ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিদায়ের আগে আবেগঘন এক বন্ধনের গল্প বস্টনের মন জয় করেছে টার্টান আর্মি দ্রুততম গোলে এগিয়ে বিরতিতে মরক্কো সুইডিশ সমর্থকদের ‘ইয়েলো মার্চ’ রদ্রিকে নিয়ে সমালোচনা ‘অপমানজনক’ ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে স্পেন ৭২ সেকেন্ডে গোল করে বিশ্বকাপে রেকর্ড মরক্কোর জয়ের খোঁজে নেদারল্যান্ডস ফুরফুরে মেজাজে ইংলিশরা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে জয় পেল যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বিধিনিষেধ ফিফার কাছে অভিযোগ করবে ইরান ২-০ গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র শুরুতেই আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচে অভিষেক হবে স্প্যানিশ হার্নান্দেজের সিরিজ হারের পর বাংলাদেশ শিবিরে দুসংবাদ হোর্হে মেসির গুজব ছড়ানোয় বরখাস্ত তিস্তা মহাপরিকল্পনা শিগগিরই একনেকে পাস হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী চাঁদপুরের সানজিদার বিশ্বজয়, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ কোটি টাকার পূর্ণাঙ্গ বৃত্তি জাবিতে শিক্ষামন্ত্রীর আগমনে ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ ধর্ষণের অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি মরক্কোর অধিনায়ক হাকিমি গণপিটুনির শিকার চার ডিবি সদস্য গ্রেপ্তার, অপহরণ চেষ্টার মামলা শিশুস্বাস্থ্যে বড় উদ্যোগ, ৬ মাসে চালু ৫ বিশেষায়িত হাসপাতাল জামালপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ বিশ্বকাপে মরক্কোর নতুন বিস্ময় আয়ুব বুয়াদ্দি সংবাদ প্রকাশের জেরে বগুড়ার সাংবাদিক কারাগারে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের ২৬১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ব্রাজিল ম্যাচে থাকছে বিরল ৫০০ বছরের পুরোনো ফুটবল লেখক শিবিরের ১৭তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত ইসরাইল-হিজবুল্লাহ সংঘাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর, স্বস্তির আশা ছারছীনা দরবার শরীফের মরহুম পীর ছাহেব স্মরণে মিশরে আন্তর্জাতিক সেমিনার হিলি স্থবন্দরের পাইকারি বাজারে বেড়েছে চালের দাম অস্ট্রেলিয়ার গতিময় কাউন্টার-অ্যাটাকে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র

বিলাসী ফোর্ড থেকে সাদামাটা ভিভোল্ট ই-বাইক

প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:০৫ পিএম
বিলাসী ফোর্ড থেকে সাদামাটা ভিভোল্ট ই-বাইক
উন্নত বিশ্বে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ই-বাইকের ব্যবহার। ছবি: সংগৃহীত

আমাদের দেশে ই-বাইকের ব্যবহার খুব একটা দেখা না গেলেও, উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে প্রতিনিয়ত এর ব্যবহার বাড়ছে। ই-বাইক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত নতুন নতুন মডেল নিয়ে আসছে। এখানে ১ হাজার ৮৯৯ থেকে ৪ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের চারটি নতুন মডেল তুলে ধরা হলো, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার থেকে ৪ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। তবে উচ্চ দাম সব সময় মানের নিশ্চয়তা দেয় না।

ফোর্ড মুস্ট্যাং ই-বাইক

ফোর্ড মুস্ট্যাং ই-বাইক
১৯৬৪ সাল থেকে আইকনিক গাড়ি হিসেবে পরিচিত মুস্ট্যাংয়ের নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের মতো অনেক গাড়ি প্রস্তুতকারক এখন ই-বাইক উৎপাদনে নামছে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তারা কাজটি অন্য প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে করায়। ফোর্ড তৈরি করেছে N+ বাইক, যা শুধু ফোর্ড ডিলারশিপে তিনটি ভিন্ন আকারে পাওয়া যায়।

মুস্ট্যাং ই-বাইকটি ফোর্ডের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে তৈরি হয়েছে। এটি কিছুটা পুরোনো ধাঁচের, অনেকটা আগের দিনের মোটরসাইকেলের মতো। বেশির ভাগ তার গাড়ির কাঠামোর ভেতরে লুকানো থাকায় বাইকটি দেখতে বেশ পরিচ্ছন্ন মনে হয়। তবে অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেমের বাইকটি ৬৮ পাউন্ড ওজনের হওয়ায় বেশ ভারী। এ ছাড়া এতে কোনো কিকস্ট্যান্ড নেই, ফলে এটি পার্ক করাও বেশ ঝামেলা সৃষ্টি করে। উঁচু টপ টিউবের কারণে ওঠানামা করতেও কিছুটা অসুবিধা হয়।

রাইডারের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় ফুল-কালার এলসিডি স্ক্রিন, যা মুস্ট্যাং গাড়ির স্পিডোমিটারের মতো দেখতে। তবে চলন্ত অবস্থায় ডিজিটাল সংখ্যাগুলো পড়তে কিছুটা অসুবিধা হতে পারে। এ ছাড়া রয়েছে লাল স্টার্টার বাটন, যদিও এটি তেমন কোনো কাজে দেয় না।
সামনের ও পেছনের এয়ার-স্প্রিং সাসপেনশনের কারণে শহরের রাস্তায় চলাচলের অভিজ্ঞতা বেশ ভালো। এতে রয়েছে ৭৫০ ওয়াটের হাব মোটর, ফলে এটি ২৮ মাইল প্রতি ঘণ্টায় ক্লাস ৩ গতিতে চলতে পারে। থ্রটল ছাড়া এটি ২০ মাইল প্রতি ঘণ্টায় ক্লাস ২ গতিতে চলতে পারে। ব্যাটারি চার্জ হতে সময় লাগে সাড়ে তিন ঘণ্টা।

উল্লেখযোগ্য ফিচারের মধ্যে রয়েছে টেকট্রো ফোর-পিস্টন হাইড্রোলিক ব্রেক, পিরেলি অ্যাঞ্জেল জিটি সেমি-স্লিক টায়ার, রানিং লাইট ও ইনটিগ্রেটেড রিয়ার লাইট। এতে রয়েছে শিমানোর ৯-স্পিড গিয়ার। এ ছাড়া রয়েছে ইকো, নরমাল, স্পোর্ট ও ট্র্যাক মোড। স্পোর্ট মোড থ্রি-লেভেল প্যাডেল অ্যাসিস্টের মতো অনুভূতি দেবে, যা চালানোর সময় সবচেয়ে ভালো অভিজ্ঞতা দেয়। ইকো মোডে সর্বোচ্চ পথ পাড়ি দেওয়া যাবে, যা ৬০ মাইল পর্যন্ত হতে পারে।

দাম বেশ বেশি, অতিরিক্ত ওজন ও কিকস্ট্যান্ডের অনুপস্থিতি কিছুটা অসুবিধার কারণ হতে পারে। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক ই-বাইক বাজারে ফোর্ড ডিজাইনকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে, কার্যকারিতার দিকে যথেষ্ট মনোযোগের অভাব রয়েছে।

ভিভোল্ট আলফা টু

ভিভোল্ট আলফা টু
ফোর্ড মুস্ট্যাংয়ের তুলনায় ভিভোল্ট আলফা টু সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের ই-বাইক। অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেমের এই ই-বাইক সস্তা, সুন্দর, হালকা ও বেশ সাদামাটা ডিজাইনের। এটির ব্যাটারি ছোট হওয়ায় ওজন মাত্র ৪৫ পাউন্ড। এতে কোনো গিয়ার শিফটও নেই, কারণ এটি একটি সিঙ্গেল-স্পিড ই-বাইক।

বাইকটিতে কোনো টার্ন সিগন্যাল নেই। এটি শুধু দুটি রঙে পাওয়া যায়, এগুলো হলো রিফ অরেঞ্জ ও ব্ল্যাক পার্ল। এতে কোনো উন্নত সাসপেনশনও নেই, স্ক্রিনটি ছোট ও সাদাকালো। তবে এতে শিমানো হাইড্রোলিক ডিস্ক ব্রেক রয়েছে, যদিও থাম্ব থ্রটল খুব একটা কার্যকর নয়।

রিফ অরেঞ্জ রঙের বাইকটি ৩৫০ ওয়াট মোটরসহ বাজারে এসেছে। এটি গেটস কার্বন বেল্ট ড্রাইভের মাধ্যমে চলতে অত্যন্ত মসৃণ অনুভূতি দেয়। লেভেল তিন প্যাডেল অ্যাসিস্টে ছোট মোটরের সত্ত্বেও পাহাড়ি পথ সহজে পাড়ি দেওয়া যায়।

এতে মাল্টিপল স্পিড না থাকায় ‘ঘোস্ট পেডেলিংয়ের’ কিছু সমস্যা হয়। তবে সামনে বড় চেইন রিং যোগ করলে সম্ভবত সেই প্রভাব কমতে পারে। তবে এটি কোনো বড় সমস্যা নয়।

তবে সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো ছোট ব্যাটারির কার্যক্ষমতা। ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় মাত্র ১০ মাইল রেঞ্জ পাওয়া যায়। এ জন্য প্রতি দুইবার চালানোর পরেই এটি রিচার্জ করতে হয়। স্ট্যান্ডার্ড ৩৭৪ ওয়াট-আওয়ারের ব্যাটারি গ্রীষ্মকালে ২৫ থেকে ৪০ মাইল রেঞ্জ দিতে পারে। তবে ৪৯০ ওয়াট-আওয়ারের রেঞ্জার ব্যাটারি ব্যবহার করলে ৬০ মাইল রেঞ্জ পাওয়া যাবে। বিশেষ অফারে এটি ফ্রি দেওয়া হলেও, আলাদাভাবে কিনতে হলে ৩৯৯ ডলার খরচ করতে হবে। সামগ্রিকভাবে ভিভোল্ট চালাতে বেশ আরামদায়ক। স্বনামধন্য ব্রিটিশ গাড়ি নির্মাতা লোটাসের প্রতিষ্ঠাতা কলিন চ্যাপম্যানের মতে, ওজন ই-বাইকের সবচেয়ে বড় সমস্যা, আর ভিভোল্টের ছোট মোটর থাকলেও অতিরিক্ত ওজন বহন করতে হয় না।

লেকট্রিক এক্সপেডিশন ২.০

লেকট্রিক এক্সপেডিশন ২.০
লেকট্রিক ব্র্যান্ডের ই-বাইক বাজারে বেশ জনপ্রিয়, বিশেষ করে এটি দাম কম ও খুব মজবুত। এই ব্র্যান্ডের ই-বাইক একক ও ডুয়াল ব্যাটারি সংস্করণে পাওয়া যায়। ডুয়াল ব্যাটারি সংস্করণের দাম ৪০০ থেকে ৬০০ ডলার বেশি হয়।

নানা আনুষঙ্গিকসহ লেকট্রিকের রেইনড্রপ ব্লু রঙের বাইকটি দুজন যাত্রী বহন করতে পারে। এতে আলাদা সিট রয়েছে। এ ছাড়া এটি মালবাহী বাইক হিসেবেও ভালো কাজ করে। এতে এক সপ্তাহের বাজার অনায়াসে বহন করা যায়।

একক রাইডারদের জন্যও এটি কার্যকর। ১ হাজার ৩১০ ওয়াটের পিক পেডেল-অ্যাসিস্ট মোটর পাহাড়ি বা সমতল পথেও শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেয়। এতে সামনের সাসপেনশন, ব্রেক লাইট ও টার্ন সিগন্যাল রয়েছে। স্ক্রিনটিও বেশ সুন্দর।

ক্লাস ৩ ক্যাটাগরির এই বাইক প্রতি ঘণ্টায় ২৮ মাইল গতিতে চলতে পারে। একক ব্যাটারিতে সর্বোচ্চ ৬০ মাইল এবং ডুয়াল ব্যাটারি সংস্করণের ১২০ মাইল রেঞ্জ পাওয়া যায়।

পেডেগো মটো

পেডেগো মটো
ই-বাইকের বাজারে নিত্যনতুন মডেলের আনাগোনা থাকলেও, পেডেগো মটো একেবারে ব্যতিক্রম। এটি সহজে সংযোজন করা যায়, যা ব্যবহারকারীদের জন্য স্বস্তিদায়ক। বাইকটির ডিজাইন রেট্রো-ফিউচারিস্টিক মোটরসাইকেল বা মোপেডের মতো, যা দেখতে বেশ আকর্ষণীয়।

এটির নিচু বেঞ্চ আসনটি সামঞ্জস্য করা যায় না। তবে ছয় ফুট উচ্চতার চালকও আরামের সঙ্গে বসতে পারেন। এটি মূলত ক্লাস ২ ই-বাইক, যা প্রতি ঘণ্টায় ২০ মাইল গতিতে চলতে পারে। তবে সেটিংস পরিবর্তন করে ক্লাস ৩-এ রূপান্তর করা যায়, এরপর এটি প্রতি ঘণ্টায় ২৮ মাইল গতিতে চলতে পারে।

৪৮ ভোল্টের ১৯.২ অ্যাম্পিয়ার-আওয়ার ব্যাটারির সাহায্যে বাইকটি ৭৫ মাইল পর্যন্ত চলতে পারে। গতি কমিয়ে চালালে এই রেঞ্জ আরও ভালো পাওয়া যায়। তবে থ্রটল ব্যবহারের ফলে রেঞ্জ কিছুটা কমে যায়। এতে রয়েছে ৭৫০ ওয়াটের শক্তিশালী মোটর, যা দ্রুত গতিতে চলার সক্ষমতা দেয়। সামনে ও পেছনে সাসপেনশন থাকায় আরামদায়ক অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। এ ছাড়া প্রশস্ত আসনও বাড়তি সুবিধা যোগ করে।

এতে রয়েছে ব্রেক লাইট। উজ্জ্বল রঙের এলসিডি স্ক্রিনে তথ্য সহজে পড়া যায়। এটি ১০-স্পিড ড্রাইভট্রেন থাকলেও ই-বাইকের টর্ক বেশি হওয়ায় গিয়ার বদলানোর প্রয়োজনীয়তা তুলনামূলক কম হয়।

তবে বাইকটির ওজন ৮৯ পাউন্ড, যা বহন করা কঠিন হতে পারে। তবে কিকস্ট্যান্ডের সাহায্যে দাঁড় করানো যায়। দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য বেশ ভালো ও আরোহী নিয়ে সহজে চালানো যায়।

পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম অটোমোবাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম
অটোমোবাইল ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে অবস্থিত পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সমৃদ্ধ গাড়ির জাদুঘর। গাড়ির ইতিহাস, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও ভবিষ্যতের নকশা দিয়ে সাজানো এই জাদুঘর গাড়িপ্রেমীদের জন্য এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতার সূচনা করে।

১৯৯৪ সালে রবার্ট ই. পিটারসেন ও মার্জি পিটারসেন জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করেন। রবার্ট ছিলেন একজন বিখ্যাত ম্যাগাজিন প্রকাশক, যিনি মোটরগাড়ি শিল্পের প্রতি খুব আগ্রহী ছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল এমন একটি জায়গা তৈরি করা, যেখানে মানুষ গাড়ির প্রতি তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারবে এবং এই শিল্পের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে। মূলত গাড়ির সংস্কৃতি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ইতিহাস সংরক্ষণের লক্ষ্যে এটি গড়ে তোলা হয়েছে।

২০১৫ সালে ১২৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এটি আধুনিকায়ন করা হয়, ফলে জাদুঘরটির নকশায় আসে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। বর্তমানে এর স্টেইনলেস স্টিলের ঢেউখেলানো বাহ্যিক নকশা গতির প্রতীক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এখানে ১০ হাজারের বেশি গাড়ির সংগ্রহ রয়েছে, যা ক্ল্যাসিক গাড়ি থেকে শুরু করে আধুনিক ডিজাইন পর্যন্ত বিস্তৃত।

পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়ামে বিভিন্ন ধরনের গাড়ি প্রদর্শন করা হয়, যা অটোমোবাইল শিল্পের ইতিহাস তুলে ধরে। এতে ক্ল্যাসিক গাড়ি, রেসিং কার, মোটরসাইকেল ও কনসেপ্ট কার রয়েছে। এ ছাড়া এখানে বেশ কয়েকটি ইন্টার‌্যাক্টিভ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রয়েছে, যা দর্শকদের অটোমোবাইল শিল্পের বিজ্ঞান সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। এখানে সিনেমা ও টেলিভিশন শো-তে ব্যবহৃত গাড়িগুলো প্রদর্শিত হয়। বিশ্বের বিখ্যাত কিছু রেসিং কার এখানে দেখা যায়। এ শিল্পের একদম শুরুর দিকের ক্ল্যাসিক গাড়িগুলো এখানে রয়েছে। ভবিষ্যৎ গাড়িগুলোর ডিজাইন এখানে প্রদর্শন করা হয়।

পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম জনসাধারণের মধ্যে অটোমোবাইল শিল্পের ইতিহাস সম্পর্কে শিক্ষা বিস্তারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাদুঘরটি শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষামূলক প্রোগ্রাম পরিচালনা করে। এ ছাড়া এখানে একটি গবেষণা গ্রন্থাগার রয়েছে, যা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।

বছরজুড়ে পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়ামে মাঝে মধ্যে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে কার শো, লেকচার ও ওয়ার্কশপ। এ ছাড়া এখানে কিছু বিশেষ প্রদর্শনী হয়, যা সীমিত সময়ের জন্য দেখানো হয়।

জাদুঘরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ ‘দ্য ভল্ট’, যেখানে ২৫০টিরও বেশি ক্ল্যাসিক, দুর্লভ ও ঐতিহাসিক গাড়ি সংরক্ষিত আছে। গাড়ির অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে একত্রে উপস্থাপন করে পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গাড়ি সংগ্রহশালা হিসেবে স্বীকৃত। পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম সপ্তাহের সাত দিনই জনসাধারণের জন্য খোলা থাকে। এটি লস অ্যাঞ্জেলেসের ৬০৬ উইলশায়ার বুলেভার্ডে অবস্থিত।

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ইলেকট্রিক বাইক পার্টনার ভি মটো বাংলাদেশ

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ইলেকট্রিক বাইক পার্টনার ভি মটো বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার চলমান দ্বিপক্ষীয় ক্রিকেট সিরিজে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অফিশিয়াল ইলেকট্রিক বাইক পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে ভি মটো বাংলাদেশ। মাঠে ক্রিকেটের রোমাঞ্চের পাশাপাশি দেশে পরিবেশবান্ধব ই-মবিলিটি বা বৈদ্যুতিক যানবাহনের ধারণাকে ছড়িয়ে দিতে এই যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সিরিজে মাঠের পারফরম্যান্স ও ক্রিকেটারদের অদম্য স্পৃহাকে সম্মান জানাতে বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণাও দিয়েছে ভি মটো বাংলাদেশ। চলমান এই সিরিজে বল হাতে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে যে বাংলাদেশি বোলার সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করবেন, তাঁকে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে একটি আকর্ষণীয় ইলেকট্রিক বাইক পুরস্কার দেওয়া হবে।

সম্প্রতি এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ভি মটো বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ভি মটো গ্রুপের দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের কান্ট্রি ডিরেক্টর মীর ফয়সাল, ভি মটো বাংলাদেশ ও সিমবা মটরস লিমিটেডের চেয়ারম্যান সোহেল বিন আজাদ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাজীব নূর।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস ইনচার্জ ও সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফীস এবং মার্কেটিং ও কমার্শিয়াল বিভাগের মো. আসিফুল ইসলাম।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে ক্রিকেট মাঠের উৎকর্ষ উদযাপনের পাশাপাশি প্রযুক্তির নিত্যনতুন উদ্ভাবন ও পরিবেশবান্ধব চেতনাকে এগিয়ে নেওয়ার অভিন্ন লক্ষ্য প্রতিফলিত হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই গৌরবময় যাত্রার সঙ্গী হতে পেরে এবং একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও স্মরণীয় সিরিজ উপহার দেওয়ার আশা প্রকাশ করেছে ভি মটো বাংলাদেশ।

অটোমোটিভ উদ্ভাবনে শীর্ষে চীনের বিওয়াইডি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
অটোমোটিভ উদ্ভাবনে শীর্ষে চীনের বিওয়াইডি
ছবি: সংগৃহীত

বৈশ্বিক অটোমোটিভ উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে জার্মানির বিখ্যাত ভক্সওয়াগেন ও মার্সিডিজ-বেঞ্জকে ছাড়িয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে চীনের নিউ এনার্জি ভেহিকেল উৎপাদক প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি। জার্মানিভিত্তিক স্বনামধন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার অব অটোমোটিভ ম্যানেজমেন্ট (সিএএম)’ প্রকাশিত ‘অটোমোটিভ ইনোভেশনস রিপোর্ট ২০২৬’-এ এই তথ্য জানানো হয়। বৈশ্বিক গাড়ি নির্মাণ শিল্পের দীর্ঘ ইতিহাসে এই প্রথম কোনো চীনা প্রতিষ্ঠান এমন গৌরবময় মাইলফলক অর্জন করল।

প্রতিবেদনের ২২তম সংস্করণে বিশ্বের ৩৬টি বড় অটোমোটিভ গ্রুপের মোট ৮৬৭টিরও বেশি প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে মূল্যায়ন করা হয়েছে। সিএএম তাদের নিজস্ব ‘এম.ও.বি.আই.এল’ পদ্ধতির মাধ্যমে এই জটিল মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এই পদ্ধতিতে অটোমোবাইল উদ্ভাবনগুলোর পরিপক্বতা, মৌলিকত্ব, গ্রাহক উপযোগিতা এবং কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে স্কোর দেওয়া হয়। চূড়ান্ত ফলাফলে ১৫৭ দশমিক ২ ইনডেক্স পয়েন্ট পেয়ে উদ্ভাবনী সূচকে সবার শীর্ষে জায়গা করে নেয় বিওয়াইডি। অন্যদিকে পূর্ববর্তী চ্যাম্পিয়ন ভক্সওয়াগেন গ্রুপ ১৪৩ দশমিক ১ পয়েন্ট এবং মার্সিডিজ-বেঞ্জ গ্রুপ ১৩৪ দশমিক ২ পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে উদ্ভাবনী অটোমোটিভ গ্রুপ হওয়ার পাশাপাশি ‘মোস্ট ইনোভেশন ভলিউম ব্র্যান্ড ২০২৬’-এর মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতিও নিজেদের করে নিয়েছে বিওয়াইডি। এই বিশেষ ক্যাটাগরিতে ১০৫-এর বেশি ইনডেক্স পয়েন্ট নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি রেনল্ট ও টয়োটার মতো সুপ্রতিষ্ঠিত বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোকে সহজে পেছনে ফেলে দিয়েছে। সিএএম-এর প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, উন্নত ব্যাটারি প্রযুক্তি, বৈদ্যুতিক পাওয়ারট্রেন, আধুনিক ইন্টেলিজেন্ট ড্রাইভিং সিস্টেম এবং একাধিক বিশ্বমানের উদ্ভাবনই মূলত বিওয়াইডির এই সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি।

পরিবেশবান্ধব ও টেকসই যাতায়াত ব্যবস্থার দিকে বৈশ্বিক রূপান্তরে বিওয়াইডির ক্রমবর্ধমান প্রভাব এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মাধ্যমে পুনরায় প্রমাণিত হলো। নিজেদের তৈরি ব্লেড ব্যাটারি, ডিএম-আই সুপার হাইব্রিড সিস্টেম এবং অ্যাডভান্সড ড্রাইভার অ্যাসিস্ট্যান্স সিস্টেম বা এডিএএস-এর মতো যুগান্তকারী প্রযুক্তির ক্রমাগত উন্নয়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বব্যাপী বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে সম্পূর্ণ নতুন এক মানদণ্ড তৈরি করছে।

বর্তমানে বৈশ্বিক বাজারের পাশাপাশি বাংলাদেশের বাজারেও বিওয়াইডি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম দ্রুত সম্প্রসারণ করছে। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে দুই ধাপে জমকালো মেগা ডেলিভারি ইভেন্টের মাধ্যমে ক্রেতাদের হাতে সরাসরি ৯০টি পরিবেশবান্ধব আধুনিক গাড়ি হস্তান্তর করেছে। দেশের বাজারে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

/আবরার জাহিন

চীনের পরিবেশবান্ধব গাড়ি রপ্তানি দ্বিগুণ বেড়েছে

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৭:১৩ পিএম
চীনের পরিবেশবান্ধব গাড়ি রপ্তানি দ্বিগুণ বেড়েছে
চীনের অটোমোবাইল শিল্পের প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি এখন রপ্তানি।

চলতি বছরের মে মাসে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিচালিত বা পরিবেশবান্ধব যাত্রীবাহী গাড়ি রপ্তানিতে বিশাল সাফল্য দেখছে চীন। দেশটির যাত্রীবাহী গাড়ি সংস্থার (সিপিসিএ) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মে মাসের তুলনায় এবার গাড়ি রপ্তানি ১১২.৬ শতাংশ বেড়ে ৪ লাখ ২৪ হাজার ইউনিটে পৌঁছেছে।  
তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে রপ্তানি বেড়েছে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। একই সময়ে বিদেশে পাঠানো মোট যাত্রীবাহী গাড়ির ৫৪ দশমিক ১ শতাংশই ছিল পরিবেশবান্ধব জ্বালানিচালিত যান, যা এক বছর আগের তুলনায় ৯ দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্ট বেশি।
রপ্তানিকৃত এনইভিগুলোর মধ্যে ব্যাটারিচালিত বৈদ্যুতিক গাড়ির অংশ ছিল ৫৯ দশমিক ৩ শতাংশ। যদিও এক বছর আগে এ হার ছিল ৬৬ দশমিক ১ শতাংশ। 
সিপিসিএ বলেছে, চীনের অটোমোবাইল শিল্পের প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি এখন রপ্তানি। অভ্যন্তরীণ বাজারে তুলনামূলক দুর্বল চাহিদার মধ্যেও চীনা গাড়ি নির্মাতারা লাতিন আমেরিকা ও ইউরোপের মতো বাজারে তাদের উপস্থিতি আরও জোরদার করেছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ার প্রভাব অনেকটাই সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং রপ্তানির ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রয়েছে।
সূত্র: সিএমজি বাংলা 

ওয়েমোর চালকহীন নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
ওয়েমোর চালকহীন নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’
ওয়েমোর তৈরি নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’। ছবি: সংগৃহীত

চালকহীন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়েমো তাদের তৈরি নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’ উন্মুক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো, লস অ্যাঞ্জেলেস ও ফিনিক্সের যাত্রীরা এখন এই স্বয়ংক্রিয় গাড়িতে যাতায়াত করতে পারবেন। প্রাথমিক অবস্থায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই সেবা বিনামূল্যে দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশেষভাবে তৈরি এই রোবোট্যাক্সি ওয়েমোর জন্য একটি বড় মাইলফলক। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ বাণিজ্যিক গাড়িকে রূপান্তর করে চালকহীন হিসেবে ব্যবহার করত। ভ্যান আকৃতির এই গাড়িটি বেশ বড় ও প্রশস্ত। এটি টেসলার ছোট আকারের সাইবার ক্যাবের সম্পূর্ণ বিপরীত, যাতে মাত্র দুজন মানুষ মালামালসহ বসতে পারেন।

চীনের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘জিকর’ ওজাই গাড়িটি তৈরি করেছে। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় ওয়েমোর নিজস্ব কারখানায় এতে স্বয়ংক্রিয় চালনা প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়।

গাড়িটিতে যাত্রীদের বসার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা, তিনটি স্ক্রিন এবং চার্জিং পোর্ট রয়েছে। এতে ওয়েমোর ষষ্ঠ প্রজন্মের নতুন চালনা সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির ফলে গাড়িটির ক্যামেরা সেন্সর ২৯টি থেকে কমিয়ে ১৩টিতে আনা সম্ভব হয়েছে। এতে লিডার ও রাডার সেন্সরের সংখ্যাও কমেছে। ফলে প্রতিটি গাড়ি তৈরিতে খরচ পড়ছে ২০ হাজার ডলারের কম।

নতুন সফটওয়্যারের জন্য বরফাবৃত ও ঠাণ্ডা শহরের রাস্তায় গাড়িটি চলতে সক্ষম। এর আগে ওয়েমো কেবল উষ্ণ অঞ্চলের শহরগুলোতে সীমাবদ্ধ ছিল। এই সুবিধার কারণে প্রতিষ্ঠানটি এখন শিকাগো শহরে তাদের সেবা চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বর্তমানে আমেরিকার ১১টি প্রধান শহরে ওয়েমোর স্বয়ংক্রিয় গাড়ি সেবা চালু রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ২ কোটিরও বেশি সফল ট্রিপ সম্পন্ন করেছে, যা এই খাতের যেকোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের চেয়ে অনেক বেশি।

তবে চলতি মাসের শুরুতে বন্যার পানিতে গাড়ি চলে যাওয়ার কারণে দুটি শহরে ওয়েমো তাদের সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল। এই ঘটনার পর প্রায় ৪ হাজার গাড়ি ফিরিয়ে নেয় প্রতিষ্ঠানটি।