ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
'বাবা আমার কাছে সুপার হিরো' : তামান্না তিউনিসিয়াকে উড়িয়ে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল জাপান বদলির সাড়ে চার মাসেও দায়িত্বভার হস্তান্তরে গড়িমসি ইউএইচএফপিওর ইরাক ম্যাচের আগে ছোটখাটো পরিবর্তনের পথে ফ্রান্স শিশু গৃহকর্মীর মৃত্যু: রিমান্ডে প্রকৌশলী সবিবুর ও তার স্ত্রী নিউমার্কেটে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, আটক ৪ শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন চলতি বছরেই: বিমানমন্ত্রী রূপগঞ্জে আন্তর্জাতিক ইয়োগা দিবস পালিত প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৯ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি জার্মানদের ওপর চটেছেন আইভরি কোস্টের কোচ নবীগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোচালক নিহত, সড়ক অবরোধ লন্ডনে হাসনাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডে জেডি ভ্যান্স ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেতে চাহিদা বাড়ছে ই-বাইকের বেফাঁস মন্তব্যে প্রত্যাহার কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আল জাজিরার ক্যামেরাম্যান নিহত পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাইক হবে আগামীর স্মার্ট বাহন টিভিতে আজকের খেলা প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন বিকেলে বাজেটে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর স্বার্থ প্রতিফলিত হয়েছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে জাপান পেকুয়ায় শ্বশুরবাড়িতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু তিউনিসিয়া-জাপান ম্যাচে রেফারির কেন বিশেষ পোশাক? গোয়ালন্দে প্রশাসনের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নিল মাদক ব্যাবসায়ীরা ৬ষ্ঠ জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৬-এ ইস্পাহানির অনন্য অর্জন মোহাম্মদপুরের সন্ত্রাসী ‘মাওরা সোহেল’ গ্রেপ্তার মাদকে জড়িত বিএনপি নেতাকর্মীদের আগে গ্রেপ্তার করুন: এমপি মামুন দিনাজপুরে পুরাতন বইয়ের বাজারে মন্দা, কমেছে পাঠক বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে উৎসবের আমেজ কুষ্টিয়ায় পাথরবোঝাই ট্রাক উল্টে চালক ও সহকারী নিহত

নতুন রূপে হোনডে আয়োনিক ৬

প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:৪১ পিএম
নতুন রূপে হোনডে আয়োনিক ৬
হোনডে আয়োনিক ৬। ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ার গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হোনডে (হুন্দাই) ২০২৬ সালের জন্য নতুন রূপে হাজির করতে যাচ্ছে ইলেকট্রিক সেডান হোনডে আয়োনিক ৬। দক্ষিণ কোরিয়ায় চলমান ‘সিউল মোবিলিটি শো’-এ গাড়িটির হালনাগাদ সংস্করণ উন্মোচন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। 

২০২৩ সালে প্রথম বাজারে আসে হোনডে আয়োনিক-৬। যদিও এটি আয়োনিক-৫-এর মতো জনপ্রিয়তা পায়নি। তবে ই-জিএমপি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক ৩৪২ মাইলের রেঞ্জ ও দ্রুত চার্জিং সুবিধার জন্য এটি ‘ইভি অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার জিতেছিল।

হোনডে আয়োনিক ৬ এন লাইন। ছবি: সংগৃহীত

 

২০২৬ সালের মডেলের এই গাড়িটিতে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। তবে হোনডে নতুন সংস্করণে পারফরম্যান্স বা রেঞ্জ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে হোনডে গাড়িটির নকশাগত পরিবর্তনের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। আগের চেয়েও বেশি অ্যারোডায়নামিক করা হয়েছে গাড়িটির সামনের অংশ, যেখানে চারটি এলইডি লাইট একটি বিশেষ নকশা তৈরি করেছে। প্রধান হেডলাইট এখন বাম্পারে স্থাপন করা হয়েছে, যা গাড়িটিকে আরও প্রশস্ত ও নিচু দেখায়। 

গাড়ির পেছনের অংশের ছবি প্রকাশ না করা হলেও হোনডে জানিয়েছে, পেছনের অংশে বড় স্পয়লারের পরিবর্তে যুক্ত করা হয়েছে নতুন ‘ডাকটেইল’ স্পয়লার। এটি একই সঙ্গে অ্যারোডায়নামিক পারফরম্যান্স ও আকর্ষণীয় ডিজাইন নিশ্চিত করে। 

অভ্যন্তরীণ ডিজাইনে সূক্ষ্ম কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। স্টিয়ারিং হুইলে এখন একটি অতিরিক্ত স্পোক রয়েছে এবং সেন্টার কনসোল পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। এ ছাড়া ক্লাইমেট কন্ট্রোল বাটনগুলো আগের চেয়ে বড় করা হয়েছে। দরজার অভ্যন্তরের উপাদানগুলো আগের চেয়ে উন্নত মানের বলে দাবি করেছে হোনডে।

এর পাশাপাশি হোনডে একটি স্পোর্টি ‘এন লাইন’ সংস্করণও প্রদর্শন করেছে। এই সংস্করণের সামনের বাম্পারটিকে কালো রঙের বিশেষ ডিজাইনের প্যানেল দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে। চাকায় বিশেষ নকশা ও এন লাইন ব্যাজ রয়েছে গাড়িটির বিভিন্ন অংশে।

তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো প্রদর্শিত একটি ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডে একটি উচ্চ পারফরম্যান্স সম্পন্ন আয়োনিক-৬ ‘এন’-এর টিজার দেখানো হয়েছে। হোনডে জানিয়েছে, আগামী জুলাইয়ে এই মডেল আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হবে।

টিজারে গাড়িটির গাঢ় নীল রং, কালো রঙের পেছনের বাম্পার, একটি ‘ডাকটেইল’ স্পয়লার এবং একটি বড় রেয়ার উইং দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, আয়োনিক-৬ এন-এ আয়োনিক-৫ এন-এর ৬৪১ হর্সপাওয়ারের কাছাকাছি ইঞ্জিন এবং ২০২২ সালের আরএন২২ই কনসেপ্টের কিছু ফিচার থাকতে পারে।

হুন্দাই জানিয়েছে, আরও বিস্তারিত তথ্য শিগগিরই জানানো হবে। ২০২৬ সালের মডেল হিসেবে এই ইলেকট্রিক সেডানটি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেতে চাহিদা বাড়ছে ই-বাইকের

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১১:৩৫ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেতে চাহিদা বাড়ছে ই-বাইকের
ছবি: এআই

সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা খুব কম খরচে দীর্ঘদিন ইলেকট্রিক যানবাহন (ইভি) চালাতে পারেন। এর বিপরীতে জ্বালানিচালিত যানবাহন সম্পূর্ণভাবে আমদানিনির্ভর জ্বালানি পেট্রল ও অকটেনের ওপর নির্ভরশীল। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হলে দেশে জ্বালানিসংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করায় ই-বাইকের বিক্রি হঠাৎ বেড়ে যায়।

আগে যেখানে মাসে গড়ে ১ হাজার ই-বাইক বিক্রি হতো, মার্চে তা বেড়ে প্রায় ২ হাজার ২০০টিতে পৌঁছেছে, অর্থাৎ ১০০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এরপর থেকেই বিক্রি বাড়ছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে মাসিক বিক্রি ৩ হাজারে পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশে দ্রুত বড় হওয়া বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেলের বাজারে ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশি বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ড প্রবেশ করেছে।

জ্বালানিসংকটের ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেতেই ইলেকট্রিক মোটরসাইকেল (ই-বাইক) কিনেছি। দাম তুলনামূলক কম। যাতায়াত খরচও কম। একবার পুরো চার্জ দিতে খরচ পড়ে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ টাকা। তাতে ১০০ কিলোমিটারের বেশি যায়। সারা দিনে মাত্র কয়েক টাকা খরচ হয়। জ্বালানির ঝামেলা নেই।’ ই-বাইক কেনার ব্যাপারে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মিরপুরের মো. শাকিল এভাবে অভিমত প্রকাশ করেন।

অন্য ক্রেতারাও জানান, ই-বাইকের দাম কম। জ্বালানির ঝামেলা নেই। তবে ব্যাটারির কোয়ালিটি আরও ভালো করা দরকার। বিক্রেতারা বলছেন, দামের ব্যাপারে যত না চাহিদা, জ্বালানির ঝামেলা থেকে রক্ষা পেতেই ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে বেশি। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লে তার সরাসরি ধাক্কা লাগে জ্বালানিতে। জ্বালানি পেতে দুর্যোগ ভয়াবহ আকার ধারণ করে। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই বাহন। বিক্রিও বাড়ছে আমদানি করা এই বাহনের। গতকাল ক্রেতা-বিক্রেতা ও আমদানিকারকদের সঙ্গে কথা বলে এমনই তথ্য পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা খুব কম খরচে দীর্ঘদিন ইলেকট্রিক যানবাহন (ইভি) চালাতে পারেন। এর বিপরীতে জ্বালানিচালিত যানবাহন সম্পূর্ণভাবে আমদানিনির্ভর জ্বালানি পেট্রল ও অকটেনের ওপর নির্ভরশীল। তাই গত ফেব্রুয়ারির শেষে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হলে দেশে জ্বালানিসংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এই জ্বালানি সংকট শুরুর সঙ্গে সঙ্গে ই-বাইকের বিক্রি হঠাৎ বেড়ে যায়।

আগে যেখানে মাসে গড়ে ১ হাজার ই-বাইক বিক্রি হতো, মার্চে তা বেড়ে প্রায় ২ হাজার ২০০টিতে পৌঁছেছে, অর্থাৎ ১০০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এরপর থেকেই বিক্রি বাড়ছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে মাসিক বিক্রি ৩ হাজারে পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশে দ্রুত বড় হওয়া বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেলের বাজারে ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশি বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ড প্রবেশ করেছে। বর্তমানে দেশে ১০টির বেশি প্রতিষ্ঠান বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল আমদানি, সংযোজন ও বাজারজাত করছে। বাজারের একটি বড় অংশই রয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান রিভো ও ইয়াদিয়ার দখলে।

নিউ গ্রামীণ মটরস লিমেটেড, রানার মোটরস লিমিটেড, ওয়ালটন এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপসহ অনেক প্রতিষ্ঠান এর সঙ্গে যুক্ত। ব্র্যান্ডভেদে এসব মোটরসাইকেলের দাম ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত। খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেলে প্রতি কিলোমিটারে খরচ পড়ে ১৫ থেকে ২০ পয়সা। অন্যদিকে জ্বালানিচালিত মোটরসাইকেলে খরচ পড়ে ২ থেকে ৩ টাকা। ফলে খরচের দিক থেকে ই-বাইক অনেক বেশি সাশ্রয়ী।

এ কারণে এটির প্রতি তরুণদের আগ্রহ বাড়ছে। তবে এখনও দেশের চার্জিং অবকাঠামো ও ব্যাটারির মান নিয়ে অনেক গ্রাহক উদ্বেগের কথা জানান।চায়না কোম্পানির ‘ইয়াদিয়া’ ব্র্যান্ডের ই-বাইক ডিলার হচ্ছে রানার গ্রুপ। তারা বর্তমানে ১২টি ‘ইয়াদিয়া’ ব্র্যান্ডের ই-বাইক বাজারজাত করছে। যেগুলোর দাম ফিচার অনুযায়ী ৮৫ হাজার টাকা থেকে ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকার মধ্যে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের তিন রাস্তার মোড়ে ইয়াদিয়া ব্র্যান্ডের একটি বিক্রয়কেন্দ্রের নির্বাহী খায়রুল আলম শান্ত খবরের কাগজকে বলেন, ‘বছর দুই হলো এই শোরুম খোলা হয়েছে। আগের তুলনায় বিক্রি বাড়ছে। বিশেষ করে গত মার্চে জ্বালানি সংকট শুরু হলে চাহিদা অনেক বাড়তে থাকে। এর ফলে তাদের বিক্রি বেড়েছে। সংখ্যাটা সঠিকভাবে বলা যাবে না। তবে এটা নিশ্চিত বলা যায় বিক্রি প্রতি মাসে বাড়ছে। বর্তমানে দেশে ইয়াদিয়ার ৮৬টি বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। প্রতি মাসে বিক্রয় কেন্দ্রও বাড়ছে। ঢাকা শহরের মতো অন্য শহরেও চাহিদা বাড়ায় বিক্রি বাড়ছে।’

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোডের প্রকৌশলী হাসান আলী খবরের কাগজকে জানান, ‘১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে তিনি ভালো ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল ব্যবহার করে আসছেন। কিন্তু গত মার্চের শুরুতে জ্বালানি সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেট্রল পাম্পে অপেক্ষা করার মতো ধৈর্য ও সময় ছিল না। জ্বালানি তেল নেওয়ার লাইন দীর্ঘ হতে থাকে। জ্বালানি সংকটের সময় একদিন প্রায় ছয় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হয়েছিল। বাধ্য হয়ে তিনি ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় চীনের ইয়াদিয়া ব্র্যান্ডের একটি বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল কিনেন। বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেলে প্রতি কিলোমিটার যেতে ২০ পয়সারও কম খরচ হয়। প্রতিদিনই টুকটাক কাজে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় যেতে হয়। আগে প্রতি লিটার জ্বালানিতে ৭-৮ কিলোমিটার যাওয়া যেত। এখন ই-বাইকে এক চার্জে ১০০ কিলোমিটারের বেশি যাওয়া সম্ভব।

অন্য ব্যবহারকারীরাও জানান, শহরে স্বল্প দূরত্বে চলাচলের জন্য বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল একটি উপযোগী বাহন। ব্যাটারির সক্ষমতা অনুযায়ী এসব মোটরসাইকেল ১০০ কিলোমিটারের বেশি চলতে পারে। যেহেতু এতে শুধু মোটর ও ব্যাটারি থাকে, তাই রক্ষণাবেক্ষণ খরচও কম। পাশাপাশি এটি পরিবেশবান্ধব এবং জ্বালানিচালিত মোটরসাইকেলের তুলনায় প্রায় ৮০ শতাংশ কম খরচে চলাচল করা যায়।

আগামী ২ বছরে মোট ব্যবহারের ৩০ শতাংশে পৌঁছবে  

এ ব্যাপারে রানার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নজরুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, ‘ই-বাইক সাধারণ গাড়ির মতো জটিল না। এতে মূলত শুধু একটি মোটর ও একটি ব্যাটারি থাকে। তাই এর রক্ষণাবেক্ষণের খরচও অনেক কম। অনেক ক্ষেত্রে রক্ষণাবেক্ষণের খরচ প্রায় নেই বললেই চলে। বাংলাদেশে বৈদ্যুতিক যানবাহনে রূপান্তরের ক্ষেত্রে দুই চাকার বাহন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সাশ্রয়ী মূল্য, সহজ ব্যবহার এবং শহর ও গ্রাম, উভয় জায়গায় চালানোর উপযোগী হওয়ায় ই-বাইক এই পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হতে যাচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগে ই-বাইকের ব্যবহার খুব ধীরে বাড়লেও সম্প্রতি জ্বালানি সংকটের পর হঠাৎ করে চাহিদা বাড়তে থাকে। বর্তমানে মোট মোটরসাইকেলের মধ্যে ৮ থেকে ১০ শতাংশ ই-বাইকের (অংশ) আওতায় এসেছে। আগামী ২ বছরে ২০ থেকে ৩০ শতাংশে পৌঁছে যাবে। ই-বাইকের চার্জিং ব্যবস্থা, ব্যাটারির স্থায়ীত্বের ব্যাপারে এখনো অনেকের উদ্বেগ আছে। এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এগুলো বড় কোনো সমস্যা না। ই-বাইক চার্জ দেওয়া অনেকটা মোবাইল ফোন চার্জ দেওয়ার মতোই সহজ।

একবার ফুল চার্জ দিতে খরচ পড়ে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ টাকা। এটি রাতে সহজেই করে রাখা যায়। তাতে ১০০ কিলোমিটার চলা সম্ভব। নতুন ধরনের ব্যাটারি প্রযুক্তি, বিশেষ করে সলিড-স্টেট ব্যাটারি এসে গেলে ই-বাইকের ব্যবহার আরও দ্রুত বাড়বে। তাই স্পষ্টভাবেই বলা যায় ই-বাইক একটি ভালো ও সুবিধাজনক সমাধান। কারণ ই-বাইকের গতি কম। ব্রেকিং সিস্টেমও ভালো। সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যাও কম।’

রানার গ্রুপের মতো দেশের বড় ইলেকট্রনিকস প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনও ‘টাকিয়ন’ ব্র্যান্ডের সাতটি মডেলের ই-বাইক বাজারে বিক্রি করছে। এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটির এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, মার্চে পাম্পগুলোতে জ্বালানির সংকট তীব্র হলে ই-বাইকের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। কারণ জ্বালানিচালিত মোটরসাইকেলের তুলনায় ই-বাইকে কোনো ঝামেলা নেই। একবার পুরো চার্জে মডেলভেদে ৮০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলা যায়।

দেশে ২০২৪ সাল থেকে বাংলাদেশে চীনের রিভো ব্র্যান্ডের বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়। বাংলাদেশে তাদের বিক্রয়কেন্দ্র আছে ৬০টি। গত মার্চ ও এপ্রিলে জ্বালানিসংকটে বিক্রি বাড়ায় বড় ভূমিকা রেখেছে। দেশে ‘টাকিয়ন’ নামে বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল তৈরি করে ওয়ালটন গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ। তারা বর্তমানে ৭টি মডেলের ই-বাইক তৈরি করছে, যেগুলোর দাম ৮৯ হাজার থেকে ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রও জানায়, সম্প্রতি ই-বাইকের আমদানি বেড়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত ৭ হাজার ৬৫৮টি ই-বাইক আমদানি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে আমদানি বেড়ে ১২ হাজার ৩৩০টিতে দাঁড়ায়। এক বছরে আমদানি বেড়েছে ৬১ শতাংশের বেশি। এ বছর আরও বাড়ছে। কারণ গত ফেব্রুয়ারির শেষে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হলে জ্বালানি সংকটে অনেকেই ঝামেলা এড়াতে ই-বাইকের দিকে  ঝোঁকেন। নতুন বাজেটেও ইলেকট্রিক গাড়িতে (ইভি) ছাড় দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ব্যবহার আরও বাড়বে।

পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম অটোমোবাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম
অটোমোবাইল ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে অবস্থিত পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সমৃদ্ধ গাড়ির জাদুঘর। গাড়ির ইতিহাস, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও ভবিষ্যতের নকশা দিয়ে সাজানো এই জাদুঘর গাড়িপ্রেমীদের জন্য এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতার সূচনা করে।

১৯৯৪ সালে রবার্ট ই. পিটারসেন ও মার্জি পিটারসেন জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করেন। রবার্ট ছিলেন একজন বিখ্যাত ম্যাগাজিন প্রকাশক, যিনি মোটরগাড়ি শিল্পের প্রতি খুব আগ্রহী ছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল এমন একটি জায়গা তৈরি করা, যেখানে মানুষ গাড়ির প্রতি তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারবে এবং এই শিল্পের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে। মূলত গাড়ির সংস্কৃতি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ইতিহাস সংরক্ষণের লক্ষ্যে এটি গড়ে তোলা হয়েছে।

২০১৫ সালে ১২৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এটি আধুনিকায়ন করা হয়, ফলে জাদুঘরটির নকশায় আসে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। বর্তমানে এর স্টেইনলেস স্টিলের ঢেউখেলানো বাহ্যিক নকশা গতির প্রতীক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এখানে ১০ হাজারের বেশি গাড়ির সংগ্রহ রয়েছে, যা ক্ল্যাসিক গাড়ি থেকে শুরু করে আধুনিক ডিজাইন পর্যন্ত বিস্তৃত।

পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়ামে বিভিন্ন ধরনের গাড়ি প্রদর্শন করা হয়, যা অটোমোবাইল শিল্পের ইতিহাস তুলে ধরে। এতে ক্ল্যাসিক গাড়ি, রেসিং কার, মোটরসাইকেল ও কনসেপ্ট কার রয়েছে। এ ছাড়া এখানে বেশ কয়েকটি ইন্টার‌্যাক্টিভ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রয়েছে, যা দর্শকদের অটোমোবাইল শিল্পের বিজ্ঞান সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। এখানে সিনেমা ও টেলিভিশন শো-তে ব্যবহৃত গাড়িগুলো প্রদর্শিত হয়। বিশ্বের বিখ্যাত কিছু রেসিং কার এখানে দেখা যায়। এ শিল্পের একদম শুরুর দিকের ক্ল্যাসিক গাড়িগুলো এখানে রয়েছে। ভবিষ্যৎ গাড়িগুলোর ডিজাইন এখানে প্রদর্শন করা হয়।

পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম জনসাধারণের মধ্যে অটোমোবাইল শিল্পের ইতিহাস সম্পর্কে শিক্ষা বিস্তারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাদুঘরটি শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষামূলক প্রোগ্রাম পরিচালনা করে। এ ছাড়া এখানে একটি গবেষণা গ্রন্থাগার রয়েছে, যা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।

বছরজুড়ে পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়ামে মাঝে মধ্যে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে কার শো, লেকচার ও ওয়ার্কশপ। এ ছাড়া এখানে কিছু বিশেষ প্রদর্শনী হয়, যা সীমিত সময়ের জন্য দেখানো হয়।

জাদুঘরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ ‘দ্য ভল্ট’, যেখানে ২৫০টিরও বেশি ক্ল্যাসিক, দুর্লভ ও ঐতিহাসিক গাড়ি সংরক্ষিত আছে। গাড়ির অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে একত্রে উপস্থাপন করে পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গাড়ি সংগ্রহশালা হিসেবে স্বীকৃত। পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম সপ্তাহের সাত দিনই জনসাধারণের জন্য খোলা থাকে। এটি লস অ্যাঞ্জেলেসের ৬০৬ উইলশায়ার বুলেভার্ডে অবস্থিত।

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ইলেকট্রিক বাইক পার্টনার ভি মটো বাংলাদেশ

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ইলেকট্রিক বাইক পার্টনার ভি মটো বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার চলমান দ্বিপক্ষীয় ক্রিকেট সিরিজে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অফিশিয়াল ইলেকট্রিক বাইক পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে ভি মটো বাংলাদেশ। মাঠে ক্রিকেটের রোমাঞ্চের পাশাপাশি দেশে পরিবেশবান্ধব ই-মবিলিটি বা বৈদ্যুতিক যানবাহনের ধারণাকে ছড়িয়ে দিতে এই যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সিরিজে মাঠের পারফরম্যান্স ও ক্রিকেটারদের অদম্য স্পৃহাকে সম্মান জানাতে বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণাও দিয়েছে ভি মটো বাংলাদেশ। চলমান এই সিরিজে বল হাতে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে যে বাংলাদেশি বোলার সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করবেন, তাঁকে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে একটি আকর্ষণীয় ইলেকট্রিক বাইক পুরস্কার দেওয়া হবে।

সম্প্রতি এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ভি মটো বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ভি মটো গ্রুপের দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের কান্ট্রি ডিরেক্টর মীর ফয়সাল, ভি মটো বাংলাদেশ ও সিমবা মটরস লিমিটেডের চেয়ারম্যান সোহেল বিন আজাদ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাজীব নূর।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস ইনচার্জ ও সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফীস এবং মার্কেটিং ও কমার্শিয়াল বিভাগের মো. আসিফুল ইসলাম।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে ক্রিকেট মাঠের উৎকর্ষ উদযাপনের পাশাপাশি প্রযুক্তির নিত্যনতুন উদ্ভাবন ও পরিবেশবান্ধব চেতনাকে এগিয়ে নেওয়ার অভিন্ন লক্ষ্য প্রতিফলিত হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই গৌরবময় যাত্রার সঙ্গী হতে পেরে এবং একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও স্মরণীয় সিরিজ উপহার দেওয়ার আশা প্রকাশ করেছে ভি মটো বাংলাদেশ।

অটোমোটিভ উদ্ভাবনে শীর্ষে চীনের বিওয়াইডি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
অটোমোটিভ উদ্ভাবনে শীর্ষে চীনের বিওয়াইডি
ছবি: সংগৃহীত

বৈশ্বিক অটোমোটিভ উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে জার্মানির বিখ্যাত ভক্সওয়াগেন ও মার্সিডিজ-বেঞ্জকে ছাড়িয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে চীনের নিউ এনার্জি ভেহিকেল উৎপাদক প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি। জার্মানিভিত্তিক স্বনামধন্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার অব অটোমোটিভ ম্যানেজমেন্ট (সিএএম)’ প্রকাশিত ‘অটোমোটিভ ইনোভেশনস রিপোর্ট ২০২৬’-এ এই তথ্য জানানো হয়। বৈশ্বিক গাড়ি নির্মাণ শিল্পের দীর্ঘ ইতিহাসে এই প্রথম কোনো চীনা প্রতিষ্ঠান এমন গৌরবময় মাইলফলক অর্জন করল।

প্রতিবেদনের ২২তম সংস্করণে বিশ্বের ৩৬টি বড় অটোমোটিভ গ্রুপের মোট ৮৬৭টিরও বেশি প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে মূল্যায়ন করা হয়েছে। সিএএম তাদের নিজস্ব ‘এম.ও.বি.আই.এল’ পদ্ধতির মাধ্যমে এই জটিল মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এই পদ্ধতিতে অটোমোবাইল উদ্ভাবনগুলোর পরিপক্বতা, মৌলিকত্ব, গ্রাহক উপযোগিতা এবং কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে স্কোর দেওয়া হয়। চূড়ান্ত ফলাফলে ১৫৭ দশমিক ২ ইনডেক্স পয়েন্ট পেয়ে উদ্ভাবনী সূচকে সবার শীর্ষে জায়গা করে নেয় বিওয়াইডি। অন্যদিকে পূর্ববর্তী চ্যাম্পিয়ন ভক্সওয়াগেন গ্রুপ ১৪৩ দশমিক ১ পয়েন্ট এবং মার্সিডিজ-বেঞ্জ গ্রুপ ১৩৪ দশমিক ২ পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে উদ্ভাবনী অটোমোটিভ গ্রুপ হওয়ার পাশাপাশি ‘মোস্ট ইনোভেশন ভলিউম ব্র্যান্ড ২০২৬’-এর মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতিও নিজেদের করে নিয়েছে বিওয়াইডি। এই বিশেষ ক্যাটাগরিতে ১০৫-এর বেশি ইনডেক্স পয়েন্ট নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি রেনল্ট ও টয়োটার মতো সুপ্রতিষ্ঠিত বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোকে সহজে পেছনে ফেলে দিয়েছে। সিএএম-এর প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, উন্নত ব্যাটারি প্রযুক্তি, বৈদ্যুতিক পাওয়ারট্রেন, আধুনিক ইন্টেলিজেন্ট ড্রাইভিং সিস্টেম এবং একাধিক বিশ্বমানের উদ্ভাবনই মূলত বিওয়াইডির এই সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি।

পরিবেশবান্ধব ও টেকসই যাতায়াত ব্যবস্থার দিকে বৈশ্বিক রূপান্তরে বিওয়াইডির ক্রমবর্ধমান প্রভাব এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মাধ্যমে পুনরায় প্রমাণিত হলো। নিজেদের তৈরি ব্লেড ব্যাটারি, ডিএম-আই সুপার হাইব্রিড সিস্টেম এবং অ্যাডভান্সড ড্রাইভার অ্যাসিস্ট্যান্স সিস্টেম বা এডিএএস-এর মতো যুগান্তকারী প্রযুক্তির ক্রমাগত উন্নয়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বব্যাপী বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে সম্পূর্ণ নতুন এক মানদণ্ড তৈরি করছে।

বর্তমানে বৈশ্বিক বাজারের পাশাপাশি বাংলাদেশের বাজারেও বিওয়াইডি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম দ্রুত সম্প্রসারণ করছে। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে দুই ধাপে জমকালো মেগা ডেলিভারি ইভেন্টের মাধ্যমে ক্রেতাদের হাতে সরাসরি ৯০টি পরিবেশবান্ধব আধুনিক গাড়ি হস্তান্তর করেছে। দেশের বাজারে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

/আবরার জাহিন

চীনের পরিবেশবান্ধব গাড়ি রপ্তানি দ্বিগুণ বেড়েছে

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৭:১৩ পিএম
চীনের পরিবেশবান্ধব গাড়ি রপ্তানি দ্বিগুণ বেড়েছে
চীনের অটোমোবাইল শিল্পের প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি এখন রপ্তানি।

চলতি বছরের মে মাসে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিচালিত বা পরিবেশবান্ধব যাত্রীবাহী গাড়ি রপ্তানিতে বিশাল সাফল্য দেখছে চীন। দেশটির যাত্রীবাহী গাড়ি সংস্থার (সিপিসিএ) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মে মাসের তুলনায় এবার গাড়ি রপ্তানি ১১২.৬ শতাংশ বেড়ে ৪ লাখ ২৪ হাজার ইউনিটে পৌঁছেছে।  
তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে রপ্তানি বেড়েছে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। একই সময়ে বিদেশে পাঠানো মোট যাত্রীবাহী গাড়ির ৫৪ দশমিক ১ শতাংশই ছিল পরিবেশবান্ধব জ্বালানিচালিত যান, যা এক বছর আগের তুলনায় ৯ দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্ট বেশি।
রপ্তানিকৃত এনইভিগুলোর মধ্যে ব্যাটারিচালিত বৈদ্যুতিক গাড়ির অংশ ছিল ৫৯ দশমিক ৩ শতাংশ। যদিও এক বছর আগে এ হার ছিল ৬৬ দশমিক ১ শতাংশ। 
সিপিসিএ বলেছে, চীনের অটোমোবাইল শিল্পের প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি এখন রপ্তানি। অভ্যন্তরীণ বাজারে তুলনামূলক দুর্বল চাহিদার মধ্যেও চীনা গাড়ি নির্মাতারা লাতিন আমেরিকা ও ইউরোপের মতো বাজারে তাদের উপস্থিতি আরও জোরদার করেছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ার প্রভাব অনেকটাই সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং রপ্তানির ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রয়েছে।
সূত্র: সিএমজি বাংলা