ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অবসরপ্রাপ্ত চার অধ্যাপক বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। ইমেরিটাস অধ্যাপকরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ.এফ.এম. ইউসুফ হায়দার, বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. তাজমেরী এস ইসলাম এবং ফার্মেসি অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগে তারা যোগদান করেছেন। নিয়োগপত্র অনুযায়ী, নিজ একাডেমিক ক্ষেত্রসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক শিক্ষা উন্নয়ন, গবেষণা ও উদ্ভাবনমূলক কার্যক্রমে পরামর্শ দেবেন। অবসর গ্রহণের আগে অধ্যাপক হিসাবে যে সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সুবিধা ব্যতীত সেসব সুবিধা ৮৫ বছর বয়স পর্যন্ত প্রাপ্য হবেন। এছাড়া তিনি গবেষণা ও প্রকাশনার জন্য পাঠাগার ব্যবহার, সেক্রেটারিয়াল সহায়তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
প্রসঙ্গত, অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ একজন শিক্ষাবিদ, মানববিজ্ঞানী ও লেখক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সুদীর্ঘ ৪২ বছর শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ইউজিসির পূর্ণকালীন সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ভারত ও যুক্তরাজ্য থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বাহরাইনে রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা প্রায় ২৪টি।
অন্যদিকে অধ্যাপক ইউসুফ হায়দার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, সেমিকন্ডাক্টর টেকনোলজি রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং সূর্য সেন হলের প্রভোস্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
ড. তাজমেরী এস ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সাবেক শিক্ষক এবং বিএনপিপন্থী শিক্ষক সংগঠন সাদা দলের আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন ও রোকেয়া হলের প্রভোস্ট ছিলেন। রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
এদিকে ১৯৭৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান। একাডেমিক দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
আরিফ জাওয়াদ/এসএন