আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বহুল প্রত্যাশিত ১৩তম জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ভয়েস ও ডাটা প্যাক চালু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। নির্বাচনকালীন সময়ে গ্রাহকদের নির্বিঘ্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনা, মতবিনিময় ও তথ্য আদান-প্রদানের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। বিষয়টি বিবেচনায় রেখে নির্দিষ্ট সময়সীমাভিত্তিক ও সাশ্রয়ী এসব প্যাক চালু করেছে বাংলালিংক। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি জানাতে চায়- ‘ডেয়ার ভয়েস ম্যাটারস’; অর্থাৎ প্রত্যেক মানুষের মতামতই গুরুত্বপূর্ণ, আর সেই মতামত প্রকাশের সুযোগ যেন সবাই নির্বিঘ্নে পান।
নির্বাচনের সময় বিপুলসংখ্যক ভোটার নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে যেতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করেন। এই সময়ে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ অত্যন্ত জরুরি। সে কারণেই নির্বাচনকালীন প্রয়োজন বিবেচনায় ডাটা ও ভয়েস-উভয় সুবিধা মিলিয়ে বিভিন্ন প্যাক চালু করা হয়েছে।
গ্রাহকেরা ৭২ ঘণ্টার মেয়াদে ৯৯ টাকায় ৪ জিবি ডাটার স্বল্পমেয়াদি প্যাক নিতে পারবেন। পাশাপাশি রয়েছে ৭ দিনের জন্য ১৯৯ টাকায় ১৫ জিবি ডাটা, ৩০ দিনের জন্য ৪৯৮ টাকায় ২০ জিবি ডাটা এবং একই মেয়াদে ৫৯৮ টাকায় ৩০ জিবি ডাটার অফার।
যাঁরা ডাটা ও ভয়েস- দুটোর সমন্বিত সুবিধা চান, তাদের জন্য রয়েছে বিশেষ বান্ডেল প্যাক। এর মধ্যে ৩০ দিনের জন্য ৪৯৯ টাকায় ১৫ জিবি ডাটার সঙ্গে ২০০ মিনিট এবং ৬১৯ টাকায় ২০ জিবি ডাটার সঙ্গে ৩০০ মিনিট কথা বলার সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়া শুধু কথা বলার জন্য ৩০ দিনের মেয়াদে ২৫৭ টাকায় ৩০০ মিনিট এবং ৩৫৭ টাকায় ৫০০ মিনিটের প্যাকও আছে।
বর্তমানে দেশের মানুষ পরিবার, বন্ধু ও বিভিন্ন কমিউনিটির আলোচনায় নিজেদের অধিকার এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে প্রত্যাশার বিষয়গুলো নিয়ে সক্রিয়ভাবে কথা বলছেন। এসব আলোচনা যেন নির্বিঘ্ন ও দায়িত্বশীলভাবে চলতে পারে, সেটিই লক্ষ্য করেই এই প্যাকগুলো তৈরি করা হয়েছে।
এই অফারের পাশাপাশি নির্বাচনকালীন সময়ে বাড়তি চাপ সামলাতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় এলাকাগুলোতে নেটওয়ার্ক সক্ষমতাও বৃদ্ধি করেছে বাংলালিংক। নিয়মিত কার্যক্রমের বাইরে গিয়ে নেওয়া এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো- ব্যবহার বাড়লেও যেন ভয়েস ও ডাটা সেবা স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল থাকে।
বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, ‘দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সময়ে সংযুক্ত থাকা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জরুরি। গ্রাহকেরা যেন নির্বিঘ্নে যোগাযোগ করতে পারেন, দায়িত্বশীলভাবে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারেন এবং নিশ্চিন্তে সংযুক্ত থাকতে পারেন- সেটিই আমাদের লক্ষ্য। বিশেষভাবে তৈরি এই প্যাকগুলো এবং নেটওয়ার্ক সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রাহকদের প্রতি বাংলালিংকের যত্নশীল অবস্থানেরই প্রতিফলন। ভোটাধিকার প্রয়োগে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাতায়াতের সময় দায়িত্বশীল যোগাযোগে গ্রাহকদের পাশে থাকাই আমাদের উদ্দেশ্য।’
এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলালিংক গভীর দায়িত্ববোধ নিয়ে গ্রাহকদের পাশে থাকার অঙ্গীকারকে অব্যাহত রাখছে। কোনো ধরনের বিঘ্ন ছাড়াই যেন নির্ভরযোগ্য সংযোগ নিশ্চিত করা যায়, সেটিই তাদের লক্ষ্য। সহজলভ্য সেবা, স্থিতিশীল নেটওয়ার্ক ও দায়িত্বশীল যোগাযোগের মাধ্যমকে অগ্রাধিকার দিয়ে, গ্রাহকদের প্রতি যত্নশীল থাকার এবং নেটওয়ার্কজুড়ে নির্ভরযোগ্য সংযোগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিকে পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলালিংক।
বাংলালিংক
বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক দেশের মানুষের ক্ষমতায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ‘ডিজিটাল ফর অল’ লক্ষ্য নিয়ে গ্রাহকদের জন্য বিস্তৃত পরিসরে ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করছে প্রতিষ্ঠানটি। বাংলালিংকের সেবার পোর্টফোলিওতে রয়েছে: টেলকো-অ্যাগনোস্টিক সুপার অ্যাপ মাইবিএল, বিনোদন প্ল্যাটফর্ম টফি ও দেশের প্রথম এআই-নির্ভর ডিজিটাল লাইফস্টাইল প্যাকেজ রাইজ। নাসডাকের তালিকাভুক্ত বৈশ্বিক ডিজিটাল অপারেটর ভিওন লিমিটেডের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক উদ্ভাবন ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ আগামী নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বিজ্ঞপ্তি/রিফাত/