ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে উৎসবের আমেজ কুষ্টিয়ায় পাথরবোঝাই ট্রাক উল্টে চালক ও সহকারী নিহত মা-বাবাকে অবহেলা করো না, জাহান্নাম নেমে আসবে পৃথিবীতে! রংপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার তামু ও তার সুপারহিরো বাবার গল্প বাংলাদেশের হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচ ডিজিটাল রূপান্তরের ভবিষ্যৎ নিয়ে ঢাকায় ১২তম ডিজিটাল সামিট অনুষ্ঠিত আমরা শুধু কেপ ভার্দে নই, পুরো আফ্রিকার জন্য খেলছি: বুবিস্তা বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা দোকানের তালা ভেঙে ১ হাজার ৪৪০ ক্যান বাংলাদেশি বিয়ার জব্দ খবরের কাগজের বাগেরহাট প্রতিনিধিকে প্রাণনাশের হুমকি আজ বিশ্ব সংগীত দিবস সৃজনশীল অর্থনীতি: বাংলাদেশের নতুন প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা ইতিহাসের পাতায় তিউনিসিয়া-জাপান ম্যাচ: ফুটবল বিশ্বকাপের ১০০০তম লড়াই ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা উত্তরের ৪ জেলায় বন্যার শঙ্কা, আগামী ৭২ ঘণ্টায় বাড়তে পারে নদ-নদীর পানি আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে : ডা. শফিকুর রহমান স্পেনের ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন এলোয় রুম: কুরাসাও গোলরক্ষকের বিশ্বরেকর্ড ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, দূষণের শীর্ষে জাকার্তা টাকার অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত উখ্যাইংওয়ংয়ের সাম্বা সাম্বা সাম্বা, ফিরে এল সাম্বা নৃত্য ২১ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ড্রাগন-মাল্টার বাগান গড়ে সফল প্রবাসফেরত সাদেক ২১ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় কারাবন্দি এক ম্যাজিস্ট্রেট যশোরে জাপার ২৫ নেতার পদত্যাগ বগুড়ার প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণ রবিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট নারায়ণগঞ্জের হাসপাতালে নেই জলাতঙ্কের টিকা

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সেমিনারে জলবায়ু রক্ষায় যৌথ বিনিয়োগে মত বিশেষজ্ঞদের

প্রকাশ: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৬:৩০ পিএম
আপডেট: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৭:২৬ পিএম
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সেমিনারে জলবায়ু রক্ষায় যৌথ বিনিয়োগে মত বিশেষজ্ঞদের
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় টেকসই বিনিয়োগ প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের আয়োজনে রাজধানীতে এক উচ্চপর্যায়ের সেমিনারে এ বিষয়ে মতবিনিময় করেন তারা। ‘ক্যাটালাইজিং ক্লাইমেট অ্যাডাপটেশন অ্যাকশন অ্যান্ড মোবিলাইজিং ইনভেস্টমেন্ট’ শীর্ষক এ কর্মশালায় নীতিনির্ধারক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা সমবেত হন।
  
দ্য ওয়েস্টিন ঢাকায় অনুষ্ঠিত ওই কর্মশালায় বক্তারা জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (এনএপি/ন্যাপ), জলবায়ু অর্থায়ন কৌশল এবং টিকে থাকার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বহুপাক্ষিক অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন। আলোচকরা বলেন, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জলবায়ু খাতে দ্রুত ও কার্যকর বিনিয়োগ অপরিহার্য। 

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘আমরা যে উন্নয়ন মডেল অনুসরণ করছি, তা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে। উন্নয়ন ও বিনিয়োগকে মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে না রেখে আমাদের উচিত সাসটেইনেবিলিটি, প্রকৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ ও সমাজের মানুষকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়ন ও বিনিয়োগকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করা।’ 

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসের এজাজ বিজয় বলেন, ‘বাংলাদেশের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। তবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের অ্যাডাপটেশন ইকোনমি গবেষণায় দেখা গেছে যে, জলবায়ু সহনশীলতা ও অভিযোজনে আজ ১ ডলার বিনিয়োগ করলে ভবিষ্যতে তা প্রতিদিন ১০ গুণ আর্থিক সুবিধা এনে দিতে পারে। কারণ এটি অর্থনৈতিক ও জিডিপি প্রবৃদ্ধির ক্ষতি রোধ করে। সঠিক নীতিগত সংস্কার, আর্থিক উদ্ভাবন ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা বিনিয়োগকে গতিশীল করতে পারি। এতে জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সিনিয়র সাসটেইনেবিলিটি অ্যাডভাইজার জন মার্টন বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী আমাদের অভিজ্ঞতায় দেখেছি যে, জলবায়ু অভিযোজনে বিনিয়োগ লাভজনক। তবে বৃহৎ পরিসরে প্রভাব আনতে হলে নীতিগত সমন্বয়ের গতি বাড়াতে হবে এবং বেসরকারি মূলধন উন্মুক্ত করতে হবে। একইসঙ্গে সরকার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বহুপাক্ষিক সংস্থা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারিত্ব জোরদার করতে হবে।’ 

অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক, জাতিসংঘের রেসিডেন্ট কোঅর্ডিনেটর গোয়েন লুইস, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর হোয়ে ইউন জিয়ং এবং ব্র্যাকের মাইক্রোফাইন্যান্স বিভাগের সিনিয়র ডিরেক্টর অরিঞ্জয় ধর অংশ নেন।  

আলোচকরা বলেন, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও অভিযোজনের জন্য ২৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন, যার ৪০ শতাংশ বেসরকারি খাত থেকে আশা করা যাচ্ছে। কার্যকর জলবায়ু কার্যক্রম ও বিনিয়োগের জন্য বহুপাক্ষিক সহযোগিতা অপরিহার্য, যা অংশীদারত্ব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

আলোচকরা উল্লেখ করেন যে, সম্প্রতি চালু হয়েছে বাংলাদেশ ক্লাইমেট ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ (বিসিডিপি), যা মূলত দেশের জলবায়ু কার্যক্রমের একটি প্ল্যাটফর্ম। এটি সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও, নাগরিক সমাজ ও বেসরকারি খাতের মধ্যে দৃঢ় অংশীদারত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করবে।

বক্তারা সেমিনারে বক্তারা বলেন, প্রাথমিক সতর্কীকরণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, স্থানীয় দক্ষতা উন্নয়ন, আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো বিনিয়োগে জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি নতুন অর্থায়ন কাঠামো ও মিশ্র বিনিয়োগের মাধ্যমে বেসরকারি খাতকে জলবায়ু বিনিয়োগে উৎসাহিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে দুটি কেস স্টাডি উপস্থাপন করা হয়। ড. নন্দন মুখার্জি জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিয়ে গবেষণা তুলে ধরেন, যেখানে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে অভিযোজন প্রযুক্তির প্রসারের সুযোগ আলোচনা করা হয়। ড. এফ এইচ আনসারি, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এসিআই এগ্রো বিজনেস, কৃষি খাতে অভিযোজন বিনিয়োগের গুরুত্ব, জলবায়ু-স্মার্ট চাষাবাদ, টেকসই সেচ ব্যবস্থা ও স্থিতিস্থাপক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

বাংলাদেশে শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক ব্যাংক হিসেবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড জলবায়ু অর্থায়ন ও অভিযোজন উদ্যোগের প্রবক্তা হিসাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ১২০ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে ব্যাংকটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও টিকে থাকার সক্ষমতা গঠনে অংশীদার হয়ে কাজ করছে। ব্যাংকটি বাংলাদেশের প্রথম ইউটিলিটি-স্কেল সোলার পাওয়ার প্ল্যান্টের অর্থায়ন এবং সবুজ ও গ্রিন জিরো-কুপন বন্ড চালুর মতো টেকসই অর্থায়ন উদ্যোগের পথিকৃৎ। টেকসই বিনিয়োগের দীর্ঘমেয়াদী অঙ্গীকার নিয়ে ব্যাংকটি সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের জলবায়ু সহনশীল ও নিরাপদ ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

বিজ্ঞপ্তি/মাহফুজ

 

ডিজিটাল রূপান্তরের ভবিষ্যৎ নিয়ে ঢাকায় ১২তম ডিজিটাল সামিট অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৫১ এএম
ডিজিটাল রূপান্তরের ভবিষ্যৎ নিয়ে ঢাকায় ১২তম ডিজিটাল সামিট অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ডিজিটাল রূপান্তরের পরিবর্তিত বাস্তবতা, কৌশল, গল্প বলা ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের নতুন দিক নিয়ে আলোচনার মধ্য দিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ১২তম ডিজিটাল সামিট।

শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর লা মেরিডিয়ান ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ সামিটের আয়োজন করে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম। মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)-এর পরিবেশনায় এবং ওয়ালটন রেফ্রিজারেটরের সঞ্চালনায় আয়োজিত এ সম্মেলনে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞাপন ও বিপণন পেশাজীবী, ব্যবসায়ী নেতা, প্রযুক্তিবিদ ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। 

এবারের সামিটের প্রতিপাদ্য ছিল 'রিথিংকিং ডিজিটাল স্ট্র্যাটেজি, স্টোরি অ্যান্ড সায়েন্স'। দিনব্যাপী আলোচনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বদলে যাওয়া ভোক্তা আচরণ, প্ল্যাটফর্ম ডিসরাপশন এবং প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার সমন্বয় নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।

আয়োজনে বক্তারা বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল পরিবেশে প্রতিষ্ঠানগুলোকে টিকে থাকতে হলে কৌশলগত স্পষ্টতা, সৃজনশীল উৎকর্ষ এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকে একসঙ্গে কাজে লাগাতে হবে। তাদের মতে, ডিজিটাল এখন আর শুধু একটি চ্যানেল নয়; বরং এটি ব্যবসার প্রবৃদ্ধি, আস্থা ও প্রাসঙ্গিকতার মূল ভিত্তি।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের গ্রুপ সিইও ও নির্বাহী সম্পাদক সাজিদ মাহবুব বলেন, প্রযুক্তি বাজার ও ভোক্তা আচরণকে নতুনভাবে গড়ে তুলছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে তথ্য, সৃজনশীলতা ও কৌশলগত দক্ষতার সমন্বয় ঘটাতে হবে।

সামিটে তিনটি কিনোট সেশন, তিনটি প্যানেল আলোচনা, তিনটি ইনসাইট সেশন, দুটি কেস স্টাডি এবং একটি এক্সপার্ট ডিপ ডাইভ অনুষ্ঠিত হয়। কিনোট সেশনগুলোতে বক্তব্য দেন কাজী মিডিয়া লিমিটেডের সিইও তানভীর ফারুক, এক্স-ইন্টিগ্রেটেড মার্কেটিং এজেন্সির সিওও অ্যান্ড ডিরেক্টর দ্রাবির আলম এবং টিকটকের এমার্জিং মার্কেট পার্টনারশিপ (মেটাপ) বিভাগের প্রধান সালেহ ঘানায়েম।

সেশনগুলোতে আলোচনায় উঠে আসে অ্যালগরিদম-চালিত ডিজিটাল বিশ্বে মানবকেন্দ্রিক প্রবৃদ্ধি, সোশ্যাল-ফার্স্ট মার্কেটিং, ক্রিয়েটর ইকোনমির উত্থান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা এবং ব্র্যান্ড এনগেজমেন্টের ভবিষ্যৎ।

প্যানেল ও ইনসাইট সেশনে অংশ নেন গুগল বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার পার্টনার ডিরেক্টর আহসানুর রহমান, অ্যাক্সেনটেক পিএলসি’র হেড অব ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশন মুনাফ মোজিব চৌধুরী, ইগনিশিয়া থ্রি সিক্সটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দা উম্মে সালমা ঝুমুর, গিকি সোশ্যালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহাদী হাসান সাগর, এফসিবি বিটোপির নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ খান ইমরান, ফাস্টকম এআই-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ইয়াসিন নুর এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রফিউদ্দিন আহমেদসহ অনেকে।

২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করা ডিজিটাল সামিট বর্তমানে দেশের ডিজিটাল মার্কেটিং ও যোগাযোগ খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান-বিনিময় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে এই আয়োজন ডিজিটাল কৌশল, উদ্ভাবন এবং শিল্পের রূপান্তর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

এবারের আয়োজনের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার ছিল অ্যালেফ গ্রুপ, বিবিএফ সিএমও ক্লাব, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভার্টাইজিং অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (আইএএবি) ও এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ)। নলেজ পার্টনার ছিল মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এমএসবি), হসপিটালিটি পার্টনার লা মেরিডিয়ান ঢাকা, অফিসিয়াল ক্যারিয়ার পার্টনার টার্কিশ এয়ারলাইনস এবং পিআর পার্টনার ব্যাকপেজ পিআর।

এবারের সামিটকে আয়োজকরা ডিজিটাল কৌশল, প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক নেতৃত্ব গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে উল্লেখ করেন।

অন্তরা/

পরিবেশবান্ধব বায়োগ্যাস প্রযুক্তি সম্প্রসারণে একসঙ্গে কাজ করবে প্রাণ ডেইরী ও এটিইসি

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৪:০৩ পিএম
পরিবেশবান্ধব বায়োগ্যাস প্রযুক্তি সম্প্রসারণে একসঙ্গে কাজ করবে প্রাণ ডেইরী ও এটিইসি
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

গ্রামীণ জীবিকা উন্নয়ন ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে পরিবেশবান্ধব বায়োগ্যাস প্রযুক্তি সম্প্রসারণের জন্য একসঙ্গে কাজ করবে দেশের শীর্ষস্থানীয় দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠান প্রাণ ডেইরী লিমিটেড এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রতিষ্ঠান-এটিইসি।

সম্প্রতি রাজধানীর বাড্ডায় প্রাণ গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে দুই পক্ষের মধ্যে এ বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে ‘সবুজশক্তি বায়োডাইজেস্টার’ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের ২৭টি জেলায় দুগ্ধ খামারিদের জন্য পরিবেশবান্ধব বায়োগ্যাস প্রযুক্তি স্বল্পমূল্যে সরবরাহ করা হবে।

এই অংশীদারিত্বের আওতায় এটিইসি আধুনিক বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট সরবরাহ করবে, যার মাধ্যমে গরুর গোবর থেকে গৃহস্থালির রান্নার জন্য পরিচ্ছন্ন বায়োগ্যাস উৎপাদন করা সম্ভব হবে এবং একই সঙ্গে কৃষিকাজে ব্যবহারের জন্য জৈব সার তৈরি হবে। প্রাণ ডেইরী দেশের ২৭টি জেলায় বিস্তৃত তাদের দুগ্ধ খামারিদের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এই প্রযুক্তি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে খামারিরা রান্নার জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সক্ষম হবেন এবং জৈব সার ব্যবহারের মাধ্যমে মাটির উর্বরতা ও কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে পারবেন। একই সঙ্গে এটি গ্রামীণ পরিবেশকে আরও পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর রাখতে সহায়তা করবে।

অনুষ্ঠানে প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা এবং এটিইসি অস্ট্রেলিয়া ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শুভাশীষ ভৌমিক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী, প্রাণ ডেইরীর মাঠ পর্যায়ের টিম খামারি শনাক্তকরণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বয় কার্যক্রমে সহায়তা করবে।

অন্যদিকে এটিইসি খামারি প্রশিক্ষণ, পণ্য সরবরাহ, বায়োডাইজেস্টার স্থাপন এবং পরবর্তী সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

ইলিয়াছ মৃধা বলেন, “প্রাণ ডেইরী দীর্ঘদিন ধরে দুগ্ধ খামারিদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে আসছে এবং এই উদ্যোগ সেই প্রচেষ্টাকে আরও এগিয়ে নেবে, যা খামারিদের জন্য সাশ্রয়ী ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত করবে।”

শুভাশীষ ভৌমিক বলেন,“এই অংশীদারিত্ব গ্রামীণ কৃষি পরিবারগুলোর জন্য পরিচ্ছন্ন জ্বালানির সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

অনুষ্ঠানে প্রাণ ডেইরী লিমিটেডের পক্ষে চিফ অপারেটিং অফিসার মাকসুদুর রহমান, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শরীফ উদ্দিন তরফদার, অপারেশন ম্যানেজার জিহাদুল কবির, হেড অব মার্কেটিং সৈয়দ মুস্তায়িন কাদের, এবং এটিইসি-এর পক্ষে হেড অব সেলস মোঃ হাসিবুর হাসান রহমান, এসিসটেন্ট ম্যানেজার নাফিউল ইসলামসহ দুই পক্ষের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খিলগাঁওয়ে স্কয়ার গ্রুপের ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
খিলগাঁওয়ে স্কয়ার গ্রুপের ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

দেশব্যাপী মোবাইল হেলথকেয়ার উদ্যোগ ‘ছাপ্পান্ন হাজার স্কয়ার মাইল জুড়ে’-এর অংশ হিসেবে প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান স্যামসন এইচ চৌধুরীর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে হেলথ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর খিলগাঁওয়ে স্কয়ার গ্রুপের পক্ষ থেকে ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। 

খিলগাঁওয়ের বালুরপাড়ে অবস্থিত আব্দুল আজিজ ভূঁইয়া ও বেগম শায়েস্তা নূরানী হাফিজিয়া কওমী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এই ক্যাম্পটি পরিচালিত হয়।

হেলথ ক্যাম্পের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য জনাব হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি তার এলাকার অসহায় মানুষদের সেবাদানে পরিচালিত এই ক্যাম্পটিকে সাধুবাদ জানান এবং আয়োজক স্কয়ার গ্রুপের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

দিনব্যাপী এই ক্যাম্পে স্থানীয় চিকিৎসা-বঞ্চিত ও দুস্থ মানুষদের চিকিৎসকদের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ করা হয়। এছাড়া সেবাগ্রহীতাদের বিনামূল্যে রক্তচাপ পরিমাপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষার সুবিধা দেওয়া হয়।

প্রয়াত স্যামসন এইচ চৌধুরীর মানবসেবার আদর্শে দেশের ৫৬ হাজার স্কয়ার মাইল জুড়ে প্রান্তিক মানুষের কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই মোবাইল হেলথকেয়ার উদ্যোগটি ধারাবাহিকভাবে আয়োজিত হচ্ছে। এরই মধ্যে দেশের প্রায় ১৪টি জেলার ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ এ
উদ্যোগের আওতায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ও ঔষধ সেবা গ্রহণ করেছেন।

অন্তরা/

প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:২৬ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:২৭ এএম
প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান
ছবি: সংগৃহীত
বৈশ্বিক ও দেশীয় নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে টেকসই রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ বাড়াতে কাঠামোগত সংস্কার এবং আরও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
 
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে এমন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সংগঠন ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ফিকি)। 
 
রাজধানীর গুলশানে সংগঠনটির নিজস্ব কার্যালয়ে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 
 
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের প্রেক্ষাপটে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে করের আওতা সম্প্রসারণ, ব্যবসার ব্যয় হ্রাস, রাজস্ব প্রশাসনের ডিজিটালাইজেশন এবং সমতাভিত্তিক ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে ফিকি। 
 
ফিকি সভাপতি রূপালী হক চৌধুরী বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটটি একটি ইতিবাচক ও তুলনামূলকভাবে পূর্বানুমানযোগ্য বাজেট। বিশেষ করে সামাজিক সুরক্ষা, গ্রিন ইনিশিয়েটিভ ও সৌরবিদ্যুৎ খাতে প্রদত্ত প্রণোদনাকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ দেশের জ্বালানি খাতে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সহায়তা করবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামার প্রভাব অর্থনীতি ও বিদ্যুৎ খাতের ওপর তুলনামূলকভাবে কম পড়বে। 
 
সংবাদ সম্মেলনে ফিকির ট্যাক্স কনসালট্যান্ট স্নেহাশীষ বড়ুয়া বাজেটের বিষয়ে চেম্বারের বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করেন। রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বাড়াতে কাস্টমস, ভ্যাট ও আয়কর ব্যবস্থাকে সমন্বিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন রোডম্যাপ প্রণয়নের সুপারিশ করেন তিনি। 
 
স্নেহাশীষ বড়ুয়া বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে সিগারেটের উচ্চ স্তরে দাম প্রায় ১৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। অথচ নিম্ন স্তরে দাম বেড়েছে মাত্র ৩ শতাংশ। এভাবে দাম বাড়ানো কোনো কার্যকরী উপায় নয়। এতে সিগারেটের অবৈধ বাজার বেড়ে যেতে পারে। পাশাপাশি শেয়ার বাজারে তামাক কোম্পানির ওপর প্রভাব পড়তে পারে। 
 
এ বিষয়ে রূপালী হক চৌধুরী বলেন, দেশে তামাক কোম্পানিকে ৮৩ শতাংশ কর দিতে হয়। এটি এ খাতে বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ কর। এর উপর যদি অবৈধ বাজার বেড়ে যায়, তাহলে কোম্পানিগুলো দুর্বল হয়ে যায়। এতে সরকারের রাজস্ব আদায়ও কমে আসবে।
 
তিনি বলেন, ‘সরকারের উচিত তামাক কোম্পানিকে ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে বিবেচনা করা। হয় তামাক কোম্পানি থাকবে, না হয় থাকবে না। থাকলে বৈধ ইন্ডাস্ট্রি হিসেবেই এদেরকে ট্রিট করতে হবে।’ 
 
সিগারেটের দাম নিম্নস্তরে কম বাড়ানো ও উচ্চ স্তরে বেশি বাড়ানোর প্রভাব বিদেশি বিনিয়োগের ওপর পড়বে কিনা- সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রূপালী হক চৌধুরী বলেন, ’এটা তো অবশ্যই। আমরা বারবার বলছি, রাজস্ব আদায়ে প্রিমিয়াম ও লোয়ার সেগমেন্ট – সবগুলোরই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।‘
 
সিগারেটের উচ্চ স্তরের দাম তুলনামূলক বেশি বেড়ে গেলে নিম্ন স্তরের অথবা অবৈধ সিগারেটের বিক্রি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন রূপালী হক চৌধুরী। এ ধরনের বিষয় দেশি-বিদেশি সব ধরনের বিনিয়োগকারীকে নিরূৎসাহিত করে বলে মনে করেন তিনি।  
 
তিনি বলেন, সিগারেট খারাপ হলে সবার জন্যই খারাপ। কেন এক্ষেত্রে এতো বৈষম্য থাকবে? প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে তো বলা যাবে না তারা বেশি করে সিগারেট খাক। কিন্তু প্রিমিয়ামের ক্ষেত্রে যে জিনিসটা হচ্ছে সেটা হলো ওই কোম্পানির সাস্টেইনিবিলিটিটা একটা প্রশ্নের মধ্যে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। দেশি কোম্পানি হোক অথবা বিদেশি হোক। এই জিনিসটা যৌক্তিক করতে হবে। 
 
এছাড়াও রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা প্রসঙ্গে রূপালী হক বলেন, বাজেটে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি রয়েছে। অতীতে এ ধরনের ঘাটতি পূরণে পরোক্ষ কর ও সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা গেছে। এতে নিয়মিত করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয় এবং বিভিন্ন খাতে কার্যকর করহার প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বেশি হয়ে যায়। তিনি কর ব্যবস্থাকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও বিনিয়োগবান্ধব করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 
 
সংবাদ সম্মেলনে বিনিয়োগ আকর্ষণ ও ধরে রাখার লক্ষ্যে কার্যকর করহার যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে আসার জন্য একটি রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান জানায় ফিকি। 
 
ফিকির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী, পরিচালক হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া, নির্বাহী পরিচালক টি আই এম নুরুল কবির এবং চেম্বারের ট্যাক্স কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন সংবাদ সম্মেলনে।

ফ্লোরা সিস্টেমসের সঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের চুক্তি সম্পন্ন

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম
ফ্লোরা সিস্টেমসের সঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের চুক্তি সম্পন্ন
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রমকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে ফ্লোরা সিস্টেমস লিমিটেডের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ, পিএলসি।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব), জনাব সামসুল হক সুফিয়ানী এবং ফ্লোরা সিস্টেমস লিমিটেডের চিফ টেকনিক্যাল অফিসার সুবোধ কুমার ভৌমিক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

এই ইসলামিক কোর ব্যাংকিং সল্যুশন বাস্তবায়নের মাধ্যমে কমিউনিটি ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং উইং একটি সমন্বিত ও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করতে সক্ষম হবে। এর ফলে রিয়েল-টাইম লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ, কার্যক্রমের দক্ষতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল ব্যাংকিং সক্ষমতা জোরদার, শরিয়াহসম্মত তহবিল ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও আমানত ব্যবস্থাপনায় গতি বৃদ্ধি, অধিকতর স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং তথ্য নিরাপত্তা আরও সুসংহত হবে।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, গ্রাহকদের জন্য নিরাপদ, সহজ, দক্ষ ও নৈতিক ব্যাংকিং সেবা প্রদানে এবং ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের পরিধি সম্প্রসারণে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম