ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩১, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

ইবিতে এমফিল-পিএইচডিতে ভর্তি নিয়ে বিড়ম্বনায় ইচ্ছুকরা

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৪, ০৯:৪৭ এএম
আপডেট: ২৫ মে ২০২৪, ০৯:৫৫ এএম
ইবিতে এমফিল-পিএইচডিতে ভর্তি নিয়ে বিড়ম্বনায় ইচ্ছুকরা
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এমফিল ও পিএইচডি গবেষণায় ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ভর্তিচ্ছুদের বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। সনাতনী আবেদন পদ্ধতির কারণে এমনটি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ভর্তিচ্ছুদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করতে সশরীরে ক্যাম্পাসে আসতে হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভর্তিচ্ছুদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে ব্যাংক থেকে ভর্তির আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হয়। এরপর তা পূরণ করে সংশ্লিষ্ট বিভাগে জমা দিতে হয়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গত ১৪ মে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এবং গত ২০ মে থেকে আবেদন শুরু হয়। আবেদন প্রক্রিয়া চলবে আগামী ৩০ মে পর্যন্ত।

এদিকে এমফিল ও পিএইচডির জন্য আলাদাভাবে মোট ২০০টি আবেদন ফরম দেওয়া হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রণী ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রথম পাঁচ দিনে আবেদন ফরম বিক্রি হয়েছে মাত্র ৬টি। এখনো অবশিষ্ট রয়েছে ১৯৪টি ফরম।

বিশ্ববিদ্যালয় সাপ্তাহিক বন্ধ থাকা এবং দূরদূরান্ত থেকে সশরীরে আসার অনাগ্রহই আবেদন কম হওয়ার জন্য দায়ী। এ কারণে খুব কমসংখ্যক আবেদন জমা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া বুদ্ধপূর্ণিমা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ব্যাংক বন্ধ থাকছে ৪ দিন। ফলে সাত দিনের মধ্যে আবেদনের সুযোগ থাকছে মাত্র ৩ দিন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার মো. বদিউজ্জামান বলেন, ‘বিগত সময়ে সনাতন পদ্ধতিতেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এবারও গতবারের অর্ডিন্যান্সের আলোকে সনাতন পদ্ধতিতেই ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। তবে আগ্রহীরা যদি অনলাইনকেন্দ্রিক আবেদনের আগ্রহ প্রকাশ করে, সেক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ চাইলে অনলাইনে আবেদন নিতে পারে।’

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান বলেন, ‘ভবিষ্যতে এ বিষয়ে আমরা ভেবে দেখব। যদি সবার সুবিধা হয়, তবে অনলাইনে আবেদনের ব্যবস্থা করব।’

বিষয়টি নিয়ে আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. তপন কুমার বলেন, ‘এসব আবেদন অনলাইনে সহজেই করা যায়। কর্তৃপক্ষ আইসিটি সেলকে অবগত করলে সহজেই করে দেওয়া যেত।’

শেষ কর্মদিবসে অবরুদ্ধ বুয়েট উপাচার্য, বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ১০:১৫ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ১০:১৮ পিএম
শেষ কর্মদিবসে অবরুদ্ধ বুয়েট উপাচার্য, বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা
ছবি: খবরের কাগজ

উপাচার্য মেয়াদের শেষ কর্মদিবসে এসে এক অফিস-আদেশকে ঘিরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) উপাচার্য ড. সত্যপ্রসাদ মজুমদারকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করেছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সোমবার (২৪ জুন) বিকেলে উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের দাবি, কর্মচারী ও কর্মকর্তা নীতিমালা-২০১৫ পুনর্বহাল না করা হলে, তাদের অবস্থান থেকে সরবেন না। সেই সঙ্গে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও হুশিয়ারী দেন তারা। দাবি পূরণে উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন প্রায় তিন শতাধিক কর্মচারী। 

বুয়েটের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, ‘গত বছরের একটি আদেশ হঠাৎ করে আজকে জানানো হলো, যা সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বার্থবিরোধী। এতদিন নীতিমালা বাতিলের বিষয়টি কর্তৃপক্ষ লুকিয়ে রেখেছিল। আমরা নীতিমালা বহাল চাই। অন্যথায় আন্দোলন চলমান থাকবে।’ আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করতে উপাচার্যকে আহ্বান জানান তিনি।  

সোমবার (২৪ জুন) রাত ৯টায় এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্য প্রাসাদ মজুমদার তার কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন।

বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তর পরিচালক (ডিএসডাব্লিউ) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমিন সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি খবরের কাগজকে বলেন, ‘কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখনও অবস্থানে রয়েছেন। উপচার্য অফিসেই রয়েছেন, যদিও এটিকে বিক্ষোভ বলা ঠিক হবে না।’ তিনি আরো জানান, ‘উপাচার্যের অফিস এবং বাসভবনে লাগোয়া। তাই তিনি চাইলেই অফিস থেকে যেকোন সময় বাসভবনে যেতে পারবেন।’

সার্বিক বিষয়ে জানতে চেয়ে মুঠোফোনে একাধিকবার বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্য প্রাসাদ মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

এর আগে গত রবিবার প্রকাশিত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ফোরকান উদ্দিনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিকে ঘিরেই মূলত ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এতে বলা হয়, ২০২৩ সালের ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ফিন্যান্স কমিটির ৫৫তম অধিবেশনের কার্যবিবরণীর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে একই বছরের ২৭ ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৫৪০তম সভায় নতুন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়, গত ২৭ ডিসেম্বরের পরবর্তী সময়ে নীতিমালা-২০১৫ এর মাধ্যমে বুয়েটের কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারী পদোন্নতি, পদোন্নয়ন, সিলেকশন গ্রেড, সিনিয়র গ্রেড স্কেল প্রাপ্যতার জন্য বিবেচিত হবেন না; এবং এরইমধ্যে যাদের পদোন্নতি, পদোন্নয়ন, সিলেকশন গ্রেড, সিনিয়র গ্রেড সেল দেওয়া হয়েছে তা অপরিবর্তিত থাকবে। আর যাদের পদোন্নতি, পদোন্নয়ন, সিলেকশন গ্রেড, সিনিয়র গ্রেড স্কেল দেওয়া হয়েছে, তাদের চাকরি শেষ হলে বা পদত্যাগ করলে বা অপসারণ বা পদচ্যুত হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের অর্গানোগ্রাম বহির্ভূত পদ বিলুপ্ত হবে এবং অর্গানোগ্রামভুক্ত মূল পদ শূন্য হবে। পরবর্তী সময়ে কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারী যদি সরকারি নীতিমালায় এরইমধ্যে বুয়েট প্রণীত নীতিমালা-২০১৫ এর মাধ্যমে প্রাপ্ত গ্রেডের চেয়ে উচ্চতর গ্রেড অথবা পদপ্রাপ্ত হন, তাহলে তা প্রদান করা হবে। 

আরিফ জাওয়াদ/এমএ/

 

জবি শিক্ষকদের আবারও কর্মবিরতির ঘোষণা

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৫:০২ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৫:০৭ পিএম
জবি শিক্ষকদের আবারও কর্মবিরতির ঘোষণা
ছবি: খবরের কাগজ

বৈষম্যমূলক পেনশন স্কিম প্রত্যাহারের দাবিতে আবারও কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক সমিতি। 

সোমবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী জবি শিক্ষক সমিতি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ ঘোষণা দেয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার ও প্রতিশ্রুত সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি এবং শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতনস্কেল প্রবর্তনের বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় আগামী ২৫, ২৬ ও ২৭ জুন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করা হবে। এ সময় প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হবে। পরীক্ষা কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে। আগামী ৩০ জুন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি থাকবে। এ দিন দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচিও পালন করা হবে। তবে এদিনও পরীক্ষা কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে। 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ১ জুলাই থেকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালিত হবে। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. শেখ মাশরিক হাসান বলেন, ‘বৈষম্যমূলক পেনশন স্কিম প্রত্যাহারের দাবিতে এর আগে আমরা মানববন্ধন ও অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেছিলাম। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় আগামীকাল থেকে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী একাত্মতা প্রকাশ করে আবার আন্দোলনে যাচ্ছি আমরা।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি গত ৪ জুন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেছিল। 

মুজাহিদ/পপি/

ঢাবি সিনেটের বার্ষিক অধিবেশন বুধবার

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ০৪:০৬ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ০৪:০৬ পিএম
ঢাবি সিনেটের বার্ষিক অধিবেশন বুধবার
নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সিনেটের বার্ষিক অধিবেশন আগামী বুধবার (২৬ জুন) অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন বিকেল ৩টায় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এ অধিবেশন শুরু হবে।

সোমবার (২৪ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এতে জানানো হয়, ঢাবি সিনেট চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন এবং অভিভাষণ দেবেন। সিনেট অধিবেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের বাজেট উপস্থাপন করবেন।

এ ছাড়া ওই অধিবেশনে উপাচার্যের অভিভাষণ এবং কোষাধ্যক্ষের উপস্থাপিত বাজেটের ওপর সিনেট সদস্যরা আলোচনায় অংশ নেবেন।

আরিফ জাওয়াদ/সালমান/

ঢাবি শিক্ষকদের ৩ অর্ধদিবস কর্মবিরতির ডাক

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৪, ১০:২৩ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৪, ১২:০৭ পিএম
ঢাবি শিক্ষকদের ৩ অর্ধদিবস কর্মবিরতির ডাক

নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য সম্প্রতি চালু হওয়া সর্বজনীন পেনশন স্কিম ‘প্রত্যয়’ বাতিলের দাবিতে এবার টানা তিন দিন অর্ধদিবস কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষকরা। তবে পরীক্ষা এ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

আগামী ২৫ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ওই কর্মবিরতি থাকবে এবং দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রবিবার (২৩ জুন) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সর্বজনীন পেনশন স্কিম সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি আগামী ২৫, ২৬ ও ২৭ জুন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। উক্ত তিন দিন কলা ভবনের মূল ফটকে শিক্ষকরা (দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত) অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, চলমান পরীক্ষাসমূহ এই কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

এর আগেও একই দাবিতে কয়েক দফা কর্মবিরতি পালন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এদিকে গত ১৩ মার্চ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, যেসব শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ১ জুলাই তারিখের পর যোগদান করবেন তাদের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিমের ‘প্রত্যয় স্কিম’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে উক্ত প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার জন্য বিদ্যমান অবসর সুবিধা সংক্রান্ত বিধিবিধান প্রযোজ্য হবে না।

আরিফ জাওয়াদ/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজ প্রযুক্তি ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটে ভর্তির পছন্দক্রমের সময়সীমা বৃদ্ধি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৩২ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৪, ০৯:৩২ পিএম
প্রযুক্তি ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটে ভর্তির পছন্দক্রমের সময়সীমা বৃদ্ধি
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাদানকল্পে পরিচালিত প্রযুক্তি ইউনিট, গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট এবং রাজধানীর অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষার উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছুদের বিষয় ও কলেজ পছন্দক্রমের সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবাসাইটের মাধ্যমে ওই পছন্দক্রমের ফরম পূরণ করতে পারবেন। 

রবিবার (২৩ জুন) ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটের এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজ, প্রযুক্তি ইউনিট ও গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট এর পাশকৃত শিক্ষার্থীদের বিষয় ও কলেজ পছন্দক্রম পূরণ করার সময়সীমা আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

জানা যায়, ভর্তি সংশ্লিষ্ট ওয়েব সাইটে (https://collegeadmission.eis.du.ac.bd) গিয়ে প্রার্থীর ভর্তির প্রাথমিক আবেদনের বিস্তিারিত ফরম ও শিক্ষার্থীর ভর্তিযোগ্য বিষয়সমূহের পছন্দক্রম ফরম অবশ্যই সর্তকতার সাথে অনলাইনে পূরণ করতে হবে। পছন্দক্রম ফরম পরবর্তীতে কোনো অবস্থাতেই আর পরিবর্তন করতে পারবে না।

উল্লেখ্য, ঢাবি অধিভুক্ত রাজধানীর কলেজগুলো হলো, ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।

অন্যদিকে প্রযুক্তি ইউনিট অধিভুক্ত কলেজগুলোর ভেতরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রযুক্তি ইউনিটের অধীনে ৬টি কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে ৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ১টি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ১টি টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট। ৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মধ্যে ৩টি সরকারি কলেজ এবং ১টি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং টেক্সটাইল রিলেটেড ২টি বেসরকারি কলেজ। 

এবং গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটে একটি সরকারি কলেজ ও বাকি পাঁচটি বেসরকারি কলেজ রয়েছে। ঢাবি অধিভুক্ত গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিষয়ক কলেজগুলো হলো, গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স, বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, ন্যাশনাল কলেজ অব হোম ইকনমিক্স কলেজ, ময়মনসিংহ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, আকিজ কলেজ অব হোম ইকনমিক্স এবং বরিশাল হোম ইকনমিক্স কলেজ।

আরিফ জাওয়াদ/এমএ/