ঢাকা ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Khaborer Kagoj

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের নিরঙ্কুশ বিজয়

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৩:৫৭ পিএম
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের নিরঙ্কুশ বিজয়
সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন চৌধুরী। ছবি:খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ১৩টি পদে জয় পেয়েছে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত ঐক্য পরিষদ। আর আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ পেয়েছে সহসভাপতিসহ ৭টি পদ। স্বতন্ত্র পেয়েছে ১টি পদ।

রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে তিনটায় এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিষয়টি খবরের কাগজকে নিশ্চিত করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী।

এর আগে রবিবার আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হয় ভোট গণনার কাজ। গণনার কাজে প্রায় দুই শতাধিক লোক অংশ নেন।

এবারের নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ১০টি সম্পাদকীয় পদ ও ১১টি নির্বাহী সদস্য পদ নিয়ে মোট ২১টি পদে নির্বাচন হয়।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সমমননা আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ, বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত ঐক্য পরিষদ ও স্বতন্ত্র মিলে ৪৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন।

এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে ঐক্য পরিষদের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী ২ হাজার ৭৯৬ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সমন্বয় পরিষদের আবু মোহাম্মদ হাশেম পেয়েছেন ১ হাজার ৫৯৪ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদেও ঐক্য পরিষদের মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন চৌধুরী (রাজ্জাক) জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ২৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সমন্বয় পরিষদের মুহাম্মদ ফখরউদ্দিন জাবেদ পেয়েছেন ২ হাজার ১০৭ ভোট।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সাবেক মহানগর পিপি অ্যাডভোকেট ফখরুদ্দিন চৌধুরী এবং মুহাম্মদ কবির হোসাইন বলেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইনজীবীরা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিয়েছেন। এবার ৫ হাজার ৬২০ জন ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার ৪৪৯ জন ভোট দিয়েছেন। নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৩টি পদে জয় পেয়েছে ঐক্য পরিষদ। সহসভাপতিসহ ৭টি পদ পেয়েছে সমন্বয় পরিষদ। স্বতন্ত্র পেয়েছে ১টি পদ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আইনজীবী সমিতি নির্বাচন দলীয় মনোনয়নে হলেও কোনো প্রতীকে হয় না। ফলে নির্বাচনের পর আইনজীবীদের মধ্যে কোনো দলাদলি থাকে না। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর আমরা আগের মতোই। আমি বলব যারা জয়ী হয়েছেন তারা যেন অতিরিক্ত উৎফুল্লতার সাথে বেশি প্রদর্শনী না দেখান।’

মনির/সাদিয়া নাহার/অমিয়/

চট্টগ্রামে ফটোগ্রাফার খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৮:৩৪ পিএম
চট্টগ্রামে ফটোগ্রাফার খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫
ছবি : খবরের কাগজ

চট্টগ্রামে ফটোগ্রাফার শাওন বড়ুয়া খুনের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে চান্দগাঁও থানার ওসি জাহিদুল কবির এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন চান্দগাঁও পশ্চিম মোহরা মেহেরাজ খান চৌধুরী ঘাটা এলাকার বজল ড্রাইভারের বাড়ির দিদারুল আলমের ছেলে ইমতিয়াজ আলম মুরাদ (২১), একই এলাকার নুরুল আবছারের ছেলে আশহাদুল ইসলাম ইমন (২৪), নুরুল আমিনের ছেলে তৌহিদুল আলম (২৩), ভোলা জেলার মেধুয়া মুন্সিরহাট এলাকার দপ্তরি বাড়ির মো. সেলিমের ছেলে বাহার (২২), কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের শাকতলী এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে আলমগীর (৩০)। তবে তারা সবাই চান্দগাঁও মোহরা এলাকায় বসবাস করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে গায়েহলুদের ইভেন্ট কাভার করার কথা বলে আসামিরা পেশাদার ফটোগ্রাফার শাওন বড়ুয়াকে ডেকে নিয়ে যান। তাদের কথামতো শাওন নগরের অনন্যা আবাসিক এলাকার ইউনিট-২-এর ১ নম্বর রোড়ের মুখে গেলে আসামি ইমতিয়াজ আলম মুরাদ তাকে ছুরিকাঘাতের ভয় দেখিয়ে ক্যামেরার ব্যাগটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় শাওন বাধা দিলে তার মাথায়, বুকের মাঝখানে ও পায়ের ঊরুতে ছুরিকাঘাত করা হয়। এরপর ক্যামেরার ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে আসামিরা পালিয়ে যান। পরে পথচারীরা পুলিশে খবর দিলে শাওনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

চান্দগাঁও থানার ওসি জাহিদুল কবির জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে একটি ডিজিটাল ক্যামেরা, ক্যামেরার একটি লেন্স, দুটি ফ্লাশ লাইট ও ক্যামেরার তিনটি ব্যাটারি উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যার সময় আসামিদের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও দুটি মোবাইল ফোন সেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে।

৬৬ কিমি রাস্তায় এলইডি বাতি বসাচ্ছে চসিক

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৮:২৮ পিএম
৬৬ কিমি রাস্তায় এলইডি বাতি বসাচ্ছে চসিক
ছবি : খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম নগরজুড়ে ৬৬ কিমি রাস্তায় এলইডি বাতি স্থাপনের কাজের উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কোর্ট বিল্ডিং এলাকার শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে এ কাজের উদ্বোধন করেন তিনি। কোভিড-১৯ রিকভারি প্রজেক্টের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ৬৬ কিমি রাস্তায় এলইডি বাতি স্থাপন করা হবে।

মেয়র বলেন, ‘আমি পুরো নগরকে আলোকায়নের উদ্যোগ নিয়েছি। প্রাথমিকভাবে আজ ৬৬ কিমি রাস্তায় এলইডি বাতি স্থাপনের কাজ শুরু হলো। পর্যায়ক্রমে পুরো নগরে আলোকায়ন করা হবে। এ ছাড়া গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে নান্দনিকতায়ও। প্রজাপতি ও নৌকার আদলে বাতি দিয়ে রাতের সৌন্দর্যে যোগ হবে ভিন্ন মাত্রা।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিছু কিছু এলাকায় তার চুরির কারণে নগরবাসী কষ্ট পাচ্ছে। চুরি ঠেকাতে নগরবাসীর সহযোগিতা চাই। নগরের ঝুলন্ত তারের জঞ্জাল থাকবে না। লালখানবাজারে ইতোমধ্যে ঝুলন্ত তার মাটির নিচে নেওয়া হয়েছে। দেড় বছরের মধ্যে সব তার মাটির নিচে নেওয়া আমাদের লক্ষ্য।’

ফুটপাত রক্ষায় অনড় অবস্থানের কথা জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘অবৈধভাবে ফুটপাত দখলকারীদের জনস্বার্থে উচ্ছেদ করেছি। অবৈধভাবে রাস্তা দখলের জন্য চাপ তৈরি করতে একটি মহল আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। কার আন্দোলন? কীসের আন্দোলন? জনগণের ফুটপাত দখল করার অধিকার ওদের কে দিয়েছেন? যত আন্দোলনই করেন না কেন, আমি ফুটপাতে অবৈধভাবে বসতে দেব না।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলার পিপি শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, আবদুস সালাম মাসুম, নূর মোস্তফা টিনু, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, চসিকের বিদ্যুৎ উপবিভাগের প্রধান তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশসহ বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এমএ/

গাজীপুরে কারখানায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে প্রকৌশলী নিহত, চীনা নাগরিকসহ আহত ৬

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৮:১৭ পিএম
গাজীপুরে কারখানায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে প্রকৌশলী নিহত, চীনা নাগরিকসহ আহত ৬
ছবি : খবরের কাগজ

গাজীপুর মহানগরীর সদর থানার ধীরাশ্রম ভাড়ারুল এলাকায় একটি সিম কার্ড তৈরির কারখানায় নাইট্রোজেন গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে এক প্রকৌশলী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন এক চীনা নাগরিকসহ ছয়জন।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভাড়ারুল সুখীনগর এলাকায় অবস্থিত ইন্টেলিজেন্ট কার্ড লিমিটেড কারখানায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত প্রকৌশলী লিখন মিয়া (২৪) গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার তিলকপাড়া গ্রামের সেকান্দার আলীর ছেলে। তিনি ভাড়ারুল এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। ওই কারখানায় সহকারী প্রকৌশলী (রক্ষণাবেক্ষণ) পদে কর্মরত ছিলেন। 

আহতরা হলেন চীনা নাগরিক নিউ ইয়াং সিন (৪২), কারখানার কোয়ালিটি কন্ট্রোলার নওগাঁর বাদলগাছী উপজেলার দেনইল গ্রামের শাহরুখ হোসেন (২০), লেমিনেশন ইনচার্জ ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ভাওয়ালিয়াপাড়ার শাহজাহান (৪৫), দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বোয়ালমারী গ্রামের মনিরুজ্জামান (৩৭), টাঙ্গাইল সদরের চকদই এলাকার আহমেদ হোসেন (৩৩) ও একই জেলার মিজানুর রহমান (৩০)। 

ইন্টেলিজেন্ট কার্ড লিমিটেডের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল হাসান বলেন, এ কারখানায় বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানির সব ধরনের সিম কার্ড, স্মার্টকার্ড, ব্যাংক কার্ড, স্ক্রাচকার্ড উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি করা হয়। ব্যাংকের কার্ড তৈরি করার জন্য গতকাল একটি লেমিনেশন মেশিন স্থাপনের কাজ চলছিল। সেখানে দুজন চীনা নাগরিকসহ কারখানার ১০ জন কর্মী কাজ করছিলেন। দুপুর ১টার দিকে হঠাৎ ওই মেশিনের সঙ্গে থাকা নাইট্রোজেন গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। এতে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে চীনা নাগরিক নিউ ইয়াং সিনকে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এবং অন্যদের গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, হতাহতদের জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তের জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরকে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে একই দিন ভোরে গাজীপুরের টঙ্গী বাজারে মরিয়ম ম্যানশন নামে একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন কম-বেশি দগ্ধ হয়েছেন। 

এমএ/

সিলেটে পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৫:১৭ পিএম
সিলেটে পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত
ছবি : খবরের কাগজ

সিলেটে ৫ দফা দাবিতে ডাকা পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত করেছে জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৈঠক শেষে ধর্মঘট তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেন পরিবহন শ্রমিক নেতারা।

জানা যায়, বৈঠকে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ১১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি আগামী ১১ মার্চের মধ্যে পরিবহন শ্রমিকদের ৫ দফা দাবি নিয়ে বৈঠক করবেন এবং তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো সমাধানে কাজ করবেন। 

গ্যাসের সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, আগামী রমজান মাস পর্যন্ত সিলেটে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হবে। রমজানের পর সিসিক মেয়র দায়িত্ব নিয়ে গ্যাস লিমিট বাড়ানোর চেষ্টা করবেন। এ ছাড়া সিএনজির মামলার বিষয়ে আজ রাত ৮টার পর মেয়রের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন পরিবহন শ্রমিকরা।

এর আগে বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসানের সঙ্গে বৈঠকে বসেন পরিবহন শ্রমিক নেতারা। বৈঠক শুরুর পর অংশ নেন সিসিক মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।

পরিবহন শ্রমিকদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, সিলেটের সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাসের সংকট দূর করা, রাজনৈতিক বিভিন্ন মামলায় আটক শ্রমিকদের মুক্তি এবং ২০২১ সালে চৌহাট্টায় শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের করা মামলা প্রত্যাহার করা ইত্যাদি।

এদিকে, ধর্মঘটের কারণে বুধবার ভোর থেকেই বাসস্টেশনগুলো থেকে ছেড়ে যায়নি আঞ্চলিক ও দূরপাল্লার বাস। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। পরিবহন সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের রিকশা নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে যেতে হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থীকে পুলিশের ভ্যানে কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে দেখা যায়। এ ছাড়াও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে চাকরিজীবীদের। যানবাহন না থাকায় অনেকে পায়ে হেঁটে অফিসে গিয়েছেন। কেউ কেউ পিকআপ, মাইক্রোবাস, অটোরিকশা, থ্রি-হুইলারসহ বিভিন্ন ছোট যানবাহনে গন্তব্যে ছুটেছেন। তবে এক্ষেত্রে তাদের গুনতে হয়েছে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া।

সিলেট ব্যুরো/সালমান/

খাল-নালা পরিষ্কার থাকলে জলাবদ্ধতা কমবে : চসিক মেয়র

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৪:০২ পিএম
খাল-নালা পরিষ্কার থাকলে জলাবদ্ধতা কমবে : চসিক মেয়র
চসিক মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। ছবি : খবরের কাগজ

খাল-নালায় জমে থাকা মাটি-পলিথিন পরিষ্কার করতে পারলে বর্ষায় জলাবদ্ধতা কমবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার দিবস উপলক্ষে অর্ধশতাধিক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে নিয়ে প্রবর্তকের রুপালি গিটার চত্বরের পাশের নালা পরিষ্কারের সময় এ কথা বলেন মেয়র।

এ সময় নালায় বাথরুমের ভাঙা কমোড, পুরোনো লেপ-তোষক এবং মেডিকেলেরসহ বিভিন্ন অপচনশীল বর্জ্য দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

মেয়র বলেন, ‘নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে আমরা বছরব্যাপী বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়েছি। তবে কিছু মানুষের অসচেতন আচরণ নগর পরিচ্ছন্ন রাখার পেছনে বড় বাধা। এ জন্য আমরা সচেতনতা বাড়াতে জোর দিচ্ছি। মানুষ সচেতন না হলে আমরা কখনো এ শহর পরিষ্কার রাখতে পারব না। জনগণ যদি সচেতন হয়, ভৌগোলিক কারণে বর্ষায় পানি উঠলেও দ্রুত নেমে যাবে। এর পরও কেউ অযথা নালায় ময়লা ফেললে যার প্রতিষ্ঠান বা বাসার সামনে ময়লা পাব তাকে আইনের আওতায় আনব, জরিমানা করব।’

জলাবদ্ধতা কমাতে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় আছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে নগরীর ৩৬টি খালে জলাবদ্ধতা নিরসনে উন্নয়ন কাজ চলছে। এতগুলো খালের মাটি উত্তোলন, রিটেইনিং ওয়াল, গাইড ওয়াল, স্লাব বসানো সময়সাপেক্ষ কাজ। তাই সিডিএকে জানিয়েছি, বর্ষার আগে অন্তত চলমান প্রকল্পের অধীন নালা-খালগুলোর জমে থাকা মাটি যেন সরিয়ে নেওয়া হয়। খাল-নালা পরিষ্কার থাকলে জলাবদ্ধতা কমবে। নগরীর অভ্যন্তরীণ নালার দায়িত্ব আমাদের। আমরা এগুলো পরিষ্কার করছি, মাটি উত্তোলন করছি। এটা চলমান থাকবে।’

এই পরিচ্ছন্নতার কাজে আরও অংশ নেন চসিক কাউন্সিলর মো. নূর মোস্তফা টিনু, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার লতিফুল হক কাজমী, নির্বাহী প্রকৌশলী মীর্জা ফজলুল কাদের, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরী, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম মাহিসহ পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মীরা। 

এ সময় জনগণের মাধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

ইফতেখারুল/পপি/