ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিকাশে পেমেন্ট করে সপ্তাহে ৫০ গ্রাহক পাচ্ছেন টিভি, স্মার্টফোন জেতার সুযোগ বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র আধুনিক যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকে আরও যুগোপযোগী করা হবে: সেনাপ্রধান আধুনিক স্বাদে দেশি টুইস্ট, কেএফসি নিয়ে এল ‘কারি ক্রাঞ্চ’ হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু কিউএস র‍্যাঙ্কিংয়ে আবারও দেশসেরা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি কোমর ব্যথা প্রতিরোধ করা যায় সবকিছু এখনই শেষ হয়ে যায়নি: রোনালদো ইংল্যান্ডের সেট-পিস সামলাতে না পেরে হতাশ ক্রোয়েশিয়া কোচ গরমের তপ্ত সময়ে শরীর ও ত্বকের যত্ন কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী কুমিল্লায় ১৬০০০০ ইয়াবা জব্দ; আটক ৫ কাতার ম্যাচে ফিরছেন কানাডার অধিনায়ক আলফনসো ডেভিস আন্তর্জাতিক ইয়োগা দিবসে বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে ‘ব্লেন্ডার’স চয়েস আনপ্লাগড’ আইসিইউতে চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার ভারতের ‘মাইকেল জ্যাকসন’, শাড়ি পরে মুনওয়াক গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী ফটিকছড়িতে গ্রিড সাবস্টেশন নির্মাণে অচলাবস্থা, বিদ্যুৎসংকট চরমে রাঙ্গুনিয়ায় ভবন থেকে পড়ে ইলেক্ট্রিশিয়ানের মৃত্যু সততার মাপকাঠি কেমন হওয়া উচিত? সোনারগাঁয়ে শপিংমলে আগুন, ক্ষতি প্রায় ২০ লাখ টাকা পাবনার আটঘরিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে  যুবকের মৃত্যু আরেক ধাক্কা খেলেন মমতা ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান সুন্দরবনে কুমিরের হামলায় নারী জেলের মৃত্যু সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন পেছাল ১২৭ বার ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের জোক্সস, ‘ভাবছি মেসিকে ব্রাজিল দলে নিব’ প্রাথমিকে 'ম্যাথ ল্যাব' প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: ববি হাজ্জাজ উন্নয়নের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ গড়ব: প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ পঞ্চগড়ে বালি-পাথরে পাওয়া গেলো মর্টার শেল
Nagad desktop

ব্যবসায়ের মৌলিক ধারণা অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসি ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথম পত্র

প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৫, ০৮:০০ পিএম
ব্যবসায়ের মৌলিক ধারণা অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসি ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথম পত্র
বোর্ড পরীক্ষায় ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র বিষয়ে এ প্লাস পেতে সৃজনশীল প্রশ্নও গুরুত্ব দিয়ে পড়বে। ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : ব্যবসায়ের মৌলিক ধারণা

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

উদ্দীপকটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।

রিপন একজন পেঁয়াজ ব্যবসায়ী। উৎপাদন মৌসুমে তিনি প্রচুর পেঁয়াজ কিনে সংরক্ষণ করেন এবং ভালো মূল্য পাওয়ার লক্ষ্যে চাহিদা মোতাবেক বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করেন। এবার অনেক পেঁয়াজ পচে যাওয়ায় তিনি ব্যাপক লোকসানের সম্মুখীন হন। তাই ভবিষ্যতে এরূপ ঝুঁকি মোকাবিলায় তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা ভাবছেন।

(ক) পণ্য-দ্রব্য উৎপাদন ও বণ্টনকে কী বলে?
(খ) কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ব্যবসায় কেন গুরুত্বপূর্ণ?
(গ) রতন কোন কাজের মাধ্যমে ব্যবসার স্থানগত উপযোগ সৃষ্টি করছেন? ব্যাখ্যা করো।
(ঘ) ব্যবসায়ের ঝুঁকিগত প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করতে হলে রতনকে কীরূপ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে? মতামত দাও।

উত্তর: ক. মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে বৈধ উপায়ে পণ্য-দ্রব্য, সেবা, পরামর্শ প্রভৃতি উৎপাদন, বণ্টন ও বণ্টন সহায়ক কার্যাবলিকে ব্যবসা বলা হয়। 

খ. অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে যেকোনো ধরনের কাজ সংগ্রহ ও এ সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত থাকাকে কর্মসংস্থান বলে। ব্যবসায় মালিকের নিজের এবং সমাজের মানুষের জন্য অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। ব্যবসায়িক কার্য পরিচালনায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পন্ন হয়ে থাকে। এসব কার্যাবলি সম্পাদনে অনেক লোকের প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ ব্যবসায়ের বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক লোকের কর্মসংস্থান হয়। তাই কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে ব্যবসায়ের গুরুত্ব অন্যান্য পেশার তুলনায় অধিক।

আরো পড়ুন : Unit-1, Lesson-1-এর Flow Chart ও Summary Writing লিখন , ১ম পর্ব, এইচএসসি ইংরেজি ১ম পত্র

গ. রিপন পরিবহনের মাধ্যমে ব্যবসায়ের স্থানগত উপযোগ সৃষ্টি করছেন। যে পদ্ধতিতে এক স্থানে উৎপাদিত পণ্য অন্য স্থানে সরবরাহ করা হয়, তাকে পরিবহন বলা হয়। পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রিপন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পেঁয়াজ কিনে সংরক্ষণ করেন এবং যখন পেঁয়াজের চাহিদা বৃদ্ধি পায় এবং বেশি মূল্য পাওয়া যায়, সে সময়ে পরিবহনের মাধ্যমে বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করেন। জীবিকা অর্জনের উপায় হিসেবে রিপন যে ধরনের ব্যবসা শুরু করেছেন তাতে করে রিপনের নিজের জীবিকা অর্জনের উপায় হয়েছে এবং এলাকার অন্যান্য লোকজন তাকে দেখে উৎসাহিত হবে, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।

ঘ. পণ্যের বিমা গ্রহণের মাধ্যমে রিপন ভবিষ্যতে ব্যবসার ঝুঁকি মোকাবিলা করতে পারেন। যে চুক্তির মাধ্যমে বিমাকারী প্রিমিয়ামের প্রতিদান হিসেবে বিমা করা বিষয়বস্তুর আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলা করে তাকে বিমাপত্র বলা হয়। 
বিমা চুক্তিতে বিমাকারী প্রিমিয়ামের বিনিময়ে পণ্য-দ্রব্য ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়, তা বিমা কোম্পানি পূরণ করেন। ক্ষতির সমপরিমাণ অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে ব্যবসার আর্থিক ঝুঁকি হ্রাস করে। বিমা ঝুঁকি হ্রাসের মাধ্যমে সাবলীলভাবে ব্যবসার কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করে বলে এর সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন সহজ হয়। তাই রিপন ভবিষ্যতের ব্যবসার ঝুঁকি মোকাবিলায় বিমা পলিসি গ্রহণ করতে পারেন।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান 
ব্যবস্থাপনা বিভাগ, মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা

কবীর

বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম
বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

সপ্তম অধ্যায় : বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম

নমুনা প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রমে সমাজকর্ম পদ্ধতির প্রয়োগ ও অনুশীলন সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখ।

উত্তর: সমাজকর্ম সাহায্যকারী পেশা হিসেবে বিশ্বে সমাদৃত। সমাজকর্ম পেশার রয়েছে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, যার মাধ্যমে নানাবিধ সমস্যা সমাধানের প্রচেষ্টা চালানো হয়। শুধু তাই নয়, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সমাজকর্মের সব পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে বিস্তৃত একটি ক্ষুদ্র ঋণদানকারী স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। গ্রামীণ ব্যাংকের সার্বিক কর্মকাণ্ড সমাজকর্ম পদ্ধতি অনুশীলনের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
প্রথমত, গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রম দলীয় অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। ক্ষুদ্র দলভিত্তিক ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে গ্রামীণ ব্যাংক তার কার্যক্রম পরিচালনা করে। এক্ষেত্রে দল সমাজকর্ম পদ্ধতি প্রয়োগ করে সফলতা  পাওয়া সম্ভব। দল সমাজকর্মের হস্তক্ষেপ প্রক্রিয়াগুলো হলো দল গঠন, সমস্যা নির্ণয়, লক্ষ্য নির্ধারণ, মূল্যায়ন। গ্রামীণ ব্যাংকের দলভিত্তিক ঋণদান কার্যক্রমে দল সমাজকর্মের এসব প্রক্রিয়া অতি সহজেই প্রয়োগ করা যায়।
দ্বিতীয়ত, গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণগ্রহীতা টার্গেট গ্রুপের সব সদস্য সমভাবে ঋণের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং সুফল ভোগ করতে পারেন না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে যথাসময়ে ঋণ পরিশোধ করতেও অপারগ হন। এসব ব্যাপারে ঋণগ্রহীতার ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতা ও সমস্যা নির্ণয় করে তাকে ঋণের যথাযথ ব্যবহার এবং ঋণ পরিশোধ করতে সক্ষম করে তোলার ক্ষেত্রে ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতির জ্ঞান, প্রক্রিয়া ও কলাকৌশলের অনুশীলন বিশেষভাবে সহায়ক হতে পারে।
তৃতীয়ত, গ্রামীণ ব্যাংকের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য কার্যক্রমেও ব্যক্তি সমাজকর্ম প্রযোজ্য। যেমন- গ্রামীণ ব্যাংকের স্বাস্থ্যকর্মীর দায়িত্ব পালন বা শিক্ষায় ঝরে পড়া রোধে ব্যক্তি সমাজকর্মের জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োগ করা যায়। 
চতুর্থত, পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচির সফলতা নির্ভর করে স্থানীয় নেতৃত্বের ওপর। গ্রামীণ ব্যাংকের সমাপ্ত পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচির সফলতায়ও স্থানীয় নেতৃত্বের প্রভাব রয়েছে। গ্রাম্য রাজনীতি ও দ্বন্দ্বমূলক পরিবেশে নেতা নির্বাচন এবং তাদের মাঝে নেতৃত্বের বিকাশ সৃষ্টিতে ব্যক্তি সমাজকর্ম বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া যেকোনো দেশের জনগোষ্ঠীর সর্বোচ্চ জীবনযাত্রা নিশ্চিতকরণ ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে ব্যক্তি সমাজকর্মের কলাকৌশল প্রয়োগ করা হয়। সেক্ষেত্রে গ্রামীণ ব্যাংকের সমাজ উন্নয়ন ও অন্যান্য কর্মসূচিতেও এই পদ্ধতির সফল প্রয়োগ লক্ষণীয়। মোট কথা, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রদত্ত সামাজিক নিরাপত্তামূলক কার্যক্রমে সমাজকর্মের অন্যান্য পদ্ধতির মতো ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতির সক্রিয় প্রয়োগ আবশ্যক।

আরো পড়ুন :  বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

পঞ্চমত, গ্রামীণ ব্যাংকের লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক সমস্যা মোকাবিলা ও উন্নয়নে দলীয় প্রচেষ্টা হিসেবে দল সমাজকর্মের অবদান রয়েছে। ব্যক্তির বিকাশ ও উন্নয়নে, গঠনমূলক দলীয় অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে দল সমাজকর্ম অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। গ্রামীণ ব্যাংকের যেসব অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচি চালু রয়েছে সেগুলোকে জনগণের চাহিদা ও সম্পদের ওপর ভিত্তি করে পরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে দল সমাজকর্ম প্রয়োগ করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ছোট ছোট প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করছে গ্রামীণ ব্যাংক।
ষষ্ঠত, গ্রামীণ ব্যাংকের অন্য সব কর্মসূচিতে দল ও সমবায় গঠন করে হাঁস-মুরগির খামার, মৎস্য চাষ, দুগ্ধ উৎপাদন, পশুপালন, চাষাবাদ প্রভৃতি আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার সহজ মাধ্যম হচ্ছে দল সমাজকর্ম পদ্ধতি।
সপ্তমত, অন্যদিকে সমষ্টি উন্নয়ন হচ্ছে একটি আন্দোলন যার মাধমে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে সংঘবদ্ধ করে স্বীয় প্রতিভা ও ক্ষমতার বিকাশ এবং সম্পদের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করে উন্নত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত করতে সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। গ্রামীণ জনসমষ্টির কৃষির উন্নয়নে উন্নতমানের বীজ, যন্ত্রপাতি সরবরাহ, সমবায় কৃষি খামার, কৃষিঋণের ব্যবস্থাকরণসহ অন্যান্য কর্মসূচিতে জনগণের বলিষ্ঠ অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণের অন্যতম উপায় হলো সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতি।
অষ্টমত, সচেতনতা সৃষ্টি, শিক্ষা আন্দোলন, পরিবার পরিকল্পনা, গৃহনির্মাণ প্রকল্প প্রভৃতিতে সমাজকর্মের সামাজিক কার্যক্রম প্রযোজ্য।
নবমত, গ্রামীণ ব্যাংকের বিভিন্ন কার্যক্রমের আবশ্যকতা নির্ণয়, মাঠপর্যায়ে এর প্রবর্তন, সীমাবদ্ধতা ও গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়ের কাজে গবেষণা ও অনুসন্ধান কার্যক্রমের প্রয়োজন হয়। গ্রামীণ ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা ও মূল্যায়নে গবেষণা করা হয়। এক্ষেত্রে সমাজকর্ম গবেষণা পদ্ধতি অনুশীলনের বিশেষ সুযোগ রয়েছে।
দশমত, গ্রামীণ ব্যাংক দেশে-বিদেশে ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা করে। তাই এর ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সমাজকল্যাণ জ্ঞান, দর্শন, নীতি ও দক্ষতা প্রয়োগের মাধ্যমে তা কার্যকর করা যেতে পারে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, গ্রামীণ ব্যাংকের বিবিধ কার্যক্রমে সমাজকর্মের সবগুলো মৌলিক ও সহায়ক পদ্ধতির প্রয়োগ গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রমকে আরও বাস্তবসম্মত ও সফল করে তুলতে পারে।

লেখক : প্রভাষক, সমাজকর্ম বিভাগ
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা

কবীর

 

ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম
ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার পর প্রশ্ন নিয়ে গ্রুপ ডিসকাশন করছে। ছবি- সংগৃহীত

তৃতীয় অধ্যায় : ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

২৭। কিউটিকল কোথায় থাকে না-
i. মূলে      
ii. কাণ্ডে 
iii. পাতায়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i                            খ) ii 
গ) i ও ii                       ঘ) iii

২৮। উদ্ভিদে পানি পরিবহন পরীক্ষার জন্য কোন উদ্ভিদ ব্যবহার করা হয়?
ক) ছোলাবীজের চারা     
খ) হাইড্রেলা 
গ) ঘাস     
ঘ) পেপারোমিয়া

আরো পড়ুন : ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

২৯। লেন্টিসেল কোথায় থাকে?
ক) কাণ্ডের ত্বকে    
খ) ফুলে 
গ) ফলে     
ঘ) মূলে

৩০। কোষ রসে নিচের কোনটি থাকে?
i. লবণ      
ii. চিনি   
iii. পানি
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii     
খ) ii ও iii 
গ) i ও ii     
ঘ) i, ii ও iii

উত্তর: ২৭. ক, ২৮. ঘ, ২৯. ক, ৩০. ক।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর , ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর , ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা
টুকটুক পশুপাখির প্রতি বেশ যত্নবান ছিল। ছবি- সংগৃহীত

পাঠ-৯ : টুকটুক ও চিকু

অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন: অন্য পশুপাখির যত্নে টুকটুক কী কী করত?

উত্তর: বিড়ালছানা চিকুর প্রতি যত্ন নেওয়ার পর টুকটুক আশপাশের অন্য পশুপাখির প্রতিও বেশ যত্নবান হয়ে উঠল। পাখিদের যত্ন নিতে সে প্রতিদিন জানালার ধারে এক মুঠো ভাত রেখে দিত। গ্রীষ্মের তীব্র গরমে পাখিরা যেন পানি খেতে পারে, তাই বাটি ভরে পানি রেখে দিত। এছাড়া রাস্তায় কোনো ছেলে অন্য বিড়ালছানাকে তাড়া করলে সে দৌড়ে গিয়ে তাদের থামাত এবং ছানাটিকে কোলে তুলে নিরাপদ জায়গায় পৌঁছে দিত। সহপাঠীদের সঙ্গে নিয়ে সে ‘প্রাণীদের বন্ধু’ নামে একটি ক্লাবও গঠন করেছিল।

প্রশ্ন: ‘প্রাণীদের বন্ধু’ ক্লাবটি কীভাবে গঠিত হয়েছিল?

উত্তর: টুকটুক সহপাঠীদের সঙ্গে নিয়ে ‘প্রাণীদের বন্ধু’ নামে একটি ছোটখাটো ক্লাব গঠন করেছিল। ক্লাব গঠনের কাজে তাদের শ্রেণিশিক্ষক সহযোগিতা করেছিলেন।

আরো পড়ুন : টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৪টি সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রশ্ন: সঠিক উত্তরসহ বাক্যটি লেখ।

ক. টুকটুকের মামাতো ভাইবোনেরা আসবে—।
ঈদের ছুটিতে
শীতের ছুটিতে
গ্রীষ্মের ছুটিতে
পূজার ছুটিতে

উত্তর: টুকটুকের মামাতো ভাইবোনেরা আসবে গ্রীষ্মের ছুটিতে।

খ. ছানাটি জড়োসড়ো হয়ে—।
খিদেয় কাঁপছে
ভয়ে কাঁপছে
ঠাণ্ডায় কাঁপছে
জ্বরে কাঁপছে

উত্তর: ছানাটি জড়োসড়ো হয়ে ভয়ে কাঁপছে।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা

কবীর

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
গ্রামে টর্নেডো আঘাত হানছে। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ

(২য় পর্ব প্রকাশের পর)

বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকা : বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী ও নোয়াখালী ঘূর্ণিঝড়প্রবণ। বঙ্গোপসাগরের উষ্ণ পানি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি করে, যা উচ্চগতির বাতাস ও জলোচ্ছ্বাস নিয়ে উপকূলে আঘাত হানে। এই অঞ্চলগুলোর সমতল ভূমি ও ঘন জনসংখ্যা ক্ষতির পরিমাণ বাড়ায়। সিডর, আইলার মতো ঘূর্ণিঝড় এই অঞ্চলগুলোয় ব্যাপক ধ্বংসলীলা চালায়। তবে আশ্রয়কেন্দ্র, পূর্বাভাস ব্যবস্থা ও বাঁধ নির্মাণ ক্ষতি কমিয়েছে। স্থানীয় সম্প্রদায়ের সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তন ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বাড়াচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকায় বৃক্ষরোপণ ও শক্তিশালী অবকাঠামো জরুরি। এই অঞ্চলগুলোর জনজীবন ও অর্থনীতি রক্ষায় সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহতা: বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহতা জানমাল, অর্থনীতি ও পরিবেশের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় অঞ্চলে হাজার হাজার জীবন ও সম্পদ ধ্বংস করে। বন্যা ও নদীভাঙন গ্রামীণ এলাকায় ফসল, ঘরবাড়ি ও জীবিকা নষ্ট করে। ভূমিকম্প শহরাঞ্চলে ভবন ধস ও অবকাঠামোর ক্ষতি করে। লবণাক্ততা ওই অঞ্চলের কৃষি ও পানীয় জলের সংকট সৃষ্টি করে। খরা ও তাপপ্রবাহ খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়। জলবায়ু পরিবর্তন এই দুর্যোগের তীব্রতা বাড়িয়েছে। তবে, পূর্বাভাস, আশ্রয়কেন্দ্র ও ত্রাণ কার্যক্রম ক্ষতি কমিয়েছে। দুর্যোগের ভয়াবহতা মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও জনসচেতনতা জরুরি। এটি বাংলাদেশের উন্নয়নের পথে বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধের উপায় বা দুর্যোগ মোকাবিলা করার উপায়: বিশ্বের সব বিজ্ঞানীই একমত যে, জলবায়ু দূষণের ফলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়ে গেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পৃথিবীর শিল্পোন্নত দেশগুলোই বেশি দায়ী। বাংলাদেশসহ দরিদ্র দেশগুলোর দায় অনেক কম, কিন্তু এরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশি। কাজেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে বা একে মোকাবিলা করতে হলে সারা বিশ্বকেই একযোগে উদ্যোগ নিতে হবে। বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশগুলো রক্ষার জন্য শিল্পোন্নত দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে সাহায্য দিতে হবে। তা দিয়ে সমুদ্র উপকূলীয় দেশগুলো উপকূলে উঁচু বাঁধ নির্মাণ করে এবং বাঁধের ওপর ও আশপাশে ব্যাপক বনায়ন করে সাইক্লোন, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের তাণ্ডব থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য অনেকটা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করার জন্য নিম্নোক্ত উপায় অবলম্বন করা যেতে পারে–

আরো পড়ুন : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

১। পৃথিবীর সব দেশ বিশেষ করে শিল্পোন্নত দেশগুলো যদি সমঝোতার মাধ্যমে অন্তত ১০-১৫ বছর গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে রাখার ব্যবস্থা করে তাহলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ সহজ হতে পারে ।
২। গ্রিন হাউস গ্যাস কমাতে হলে জ্বালানি পোড়ানো কমাতে হবে।
৩। উন্নয়নবান্ধব কার্বন কনটেন্ট বানাতে হবে।
৪। জলবায়ু দূষণের ভয়াবহতা সম্পর্কে শিল্প-কারখানার মালিক ও জনগণকে সচেতন হতে হবে। এ ব্যাপারে সরকারকে বলিষ্ঠ উদ্যোগ নিতে হবে।
৫। কলকারখানার বর্জ্য ও শহরের মল-মূত্র এবং ময়লা, আবর্জনা সরাসরি নদীতে না ফেলে পরিশোধন করে ফেলতে হবে।
৬। বায়ুদূষণ রোধকল্পে প্রতিটি দেশের মোট আয়তনের শতকরা ২৫ ভাগ বনাঞ্চল থাকা একান্ত আবশ্যক। কিন্তু আমাদের দেশে সরকারি হিসাব অনুযায়ী ১৬ শতাংশ বলা হলেও প্রকৃত প্রস্তাবে আছে ৯-১০ শতাংশ। সুতরাং পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য অর্থাৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাঁচার জন্য ব্যাপকভাবে বনায়ন করতে হবে। বনভূমি উজাড়করণ এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগে গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে।
৭। পাহাড় কাটা বন্ধ করতে হবে এবং পাহাড়ি অঞ্চলে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে গাছ লাগিয়ে বনাঞ্চল গড়ে তুলতে হবে।
৮। কৃষি জমি, জলাভূমি, পাহাড় ইত্যাদি ধ্বংস করে বসতবাড়ি বা কলকারখানা নির্মাণ বন্ধ করতে হবে। এ ব্যাপারে সরকারকে কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে।
৯। দেশের ছোট-বড় সব নদীকে পর্যায়ক্রমে ড্রেজিং করে নাব্যতা বাড়াতে হবে।
১০। যে নদী মরে গেছে বা যাচ্ছে সেগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ড্রেজিং করে নাব্যতা বাড়াতে হবে।
১১। দুর্যোগ ঘটার আগে জনগণকে সতর্ক করতে হবে।
১২। সম্ভাব্য দুর্যোগ থেকে মানুষকে রক্ষার জন্য নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হবে। সেজন্য প্রয়োজনীয় নিরাপদ জায়গা বা বহুতল ভবন নির্মাণ করতে হবে।
১৩। দুর্যোগ মোকাবিলায় নিয়োজিত কর্মীবাহিনীকে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। এসব কাজে এবং স্থাপনা নির্মাণে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার সাহায্য নিতে হবে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় বিভিন্ন সংস্থা: বাংলাদেশে দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্বাভাস দেয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ত্রাণ বিতরণ ও স্বাস্থ্যসেবায় সহায়তা করে। বেসরকারি সংস্থা যেমন- ব্র্যাক, গ্রামীণ ব্যাংক ও অক্সফাম পুনর্বাসন, প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতায় কাজ করে। আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন- জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয়। স্থানীয় সম্প্রদায় ও স্বেচ্ছাসেবক দল দ্রুত ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। তবে, সমন্বয়ের অভাব ও তহবিলের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে এই সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা দুর্যোগ মোকাবিলায় অপরিহার্য।

দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাবলি: বাংলাদেশ সরকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বেশ কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আধুনিক পূর্বাভাস ব্যবস্থার  মাধ্যমে সরকার ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার পূর্বাভাস আগেই দেওয়ার চেষ্টা করছে। উপকূলীয় অঞ্চলে হাজার হাজার আশ্রয়কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে। বাঁধ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার মাধ্যমে বন্যা ও নদীভাঙন নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ভূমিকম্প-প্রতিরোধী ভবন নির্মাণ নীতি কঠোর করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জলবায়ু তহবিল গঠন করা হয়েছে। স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। তবে, দুর্নীতি, তহবিলের অভাব ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। সরকারের এই ব্যবস্থাগুলো দুর্যোগের ক্ষতি কমাতে সহায়ক। এজন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

উপসংহার: বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ জনজীবন, অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য বড় হুমকি। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙন, ভূমিকম্প ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে। তবে সরকার, বেসরকারি সংস্থা ও জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আধুনিক পূর্বাভাস, আশ্রয়কেন্দ্র, বাঁধ নির্মাণ ও জনসচেতনতা ক্ষতি কমিয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও টেকসই পরিকল্পনা জরুরি। বাংলাদেশের জনগণের স্থিতিস্থাপকতা ও প্রস্তুতি দুর্যোগ মোকাবিলায় শক্তি জোগায়। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ, প্রযুক্তি ব্যবহার এবং পরিবেশ রক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব কমিয়ে আশাকরি উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম
প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য ভাষা রয়েছে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : প্রোগ্রামিং ভাষা

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৯৪ অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্টের পার্থক্য-
i. লেখার নিয়মে     
ii. চিত্ররূপে 
iii. কাজে 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii       খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৯৫. প্রসেসিং ক্ষমতা বেশি দরকার কোন ভাষায়?
ক. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষায়     খ. মেশিন ভাষায় 
গ. অ্যাসেম্বলি ভাষায়            ঘ. উচ্চস্তরের ভাষায় 

৯৬. অ্যালগরিদমের চিত্রকে কী বলে?
ক. সিনট্যাক্স ভুল     খ. অ্যালগরিদম 
গ. অনুক্রমিক        ঘ. ফ্লোচার্ট

৯৭. অ্যাসেম্বলার কী?
ক. একটি মেশিন     খ. ব্রাউজার 
গ. প্রিন্টার               ঘ. সফটওয়্যার

৯৮. অ্যারে উপাদানের ঘরগুলোকে কী বলে?
ক. অ্যারে ইলিমেন্টস     খ. অ্যারে পয়েন্টার 
গ. অ্যারে বক্স                ঘ. অ্যারে ইনডেক্স

৯৯. বর্গমূল বের করার জন্য হেডার ফাইলে কোনটি দিতে হয়?
ক. conio.h     খ. stdion.h 
গ. math.h      ঘ. sqrt.h

১০০. সি কম্পাইলারে বিল্ট-ইন ফাংশনগুলো কোথায় থাকে?
ক. লাইব্রেরি ফাংশনে                 খ. বিল্ট-ইন ফাংশনে 
গ. ইউজার ডিফাইড ফাংশনে     ঘ. মেইন ফাংশনে

১০১. প্রোগ্রামের ভিত্তি কোনটি? 
ক. কোডিং        খ. ডিবাগিং 
গ. প্রবাহচিত্র     ঘ. সুডোকোড

আরো পড়ুন : প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

১০২. গঠন বিচার ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামের ভাষাকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
ক. ২ ভাগে     খ. ৩ ভাগে 
গ. ৪ ভাগে     ঘ. ৫ ভাগে

১০৩. সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারের ভাষায় ধারাবাহিকভাবে সাজানোর নির্দেশমালাকে কী বলে?
ক. হার্ডওয়্যার     খ. ফার্মওয়্যার 
গ. প্রোগ্রাম         ঘ. সফটওয়্যার

১০৪. সফটওয়্যার তৈরির জন্য কী প্রয়োজন? 
ক. হার্ডওয়্যার              খ. প্রোগ্রাম 
গ. কম্পিউটার ভাষা     ঘ. ফার্মওয়্যার 

১০৫. কম্পিউটার কোন ধরনের ভাষা বোঝে?
ক. English Language      খ. Spoken Language
গ. Machine Language     ঘ. Customized Language

১০৬. কম্পিউটার বুঝতে পারে এমন কিছু সংকেত ও কতিপয় নিয়মকানুনকে একত্রে কী বলে? 
ক. প্রোগ্রাম           খ. প্রোগ্রামের ভাষা 
গ. সফটওয়্যার     ঘ. ফার্মওয়্যার

১০৭. কম্পিউটারের অভ্যন্তরে দুটি সংকেত কী কী?
ক. ০ ও ১     খ. ১ ও ২ 
গ. ০ ও ২     ঘ. ০ ও ৩

১০৮. যান্ত্রিক ভাষার প্রধান উপকরণ নিচের কোনটি? 
ক. নিজস্ব ভাষা       খ. অ্যাসেম্বলি ভাষা 
গ. মানুষের ভাষা     ঘ. যন্ত্রের নিজস্ব ভাষা

১০৯. কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা কোনটি?
ক. মেশিন ভাষা                 খ. অ্যাসেম্বলি ভাষা 
গ. দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা    ঘ. পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা

উত্তর: ৯৪. ক, ৯৫. ক, ৯৬. খ, ৯৭. ঘ, ৯৮. ঘ, ৯৯. গ, ১০০.ক, ১০১. ক, ১০২. ঘ, ১০৩. গ, ১০৪. গ, ১০৫. গ, ১০৬. খ, ১০৭. ক, ১০৮. ঘ, ১০৯. ক।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর