ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মায়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া হবে, ভারত সীমান্তেও পরিকল্পনা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যারা বলে ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ তাদের থেকে সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী রংপুরের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ৬৬৫ নারী নাসার আর্টেমিস থ্রি মিশনের নভোচারীদের নাম চূড়ান্ত নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত শেষ যাত্রা জানাজায়, মাঝপথেই থেমে গেল জীবন সাজেকে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম অটোমোবাইল ডেস্ক সময় টিভির এমডি জোবায়েরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ZEEHO Bangladesh ও Riding School BD-এর মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্রে ৫ হাজার ৮০৭ প্রবাসীর হাতে যাচ্ছে এনআইডি হেরোইনসহ মা-বাবা ও ছেলে আটক, বাড়িতে আগুন সমুদ্রের নিচে চীনের নতুন ডেটা সেন্টার সোনারগাঁয়ে স্কুল ফাঁকি দিয়ে মেঘনায় গোসল, দুই স্কুল ছাত্রের মৃত্যু বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমল ৫ শতাংশের বেশি সোনারগাঁয়ে মেঘনায় গোসলে নেমে ২ শিক্ষার্থীর মৃত্যু নৌবাহিনীর ডকইয়ার্ডে নির্মিত হচ্ছে ৫টি ‘রিভারাইন পেট্রল ভেসেল’ স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরে স্যামসাংয়ের নতুন ল্যাপটপ গুরুদাসপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় বৃদ্ধের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড টাঙ্গাইল মেডিকেলে হঠাৎ পরিদর্শন, অসন্তোষ প্রকাশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ দুর্নীতির মামলায় আবেদপুত্র সিয়ামের বিচার শুরু যাত্রা ও সার্কাসে অশ্লীলতা বরদাশত নয় : সংস্কৃতিমন্ত্রী আজকে যে কেউ সরকারের বিরুদ্ধে নির্দ্বিধায় বলতে পারে: প্রধানমন্ত্রী যে জগৎ মানুষের অপেক্ষায় আছে চট্টগ্রামে এইডস ঝুঁকি বাড়াচ্ছে রোহিঙ্গারা মাধবদীর ‘মমতা’ সিনেমা হল বিক্রির বিজ্ঞাপন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নির্ভর করছে মায়ানমারের সদিচ্ছার ওপর: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাঠে বসে মেসির হ্যাটট্রিকে আর্জেন্টিনার জয় দেখলেন নাদিয়া-নাঈম যুগোপযোগী পাঠদান শিক্ষার্থীদের শেখার অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করবে: গ্লেনরিচে বক্তারা
Nagad desktop

নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদ

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৫, ১২:২৫ পিএম
আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৪২ পিএম
নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদ
বাংলাদেশ হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদ

পারিবারিক আইন পরিবর্তনের মাধ্যমে সম্পত্তির উত্তরাধিকার, সন্তানের অভিভাবকত্ব ও রক্ষণাবেক্ষণ, বিয়ে এবং বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে সব ধর্মের নারীর সমান অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদ।

পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. ময়না তালুকদার এবং সাধারণ সম্পাদক পুলক ঘটক দ্রুত এ প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে নারীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা ও বঞ্চনার অবসানের সঙ্গে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধিত হবে বলে বিবৃতি দিয়েছে সংগঠনটি।

বাংলাদেশের হিন্দু, বৌদ্ধ ও বিভিন্ন আদিবাসী নারীরা সম্পত্তির উত্তরাধিকারসহ সবক্ষত্রে পুরোপুরি অধিকারবঞ্চিত হওয়ায় হিন্দু আইন সংশোধনের ব্যাপারে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমেই এটা করা সম্ভব।

জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনের প্রস্তাবসহ কমিশনের সুপারিশে অনেকগুলো অসামান্য ভাল প্রস্তাবনা আছে, যা বাস্তবায়িত হলে দেশ উপকৃত হবে।

এর সঙ্গে বাংলাদেশ হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদের পূর্বঘোষিত ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য সংগঠনটি সরকারের প্রতি বিনীতভাবে অনুরোধ জানিয়েছে।

বাংলাদেশ হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদের ১১ দফা-

১. হিন্দু উত্তরাধিকার আইন
প্রচলিত হিন্দু আইন সংশোধন করে সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে  লিঙ্গ বৈষম্যের সম্পূর্ণ অবসান ঘটানো প্রয়োজন। আমাদের প্রস্তাব, পিতামাতার সম্পত্তিতে সন্তানরা (লিঙ্গপরিচয় নির্বিশেষে) সমান অধিকার পাবেন। একই সঙ্গে স্বামীর সম্পত্তিতে স্ত্রী এবং স্ত্রীর সম্পত্তিতে স্বামী এক সন্তানের সমপরিমাণ উত্তরাধিকার পাবেন। সন্তান, স্বামী বা স্ত্রীর অবর্তমানে পরবর্তী উত্তরাধিকারী নির্ণয়ের প্রশ্নে পারিবারিক সম্পর্কের অন্যান্য সর্বস্তরে লিঙ্গসমতার নীতি কার্যকর হবে। নারী, পুরুষ বা লিঙ্গ স্বাতন্ত্র্য হওয়ার কারণে কেউ অধিকার বঞ্চিত হবেন না।

২. বসতভিটা সংরক্ষণ
উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বসতভিটা ও বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতা হিসেবে হিন্দু আইনে নির্ধারিত (লিঙ্গপরিচয় নির্বিশেষে) সপিন্ড, সাকুল্য ও সমানোদক তালিকার অন্তর্গতরা ক্রম অনুযায়ী অগ্রাধিকার পাবেন। সম-অধিকারপ্রাপ্ত শরিকদের অনাপত্তি ছাড়া হিন্দু আইনের আওতাভুক্ত নয় এমন কারও কাছে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বসতভিটা ও বাড়ি বিক্রয় করা যাবে না।

৩. ধর্মান্তরিত ব্যক্তির উত্তরাধিকার
হিন্দু আইন অনুযায়ী ধর্ম ও জাতিচ্যুত ব্যক্তি পূর্বপুরুষের সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার হারান। একই নিয়মে কেউ সনাতন, বৌদ্ধ, জৈন বা পরম্পরাগত ধর্ম ত্যাগ করে হিন্দু আইনের আওতার বহির্ভূত অন্য কোনো ধর্মে চলে গেলে তিনি উত্তরাধিকার হারাবেন। তিনি পূর্বপুরুষের ধর্ম, সংস্কৃতি, জীবনাচরণ ও পরিবার ত্যাগের সঙ্গে পূর্বপুরুষের সম্পত্তিতেও অধিকার ত্যাগ করেছেন বলে গণ্য হবেন। ফলে তিনি হিন্দু আইনের আওতাধীন কোনো ব্যক্তির সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হতে পারবেন না। সব ধর্মের ক্ষেত্রেই বর্তমানে এ ব্যবস্থা চালু আছে। এ ব্যাপারে সংসদে প্রণীত সংবিধিবদ্ধ আইন না থাকলেও দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের জন্য স্বতন্ত্র পারিবারিক আইন চালু থাকায় ধর্মান্তরিতরা সম্পত্তির উত্তরাধিকার পান না। দেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, ধর্ম, সংস্কৃতি, পরিবার এবং সম্পত্তি রক্ষার প্রয়োজনে ধর্মান্তরের ক্ষেত্রে সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিষিদ্ধ করে সংসদে সুস্পষ্ট সংবিধিবদ্ধ আইন পাস করা প্রয়োজন।

৪. বিবাহ নিবন্ধন
বৈবাহিক সম্পর্কের আইনগত ভিত্তি সুদৃঢ় করা, আগত বা অনাগত সন্তানদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা এবং নানাবিধ জটিলতা নিরসনের জন্য হিন্দু আইনের অন্তর্ভুক্ত সব নাগরিকের দাম্পত্য সম্পর্কের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন।

৫. বহুবিবাহ নিয়ন্ত্রণ
বাংলাদেশে প্রচলিত হিন্দু আইনে পুরুষরা স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও বহুবিবাহ করতে পারেন। এর কোনো আইনগত নিয়ন্ত্রণ নেই। এ ব্যবস্থা উন্নত সভ্যতা ও জীবন-সম্পর্কের প্রতিকূল। বিশেষ কিছু ব্যতিক্রমী বাস্তবতায় আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে একাধিক বিবাহ অনুমোদিত হতে পারে। এ ছাড়া বহুবিবাহের স্বেচ্ছাচার আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন।

৬. বিবাহ বিচ্ছেদ
ধর্মশাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ এবং নারীর পুনর্বিবাহের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে প্রচলিত হিন্দু আইনে নারীদের একবার বিয়ে হলে তাদের জন্য কখনো কোনো অবস্থাতেই বিচ্ছেদ নিয়ে আবার বিয়ে করার অনুমতি নেই। ফলে অনেক নারীর জীবন দুর্বিষহ ও বিপন্ন হচ্ছে। ভগ্ন সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ পুরুষদের জন্যেও প্রয়োজনীয়। কিন্তু আইন না থাকায় প্রয়োজনের তাগিদে অনেকে অবৈধপন্থা অনুসরণ করছেন এবং তাতে আইনের চোখে ‘অবৈধ সন্তান’ উৎপাদন হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আদালতের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদের আইনগত বৈধতা প্রদান এবং সেজন্য সুস্পষ্ট সংবিধিবদ্ধ আইন প্রণয়ন জরুরি।

৭. বর্ণবৈষম্য রোধ
সমাজ বিবর্তনের ধারাবাহিকতায় দেশের হিন্দু সমাজের মধ্যে ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র ও বিভিন্ন উপবর্ণের নারী-পুরুষেরর মধ্যে অসবর্ণ বিবাহ হরহামেশাই ঘটছে। কিন্তু এসব বিয়ের আইনগত বৈধতা নেই। অবৈধ বিয়ের সন্তানরাও আইনত ‘অবৈধ’ বিবেচিত হয়। অবৈধ সন্তানের পৈত্রিক সম্পত্তিতে অধিকার নড়বড়ে থাকে। এগুলো মানবের প্রতি অবিচারমূলক অমানবিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ। তাই ব্রিটিশ আমলে প্রণীত Hindu Marriage Disabilities Removal Act 1946 সংশোধন করে অসবর্ণ বিবাহের আইনগত বৈধতা প্রদান প্রয়োজন।

৮. দত্তক আইন
হিন্দু আইনে সন্তান দত্তক নেওয়া বৈধ হলেও স্বামীর অনুমতি ছাড়া নারী ও লিঙ্গবৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর দত্তক নেওয়ার অধিকার নেই। ছেলে দত্তক নেওয়া যায়, কিন্তু মেয়ে সন্তান দত্তক নেওয়া যায় না। প্রতিবন্ধী শিশুকে এবং ভিন্ন গোত্রের বা ভিন্ন বর্ণের শিশুকে দত্তক নেওয়া যায় না। এরকম নানাবিধ বৈষম্য নিরসন করে আধুনিক, উন্নত ও মানবিক দত্তক আইন প্রণয়ন প্রয়োজন।

৯. অভিভাবকত্ব আইন
সন্তানের অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে পিতা ও মাতার সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদগত প্রতিকূলতায় শিশুর প্রয়োজনীয়তাকে প্রাধান্য দেওয়া প্রয়োজন।

১০. প্রতিবন্ধীদের অধিকার
বাংলাদেশে প্রচলিত হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে বিকলাঙ্গ, দৃষ্টি, বাক, শ্রবণ, যৌন ও মানসিক প্রতিবন্ধী এবং যক্ষ্মা ও কুষ্ঠ রোগের মতো তথাকথিত দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি সম্পত্তির অধিকার পান না। এর নিরসন দরকার। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সবার সম্পত্তির সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, তাদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বিধান ও অগ্রাধিকারভিত্তিক সুযোগ প্রদান জরুরি।

১১. সংখ্যালঘু সুরক্ষা
সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ, দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন, পার্বত্য শান্তি চুক্তি ও পার্বত্য ভূমি কমিশনের যথাযথ বাস্তবায়ন, বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন, সমতলের আদিবাসীদের জন্যে পৃথক ভূমি কমিশন গঠন করা জরুরি।

বিজ্ঞপ্তি/সুমন/

ZEEHO Bangladesh ও Riding School BD-এর মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:০২ পিএম
ZEEHO Bangladesh ও Riding School BD-এর মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

নারীদের নিরাপদ, দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী রাইডার হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ZEEHO Bangladesh এবং Farzana Akter পরিচালিত Riding School BD-এর মধ্যে এক বছরের একটি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই অংশীদারিত্বের আওতায় Riding School BD-এর নারী শিক্ষার্থীদের মোটরসাইকেল ও স্কুটার রাইডিং প্রশিক্ষণে ZEEHO Bangladesh প্রয়োজনীয় যানবাহন সহায়তা প্রদান করবে। পাশাপাশি নারী রাইডার উন্নয়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রমে উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে।

চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন ZEEHO Bangladesh-এর CEO Rezaul Karim Sumon এবং Riding School BD-এর Founder Farzana Akter।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ZEEHO Bangladesh-এর ব্র‍্যান্ড ম্যানেজার মো. ফজলে এলাহী তুর্জ। 

তিনি বলেন, এ সহযোগিতা নারীদের স্মার্ট ও স্বাধীন চলাচল নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশে নিরাপদ রাইডিং সংস্কৃতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। 

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কর্মীদের ইন্স্যুরেন্স সুবিধা দেবে গার্ডিয়ান

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কর্মীদের ইন্স্যুরেন্স সুবিধা দেবে গার্ডিয়ান
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তা সংস্থা প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য জীবন ও স্বাস্থ্যবিমা সুরক্ষা দেবে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

এ লক্ষ্যে সম্প্রতি প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ডিরেক্টর অব বিজনেস, পার্টনারশিপ অ্যান্ড ইমপ্যাক্ট জলি নূর হক।

অনুষ্ঠানে গার্ডিয়ানের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড চিফ এন্টারপ্রাইজ বিজনেস অফিসার সানিয়াত রহমান; সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড হেড অব গ্রুপ বিজনেস গাজী রাফি আহমেদ শামস; সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড ডেপুটি হেড অব গ্রুপ বিজনেস ইফতেখার আহমেদ; সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড হেড অব গ্রুপ সার্ভিস জিনাত ফেরদৌসী এবং কি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার, গ্রুপ বিজনেস আবদুল্লাহ আল মেহেদী।

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিরেক্টর অব পিপল অ্যান্ড কালচার সাবরিনা খান; হেড অব ফাইন্যান্স মোহাম্মদ ওমর ফারুক; ম্যানেজার, ট্যালেন্ট অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড রিওয়ার্ডস শান্তা দে এবং স্পেশালিস্ট, পিপল অ্যান্ড কালচার সিকদার উম্মে কুলসুম (আইরিন)।

অনুষ্ঠানে গার্ডিয়ানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ, বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, মানুষের জীবন সুরক্ষিত করা শুধু আমাদের ব্যবসা নয়, এটি আমাদের মূল উদ্দেশ্য। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমরা গর্বিত।

প্রতিষ্ঠানটি মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। এই চুক্তির মাধ্যমে সেই পরিবর্তনের পেছনে কাজ করা মানুষদের কাছেও আমরা আমাদের সুরক্ষার পরিধি পৌঁছে দিতে পারছি।”

গার্ডিয়ানের বিস্তৃত করপোরেট গ্রাহক তালিকায় নতুন সংযোজন প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির করপোরেট গ্রাহকভিত্তি আরও শক্তিশালী হলো। বর্তমানে ৫০০ এর বেশি করপোরেট প্রতিষ্ঠান এবং দেশের ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষকে ইন্স্যুরেন্স সুরক্ষা দিচ্ছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

পাশাপাশি সারা দেশে ৫০০ এর বেশি অংশীদার হাসপাতালের মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাদের জন্য উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করছে প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করবে দারাজ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম
বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করবে দারাজ
ছবি: দারাজ

দারাজ বাংলাদেশ তাদের কার্যক্রম স্বাভাবিক রেখে প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ, বিক্রেতা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করছে। এতে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দীর্ঘমেয়াদে তাদের ব্যবসায়িক প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত হয়েছে। 

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দারাজের বিনিয়োগ ও পরিচালনা সংক্রান্ত খবরের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করেছে যে, তাদের নিয়মিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। তারা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি বিকাশে অবদান এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।

দারাজ কর্তৃপক্ষ জানান, পরিচালন দক্ষতা ও গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নয়নে প্রযুক্তি-নির্ভর সমাধানে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে দারাজ। বাংলাদেশ জুড়ে একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল বাণিজ্য কার্যক্রম গড়ে তোলাই প্রতিষ্ঠানটির কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার অংশ।

দারাজ আরও জানায়, গত এক বছরে তাদের প্ল্যাটফর্মে নতুন করে ৭ হাজারেরও বেশি বিক্রেতা যুক্ত হয়েছেন। যা প্রতিষ্ঠানটির বিক্রেতা ইকোসিস্টেমের ধারাবাহিক সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দেয়। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ তৈরিতে দারাজের এই অঙ্গীকার কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এতে বৃহত্তর ইকোসিস্টেমে কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ ছাড়াও সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনেও দারাজ সবসময় সক্রিয়। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছিল দারাজ। প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের যৌথ অনুদানে সে সময় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকারও বেশি সহায়তা প্রদান করা হয়।

দারাজ বাংলাদেশের এক মুখপাত্র বলেন, ‘বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার ও স্মার্টফোনের বিস্তার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ই-কমার্স খাতের সম্ভাবনা প্রসারিত হচ্ছে। তাই ই-কমার্স খাতে বিক্রেতা, ব্র্যান্ড ও গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে দারাজ। এ প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং একটি শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

থিওটোনিয়াস

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর ব্যুরোর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম
প্রথমবার ইউএনএইচসিআর ব্যুরোর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত

জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয় এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (UNHCR) নির্বাহী কমিটির (ExCom) ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। 

১৯৫৯ সালে UNHCR-এর নির্বাহী কমিটি কার্যক্রম শুরু করার পর থেকে বাংলাদেশ এর আগে কখনো নির্বাহী কমিটির ব্যুরোতে দায়িত্ব পালন করেনি। নির্বাহী কমিটির ব্যুরো হলো চার সদস্যবিশিষ্ট নেতৃত্ব কাঠামো, যা কমিটির কার্যক্রমে দিকনির্দেশনা প্রদান করে এবং বৈশ্বিক শরণার্থী ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তুলতে সহায়তা করে। নির্বাহী কমিটির ব্যুরোতে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি ও নেতৃত্বের এই দায়িত্ব গ্রহণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। 

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় গ্রুপের অভ্যন্তরীণ পরামর্শক্রমে বাংলাদেশ সর্বসম্মত আঞ্চলিক প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয় এবং ভিন্ন দুটি আঞ্চলিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বকারী আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে সেই মনোনয়ন সমর্থন করে, যা বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রতি বিভিন্ন আঞ্চলিক গ্রুপজুড়ে বিদ্যমান ব্যাপক সমর্থনের প্রতিফলন। পরবর্তীতে তাঁর মনোনয়ন নির্বাহী কমিটির সকল ১১০ সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থন লাভ করে। সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের নির্বাচিত হওয়া নবনির্বাচিত বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থায় দেশের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের স্বীকৃতি বহন করে।

পেশাদার কূটনীতিক রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান রোম, জেনেভা ও কলকাতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি জর্ডানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পূর্বে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ অনুবিভাগের মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সে সময় তিনি ইউএনএইচসিআরসহ বিভিন্ন জাতিসংঘ সংস্থার সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক (এফডিএমএন) বিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্সের সদস্য-সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন, যা বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের সম্পর্কিত জাতীয় নীতি, মানবিক সহায়তা কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের সমন্বয় তদারকি করে।

এই দায়িত্ব গ্রহণ মানবিক ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশের গঠনমূলক নেতৃত্বের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতির প্রতিফলন। বিশেষত, বাংলাদেশ বর্তমানে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের পক্ষে ধারাবাহিকভাবে সোচ্চার ভূমিকা পালন করছে- এই প্রেক্ষাপটে এ নির্বাচন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

বিশ্বব্যাপী বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছানো, ক্রমবর্ধমান মানবিক চাহিদা এবং তহবিল সংকটের কারণে আতিথ্যদানকারী দেশসমূহ ও আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা কার্যক্রম যখন ব্যাপক চাপের মুখে, ঠিক সেই সময় বাংলাদেশ এই দায়িত্ব গ্রহণ করছে। বাংলাদেশ এমন একটি দেশের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি সামনে নিয়ে আসবে, যা দীর্ঘদিন ধরে উল্লেখযোগ্য মানবিক দায়িত্ব বহন করে আসছে এবং আন্তর্জাতিক সংহতি ও দায়িত্ব ভাগাভাগির পক্ষে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ইউএনএইচসিআর-এর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের দায়িত্ব গ্রহণ মানবিক মূল্যবোধের প্রতি দেশের অঙ্গীকার, বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় গঠনমূলক অবদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

রিফাত/

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন
ছবি: সংগৃহীত

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা ২০২৫ সালের আর্থিক বিবরণী, ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড (শেয়ার প্রতি ২৫% ক্যাশ ডিভিডেন্ড এবং ৫% স্টক ডিভিডেন্ড) অনুমোদন করেছেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বেলা ১১টায় ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির ৩০তম বার্ষিক সাধারণ সভা ব্যাংকের চেয়ারম্যান সাদিয়া রাইয়ান আহমেদের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়।

২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮১৭,৭৯৭.৬ মিলিয়ন টাকা যা ২০২৪ সালে ছিল ৬৭৯,৮৭৫.৫ মিলিয়ন টাকা, যার প্রবৃদ্ধির পরিমাণ ২০.৩ শতাংশ।

২০২৫ সালে ব্যাংক কর্তৃক প্রদানকৃত ঋণের পরিমান ৪৫০,৫০৩.৮ মিলিয়ন টাকা যা ২০২৪ সালে ছিল ৪২৮,৬৮৯.৪ মিলিয়ন টাকা যার প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়ায় ৫.১%। ২০২৫ সালে ব্যাংকের ডিপোজিট ১০০,১৮৫.৫ মিলিয়ন টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৬২২,০৫৭.৮ মিলিয়ন টাকা হয়েছে যা ২০২৪ সালে ছিল ৫২১,৮৭২.৫ মিলিয়ন টাকা যার প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়ায় ১৯.২%।

ব্যাংক ২০২৫ সালে ট্যাক্স পূর্ববর্তী নিট মুনাফা অর্জন করে ১৫,৯১১.৬ মিলিয়ন টাকা এবং ট্যাক্স পরবর্তী নিট মুনাফা অর্জন করে ৯,৬৪৭.৭ মিলিয়ন টাকা। চলতি বছরে শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৯.৯৮ টাকা। ২০২৫ সালের শেষে ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে মূলধনের হার দাঁড়িয়েছে ১৭.১% যা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী সর্বনিম্ন ১২.৫০% থাকা বাঞ্ছনীয়।

সভা ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে সাদিয়া রাইয়ান আহমেদ এবং মো. ফখরুল ইসলামের পুনঃনিয়োগ অনুমোদন করেন এবং স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে মনজুর আহমেদ ও মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের নিয়োগ অনুমোদন করেন।

সভা ২০২৬ সালের জন্য কোম্পানির বহিঃনিরীক্ষক হিসেবে আজিজ হালিম খায়ের চৌধুরী, চাটার্ড একাউন্ট্যান্টস এবং কর্পোরেট গভর্নেন্স নিরীক্ষক হিসেবে হোদা ভাসি চৌধুরী এন্ড কোং, চাটার্ড একাউন্ট্যান্টস-এর নিয়োগ অনুমোদন করেন।