ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
চীনের ডেইরি কারখানায় উৎপাদন বাড়াচ্ছে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি আমাদের ঘরগুলো কি রহমত শূন্য হচ্ছে? বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করবে দারাজ টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ৪টি সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা গোল করার পর কান্নার কারণ জানালেন মেসি সোনামসজিদ পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সময়মতো পূর্বাভাসেই বেঁচে যাচ্ছে চীনের জুঁই বাজেটকে একটি গোষ্ঠী গণবিরোধী বলছে: প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারে নারী-তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে মুখর জনসভা শরীয়তপুরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল মাঠে মদ্রিচ আমার ডান হাত: জ্লাতকো ডালিচ প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত পর্যাপ্ত গুরুত্ব পায়নি: সিপিডি ওয়াহিদুল হত্যার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল আদালত চত্বর ভারতে ৩ বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৬ নারী শরীয়তপুরে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের ‘আমরাই মেসির কাজটা সহজ করে দিয়েছি’, বললেন আলজেরিয়ার কোচ জয়পুরহাটে পুত্রবধুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার আর্জেন্টিনার জার্সির পেছনে ‘১৮৯৩’ লেখা থাকার কারণ কী? বিশ্বকাপ জয়ের এটাই সেরা সুযোগ: হ্যারি কেইন মেসি বন্দনায় ভাষা হারিয়েছেন স্কালোনি ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া তুরস্ক, লক্ষ্য প্যারাগুয়ে বধ নাটকীয় ম্যাচে জর্ডানকে হারাল অস্ট্রিয়া কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে আকস্মিক পরির্দশনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রথমবার ইউএনএইচসিআর ব্যুরোর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ঝিনাইদহে ১১ কোটি ব্যয়ে কসাইখানা উদ্বোধন মৌলভীবাজারে বৃষ্টি উপেক্ষা করে জনসভাস্থলে নেতাকর্মীদের ঢল ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না বেরোবিতে রিডিং রুমের কাজ অসম্পূর্ণ রেখে হলে টিভি স্থাপন, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ সংবাদ উপস্থাপক থেকে জনপ্রতিনিধি: শামীমা তন্বীর অসাধারণ অভিযাত্রা
Nagad desktop

কালো তালিকায় ৬০ মিল, জয়পুরহাটে আমন সংগ্রহ অভিযান

প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:০৪ এএম
আপডেট: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১১:৫৪ এএম
কালো তালিকায় ৬০ মিল, জয়পুরহাটে আমন সংগ্রহ অভিযান
জয়পুরহাট সদরের হিমচি বাজারের মেসার্স ভাই ভাই চালকলে সরকারি গুদামে চাল সরবরাহের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে/ খবরের কাগজ

জয়পুরহাটে চলতি আমন সংগ্রহ মৌসুমে সরকারি খাদ্যগুদামে চাল দেওয়ার চুক্তি না করায় ৬০টি হাসকিং মিলকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এমনকি তাদের লাইসেন্সও বাতিল করা হয়েছে।

সেক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলো আর তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে না। চালকল মালিকরা বলছেন, বর্তমান বাজার দরের চেয়ে সরকারি গুদামে চালের মূল্য অনেক কম। উৎপাদন খরচ অনুযায়ী তাদের কেজিপ্রতি চালে ২ টাকা থেকে ৩ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে। এতে অনেকে চাল দেওয়ার চুক্তি করেননি। আবার অনেকেই লাইসেন্স টিকিয়ে রাখতে লোকসান গুনে হলেও সরকারি গুদামে চাল দিয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জয়পুরহাট জেলায় প্রতিবছর প্রায় ৭০ হাজার হেক্টর জমিতে ধানের চাষ হয়। গেল আমন মৌসুমে এ জেলায় চাল উৎপাদন হয়েছিল দুই লাখ ৩০ হাজার টন। এর মধ্যে সরকারি খাদ্য গুদামে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১০ হাজার ৪৯২ টন। 

জেলায় মোট হাসকিং চালকল বা চাতাল রয়েছে ৩২৭টি। এর মধ্যে ২৬৭টি চাতালের মালিক ৪৭ টাকা কেজি দরে ৯ হাজার ৫৯৯ টন চাল সরকারি গুদামে সরবরাহের চুক্তি করেছিলেন। কিন্তু সরকার চাল সংগ্রহের যে মূল্য নির্ধারণ করেছে, তা বাজারের চেয়ে কম। এ জন্য ৬০টি চালকল সরকারি গুদামে চাল সরবরাহের চুক্তি করেনি। 

তারা বলছেন, উৎপাদন খরচ অনুযায়ী প্রতিকেজি চালে তাদের ৩ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হবে। এ ছাড়া গত কয়েক মৌসুমে সরকারের গুদামে চাল দিতে গিয়ে লোকসানে পড়ে অনেক মিল বন্ধ হয়ে গেছে। 

জয়পুরহাট সদরের হিচমি বাজারের চাতাল মালিক খোকন হোসেন বলেন, ‘মিলের লাইসেন্স থাকলে কী, আর না থাকলেই কী। বর্তমানে চালের যে দাম তাতে সরকারি গুদামে দিলে কেজিপ্রতি সাড়ে ৩ টাকা পর্যন্ত লোকসান হচ্ছে। প্রতিবছর যদি লাখ লাখ টাকা লোকসান হয় তাহলে ব্যবসা চালাব কীভাবে? এখন আমার চাতাল বন্ধ রয়েছে। সরকার যদি আমাদের ওপর সুদৃষ্টি দেয় তাহলে ভালো হয়।’

একই এলাকার চাতাল মালিক আলী হোসেন বলেন, ‘সরকারি মূল্যের চেয়ে বাজারে ধান-চালের দাম বেশি। তারপরও লাইসেন্স রক্ষা করতে গুদামে চাল দিয়েছি। সামনে যেন আমাদের লোকসান না হয়, এ জন্য সরকারকে বিষয়টি দেখার জন্য অনুরোধ করছি।’

ক্ষেতলাল উপজেলার নিশ্চিতা এলাকার বাসিন্দা মো. ফিরোজ বলেন, ‘প্রতিবছর সরকারি গুদামে চাল দিই। কিন্তু এ বছর ধানের দাম বেশি হওয়ায় এখনো সেখানে সব চাল দিতে পারিনি। যেহেতু ব্যবসা করতেই হবে তাই লোকসান হোক, আর লাভ হোক চাল দিতেই হবে।

জয়পুরহাট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক আনোয়ারুল হক আনু বলেন, ‘বাজারে চালের মূল্য স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বেড়েছে। কারণ উৎপাদন খরচও ছিল বেশি। তারপরও কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কৃষক যদি বাজারে ঠিকমতো ধান-চাল সরবরাহ না করেন তাহলে ধানের দাম বেড়ে যাবে। আর ধানের দাম বাড়লে চালের দামও বাড়বে।’

জয়পুরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কামাল হোসেন বলেন, ‘চলতি আমন সংগ্রহ মৌসুমে জেলা থেকে ১০ হাজার ৪৯২ টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। কিন্তু চালকল মালিকরা ৯ হাজার ৫৯৯ টন চাল দেওয়ার চুক্তি করেছিলেন। এরপর চুক্তিবিহীন মালিকদের কাছ থেকে আরও ৮৯২ টন চাল সংগ্রহ করা হয়। এ ছাড়া খাদ্য অধিদপ্তরের অন্য বরাদ্দ থেকে আরও প্রায় ৭ হাজার টন চাল সংগ্রহ করা হবে। সব মিলিয়ে জেলায় এবার মোট লক্ষ্যমাত্রা ১৭ হাজার ৩০৭ টন। এরই মধ্যে ১৪ হাজার ৩০৭ টন চাল সংগ্রহ হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত সময় রয়েছে। এরপর হয়তো আবারও কিছু সময় বাড়ানো হবে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘৬০টি চালকল চুক্তি না করায় সেগুলোকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। আর কালো তালিকাভুক্ত হওয়া মানেই লাইসেন্স বাতিল হওয়া। লাইসেন্স বাতিল হলে সেই মিলের সব কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।’

ওয়াহিদুল হত্যার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল আদালত চত্বর

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম
ওয়াহিদুল হত্যার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল আদালত চত্বর
ছবি: খবরের কাগজ

পেকুয়ার মাতামুহুরী উপজেলায় সাত বছরের শিশু ওয়াহিদুল ইসলামকে বলাৎকারের পর হত্যার সঙ্গে জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে চকরিয়ার আদালত চত্বর। 

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করার খবর পেয়ে বিক্ষুব্ধ জনতা ও ওয়াহিদুল ইসলামের সহপাঠীরা আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হয়।
​এ সময় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হয়।

​মানববন্ধনে অংশ নেওয়া মোহাম্মদ মিজান খবরের কাগজকে বলেন, সাত বছরের অবুঝ শিশুকে যেভাবে বলাৎকার ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সুস্থ মানুষ করতে পারে না। আমরা এই খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই। 

গত ১৪ জুন বিকেলে নানার বাড়ি যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের ইজিবাইকচালক তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে ওয়াহিদুল ইসলাম। নিখোঁজের দুই দিন পর মঙ্গলবার সকালে ফজুমিয়াজিরচর এলাকার একটি খাল থেকে তার হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে বলাৎকারের পর হত্যা করে খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়রা মঙ্গলবার তিনজনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। সেখান থেকে একজন স্বীকার করে তারা ওয়াহিদকে বলাৎকার করে তারপর মেরে ফেলে। আজ আসামিদের আদালতে তোলা হয়।

জনরোষ এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

​চকরিয়া থানা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, আদালতে আসামিদের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। 

রকিবুল হাসান/থিওটোনিয়াস

ভারতে ৩ বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৬ নারী

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০২:২৯ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
ভারতে ৩ বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৬ নারী
ছবি: খবরের কাগজ

ভারতে তিন বছর কারাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন ৬ বাংলাদেশি নারী। 

বুধবার (১৭ জুন) সকাল ১১টার দিকে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

ফিরে আসা নারীরা হলেন- নুসরাত মণ্ডল, ফাতেমা জিন্নাত, মিম আক্তার, সাদিয়া আক্তার, রিপা খাতুন ও আরোহী মণ্ডল। তারা যশোর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা, মাদারীপুর, টাঙ্গাইল ও চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা।

ফিরে আসা ফাতেমা জিন্নাত বলেন, ‘ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে তারা ২০২৩ সালে সীমান্তপথে অবৈধভাবে ভারতের হায়দরাবাদে যান। সেখানে বাসাবাড়ি ও বিউটি পার্লারে কাজ করার সময় দেশটির পুলিশের হাতে আটক হন তারা। পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে পাঠায়। অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আদালত তাদের তিন বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠায়। কারাভোগ শেষে ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের দায়িত্ব নিয়ে একটি শেল্টার হোমে রাখে। পরে উভয় দেশের দূতাবাসের সহযোগিতা এবং ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা বুধবার সকাল ১১টায় দেশে ফেরেন।’

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মুর্তজা আলী জানান, ভারতফেরত ৬ নারীকে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়।

জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মুহিত হোসেন বলেন, ‘ফেরত আসা নারীদের বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করে তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

নজরুল ইসলাম/রিফাত/

শরীয়তপুরে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০২:২৩ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:০৫ পিএম
শরীয়তপুরে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের
ছবি: খবরের কাগজ

শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় ভাইকে লাঠির আঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তারই ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। 

মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মিত্রসেনপট্টি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আমির হোসেন সরদার (৪৫)। তিনি উপজেলার মিত্রসেনপট্টি এলাকার মৃত গনি সরদারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমির হোসেন সরদারের বোন রাশেদা খানম সম্প্রতি এনজিও থেকে ঋণ নেন। সেই ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্য তিন হাজার টাকা ছোট ভাই সোহেল সরদারের কাছে গচ্ছিত রাখেন। তবে সেই টাকা থেকে একটি অংশ সবার অগোচরে চুরি করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠে তার আরেক ভাই জুয়েল সরদারের বিরুদ্ধে।

পরে বিষয়টি নিয়ে রাশেদা খানম ও সোহেল সরদার বড় ভাই আমির হোসেনের কাছে অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে আমির হোসেন বিষয়টি জানতে চাইলে অভিযুক্ত জুয়েল সরদার রাগান্বিত হয়ে লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন। পাশাপাশি সোহেল সরদারকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠে। মারধরে আমির হোসেনের মাথা ফেটে যায় এবং সোহেলের কান দিয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। 

ঘটনার পর স্বজনরা আহতদের প্রথমে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে আমির হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত জুয়েল সরদার।

গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান উদ্দিন বলেন, বোনের টাকা ছোট ভাই নিয়ে যাওয়ায় বড় ভাই শাসন করতে গিয়েছিল। সেখানে একপর্যায়ে ছোট ভাই জুয়েল সরদার বড় ভাই আমির হোসেনকে মাথায় লাঠির আঘাত করলে পরে তার মৃত্যু হয়। মরদেহ ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

বিধান মজুমদার/খাদিজা রুমি/

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে আকস্মিক পরির্দশনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০২:৩১ পিএম
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে আকস্মিক পরির্দশনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় স্বাস্থ্যখাতে সীমাহীন অনিয়ম, আর অর্থ লুটপাটে ভেঙ্গে পড়েছিল স্বাস্থ্য সেবা। বর্তমান সরকার তা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। কুষ্টিয়ায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: খবরের কাগজ

কুষ্টিয়ার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল হঠাৎ পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। 

বুধবার (১৭ জুন) সকাল ১০টার দিকে এ ঝটিকা সফরে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, বিভাগ ও রান্নাঘর পরিদর্শন করেন তিনি।

এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি রান্নাঘরে গিয়ে রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা খাবারের মানও পর্যবেক্ষণ করেন।

হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও অপরিচ্ছন্নতা ও রোগীদের ব্যবহৃত বাথরুমের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় স্বাস্থ্যখাতে সীমাহীন অনিয়ম, দুর্নীতি আর অর্থ লুটপাটে ভেঙে পড়েছিল স্বাস্থ্যসেবা। সেই অবস্থা থেকে বর্তমান সরকার মান বাড়ানোর পাশাপাশি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের কল্যাণের কথা চিন্তা করে নতুন হাসপাতাল স্থাপন, যন্ত্রপাতি ক্রয় ও লোকবল নিয়োগ করে স্বাস্থ্যখাতে গতি আনা হবে।

কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন অফিসে নিয়োগের অনিয়ম ও ফলাফল স্থগিতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ’দেশের অনেক জেলায় অনিয়ম হয়েছে। সেগুলো বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে।‘

এ ছাড়া কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ আগামী তিন মাসের মধ্যে চালু ও যন্ত্রপাতি সচল করার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে হাসপাতালের উন্নয়নে কার্যকর কোনো কাজ হয়নি। কাজ করলে জবাবদিহিতা থাকে, কিন্তু মানুষ যেন সেই বিষয়টিই ভুলে গিয়েছিল। যারা রাতের অন্ধকারে ভোট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে, তারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ ছিল না। আমরা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়েছি এবং প্রধানমন্ত্রী আমাদের কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই আমরা কাজ করছি। আগামী তিন মাসের মধ্যে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে।

মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনের খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হন জেলা প্রশাসক মো. তৌহিদ বিন-হাসান, পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন এবং সিভিল সার্জন ডা. এস এম কামাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মিলন উল্লাহ/থিওটোনিয়াস/

ঝিনাইদহে ১১ কোটি ব্যয়ে কসাইখানা উদ্বোধন

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০১:৩১ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
ঝিনাইদহে ১১ কোটি ব্যয়ে কসাইখানা উদ্বোধন
ছবি:খবরের কাগজ

ঝিনাইদহ পৌরসভায় সর্বাধুনিক কসাইখানার নির্মাণ কাজ শেষে উদ্বোধন করা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ‘লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়। আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গবাদিপশু জবাইয়ের লক্ষ্যে এ কসাইখানা নির্মাণ করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে কসাইখানার উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায়, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা।

ঝিনাইদহে পৌর প্রশাসক রথীন্দ্র নাথ রায় জানান, সর্বাধুনিক কসাইখানায় গরু ও ছাগল আলাদা ভাবে জবাই ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য দুটি পৃথক ‘স্লটার লাইন’ রয়েছে। স্বয়ংক্রিয় এই কসাইখানায় প্রতি ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২টি গরু এবং ২০টি ছাগল সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব।

মাহফুজুর রহমান/খাদিজা রুমি/