশিদ এ সংক্রান্ত এক অফিস আদেশ জারি করেন। যদিও হাসপাতালগুলোতে রোগীর ভিড় কমে গেছে। ছুটির মধ্যে চিকিৎসকদের পাওয়া যাবে কি না, স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবা চলবে কি না- এমন আশঙ্কায় বরাবরের মতো এবারও জরুরি চিকিৎসা ছাড়া অন্য রোগীরা হাসপাতালে আসছেন বলে জানা যায় একাধিক হাসপাতালের সূত্র থেকে। অন্যদিকে কোনো কোনো হাসপাতালে ইতিমধ্যেই ছুটির আমেজ পড়েছে বলেও জানান রোগীর স্বজনরা। অনেকেই আগাম ছুটিতে গেছেন বলেও জানা গেছে।

তবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন খবরের কাগজকে বলেন, ‘আগে কী হয়েছে না হয়েছে সেগুলো ভুলে যান, এবার ঈদের দিনে আমি নিজেও হাসপাতালে ঘুরব, বন্ধের মধ্যেও চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক থাকবে। রোগীদের ভোগান্তি হবে না। এ জন্য ইতিমধ্যেই নির্দেশনা দিয়েছি।’

এদিকে গত ৩১ মার্চ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের এক অফিস আদেশে ১২ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয় সব হাসপাতালের জন্য। শব কদর, ঈদুল ফিতর, বাংলা নববর্ষ (পহেলা বৈশাখ) ও সাপ্তাহিক ছুটিসহ দীর্ঘ ছুটিতে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবা ব্যবস্থাপনার জন্য এই নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে, ছুটিকালীন কর্মস্থলে পর্যাপ্ত জনবল ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্য ঈদের আগে ও পরে সমন্বয় করে জনবলকে পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়া, প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিরবচ্ছিন্ন জরুরি চিকিৎসা কার্যক্রম ও জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে অনুকূলভাবে ছুটি মঞ্জুর; প্রতিষ্ঠান প্রধান, সিভিল সার্জন, বিভাগীয় পরিচালককে অবহিত করে শুধু ঈদের ছুটির সময়ে নিজ জেলার মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় জনবল সমন্বয়, জরুরি বিভাগে সার্বক্ষণিক চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিত করা; জরুরি বিভাগ ও লেবার রুম, ইমার্জেন্সি ওটি সার্বক্ষণিক চালু রাখা; আন্তবিভাগে ইউনিট প্রধানরা প্রতিদিন কাজের তদারকি, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর জরুরি ল্যাব, এক্স-রে সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখা; ছুটি শুরু হওয়ার আগেই ছুটির সময়ের জন্য পর্যাপ্ত ওষুধ, আই ভি ফ্লুয়িড কেমিক্যাল রি-এজেন্ট, সার্জিক্যালসামগ্রী মজুত ও তাৎক্ষণিকভাবে সরবরাহের ব্যবস্থা রাখা। এক্ষেত্রে স্টোরকিপার অথবা ছুটিকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টাফদের অবশ্যই নিজ জেলা ও উপজেলায় অবস্থান করা; অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস সার্বক্ষণিক চালু রাখা; ছুটিকালীন হাসপাতালের নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আগাম পত্র দেওয়া; প্রতিষ্ঠান প্রধান ও বিভিন্ন বিভাগের প্রধানদের ছুটিকালীন সেবা প্রদানকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং ঈদের দিন কুশল বিনিময় করা; প্রতিষ্ঠান প্রধান ছুটি নিলে অবশ্যই বিধি মোতাবেক কাউকে দায়িত্ব দিয়ে যাওয়া এবং দায়িত্ব গ্রহণকারী কর্মকর্তার সব দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করা, দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম ও মোবাইল নম্বর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানের ঈদের দিন রোগীদের উন্নতমানের খাবার পরিবেশন তদারকি করা এবং রোগীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করার জন্য বলা হয়েছে। 

২৫০ শয্যার শ্যামলী টিবি হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার খবরের কাগজকে বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১২ দফা নির্দেশনা পেয়েছি। যা বাস্তবায়নে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আগে থেকেই ঈদের ছুটিতে কীভাবে চিকিৎসাসেবা চলবে সে বিষয়টি আমাদের মাথায় থাকে।’