রেলওয়ে রানিং স্টাফদের পার্ট অব পে রানিং অ্যালাউন্স (মাইলেজ) যোগ করে পেনশন ও আনুতোষিক প্রদানসহ বিভিন্ন দাবি পূরণ না হওয়ায় সারাদেশের মতো রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের পাকশী রেল বিভাগ থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে স্টেশনে আসা যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ১২টা থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই কর্মবিরতি শুরু হয়।
পাকশী বিভাগীয় রেল কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, খুলনা থেকে ঈশ্বরদী হয়ে সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ঢাকা, রাজশাহী, জয়দেবপুর, চাপাইনবাবগঞ্জ, ঢালারচর, সৈয়দপুর, সান্তাহারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্টেশন দিয়ে ঢাকার সঙ্গে প্রতিদিন গড়ে ৯৭টি ট্রেন চলাচল করে। এর মধ্যে আন্তঃনগর ৫৮টি, মেইল ২৭টি ও লোকাল ট্রেন রয়েছে ১২টি। সোমবার রাত ১২টা থেকে রানিং স্টাফদের কর্মবিরতি শুরু হওয়ায় পাকশী রেলবিভাগ দিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় ঈশ্বরদী জংশন স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, রেলওয়ে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা প্লাটফর্মে বসে রয়েছেন। এক ও চার নম্বর প্লাটফর্মে যাত্রীবাহী ট্রেনের বগি দাঁড় করানো থাকলেও তাতে ইঞ্জিন ছিল না। প্লাটফর্ম অনেকটা যাত্রীশুন্য। সকাল সোয়া ১০টার দিকে মাইকে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করা হয় এবং টিকিট ফেরত দিয়ে টাকা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
স্টেশন সুপার মহিউল ইসলাম জানান, রানিং স্টাফদের কর্মবিরতির কারণে ঈশ্বরদী স্টেশন থেকে কোনো ট্রেন ছেড়ে যায়নি। বাইরে থেকে কোনো ট্রেন আসেনি। সকালে কয়েকজন যাত্রী স্টেশনে আসলেও ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় বুকিং অফিসে টাকা ফেরত নিয়ে চলে যান।
জাহাঙ্গীর/তাওফিক/অমিয়/