ঢাকা ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪
Khaborer Kagoj

আ.লীগ প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘন চোখে পড়ে না ইসির, শোকজ জাপা প্রার্থীকে

প্রকাশ: ০২ ডিসেম্বর ২০২৩, ১০:৪৯ পিএম
আ.লীগ প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘন চোখে পড়ে না ইসির, শোকজ জাপা প্রার্থীকে
সিলেট-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. ইয়াহইয়া চৌধুরী। ছবি : খবরের কাগজ

হাজারো দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে মিছিল, স্লোগান দিয়ে সিলেটের ৬টি আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রায় সব প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে গেছেন। বিশাল বহর নিয়ে শোডাউন করে গেলেও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের ভিতরে গিয়েছেন পাঁচজন। আমিও একইভাবে পাঁচজন নিয়েই রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেই। কিন্তু আওয়ামী মনোনীত প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন কারো চোখে পড়লো না। আমি জাতীয় পার্টির প্রার্থীর তাই আমার দোষ ঠিকই চোখে পড়েছে নির্বাচন কমিশনের। এটা হচ্ছে দুর্বলের প্রতি সবলের অত্যাচার। কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়ে মনে ক্ষোভ ও দুঃখ নিয়ে এই কথাগুলো বললেন সিলেট-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. ইয়াহইয়া চৌধুরী।    

মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন সিলেট জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে দেখা যায়, কয়েক হাজার দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে শোডাউন করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেটে-৪ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী, সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। সিলেট-১ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, সিলেট-৬ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নুরুল ইসলাম নাহিদ, সিলেট-৩ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবসহ আওয়ামী বিদ্রোহী প্রার্থীরাও শোডাউন, স্লোগান, মিছিল করে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়েছেন। কিন্তু শোকজ করা হলো শুধু সিলেট-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. ইয়াহইয়া চৌধুরীকে। তাই এনিয়ে এখন সিলেটে নানা জনের মনে নানা প্রশ্ন। 

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে সিলেট-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. ইয়াহইয়া চৌধুরীকে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শনিবার (২ ডিসেম্বর) তাকে এ সম্পর্কিত একটি চিঠি পাঠান নির্বাচনী এলাকা ২৩০ ও সিলেট-২ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মোস্তাইন বিল্লাহ। আগামী রবিবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির কাছে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে এই শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
 
চিঠি সূত্রে জানা গেছে- গত ৩০ নভেম্বর সিলেট জেলা রিটার্নিং অফিসার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করার সময় মিছিল সহকারে প্রবেশ করেন মো. ইয়াহইয়া। যা 'সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০০৮' এর বিধি ৮(খ) এর লঙ্ঘন। উক্ত বিধিমালা লঙ্ঘনের বিষয়টি একাত্তর টিভি এর সংবাদের মাধ্যমে নিম্ন স্বাক্ষরকারীর গোচরীভূত হয়েছে। এমতাবস্থায় 'সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০০৮' এর বিধি ৮(খ) এর লঙ্ঘনের দায়ে কেন তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে না, তা ৩ ডিসেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে সিলেট ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল কার্যালয়ে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়।

সিলেট-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. ইয়াহইয়া চৌধুরী বলেন, এই কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়েছি, আমি লিখিত জবাব দিয়েছি। আগমীকাল সরাসরি যাবো। আমি নিয়ম অনুযায়ী ডিসি অফিসের ভিতরে মনোনয়ন জমা দিয়ে পাঁচজনকে নিয়ে। এখন বাইরে কেউ মিছিল দিলে স্লোগান দিলে নির্বাচনের মাঠে আমরা না ও করতে পারি না। এটা একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।    

তিনি বলেন, সরকারদলীয় প্রার্থীরা সবাই দলবল নিয়ে স্লোগান দিয়ে গিয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছে অথচ শোকজ করা হল শুধু আমাকে। নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের প্রথম নমুনা কিন্তু ভাল না। একজনকে শোকজ করবেন আরেকজনকে শোকজ করতে চিন্তা করবেন এটাতো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের নমুনা না। 

এ ব্যাপারে সিলেট ২ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, আইনে যেভাবে আছে সেভাবে আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। যেভাবে আমাদের কাছে ইনফরমেশন আসে আমরা সেভাবে আমরা পর্যবেক্ষণ করি। আচরণবিধি লঙ্ঘনের ব্যাপারে কেউ ব্যক্তিগতভাবে তথ্য দিতে পারেন, আবার আমাদের সম্মুখেও হতে পারে, আবার মিডিয়ার নিউজ দেখেও হতে পারে। আমি ইউটিউবে যে ভিডিওটা দেখেছি সেখানে সিলেট-২ আসনের অন্য কোনো প্রার্থী ছিলেন না। 

অন্য আসনের প্রার্থীরাও এরকম আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন কিন্তু তাদের কেন শোকজ করা হল না এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি সিলেট-২ আসনের দায়িত্বে আছি। প্রতিটি আসনের জন্য এ সংক্রান্ত আলাদা আলাদা চেয়ারম্যান নিয়োগ আছেন। তাই আমি সিলেট-২ আসনের ব্যাপারে বলতে পারবো। বাকিদেরটা আমরা নজরে আসেনি।

কালিয়াকৈরে অতিরিক্ত মদপানে দুইজনের মৃত্যু

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ০৬:৪৫ পিএম
কালিয়াকৈরে অতিরিক্ত মদপানে দুইজনের মৃত্যু

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অতিরিক্ত মদ পান করে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২ মার্চ) রাতে উপজেলার হরিণহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া দুজন হলেন, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানার পূর্ব বালিঘাটা গ্রামের হেলাল উদ্দিন (৪২), দিনাজপুরের বিরামপুর থানার কাদেরুল (২৮)। 

এদের মধ্যে হেলাল পেশায় কসাই ও কাদেরুল স্থানীয় একটি বেকারিতে শ্রমিকের কাজ করতেন। 

তারা দুজনই হরিণহাটি গ্রামের দুলাল উদ্দিন সরকারের বাড়ির ভাড়াটিয়া।

স্থানীয় ও তাদের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে দেশীয় মদ (বাংলা মদ) পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন হেলাল উদ্দিন ও কাদেরুল। পরে রাতেই তাদের মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাত ১টার দিকে হেলাল উদ্দিন ও দেড়টার দিকে কাদেরুল মারা যায়।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম নাসিম খবরের কাজকে বলেন, তারা মদ পান করেছিল। এতে বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

পলাশ প্রধান/অমিয়/

গাজীপুরে ট্রেনে কাটাপড়ে নিহত ২

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ০৬:০১ পিএম
গাজীপুরে ট্রেনে কাটাপড়ে নিহত ২

গাজীপুরে পৃথক স্থানে ট্রেনে কাটাপড়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২ মার্চ) সকাল ৬টা থেকে ১১টার মধ্যে এই দুটি ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া দুজন হলেন, নীলফামারীর ডুমুর উপজেলার মুকুটপাড়া গ্রামের হাকিমের ছেলে রাব্বানী (২৫)। তিনি স্থানীয় একটি কারখানার শ্রমিক।

তবে কোনাবাড়ি খোলাপাড়া এলাকায় মারা যাওয়া ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার (২ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার রতনপুর রেলগেট সংলগ্ন পথ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন রাব্বানী। তার কানে হেডফোন লাগানো ছিল। এ সময় পেছন থেকে ট্রেন ধাক্কা দিলে তার দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি স্থানীয় একটি কারখানায় কাজ করতেন।

অপরদিকে, সকাল ৭টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি খোলাপাড়া রেললাইনে এক যুবকের ছিন্নভিন্ন দেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে তারা কোনাবাড়ি থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

কোনাবাড়ি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইদুর রহমান খবরের কাগজকে জানান, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তার পরিচয় এখন নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যেহেতু রেললাইনে লাশ পাওয়া গেছে এজন্য রেলওয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে।

জয়দেবপুর জংশন রেলওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম জানান, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

পলাশ প্রধান/অমিয়/

মহাদেবপুরে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ০৪:২৫ পিএম
মহাদেবপুরে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
ছবি : খবরের কাগজ

নওগাঁ জেলার মহাদেবপুরে সড়কের পাশ থেকে মন্টু হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে রাইগাঁ-পত্নীতলা সড়কের বিষ্ণুপুর মোড়ে রাস্তার পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। 

মন্টু মহাদেবপুর উপজেলার জোয়ানপুর গ্রামের রকিব উদ্দিনের ছেলে।

মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত)  আবুল কালাম আজাদ খবরের কাগজকে জানান, সকালে স্থানীয়রা সড়কের পাশে একটি মরদেহ দেখে থানায় খবর দেন। এরপর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহালের সময় নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

শফিক ছোটন/জোবাইদা/অমিয়/

সিরাজগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় বোনজামাইকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ০৩:৩৩ পিএম
সিরাজগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় বোনজামাইকে কুপিয়ে হত্যা

সিরাজগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইমরান হোসেন নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ্যালকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শ্যালক রাশেদুল ইসলাম পলাতক রয়েছে।

শনিবার (২ মার্চ) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত ইমরান হোসেন (৩৫) সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার রানীগ্রাম মহল্লার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।

জানা যায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (১ মার্চ) বিকেলে ইমরানকে কুপিয়ে আহত করেন শ্যালক রাশেদুল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের উত্তর সারটিয়া গ্রামে ফরিদুল ইসলামের মেয়েকে বিয়ে করে সেখানে বাড়ি করে বসবাস করতেন ইমরান হোসেন। বেশ কিছুদিন আগে শ্যালক রাশেদুল তাকে মারধর করলে তিনি থানায় অভিযোগ দেন।

এদিকে সম্প্রতি রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে যৌতুক ও নারী নির্যাতন মামলা করেন তার স্ত্রী। মামলায় ওয়ারেন্ট হলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান রাশেদুল। রাশেদুল মনে করেন, তার বোনজামাইয়ের অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে এসেছে।

এরপর বাড়ি ফিরে তিনি বোনজামাই ইমরান হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা আহত ইমরানকে উদ্ধার করে প্রথমে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎিসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোরে ইমরানের মৃত্যু হয়।

তার মৃত্যুর খবরে স্বজনরা রাশেদুলের বাড়িঘর ভাঙচুর করেন।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তার লাশ ঢাকা মেডিকেলের মর্গে আছে। সেখানেই তার ময়নাতদন্ত হবে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

সিরাজুল ইসলাম/ইসরাত চৈতি/অমিয়/

হ্নীলা থেকে দেখা যাচ্ছে মায়ানমারের কালো ধোঁয়া

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৪, ০১:১৬ পিএম
হ্নীলা থেকে দেখা যাচ্ছে মায়ানমারের কালো ধোঁয়া
ছবি : খবরের কাগজ

মায়ানমারের রাখাইনে জান্তা বাহিনী এবং সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। কিন্তু এই সংঘর্ষের রেশ উড়ে আসছে কক্সবাজার সীমান্তে। টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন ও হ্নীলা ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকার স্থানীয় লোকজন কালো ধোঁয়া দেখতে পাচ্ছেন। কিছুদিন বন্ধ থাকলেও ফের কয়েকদিন ধরে মর্টারশেলের ভারী আওয়াজের কারণে সীমান্ত এলাকায় লোকজন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

শনিবার (২ মার্চ) টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়ার পূর্বে মায়ানমারে কালো ধোঁয়া দেখতে পায় স্থানীয়রা।

হ্নীলার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তারেক মোহাম্মদ রনি বলেন, ‘গতকাল বড় বড় মর্টারশেলের বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে সীমান্তবর্তী এলাকার বাড়িঘর। শনিবার সকালে আমরা হাঁটার জন্য বের হই, হঠাৎ চোখে পড়ে হ্নীলা চৌধুরীপাড়ার পূর্বে মায়ানমার বলি বাজার নামক এলাকার সীমান্তে আগুনের কালো ধোঁয়া। ধারণা করা হচ্ছে, আরাকান আর্মি মায়ানমারে ঘাঁটি দখল করেছে।’

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ বলেন, ‘মায়ানমারের ওপারে গতকাল (শুক্রবার) সারা রাত থেমে থেমে চলছিল মর্টারশেল ও গোলাগুলি। সকালেও সেটি থেমে থেমে চলমান ছিল। হ্নীলা চৌধুরীপাড়ার পূর্বে মায়ানমারে কালো ধোঁয়া দেখা যায়। বলতে পারছি না কখন শেষ হবে এ সংঘাত। দিন দিন আরও বাড়ছে, এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে। মানুষ সব সময় আতঙ্কে রয়েছে।’

টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও মাদক পাচার রোধসহ যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সদস্যরা সব সময় সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং সীমান্ত নিরাপদে রাখতে বিজিবি রাত-দিন কাজ করছে।’

শাহীন/জোবাইদা/অমিয়/