ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরও থামেনি হামলা, লেবাননে নিহত ১৬ হরিণাকুণ্ডুতে আ.লীগ–বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৬ ফেরদৌস ওয়াহিদ ও সাঈদা শম্পার ‘মন বোঝে না’ চট্টগ্রামে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান তৈরির আহ্বান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর ‘বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার’ প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের চেয়ারম্যান মনিরুল, মহাসচিব আমান কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র বরেন্দ্র সভ্যতার ইতিহাস-ঐতিহ্য ধারণ করে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর বৃহত্তর কুষ্টিয়ার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী আব্দুল জলিলের স্মরণসভা ইবি ছাত্রদলে পদ পাচ্ছে ছাত্রলীগ কর্মীরা! প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুদের থেকে ফি আদায় প্রসঙ্গে গাজীপুরে তেল কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ৩ ইউনিট রাজশাহীতে অটো ভাড়া বৃদ্ধি তিস্তা ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, পরবর্তী কর্মসূচি ‘ঢাকা ঘেরাও’ নায়িকা ববির কথিত স্বামী আবুল বাশার গ্রেপ্তার সিটি কলেজ ক্যাম্পাস, ষোলশহরে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল সোনারগাঁয় যুবলীগ-ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার সম্পর্কের পর বিয়ে হয়নি বলে ধর্ষণের অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়, রায় কোর্টের সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৩টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র খোলা ড্রামে ভোজ্যতেল: ভোক্তার অধিকার কোথায়? আগস্টের মধ্যেই ঢাকা-পাবনা রুটে সরাসরি ট্রেন: নৌপরিবহনমন্ত্রী গাজী গিয়াস উদ্দিনকে মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সাহিত্য পুরস্কার প্রদান তীব্র তাপপ্রবাহে করণীয় আইনের শাসন ও মানবাধিকার নিশ্চিত করুন নিত্যপণ্যের দামে কোনো চাপ নেই, বাজেট জনবান্ধব: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান দেশে বাড়ছে হামের প্রকোপ, একদিনে ৭ মৃত্যু ছত্রিশ-চব্বিশের পরকীয়া নিয়ে তুলকালাম মায়ের কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হারুন আল রশীদ খাল খননের পর ভরাট করে গাড়ির গ‍্যারেজ, কার গরজে?

Unit-9: Occupations, Lesson-1-2-এর ২টি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির ইংরেজি

প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৫, ১১:২৫ এএম
আপডেট: ১৯ জুলাই ২০২৫, ১১:২৬ এএম
Unit-9: Occupations, Lesson-1-2-এর ২টি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির ইংরেজি
শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত
Unit-9 : Occupations, Lesson-1-2
 
Seen Passage
 
(গত ১৫ জুলাই প্রকাশের পর)
 
3. Answer the following questions.
 
a) Who is a firefighter?
b) When did the firefighters come to put out the fire?
c) What is Raju’s main job now?
d) Where does Raju like to visit?
e) What does he tell the students?
 
Answer: a) Raju is a firefighter.
b) soon after the fire had taken place the firefighters came to put it out.
c) Raju’s main job is putting out fires.
d) Raju likes to visit schools.
e) He tells the students what to do if there is a fire.
 
 
4. Write a short composition in 5 sentences about ‘A Firefighter’ by answering the following questions.
 
(a) What does a firefighter do ?
(b) How is his physical Structure?
(c) What does he do more than his main job?
(d) How does he do his job? How is his work useful to people?
(e) What do you think about his job?
 
Answer:              A Firefighter
A firefighter is he who is engaged in putting out fires. To be a fighter a person should be physically fit, brave and careful. Besides his main job, a fighter has to train young people to become firefighters. He does his job bravely and carefully even at the risk of his life and his work is useful to people as it helps them save their valuable lives. I think his job is very risky and difficult.
 
লেখক : সিনিয়র শিক্ষক
বিএএফ শাহীন কলেজ, কুর্মিটোলা, ঢাকা
 
কবীর

কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
পোকা দমনের জন্য ওষুধ ছিটানোর কাজেও যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা : কৃষিকাজে বিজ্ঞান

কৃষি কাজে বিজ্ঞানের ব্যবহার: উৎপাদনের সব স্তরে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে চাষাবাদ পদ্ধতিতে বিজ্ঞানের প্রয়োগ করা যেতে পারে। এ পদ্ধতিতে প্রাচীন আমলের কাঠের লাঙল, বলদ, মই, নিড়ানি, কোদাল, কাস্তে ইত্যাদির পরিবর্তে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি, যেমন- জমি চাষের জন্য ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, বীজ বোনার জন্য সিডলিং, মই দেওয়ার জন্য লেভেলার, পানি সেচের জন্য গভীর ও অগভীর নলকূপ, পাওয়ার পাম্প, আগাছা পরিষ্কারের জন্য উইডার, ফসল সংগ্রহের জন্য হারভেস্টার, ফসল মাড়াইয়ের জন্য থ্রেসার ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়।

কৃষি গবেষণায় বিজ্ঞান: কৃষি গবেষণায় বিজ্ঞানের প্রয়োগ অপরিহার্য। যেমন-
(ক) কৃষিজাত দ্রব্য বা পণ্যের ব্যবহার, সংরক্ষণ ও নতুন ধরনের বীজ উদ্ভাবন।
(খ) অপ্রচলিত কৃষিজাত দ্রব্য বা পণ্যের ব্যবহার এবং চাষাবাদ-সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব ও তথ্য সংগ্রহ।
(গ) পরিবেশ ও আবহাওয়া দূষণের সঙ্গে সম্পর্ক বিধান করে কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহারোপযোগী সার ও কীটনাশক প্রভৃতির প্রয়োগ নিশ্চিত করার জন্য বিজ্ঞানের ব্যবহার করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি কাজের গুরুত্ব: বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। এ দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদার সবটাই জোগান দেয় কৃষি। অথচ ক্ষুদ্রায়তন বাংলাদেশের জনসংখ্যার তুলনায় কৃষি জমির পরিমাণ খুবই অপ্রতুল। আমাদের দেশের কৃষকরা প্রচলিত প্রাচীন চাষাবাদ পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সমতা বজায় রেখে কৃষিক্ষেত্রে ফসল উৎপাদন করতে পারছে না। আমাদের দেশের   তুলনায় জাপানের মাটির স্বাভাবিক উৎপাদন ক্ষমতা এক-চতুর্থাংশ। অথচ তারা কৃষিক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে আমাদের চেয়ে কম জমিতে সর্বাধিক ফসল ফলিয়ে খাদ্য সমস্যার সমাধান করতে পেরেছে। তাই আমাদের দেশে উন্নত বীজ ও কৃষিক্ষেত্রের মান অনুযায়ী রাসায়নিক সার, কীটনাশক প্রয়োগ ও বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষির উৎপাদন বাড়াতে হবে।

কৃষক ও কৃষি:  কালের স্রোতধারায় গোটা বিশ্ব আজ  ছুটে চলেছে উন্নয়নের স্বর্ণশিখরের দিকে। অথচ বাংলাদেশের কৃষক আর কৃষি আজও সেই তিমিরেই রয়ে গেছে। মানুষের জীবনকে নিরাপত্তাদানের ব্যাপারে কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তার সঙ্গে বিজ্ঞানের সংযোগ ঘটেছে ঠিকই, কিন্তু ব্যাপক সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। উন্নত দেশগুলোতে কৃষিকাজে বিজ্ঞানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠলেও আমাদের দেশে তেমন অগ্রগতি সাধিত হয়নি। কৃষিব্যবস্থা এখনো প্রাচীন পদ্ধতিতেই চলছে। উন্নত কৃষিপদ্ধতির সঙ্গে এ দেশের নিরক্ষর কৃষক সমাজ এখনো পরিচিত হয়ে উঠতে পারেনি। এদেশে আধুনিক কৃষিব্যবস্থা প্রয়োগের মতো জ্ঞান ও অর্থ তাদের নেই। তাই ফসলের উৎপাদন বাড়ছে না। ফলে অনেকটা ভাগ্যের ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশের কৃষকসমাজ প্রকৃতির খেয়ালখুশির খেলনা হয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরছে।

আরো পড়ুন : কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

বিজ্ঞানের দান: কৃষিক্ষেত্রে বিজ্ঞানের দান বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সমস্যাটি সমগ্র বিশ্বে বিদ্যমান থাকায় কৃষির উৎপাদন বাড়িয়ে তা মোকাবিলা করার উদ্যোগ উন্নত বিশ্বে দেখা যায়। ফলে, কৃষিক্ষেত্রে বিজ্ঞানের প্রয়োগ হওয়ায় কৃষির অনেক উন্নতি সাধিত হয়েছে। চাষাবাদ পদ্ধতি এখন যান্ত্রিকীকরণ করা হয়েছে। কৃষি উৎপাদনের সামগ্রিক ব্যবস্থায় বিজ্ঞান অবদান রেখেছে। বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে বিজ্ঞানের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। সার, সেচ ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের ব্যবহার হচ্ছে। বিভিন্ন কৃষিজ ফসল নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে উন্নতমানের এবং বেশি পরিমাণে ফসল ফলনের উপায় উদ্ভাবন করা হয়েছে। এসব অগ্রগতির ফলে বিশ্বের বহু দেশে কৃষির উৎপাদন  বেড়েছে এবং উৎপাদিত ফসল বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে।

বিভিন্ন দেশে কৃষি কাজে বিজ্ঞান: উন্নত দেশের কৃষিকাজ সম্পূর্ণভাবে বিজ্ঞানের ওপর নির্ভরশীল। উন্নত দেশে জমি কর্ষণ, বীজ বপন, সেচকার্য, ফসল কাটা, মাড়াই, বাছাই ইত্যাদি সব কাজ আজ যন্ত্রের সাহায্যে করা হয়। ট্রাক্টরের সাহায্যে জমি চাষ করে মেশিন দিয়ে জমিতে বীজ বপন করা হয়। বপনের জন্য সংরক্ষিত বীজ বাছাই কাজও যন্ত্রের সাহায্যে করা হয়। 
জমিতে প্রয়োজনমতো সার দেওয়া কিংবা ফসলে পোকা লাগলে পোকা দমনের জন্য ওষুধ ছিটানোর কাজও যন্ত্রের সাহায্যে করা হয়। আজকের যুগে ফসলের জমিতে সেচের জন্য মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে না। অনাবৃষ্টি বা অতিবৃষ্টি শস্য জন্মানোর ক্ষেত্রে অন্তরায় হয় না। আজ মানুষ গভীর নলকূপ এবং পাম্পের সাহায্যে জমিতে সেচ দেয়। মানুষ ফসল কাটা যন্ত্রের সাহায্যে একদিকে ফসল কাটছে, অন্যদিকে মাড়াই হয়ে শস্য ও খড় আলাদা হয়ে যাচ্ছে। উন্নত দেশের লোকেরা কৃষিকাজকে যান্ত্রিক করে ফেলেছে। শীতপ্রধান দেশে ‘শীত নিয়ন্ত্রণ’ ঘর বানিয়ে শাকসবজি এবং ফলমূল সংরক্ষণ করা হচ্ছে। বিজ্ঞানের সাহায্যে বর্তমানে শুষ্ক মরুভূমির মতো জায়গায় সেচ, সার ও অন্যান্য বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় চাষাবাদ করে উন্নত দেশের কৃষকরা ফসল ফলাচ্ছে। ফলে, একথা নিঃসন্দেহে বলা যায় বিজ্ঞান কৃষিকাজে এক যুগান্তকারী বিপ্লব সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশে কৃষি কাজে বিজ্ঞান: আমাদের দেশেও এখন কৃষি কাজে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে। খণ্ডবিখণ্ডতার কারণে জমি কর্ষণে ব্যাপকভাবে ট্রাক্টর ব্যবহার করা যাচ্ছে না। মানুষ এখন আর চাতক পাখির মতো বৃষ্টিধারার জন্য আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে না। এখন সেচের জন্য ব্যবহার করা হয় গভীর নলকূপ এবং মেশিনচালিত পাম্প। বপনের জন্য ব্যবহার করা হয় উন্নতমানের বীজ। 
বীজ সংরক্ষণে সাহায্য নেওয়া হয় বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির। রাসায়নিক সার ব্যবহার করে ফসল উৎপাদনের মাত্রা বাড়ানো হচ্ছে। আগে যে জমিতে এক ধরনের ফসল হতো, বিজ্ঞানের সাহায্যে এখন সেখানে তিন ধরনের ফসল হয়। তবে আমাদের দেশের কৃষিকাজ এখনো সম্পূর্ণ যান্ত্রিক করা সম্ভব হয়নি। চাষাবাদে বিজ্ঞানকে কাজে লাগাতে পারলে আমাদের খাদ্য সমস্যা সমাধান করা যাবে, এটা নিশ্চিত বলা যায়।

কৃষিতে বিজ্ঞানের অবদান: অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো কৃষি কাজেও বিজ্ঞানের অবদান রয়েছে। বর্তমানে কৃষি কাজে বিজ্ঞানের প্রয়োগ হওয়ায় কৃষির যথেষ্ট উন্নতি সাধিত হয়েছে। চাষাবাদ পদ্ধতি এখন যান্ত্রিকীকরণ করা হয়েছে। আদিম লাঙল-মই প্রযুক্তি পরিহার করে বর্তমানে ট্রাক্টরের সাহায্যে অতি স্বল্প সময়ে, স্বল্প পরিশ্রমে অধিক পরিমাণ জমি চাষাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে। তাই বলা যায়, কৃষি উৎপাদনের সামগ্রিক ব্যবস্থায় বিজ্ঞান অবদান রাখছে।

(বাকি অংশ ৩য় পর্বে প্রকাশ করা হবে)

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৩টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৩টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

নাটক : সিরাজউদ্দৌলা 

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ‘দেশপ্রেমিকের রক্ত যেন আবর্জনার স্তূপে চাপা না পড়ে।’-ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের চতুর্থ দৃশ্যে নবাব সিরাজউদ্দৌলার এ সংলাপে পলাশীর প্রান্তরে শহিদ বীরদের আত্মদান যেন বৃথা না যায়, সে প্রসঙ্গে এ কথা বলা হয়েছে। 
পরাজিত নবাব সিরাজউদ্দৌলা রাজধানীতে এসে দরবারে সমবেত সাধারণ মানুষকে ধেয়ে আসা শত্রুদের মোকাবিলার কথা বলেন। প্রতিরোধ গড়তে তিনি জনগণকে সাহস নিয়ে শত্রুর সামনে দাঁড়াতে বলেন। কিন্তু জনতা সেই জাতীয়তাবাদী চেতনা ধারণ করতে পারেনি। তাই সবাইকে নবাব জানান, পলাশীর প্রান্তরে যে বীর সেনাপতিরা দেশের জন্য প্রাণ দিলেন, তারা তো চাইলেই পালাতে পারতেন। কিন্তু দেশকে ভালোবেসে তারা জীবন দিয়ে দেশের মাটি রঙিন করলেন। বীরের এই আত্মদান যেন ব্যর্থ না হয়। একবার দেশবাসী দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হলেই সব শত্রু পরাজিত হবে। পলাশীর শহিদদের আত্মদানের তাৎপর্য সাধারণ জনতা সেদিন বোঝেনি। 

আরো পড়ুন : সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রশ্ন: ‘ইনি কি নবাব, না ফকির?’- ক্লাইভের এ উক্তির কারণ ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে কর্নেল রবার্ট ক্লাইভের এ সংলাপে মীর জাফরের ব্যক্তিত্বহীনতা দেখে তার প্রতি এমন ব্যঙ্গাত্মক অনুভূতি ব্যক্ত হয়েছে। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের পর চুক্তিমতো নবাব হন বিশ্বাসঘাতক ও ক্ষমতালোভী প্রধান সেনাপতি মীর জাফর আলী খান। তার অভিষেকের দিন রাজদরবারে এসে তিনি সিংহাসনে না বসে সিংহাসনের হাতল ধরে কর্নেল ক্লাইভের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। ক্লাইভ না এলে তিনি বাংলার মসনদে বসবেন না। ইতোমধ্যে ক্লাইভ এসে মীর জাফরের এসব কথা শুনে বিস্মিত হন। বাংলার নবাব ফকিরের মতো সিংহাসন ধরে দাঁড়িয়ে আছেন; অথচ তিনি তো পরাক্রমশালী হওয়ার কথা। আসলে ক্লাইভও বুঝে যান মীর জাফর সত্যিকার অর্থে অযোগ্য গর্দভ। ফলে ব্যঙ্গাত্মক কথায় তিনি নতুন নবাবকে অপমানও করেন; অবশ্য মীর জাফর সেটিও বোঝেননি। 

প্রশ্ন:  ‘মীর জাফর বেইমান নয়’- বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের চতুর্থ অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে নতুন নবাব মীর জাফর আলী খানের এ সংলাপে ক্লাইভের প্রতি তার ব্যক্তিত্বহীন আনুগত্যের বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে। 
পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজের পরাজয় হলে বাংলার নবাব হন মীর জাফর। ইংরেজদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেই মীর জাফর ও তার সহচররা নবাব সিরাজের পরাজয় নিশ্চিত করেন। তাই তিনি নিজেকে বেইমান নয় আখ্যা দিয়ে ক্লাইভের হাত ধরে সিংহাসনে বসেন। এতে মীর জাফরের নৈতিকতা নয়; বরং অনৈতিক ও দুর্বল মানসিকতারই প্রকাশ ঘটেছে। কারণ, নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও দেশের সঙ্গে যে বেইমানি তিনি করেছেন তারপরও এমন কথা বলে তিনি নিজেকে হাস্যকর চরিত্রে পরিণত করেছেন।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম
উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি। ছবি- সংগৃহীত

চতুর্থ অধ্যায় : উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর 

১। জীবের প্রতিরূপ সৃষ্টির প্রক্রিয়ার নাম কী?
ক) স্পোর     খ) পরাগায়ন 
গ) জনন      ঘ) প্রজাতি

২। কোন প্রক্রিয়ায় কচুরিপানায় বংশবিস্তার ঘটে?
ক) ফসফেটের মাধ্যমে     
খ) গ্যামেটের মাধ্যমে 
গ) অফসেটের মাধ্যমে      
ঘ) স্পোরের মাধ্যমে

৩। প্রজনন প্রধানত কত প্রকার?
ক) ২ প্রকার     খ) ৩ প্রকার 
গ) ৪ প্রকার     ঘ) ৫ প্রকার

৪। অযৌন জনন কত ধরনের?
ক) ৫ ধরনের     
খ) ৪ ধরনের 
গ) ৩ ধরনের     
ঘ) ২ ধরনের

৫। কিছু কিছু উদ্ভিদে মাটির নিচে শাখার অগ্রভাগে খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে যে, কন্দের সৃষ্টি হয় তাকে কী বলে?
ক) স্টোলন     খ) রাইজোম 
গ) বুলবিল      ঘ) টিউবার

আরো পড়ুন : ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

৬। নিচের কোনটি রাইজোম?
ক) রসুন     খ) আদা 
গ) লাউ       ঘ) পেঁয়াজ

৭। পর-পরাগায়ন নিচের কোনটিতে দেখা যায়?
i. কুমড়া গাছে    
ii. পেঁপে গাছে
iii. শিমুল গাছে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii     খ) ii ও iii 
গ) i ও ii       ঘ) i, ii ও iii

৮। মিষ্টি আলুর প্রজনন ঘটে নিচের কোনটির মাধ্যমে?
ক) কাণ্ড     খ) পাতা 
গ) মূল        ঘ) পরবীজ

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৯ ও ১০ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

সুমনা ফুলের এমন একটি অংশ দেখল, যেটি দেখতে সবুজ রঙের। এটি ফুলের অন্য অংশগুলোকে বিশেষত কুঁড়ি অবস্থায় রোদ, বৃষ্টি ও পোকা-মাকড় এবং অন্যান্য ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

৯। ওপরের উদ্দীপকে ফুলের কোন অংশের কথা বলা হয়েছে?
ক) দলমণ্ডল     খ) পুংকেশর 
গ) গর্ভকেশর     ঘ) বৃতি

১০। সম্পূর্ণ ফলে কয়টি অংশ থাকে? 
ক) ২টি     খ) ৩টি 
গ) ৪টি      ঘ) ৫টি

উত্তর: ১. গ, ২. গ, ৩. ক, ৪. ঘ, ৫. ঘ, ৬. খ, ৭. খ, ৮. গ, ৯. ঘ, ১০. ঘ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক 
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:১৮ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের পাঠ শুনছে ও নোট করছে। ছবি- সংগৃহীত

পাঠ-৯ : টুকটুক ও চিকু

প্রশ্ন: সঠিক উত্তরসহ বাক্যটি লেখ।

গ. টুকটুক বিড়াল ছানাটির গা মুছিয়ে দিল—।
গামছা দিয়ে
কাপড় দিয়ে
জামা দিয়ে
তোয়ালে দিয়ে

উত্তর: টুকটুক বিড়াল ছানাটির গা মুছিয়ে দিল তোয়ালে দিয়ে।

ঘ. বিড়ালছানার নাম ‘চিকু’ রেখেছে—।
রাতুল
নীলা
টুকটুক
মা

উত্তর: বিড়ালছানার নাম ‘চিকু’ রেখেছে টুকটুক।

ঙ. চড়ুইভাতির আয়োজন করল—।

টুকটুক ও নীলা
টুকটুক, রাতুল ও নীলা
রাতুল ও নীলা
টুকটুক ও রাতুল

উত্তর: চড়ুইভাতির আয়োজন করল টুকটুক, রাতুল ও নীলা।

আরো পড়ুন : টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রশ্ন: কোন বাক্যে বিবরণ, প্রশ্ন, বিস্ময় বোঝাচ্ছে তা ডান পাশে লেখ।

ক. আগামীকাল থেকে গ্রীষ্মের ছুটি শুরু। 
খ. ভয় পেয়েছ? 
গ. অনেক কিছু শিখে গেলে। 
ঘ. টুকটুক ওর নাম রাখল ‘চিকু’। 
ঙ. সত্যি, মাগো! 
চ. কেন পারবি না? 

উত্তর: ক. আগামীকাল থেকে গ্রীষ্মের ছুটি শুরু। — বিবরণ
খ. ভয় পেয়েছ? — প্রশ্ন
গ. অনেক কিছু শিখে গেলে। — বিবরণ
ঘ. টুকটুক ওর নাম রাখল ‘চিকু’। — বিবরণ
ঙ. সত্যি, মাগো! — বিস্ময়
চ. কেন পারবি না? — প্রশ্ন

লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা

কবীর

প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১১:০০ এএম
প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র
প্রাকৃতিক ভূগোলের আধুনিক রূপকার ভন হামাবোল্ট। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : প্রাকৃতিক ভূগোল

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৩৬। ভূত্বকের বৈচিত্র্যের ইতিহাস, গঠন, বিন্যাস ভূগোলের কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?
ক) বারিতত্ত্বে        খ) ভূমিরূপ বিদ্যায়
গ) হিমবাহতত্ত্বে    ঘ) জীব ভূগোলে

৩৭। প্রাকৃতিক ভূগোলের পরিসরের অন্তর্ভুক্ত নিচের কোনটি?
ক) জনসংখ্যা ভূগোল     খ) বসতি ভূগোল
গ) কৃষি ভূগোল               ঘ) সমুদ্র ভূগোল

৩৮। প্রাকৃতিক ভূগোলের আলোচনার বিষয়বস্তু হলো-
i. নদী, প্লাবন ভূমি, কৃষিকাজ    
ii. বায়ুমণ্ডল, বন্যা, সমুদ্র স্রোতে
iii. ওজোনস্তর, মহীসোপান, জোয়ার
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii      খ) i ও iii 
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

৩৯। প্রাকৃতিক পানিচক্রের স্থান ও কালগত বিশ্লেষণ ভূগোলের কোন শ্রেণিভুক্ত?
ক) নদীজ ভূগোল         খ) মৃত্তিকা ভূগোল
গ) প্রাকৃতিক ভূগোল     ঘ) জলবায়ু ভূগোল

৪০। প্রাকৃতিক ভূগোলের আধুনিক রূপকার কে?
ক) ভন হামাবোল্ট    খ) কার্ল রিটার
গ) ড্যাডলি স্ট্যাম্প    ঘ) ফ্রেডরিক র্যাটজেল

৪১। বারিমণ্ডল ভূগোলের কোন শাখার অন্তর্ভুক্ত?
ক) মানব ভূগোল         খ) নগর ভূগোল
গ) আঞ্চলিক ভূগোল    ঘ) প্রাকৃতিক ভূগোল

আরো পড়ুন : প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

৪২। প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যয়নের দৃষ্টিভঙ্গি পুনঃপরিবর্তিত হয়েছে কেন?
ক) রাজনৈতিক কারণে    
খ) সময়ের পরিবর্তনে
গ) বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে    
ঘ) আঞ্চলিক কারণে

৪৩। জলবায়ুবিদ্যার উপাদানগুলো হলো-
i. আবহাওয়া ও জলবায়ু    
ii. সাগর ও মহাসাগর
iii. বায়ুর গঠন ও উপাদান
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii     খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

৪৪। বিংশ শতাব্দী থেকে প্রাকৃতিক ভূগোলে কোন বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে?
ক) জীবতত্ত্ব            খ) সমুদ্রতত্ত্ব 
গ) উপকূলীয়তত্ত্ব    ঘ) বারিতত্ত্ব

৪৫। প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন শাখায় ভূত্বকের গঠন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
ক) জলবায়ু বিদ্যায়    খ) পানি বিদ্যায়
গ) ভূমিরূপ বিদ্যায়    ঘ) সমুদ্র বিদ্যায়

৪৬। প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন শাখায় ঘূর্ণিঝড় ও টর্নেডো নিয়ে আলোচনা করা হয়?
ক) ভূমিরূপ বিদ্যায়    খ) সমুদ্র বিদ্যা
গ) জলবায়ু বিদ্যায়     ঘ) জীব বিদ্যায়

৪৭। প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত নিচের কোনটি?
ক) নগর ভূগোল    খ) জনসংখ্যা ভূগোল
গ) বসতি ভূগোল    ঘ) ভূমিরূপ ভূগোল

৪৮। প্রাকৃতিক ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় নিচের কোনটি?
ক) পৃথিবীর বর্ণনা    খ) পরিবেশ ও প্রকৃতি
গ) পৃথিবীর জন্ম      ঘ) খনিজ সম্পদ

উত্তর: ৩৬. খ, ৩৭. ঘ, ৩৮. ঘ, ৩৯. গ, ৪০. ক, ৪১. ঘ, ৪২. খ, ৪৩. খ, ৪৪. খ, ৪৫. গ, ৪৬. গ, ৪৭. ঘ, ৪৮. গ।

লেখক : প্রভাষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

কবীর