বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ছাড়পত্র ছাড়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে।
গত ২৯ এপ্রিল ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উপপরিচালক মো. জামাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, বিভিন্ন বিভাগে ইউজিসির অনুমোদন ছাড়া শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
চিঠিতে অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, কমিশন থেকে ছাড়কৃত নয় এমন পদে বিজ্ঞাপন দিয়ে এর বিপরীতে ইচ্ছামতো প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। উদাহরণ: ১. বাংলা বিভাগে কমিশন থেকে ছাড়কৃত নয় এমন পদে বিজ্ঞাপন দিয়ে তিনজন নেওয়া হয়েছে। ২. নৃবিজ্ঞান বিভাগে একজনের বিপরীতে তিনজন, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগে একজনের বিপরীতে পাঁচজন এবং ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগে তিনজনের বিপরীতে ছয়জন নেওয়া হয়েছে। ৩. ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগে ২৮ জন শিক্ষক থাকার পরেও (শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৫০ জন) আরও ছয়জন নতুন শিক্ষক নেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য এবং নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম অভিযোগগুলোকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে খবরের কাগজকে বলেন, ‘পত্রে বর্ণিত বিভাগগুলোর বাছাই বোর্ডের সিদ্ধান্ত এখনো সিন্ডিকেটে উপস্থাপিত হয়নি। কাজেই সে প্রেক্ষিতে কথা বলা আইন বা বিধিসম্মত নয়।
যারা ইউজিসিতে এসব অভিযোগ করেছে, তাদের এই অপপ্রয়াস নিশ্চয়ই ইউজিসি এবং প্রশাসনকে বিব্রত করেছে।’ ইউজিসি থেকে পাঠানো চিঠির ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা ইউজিসির চিঠির উত্তর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাঠাব।’




