২০ আষাঢ়, আজ শুক্রবার (৪ জুলাই)। দিনভর রাজধানীতে কখনো মেঘলা, কখনো বৃষ্টি, আবার কখনো রোদেলা। ভরা আষাঢ় বা মাঝ বর্ষার দিন বলতে যা বোঝায় তেমন একটি দিন কাটানোর পর এদিন সন্ধ্যায় বর্ষার গানের আসর বসিয়েছিল সৃজনশীল গানের দল ‘নিবেদন’। এদিন রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে এই অনুষ্ঠান হয়।
মেঘলা আকাশ, তাই এই সন্ধ্যার আকাশে কোন তারার দেখা মিলছিল না। তবে দেশের গানের জগতের কিছু তারা এই সন্ধ্যায় জড়ো হয়েছিল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এক কক্ষে এই গানের অনুষ্ঠান ঘিরে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত গীতিকবি মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান, স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ও স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক বাচিকশিল্পী আশরাফুল আলম এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত সুরস্রষ্টা শেখ সাদী খান।
সংগঠনের সভাপতি ড. বিশ্বজিৎ রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে শিল্পীরা একে একে ১৯টি গান গেয়ে বর্ষার আবহ নিয়ে আসেন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে। অনুষ্ঠানে সূচনা ও সমাপনীতে সমবেত কণ্ঠে দুটি গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা।
এ ছাড়া একে একে সুমনা দাশের কণ্ঠে ‘এ ঘোর রজনী’, মানসী সাধুর কণ্ঠে ‘আজি ঝড়ের রাতে’, সৃজ্যোতি রায় শুচির কণ্ঠে ‘শ্রাবণের ধারার মতো’, রাশিদা রাহমানের কণ্ঠে ‘এসো শ্যামল সুন্দর’, সুতপা রায়ের কণ্ঠে ‘বধুয়া নিদ নাহি আঁখি পাতে’, সোমা দাশের কণ্ঠে ‘সোনার হিন্দোল কিশোর’, শিল্পী চক্রবর্তীর কণ্ঠে ‘আষাঢ়ের মেঘলা আকাশ’, সুমনা দাশের কণ্ঠে ‘ধরো আজ তোমার আসার’, রাজত বরণ দত্তের কণ্ঠে ‘এই মেঘলা দিনে একলা’, সুতপা রায়ের কণ্ঠে আরেকটি গান ‘এমনি বরষা ছিল সেদিন’, মানসী সাধুর কণ্ঠে আরেকটি গান ‘তুমি চলে যাবার পর’, সৃজ্যোতি রায় শুচির কণ্ঠে আরেকটি গান ‘টিনের চালে টাপুর টুপুর’, কাজল মন্ডলের কণ্ঠে ‘দোহাই শ্রবণ এসোনা আমার’, শিল্পী চক্রবর্তীর কণ্ঠে আরেকটি গান ‘ওগো বৃষ্টি আমার চোখের পাতা’, রাশিদা রহমানের কণ্ঠে ‘একটি পাতায় টুপ’, সোমা দাশের কণ্ঠে আরেকটি গান ‘আষাঢ় শ্রাবণ মানে না তো মন’ এবং রজত বরণ দত্তের কণ্ঠে ‘কতদিন পরে এলে’ গান উপভোগ করেন মিলনায়তন ভর্তি দর্শক-শ্রোতা।
মাহমুদুল আলম/সুমন/