ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
খিলগাঁওয়ে স্কয়ার গ্রুপের ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত জামালপুরে পুলিশের চাকরি দেওয়ার চুক্তি, ২ প্রতারক গ্রেপ্তার সাঙ্গু নদে নিখোঁজ শিশুর সন্ধান মেলেনি ১৬ ঘণ্টায়ও ঝিনাইদহে রেললাইন-মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবি রোহিঙ্গাদের জন্য জমি চাইল জাতিসংঘ, নাকচ বাংলাদেশের ব্রাজিলের বিপক্ষে অগ্নিপরীক্ষার আগে স্বকীয়তায় ফেরার আহ্বান ম্যাকগিনের রামু বৌদ্ধ বিহারে একদিন দ্রুত বিদায়ে হতাশ তুরস্ক কোচ ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় বাবা বরগুনায় বেড়েছে গরুর ক্ষুরা রোগ,ভ্যাকসিন সংকটে খামারিরা রিকন্ডিশন্ড গাড়িতে বাড়তি কর প্রত্যাহারের আহ্বান বারভিডার আ. লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, তারা মাফিয়া পার্টি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর লজ্জিত আরদা গুলের বেনজিরকে শিগগিরই ফেরত আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মালয়েশিয়া ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী ২৮ জন টিনএজ থেকে গ্লোবাল সুপারস্টার চকরিয়ায় শ্রীরামকে অবমাননার প্রতিবাদে বিক্ষোভ রূপগঞ্জে  ব্যবসায়ীর বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন নওগাঁয় ডাকাতি করতে গিয়ে পুলিশের খাঁচায় ৩ ডাকাত আইওএস ২৭-এ আসছে নতুন ফিচার কেমন ছিল রাসুল (সা.)-এর প্রিয় পোশাক রাঙামাটিতে জাম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে শিক্ষিকার মৃত্যু ব্রাজিলের কাছে হেরেও ফুটবলারদের নিয়ে গর্বিত হাইতির কোচ বরকে মিষ্টিমুখ করাতে গিয়ে প্রাণ গেল চাচা শ্বশুরের ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে চুক্তি হতে পারে ১৫-১৭টি : পররাষ্ট্র সচিব চট্টগ্রামে র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার সাতকানিয়ায় মাদরাসায় হামলা ও দেওয়ালে জয় বাংলা লেখার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মোহনগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার আত্মসমর্পণ এআই ক্যামেরা বন্ধের পেছেন কি তবে ‘ইঁদুরের হাত’ অস্ট্রেলিয়ায় শনাক্ত হলো সংক্রামক এইচ৫ বার্ড ফ্লু

হাই-টেক পার্কের নির্মাণকাজ বন্ধ, প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা

প্রকাশ: ২১ নভেম্বর ২০২৪, ০৯:৩৬ এএম
আপডেট: ২১ নভেম্বর ২০২৪, ০৯:৪১ এএম
হাই-টেক পার্কের নির্মাণকাজ বন্ধ, প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা
৫ আগস্টের পর থেকে খুলনা হাই-টেক পার্কের নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। ছবি: খবরের কাগজ

কর্মসংস্থানের অপার সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ২০২২ সালের নভেম্বরে খুলনায় হাই-টেক পার্কের নির্মাণকাজ শুরু হয়। নানা জটিলতায় প্রকল্পটি শুরুতেই হোচট খায়। পরে অবশ্য কাজ শুরু হয়। তবে নির্মাণকাজ এখন পুরোপুরি বন্ধ।

ভারতীয় ঋণে চলমান এ প্রকল্পটি গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকেই বন্ধ হয়ে যায়। মূলত ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘লার্সেন অ্যান্ড ট্যুরগো’-এর (এলএনটি) কর্তাব্যক্তিরা নিরাপত্তার অজুহাতে দেশে ফিরে যাওয়ার পর থেকেই কাজ বন্ধ রয়েছে।

এরই মধ্যে নির্মাণকাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের বিদায় দেওয়া হয়েছে। চার পাশে টিন দিয়ে ঘেরা হাই-টেক পার্কের মূল ফটকের পাশে কাজের বিররণী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম লেখা সাইনবোর্ড সাদা রঙ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। গুটি কয়েকজন নিরাপত্তা প্রহরী মূল ফটক তালাবদ্ধ রেখে ভেতরে অবস্থান করেন। কবে থেকে আবার নির্মাণকাজ শুরু হবে তাও কেউ বলতে পারছেন না।
 
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রকল্পের আওতায় স্টিল স্ট্রাকচারের সাততলা ভবনের মাত্র তিনতলা পর্যন্ত অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। চারতলার অবকাঠামো আংশিক নির্মাণ করার পরই কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এখনো ভবনের বাকি তিনতলা নির্মাণ, একটি সিনেপ্লেক্স ভবন নির্মাণ, বাউন্ডারি ওয়াল, অভ্যন্তরীণ রাস্তা নির্মাণ, অভ্যন্তরীণ ড্রেনেজব্যবস্থা, ওয়াকওয়ে, নলকূপ স্থাপন, অভ্যন্তরীণ পানি সরবরাহ ও ইলেকট্রো মেকানিক্যাল কাজ বাকি রয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ১৭০ কোটি টাকার প্রকল্পের এ পর্যন্ত কাজ হয়েছে মাত্র ৩৬ শতাংশ। ফলে বাকি ৬৪ শতাংশ কাজ শেষ করা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। 

জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভারতীয় ঋণে খুলনাসহ দেশের ১২ জেলায় হাই-টেক পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৭ সালের ২৫ এপ্রিল একনেক থেকে প্রকল্পের বাজেট অনুমোদন করা হলেও কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে। বিভিন্ন জটিলতায় প্রকল্পের কাজ অনেক দেরিতে শুরু হয়। প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিতে বর্তমানে কোনো অর্থ ছাড় করছে না ভারত। এ কারণে পুরো প্রকল্পের কাজ বন্ধ রয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ খুলনা নগরীর রূপসা লবণচরা এলাকায় দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরির ৩ দশমিক ৫৯ একর জমিতে স্থাপনাটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ধরা হয় ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। তবে পরে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বৃদ্ধির আবেদন করা হয়।
 
এদিকে নির্মাণকাজ বন্ধ হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে নাগরিক সংগঠন খুলনা নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আ ফ ম মহসীন জানান, প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছিল ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এ প্রকল্পের ধীরগতিতে এখন পর্যন্ত কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ৩৬ শতাংশ। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর নির্মাণকাজে নিয়োজিত ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ ফেলে রেখে চলে যায়। এমতাবস্থায় প্রকল্পটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি যথেষ্ট ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। 

নাগরিক নেতারা বলেন, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে প্রকল্পটি খুলনার মানুষের মধ্যে জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান আহরণ এবং প্রয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারত। কিন্তু নির্মাণকাজ বন্ধ হওয়ায় এ ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা তৈরি হলো।

নাগরিক নেতা অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে খুলনার তরুণ-তরুণীরা আইটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি বিনোদনের সুযোগ পাবে। এ খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ ছিল। কিন্তু স্থাপনা নির্মাণে ধীরগতির কারণে এখন প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজেই জটিলতা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের প্রায় ছয় মাস পর ২০২২ সালের নভেম্বরে কাজ শুরু হয়। তিনতলা পর্যন্ত অবকাঠামো নির্মাণ ছাড়া অন্য কোনো কাজ শুরু হয়নি। 

এ ব্যাপারে খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, হাই-টেক পার্কের নির্মাণকাজ বন্ধের পর পুনরায় চালুর ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রকল্প পরিচালক ফজলুল হক বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর নিরাপত্তা ইস্যুতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন ভারতে ফিরে গেছেন। তাদের অনুপস্থিতিতে নির্মাণকাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বৃদ্ধির জন্য প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে।

জামালপুরে পুলিশের চাকরি দেওয়ার চুক্তি, ২ প্রতারক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৩:৫৪ পিএম
জামালপুরে পুলিশের চাকরি দেওয়ার চুক্তি, ২ প্রতারক গ্রেপ্তার
ছবি: খবরের কাগজ

জামালপুরে পুলিশে চাকরির দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আদায়ে প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। 

শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে শহরের ফৌজদারী মোড় থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তার আসামীরা হলেন, জামালপুর পৌরসভার পাথালিয়া এলাকার মো. শরিফুল ইসলাম শিশির (২৭) ও পিটিআই মোড় এলাকার মো. রকিবুল ইসলাম রকিব (৩৮)।

পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, পুলিশে চাকরি দেওয়ার নামে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার বানীকুঞ্জ এলাকার আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে কাফি আল সাকিব সিয়ামকে বাংলাদেশ পুলিশে ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়া প্রলোভন দেখিয়ে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র ২৫ লক্ষ টাকা দাবি করে। চাকরি হওয়ার পর টাকা পরিশোধের শর্তে তাদের কাছ থেকে একটি স্বাক্ষরিত ব্লাংক চেক ও তিনটি স্বাক্ষরিত ব্যাংক নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প গ্রহণ করে।

পরে চাকুরি প্রতাশী কাফি আল সাকিব সিয়াম ও তার পরিবারের সন্দেহ হলে বিষয়টি জামালপুর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কে অবহিত করা হয়। তারপর ডিবি পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে গতকাল রাতে শহরের ফৌজদারী মোড় থেকে প্রতারণার সাথে জড়িত দুইজনকে আটক করে।

গ্রেপ্তাররে সময় আসামীদের কাছ থেকে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর একটি স্বাক্ষরিত ব্লাংক চেক, ৬টি স্বাক্ষরিত ব্লাংক চুক্তি সম্পাদিত নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, চাকরি প্রদানের নামে সম্পাদিত কথিত চুক্তিপত্র এবং প্রতারণামূলক কর্মকান্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।

পরে আজ শনিবার (২০ জুন) জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা করে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।

জামালপুর জেলার পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, বাংলাদেশ পুলিশে ক্যাডেট (এএসআই) নিরস্ত্র পদে নিয়োগ সম্পূর্ণরূপে মেধা, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সম্পন্ন হচ্ছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার তদবির, আর্থিক লেনদেন কিংবা অবৈধ প্রভাব বিস্তারের সুযোগ নেই ।’

আসমাউল /রুমি/

সাঙ্গু নদে নিখোঁজ শিশুর সন্ধান মেলেনি ১৬ ঘণ্টায়ও

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
সাঙ্গু নদে নিখোঁজ শিশুর সন্ধান মেলেনি ১৬ ঘণ্টায়ও
নিখোঁজ শিশু মো. আরেফিন। ছবি: খবরের কগজ

বান্দরবান শহরের সাঙ্গু নদে ডুবে যাওয়ার প্রায় ১৬ ঘণ্টা পরও নিখোঁজ শিশুর সন্ধান মেলেনি।

শনিবার (২০ জুন) সকাল ১০টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে ডুবুরি দল।

নিখোঁজ শিশুটির নাম মো. আরেফিন। ১১ বছর বয়সী শিশুটি বান্দরবান শহরের বালাঘাটা বাজারের সাতকানিয়া হোটেলের মালিক এনামলি হকের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে নদের চরে ফুটবল খেলা শেষে হাত-মুখ ধোয়ার সময় অসাবধানতাবশত নদে পড়ে যায় আরেফিন। এর পর থেকেই সে নিখোঁজ রয়েছে।

ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে স্থানীয়রাও তল্লাশি কার্যক্রমে অংশ নেন।

ওসি মাসুদ পারভেজ জানিয়েছেন, নদে প্রবল স্রোত থাকায় উদ্ধারকাজে বেগ পেতে হচ্ছে। এ কারণে চট্টগ্রাম থেকে একটি ডুবুরি দল আনা হয়েছে।

রাহাত/আজহার/

ঝিনাইদহে রেললাইন-মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবি

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
ঝিনাইদহে রেললাইন-মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবি
ছবি: খবরের কাগজ

ঝিনাইদহ জেলা শহরের পাশে রেললাইন ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

শনিবার (২০ জুন) সকালে ঘণ্টাব্যাপী শহরের পায়রা চত্বরে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

শহরের পায়রা চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করে ঝিনাইদহ জেলা মেডিকেল কলেজ, রেল লাইন বাস্তবায়ন কমিটি। এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও অংশ নেয় নানা শ্রেণি পেশার মানুষ।

এই কর্মসূচিতে সংগঠনের সভাপতি এন এম শাহজালাল, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান পিন্টু, পরিবেশবিদ খন্দকার গিয়াস উদ্দিন, বাসদ নেতা এ্যাড আসাদুজ্জামানসহ অন্যান্যরা বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও ঝিনাইদহ শহর দীর্ঘদিন ধরে রেলযোগাযোগ ও উন্নত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত। মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তা শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে শৈলকুপা উপজেলায় করা হচ্ছে। তাই জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ ও রেল লাইন স্থাপনের দাবি জানান বক্তারা।

অবিলম্বে এই ন্যায্য দাবি পূরণ করা না হলে আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।

মাহফুজুর/আমান

বরগুনায় বেড়েছে গরুর ক্ষুরা রোগ,ভ্যাকসিন সংকটে খামারিরা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম
বরগুনায় বেড়েছে গরুর ক্ষুরা রোগ,ভ্যাকসিন সংকটে খামারিরা
ছবি : বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের মিলন চন্দ্র রায়ের বাড়িতে ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত গরু

বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় গবাদিপশুর মধ্যে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে ক্ষুরা রোগ। জেলার অনেক খামারেই একের পর এক গরু আক্রান্ত হওয়ায় খামারিদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এ রোগে আক্রান্ত পশুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে ভ্যাকসিনের মজুদ না থাকা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকটের কারণে বিপাকে পড়েছেন খামারি ও পশুপালকেরা। ফলে আক্রান্ত গরুর মৃত্যু ঝুঁকির পাশাপাশি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। তবে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, আগামী জুলাই মাসের শুরুতেই ভ্যাকসিন সরবরাহ পাওয়া যাবে।

সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের মনসাতলী গ্রামের বাসিন্দা মিলন চন্দ্র রায় জানান, এ বছর তার পালন করা ছয়টি গরুই ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত হয়েছে। একই এলাকার নাসির নামে আরেক খামারির পাঁচটি গরুও আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে একটি বাছুর মারা গেছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় আরও কয়েকটি গরুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

মিলন চন্দ্র রায়ের বাড়িতে দেখা যায়, তার গরুগুলোকে আলাদা করে বেঁধে রাখা হয়েছে। গত এক মাস ধরে আক্রান্ত পশুগুলোকে সুস্থ করতে দিনরাত চেষ্টা করছেন তিনি ও তার স্ত্রী। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, ওষুধ প্রয়োগ এবং বিশেষ যত্ন নিতে হচ্ছে প্রতিটি গরুর ক্ষেত্রে।

তবে মিলন চন্দ্র রায়ের অভিযোগ, প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে কোনো ভ্যাকসিন বা ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে বেশি দামে বাজার থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে। একই অভিযোগ করেছেন এলাকার অন্যান্য খামারিরাও। দ্রুত সরকারি উদ্যোগে ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

মিলন চন্দ্র রায় বলেন, প্রায় এক মাস ধরে গরুগুলো অসুস্থ। নিজের কাজ ফেলে সারাক্ষণ গরুর দেখাশোনা করতে হচ্ছে। কোথাও সরকারি ওষুধ পাচ্ছি না, বাইরে থেকে কিনে চিকিৎসা চালাতে হচ্ছে।

তার স্ত্রী শিপু রানী বলেন, আমরা গরিব মানুষ। চিকিৎসা করাতে ইতিমধ্যে প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু কোনো সরকারি সহায়তা পাইনি।

আরেক খামারি নাসির জানান, একটি গরু আক্রান্ত হওয়ার পর একদিনের ব্যবধানে তার আরও চারটি গরু অসুস্থ হয়ে পড়ে। একটি বাছুর দ্রুত মারা যায়। প্রয়োজনীয় ওষুধের জন্য সরকারি সহায়তা না পেয়ে বাজারের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে।

সদরের পশ্চিম গুদিঘাটা এলাকার বাসিন্দা রাজিব হোসেন বলেন, এ বছর এলাকায় অসংখ্য গরু আক্রান্ত হয়েছে। চিকিৎসকেরা সরাসরি না এসে প্রেসক্রিপশন দেন, ওষুধ কিনতে হয় বাইরে থেকে। পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে থাকলেও দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

বরগুনা জেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ক্ষুরা রোগ সাধারণত বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় এবং মানুষের সংস্পর্শেও সংক্রমণ হতে পারে। কোরবানির সময় পশু পরিবহনের কারণে রোগের বিস্তার বাড়ে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে এ রোগ দেখা যাচ্ছে। আক্রান্ত পশুকে আলাদা রাখা, পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ প্রয়োগ করা জরুরি। বড় গরুর মৃত্যু ঝুঁকি কম থাকলেও ছয় মাস থেকে এক বছরের বাছুর ঝুঁকিতে থাকে।

ভ্যাকসিন সংকট প্রসঙ্গে তিনি জানান, এই মুহূর্তে আমাদের কাছে ভ্যাকসিন নেই। কোরবানির আগেই চাহিদা পাঠানো হয়েছে। আশা করছি জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে এবং তখনই টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।

মহিউদ্দিন অপু/খাদিজা রুমি/

চকরিয়ায় শ্রীরামকে অবমাননার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০২:১৭ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০২:২৮ পিএম
চকরিয়ায় শ্রীরামকে অবমাননার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
ছবি: খবরের কাগজ

গাইবান্ধায় শ্রীরামকে অবমাননা ও সারাদেশে মন্দির গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে কক্সবাজারের চকরিয়ায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা ও পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের ব্যানারে আয়োজিত এই সমাবেশ থেকে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া না হলে আরও বড় ধরনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

শনিবার (২০ জুন) বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চিরিংগা সদর এলাকার এস আর প্লাজার সামনে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সনাতন সম্প্রদায়ের শত শত মানুষ ব্যানার, ফেস্টুন হাতে অংশ নেন।

পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কক্সবাজার জেলা শাখার সহসভাপতি সুধাম কান্তি দাশ, চকরিয়া পৌরসভা শাখার সভাপতি টিটু কুমার বসাক, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সহসভাপতি তপন সুশীল, লিটন দাশ, কৈলাশ দে, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুধাংশু বিমল সুশীল, সদস্য বিজন কুমার বিশ্বাস ও দপ্তর সম্পাদক রিটন সুশীল।

বক্তারা বলেন, শ্রীরাম চন্দ্রের অবমাননা এবং গাইবান্ধাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মন্দির গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও কাপুরুষোচিত। আমরা বর্তমান সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, এ ঘটনার পেছনে জড়িত দুষ্কৃতকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হোক। অন্যথায় সনাতন সম্প্রদায় আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।

চকরিয়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ খবরের কাগজকে বলেন, আমরা সনাতন সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা চাই। বাংলাদেশে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে বসবাস করছি। সারাদেশে সনাতনীদের ওপর যে সমস্যা বা হুমকি তৈরি হচ্ছে, তা নিরসনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি কঠোর পদক্ষেপ নেন, তবে অবশ্যই সমাধান সম্ভব।

তিনি অবিলম্বে রামমন্দির পুনর্নির্মাণ এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া ধর্মীয় কার্যক্রম পুনরায় চালু করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

রাজু দাশ/থিওটোনিয়াস