ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
৪৮ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ে, ৯ দিন পর বিচ্ছেদ চাইলেন যুবক টাঙ্গাইলে সেপটিক ট্যাংকের বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণ গেল ৪ জনের কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদ আব্দুস সাদেক আর নেই ফেনী স্টেশনে মেঘনা ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল, যাত্রীদের ভোগান্তি তুরস্কের হারে নকআউটে যুক্তরাষ্ট্র নওগাঁর আম আমদানি করতে চায় জাপান বিশ্বকাপ থেকে প্রথম দল হিসেবে বিদায় নিল হাইতি টাঙ্গাইলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ৫০ লাখ টাকার সরকারি অনুদান হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি দেশে আরও কমল স্বর্ণের দাম প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ জরুরি আজ ‘লম্বা মেয়েদের’ প্রশংসা পাওয়ার দিন আনচেলত্তির সন্তুষ্টি, স্কটল্যান্ড ম্যাচেই ফিরছেন নেইমার কাতারের দেওয়া 'উড়ন্ত হোয়াইট হাউস' উন্মোচন করলেন ট্রাম্প জি-৭ সম্মেলনের ‘আমি বস’ মন্তব্য ছিল শুধুই মজা, বললেন ট্রাম্প চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২০ জনকে পুশইনের চেষ্টা তুমুল হট্টগোল, জাতিসংঘ কর্মকর্তাকে ‘চুপ থাকতে’ বললেন ইসরায়েলি দূত আন্তর্জাতিক তহবিল কাটছাঁট: মানবিক সংকটে রোহিঙ্গারা রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ স্কটল্যান্ড কোচ ক্লার্ক শনিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট-শপিংমল বন্ধ জাতিসংঘে বাংলাদেশ: রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের দাবি বোয়ালমারীতে আলুবোখারা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন হাবিবুর পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরানো অন্যতম চ্যালেঞ্জ মুখে হাত দিয়ে কথা বলে প্রথম লাল কার্ড দেখলেন প্যারাগুয়ের আলমিরন অভিমানে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন বিএনপির অনেক নেতা জিতলেই নকআউটে জার্মানি গতির রাজা জর্ডান মরোক্কোর রেকর্ড ভেঙে দ্রুততম গোল প্যারাগুয়ের ব্রাজিল ম্যাচের চেয়েও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ভালো খেলেছে মরক্কো: ওয়াহবি হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন ব্রাজিলের রাফিনহা

সংরক্ষিত বনে বালুখেকোদের থাবা

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৪, ০৯:৩৫ এএম
আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০২৪, ০৯:৪১ এএম
সংরক্ষিত বনে বালুখেকোদের থাবা
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের রঘুনন্দন পাহাড়ের পাদদেশে ড্রেজার বসিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। খবরের কাগজ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন পাহাড়ের পাদদেশ থেকে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে অবাধে বালু তোলা হচ্ছে। এতে সংরক্ষিত বনের কয়েকটি টিলা মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। বনের পরিবেশ-প্রতিবেশ ধ্বংসের পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে জনচলাচলের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রঘুনন্দন সংরক্ষিত বন মূলত চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলায় অবস্থিত। এই বনের গাধাছড়া এলাকার পানছড়ি অংশে দীর্ঘদিন ধরে ডজনখানেক ড্রেজার মেশিন বসিয়ে উত্তোলন করা হচ্ছে লাখ লাখ ঘনফুট সিলিকা বালু। এসব বালু পাচার করা হচ্ছে কয়েকটি শিল্প প্রতিষ্ঠানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। অবৈধভাবে পাহাড় কেটে বালু উত্তোলন ও পাচার করে অল্প দিনে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে উঠেছে বালুমাফিয়া চক্রটি।

তবে স্থানীয় লোকজন শক্তিশালী বালুখেকো চক্রের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পান না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানান, পানছড়ি এলাকার আমজত উল্লাহর নেতৃত্বে চলে পাহাড় কাটার এই মহোৎসব। তার ভাতিজা সরকারের যুগ্ম সচিব হওয়ায় তার নাম ব্যবহার করে অবাধে করে যাচ্ছেন বালু উত্তোলন। কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে হামলা মামলার ভয় দেখানো হয়। তার এই বালু উত্তোলন কাজে প্রত্যক্ষ সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন একই এলাকার মাহফুজ মিয়া, বাবলু মিয়া, কাউসার মিয়া এবং সাইদুর রহমান। আর এসব বালু বিভিন্ন স্থানে পাচারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মহিমাউড়া গ্রামের কালাম মিয়া, স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরিদ মিয়ার ছেলে ফয়েজ মিয়া, বশির মিয়াসহ কয়েকজন।

সরেজমিনে গাধাছড়ায় গিয়ে দেখা যায়, বিকট শব্দে চলছে অর্ধডজন ড্রেজার মেশিন। প্রায় বিশ একর জায়গাজুড়ে চলছে দানবীয় ড্রেজার মেশিনের তাণ্ডব। ভাঙন দেখা দিয়েছে পার্শ্ববর্তী একাধিক টিলায়। বসতভিটা হারানোর শঙ্কায় আছেন কয়েকটি চা শ্রমিক পরিবার।

বালু উত্তোলন কাজে থাকা শ্রমিকরা জানান, আমজত উল্লাহ, মাহফুজ মিয়া এবং বাবলু মিয়ার অধীনে তারা দৈনিক হাজিরা ভিত্তিতে বালু উত্তোলনের কাজ করছেন। এ সময় মেশিন দিয়ে উত্তোলিত বালু ট্রাক্টরে লোড করতেও দেখা যায় কয়েকজন শ্রমিককে।

একই সময় আমজত উল্লাহ, মাহফুজ মিয়া এবং বাবলু মিয়ার সঙ্গে কথা হলে তারা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার বিষয়টি অবলীলায় স্বীকারও করেন। বালু পাচারের দ্বায়িত্বে থাকা কালাম মিয়া বলেন, ‘কিছু একটা করে চলতে হবে, তাই বালু ব্যবসা করতেছি।’

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, ‘বহু বছর ধরে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটসহ কয়েকটি উপজেলায় পাহাড়-টিলা কেটে পরিবেশ বিধ্বংসী কার্যক্রম চলছে। এতে সার্বিক পরিবেশ-প্রতিবেশ ও প্রকৃতির ওপর যে বিরূপ প্রভাব পড়ছে সেটা অপূরণীয় ক্ষতির কারণ।’

তিনি বলেন, ‘উচ্চ আদালত থেকে পাহাড়-টিলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু এগুলো রক্ষায় কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। যার ফলে পাহাড় ও টিলা কাটা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে আর ধ্বংস হচ্ছে আমাদের প্রাণ-প্রকৃতি। দায়ীদের চিহ্নিত করে আইন প্রয়োগের মাধ্যমে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থাসহ পাহাড়-টিলাকে সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।’

এ বিষয়ে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আয়েশা আক্তার বলেন, ‘আমরা এসব এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি।’

টাঙ্গাইলে সেপটিক ট্যাংকের বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণ গেল ৪ জনের

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
টাঙ্গাইলে সেপটিক ট্যাংকের বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণ গেল ৪ জনের
ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকে নেমে শিশুসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে এই ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে উপজেলার একটি পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে একটি ছাগল পড়ে যায়। পরবর্তীতে ছাগলটিকে উদ্ধার করতে গিয়ে শিশুসহ চারজন ট্যাংকের ভেতর নামেন। এ সময় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়।

বিস্তারিত আসছে...

ফেনী স্টেশনে মেঘনা ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল, যাত্রীদের ভোগান্তি

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:৫১ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১১:৫৭ এএম
ফেনী স্টেশনে মেঘনা ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল, যাত্রীদের ভোগান্তি
ছবি: খবরের কাগজ

চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ফেনী রেলস্টেশনে প্রায় দুই ঘণ্টা আটকা পড়েছেন অন্তত ৮০০ যাত্রী। এতে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। 

শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৮টায় ট্রেনটি ফেনী জংশনে প্রবেশের সময় ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। 

রেলওয়ে সূত্র জানায়, স্টেশনে পৌঁছানোর পর ইঞ্জিনের মোটরে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। পরে মোটরে আগুন লাগার আশঙ্কা দেখা দিলে নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রেনটি স্টেশনের ডাউন লাইনে থামিয়ে রাখা হয়।

দীর্ঘ সময় ট্রেন আটকে থাকায় অনেক যাত্রী স্টেশনে নেমে বিকল্প পরিবহনের খোঁজ করেন।

লাকসাম থেকে চট্টগ্রামগামী যাত্রী একরামুল হক বলেন, ’সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে ট্রেনে উঠেছি। ফেনীতে এসে দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বসে আছি। অনেক যাত্রী ট্রেন ছেড়ে সড়কপথে চলে যাচ্ছেন।’

আরেক যাত্রী সাহেদা বেগম বলেন, ’এতক্ষণে চট্টগ্রামে পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল। দুই সন্তান নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এখানে আটকে পড়ে খুব ভোগান্তিতে পড়েছি।’

ফেনী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ হারুন জানান, চট্টগ্রাম থেকে বিকল্প ইঞ্জিন আনা হচ্ছে, যা ইতোমধ্যে ফৌজদারহাট অতিক্রম করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ইঞ্জিন অপসারণের পর ট্রেনটি চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

তিনি আরও জানান, ফেনী থেকে যেসব যাত্রীর এই ট্রেনে ওঠার কথা ছিল, তাদের কেউ কেউ টিকিট ফেরত দিয়ে বিকল্প পরিবহনে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। তবে মেঘনা এক্সপ্রেস একটি লাইনে আটকে থাকলেও পাশের দুটি লাইন সচল থাকায় অন্যান্য ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

তোফায়েল নিলয়/খাদিজা রুমি/

নওগাঁর আম আমদানি করতে চায় জাপান

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:৩১ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১১:৪৯ এএম
নওগাঁর আম আমদানি করতে চায় জাপান
নওগাঁর আম বাগান পরিদর্শন করেছে জাপানের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা/ছবি: খবরের কাগজ

নওগাঁর বেশ কয়েকটি আম বাগান পরিদর্শন করেছে জাপানের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের যৌথ প্রতিনিধিদল। পরিদর্শন শেষে দলটি নিরাপদ আম উৎপাদন নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। সুযোগ পেলে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ আম জাপানে আমদানি করতে চান তারা।

শনিবার (২০ জুন) নওগাঁর পোরশা উপজেলার ছাওড় ও তেঁতুলিয়া এলাকার দুটি রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শন শেষে এমন প্রত্যাশার কথা জানায় জাপানের ব্যবসায়ীরা।

জাপানি ওই প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন জাপানি ব্যবসায়ী কাওয়ামতু, সাকাকিবারা, ইশিমটু ও শিগিমরি। এ ছাড়া পরিদর্শনের সময় জাপানি প্রতিনিধিদলটির সাথে আবু সাঈদ নামে এক বাংলাদেশী আম রপ্তানীকারকও ছিলেন।

ছাওড় এলাকার ম্যাংগো ফার্ম নামে একটি বড় বাগান পরিদর্শন শেষে জাপানি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সদস্য কাওয়ামতু বলেন, মূলত বাংলাদেশে জাপানের দূতাবাসের আমন্ত্রণে তারা রাজশাহী ও নওগাঁ অঞ্চলে রপ্তানিযোগ্য বেশ কিছু আমবাগান পরিদর্শন করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় নওগাঁর আমবাগানেও এসেছেন। জাপানে সুমিষ্ঠ আমের ব্যপক চাহিদা রয়েছে। সেই দিক মাথায় রেখে বাংলাদেশ থেকে আম রপ্তানির বিভিন্ন পর্যায় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সব পক্ষ রাজি থাকলে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ আম নেওয়া হবে। মূলত বাংলাদেশের রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমের প্রশংসা করেন তারা।

কাওয়ামতু বলেন, তারা জেনেছেন মাটির গুনগত মানের কারনে নওগাঁর আম খুবই সুমিষ্ট। এই এলাকায় বেশ কিছু রপ্তানীযোগ্য আম বাগান রয়েছে। চাষিরাও রপ্তানীতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। আর তাই এখানে উৎপাদিত সুস্বাদু ফ্রেশ আম তারা জাপানে বাজারে নিতে চান।

এর ঠিক আগের দিন প্রতিনিধি দলটি নওগাঁর পোরশা উপজেলার বন্ধুপাড়া এলাকার ফ্রুটস মিউজিয়াম এগ্রো ফার্ম নামে একটি রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শন করেন। এরইমধ্যে নওগাঁ ছাড়াও রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শন করেছেন তারা।

জাপানি ব্যবাসায়ী প্রতিনিধিদলের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রপ্তানিযোগ্য আমবাগান পরিদর্শন ছাড়াও তারা কয়েকটি জেলায় আম গ্রেডিং, শর্টিং ও শোধনকেন্দ্র পরিদর্শন করে দেখছেন। পরিদর্শন শেষে তাঁরা বাংলাদেশ থেকে আম আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেন। আর এতে খুশি বাগানমালিক ও উদ্যোক্তারা।

বাগান পরিদর্শনের সময় ম্যাংগো ফার্ম এর মালিক আনিছুর রহমান, স্থানীয় সোহেল, সালাউদ্দিন ও পোরশা উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিম রেজা উপস্থিত ছিলেন।

আম চাষি সালাউদ্দিন জানান, নওগাঁয় উৎপাদিত বিভিন্ন জাতের আম সম্পর্কে জাপানি প্রতিনিধিদলকে ধারণা দেওয়া হয়েছে। গত বছর থেকে চিনে আম রপ্তানী হচ্ছে। এছাড়া কয়েক বছর ধরেই নওগাঁ থেকে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের আম যাচ্ছে। তবে এ বছর প্রথম জাপানের বাজারে দেশের আম রপ্তানির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জাপানে আম রপ্তানি করা গেলে স্থানীয় আমচাষিরা অনেক লাভবান হবেন।

পোরশা উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, নওগাঁ কৃষি বিভাগ সব সময় আম চাষিদের পাশে আছে। নিরাপদ আম উৎপাদনে স্থানীয় চাষিদের পরামর্শ ও সহযোগীত দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রপ্তানীচ্ছু চাষিদের আলাদা করে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জাপানি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল আমবাগানগুলো পরিদর্শন করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। আশা করা হচ্ছে খুব শিঘ্রই তারা নওগাঁর আম জাপানের বাজারে নেবেন।

হারুন/এএফ

টাঙ্গাইলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ৫০ লাখ টাকার সরকারি অনুদান

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:২৬ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১১:৪৮ এএম
টাঙ্গাইলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ৫০ লাখ টাকার সরকারি অনুদান
ছবি: খবরের কাগজ

টাঙ্গাইলে সদর উপজেলার পৌরসভার ৪টি এবং ১২টি ইউনিয়নের মোট ১৬টি ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও সংস্কার কাজে ৫০ লাখ টাকার সরকারি বিশেষ অনুদান বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে অনুদানের চিঠি হস্তান্তর করেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়িত ‘সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২ (GSID-2)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে মসজিদ ও মন্দিরের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন ও সংস্কারের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের সামাজিক সম্প্রীতি, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং পারস্পরিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার দেশব্যাপী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এই প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দকৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর টেকসই অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আজিম উদ্দিন বিপ্লব, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জুয়েল/রুমি/

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২০ জনকে পুশইনের চেষ্টা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১০:৪৩ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২০ জনকে পুশইনের চেষ্টা
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ কর্তৃক পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সীমান্তের শূন্যলাইনে অবস্থান করা ২০ জন পুরুষ, নারী ও শিশু। ছবি: খবরের কাগজ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) প্রতিরোধের মুখে এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

শনিবার (২০ জুন) ভোরে চৌকা সীমান্তের শূন্যলাইনে এ ঘটনা ঘটে। এই ২০ জনের মধ্যে ৫ জন পুরুষ, ১০ জন নারী এবং ৫টি শিশু রয়েছে।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে চৌকা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৭৭/২ এস দিয়ে বিএসএফ ওই ২০ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবি সেখানে অবস্থান নেয়। বিজিবির বাধার মুখে তারা এখন ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন।

মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, চৌকা বিওপির সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে  পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। বিজিবির অবস্থানের কারণে শূন্যলাইনে ভারতের অভ্যন্তরেই ওই ২০ জনকে প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

মো.আসাদুল্লাহ/আজহার/